খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ২৭ চৈত্র, ১৪৩২

রওশন দিল আফরোজকে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি দেখতে চায় ময়মনসিংহবাসী

মামুন রণবীর | একুশে বার্তা
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:০০ অপরাহ্ণ
রওশন দিল আফরোজকে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি দেখতে চায় ময়মনসিংহবাসী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাধারণ আসনে জয়লাভের ভিত্তিতে ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল – বিএনপি। নির্বাচন কমিশনের তফশিল অনুযায়ী শিগগিরই দলীয় মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু হবে। ইতোমধ্যে শতাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী মনোনয়ন পাওয়ার আশায় সক্রিয় তৎপরতা শুরু করেছেন।

ময়মনসিংহ দক্ষিণ অঞ্চলে সংরক্ষিত নারী আসন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতোমধ্যে জোরালো আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে অ্যাডভোকেট কাজী রওশন দিল আফরোজের নাম শোনা যাচ্ছে।

দলের তৃণমূল নেতাকর্মী, সমর্থক ও স্থানীয় জনগণ তাকে সংরক্ষিত নারী এমপি হিসেবে দেখতে চান।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সমাজকল্যাণ সম্পাদিকা এবং ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক নির্বাচিত কার্যনির্বাহী সদস্য কাজী রওশন দিল আফরোজ বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে কর্মরত।

আইন পেশা ও রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকার জন্য তিনি ইতোমধ্যে নিজ এলাকায় জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন।

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া অঞ্চলে জন্ম নেয়া রওশন দিল আফরোজ শৈশব থেকেই কৃষক ও মেহনতী মানুষের জীবনসংগ্রাম প্রত্যক্ষ করেছেন।

স্থানীয় নাগরিকরা জানান, প্রান্তিক মানুষের অধিকার আদায়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সোচ্চার। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। আন্দোলনের সময় একাধিক মামলা, হামলা ও হয়রানির মুখোমুখি হলেও তিনি আপসহীন অবস্থানে অবিচল ছিলেন।

আইনজীবী সমাজে তিনি সততা ও পেশাগত দক্ষতার জন্য সমাদৃত। ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আইনজীবীদের পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় ভূমিকা রাখেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে যুক্ত থেকে মানবিক সহায়তায় সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন।

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান এইড এন্ড ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনাল এর কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদিকা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

স্থানীয়রা বলেন, জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে প্রতিনিধি মনোনীত হলে তিনি ময়মনসিংহ দক্ষিণের কৃষকসমাজ, নারী ও শিশু অধিকার এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ নানা বিষয় জাতীয় পর্যায়ে জোরালোভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হবেন।

মাদারীপুরে বৃদ্ধার দাবি: আদালতের রায় পেয়েও মিলছে না স্বামীর বাড়ির অংশ ‎

এস এম সোহাগ কাজী মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৭ পূর্বাহ্ণ
মাদারীপুরে বৃদ্ধার দাবি: আদালতের রায় পেয়েও মিলছে না স্বামীর বাড়ির অংশ ‎

মাদারীপুর সদর উপজেলার দুধখালীর বড় কান্দি এলাকার আলেকজান বেগম।স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তির ন্যায্য অংশ ফিরে পেতে ৯৫ বছর বয়সেও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেনজীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে তিনি এখন আদালত ও প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ন্যায়বিচারের আশায়।বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আলেকজান বেগম অভিযোগ করেন, তার স্বামী মৃত হামেদ হাওলাদারের মৃত্যুর পর স্বামীর অংশ বুঝে নিতে গেলে স্বামীর আপন ভাইরা বাধা দেন। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন ইসরাফিল হাওলাদার, ইব্রাহিম হাওলাদার, ইমারত হাওলাদার, রহমান হাওলাদার ও শাজাহান হাওলাদার।তিনি জানান, তার স্বামী জীবিকার তাগিদে দীর্ঘদিন মাদারীপুর সদরে বসবাস করলেও মৃত্যুর পর গ্রামের বাড়ির সম্পত্তিতে তার ন্যায্য অধিকার রয়েছে। কিন্তু সেই অংশ ভোগদখল করতে গেলে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক সেখানে ঘরবাড়ি নির্মাণ শুরু করেন।

প্রতিবাদ জানাতে গেলে তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি, জায়গা ছেড়ে না দিলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন এই বৃদ্ধা।আলেকজান বেগম আরও জানান, তার স্বামীর স্থাবর সম্পত্তির সব কাগজপত্র হালনাগাদ রয়েছে এবং আদালতের রায়ে তিনি তার প্রাপ্য অংশ পাওয়ার অধিকারী বলে প্রমাণিত হয়েছে। তবে রায় বাস্তবায়নের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে গেলে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

‎তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েকবার নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্টরা চলে যাওয়ার পর আবারও কাজ শুরু করে দখলদাররা।সংবাদ সম্মেলনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে আলেকজান বেগম বলেন, কোর্টের বারান্দায় ঘুরতে ঘুরতে আমার জীবন শেষ হয়ে যাচ্ছে। আমি আমার স্বামীর জায়গা ফেরত চাই। মরার আগে নিজের ঘরে উঠতে চাই।

তিনি অবিলম্বে আদালতের রায় বাস্তবায়ন এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।

রাবির IEEE RUSB -এর “Legacy to Leadership -2026” অনুষ্ঠিত

রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
রাবির IEEE RUSB -এর “Legacy to Leadership -2026” অনুষ্ঠিত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের IEEE University of Rajshahi Student Branch (IEEE RUSB)-এর উদ্যোগে “Legacy to Leadership: Orientation, Farewell & Recognition Ceremony 2026” শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের জামাল নজরুল ইসলাম সায়েন্স বিল্ডিংয়ের ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং গ্যালারির ১৩৩ নম্বর কক্ষে বিকাল ২টা ৪৫ মিনিটে এ অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, IEEE-এর সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি IEEE RUSB-এর নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা, পেশাগত উৎকর্ষতা এবং সংগঠনের ভবিষ্যৎ ভিশনকে সামনে রেখে পরিকল্পিত হয়। এতে নবনিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য একটি ওরিয়েন্টেশন সেশন, নতুন সদস্যদের আনুষ্ঠানিক বরণ এবং বিদায়ী এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্যদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে সংগঠনের বিশিষ্ট অ্যালামনাই, উপদেষ্টা ও অবদানকারী ব্যক্তিবর্গকে তাদের দীর্ঘমেয়াদি সমর্থন ও দিকনির্দেশনার জন্য বিশেষভাবে স্বীকৃতি জানানো হয়। IEEE-এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ যেমন : YESIST12, BracNet Presents Robotide 2.0, IEEE Day, SPICSCON 2025 এবং PROCON 2025 এর সক্রিয় অংশগ্রহণকারী সদস্যদের মাঝে সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে “Rising Leader Award 2026” এবং “Special Contributor Award 2025” শিরোনামে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়, যেখানে সংগঠনের নিবেদিতপ্রাণ ও কর্মদক্ষ সদস্যদের স্বীকৃতি জানানো হয়।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে IEEE-এর মাধ্যমে প্রযুক্তিগত জ্ঞানচর্চা, নেতৃত্ব বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে নিজেদের সক্ষমতা তুলে ধরার গুরুত্ব আলোকপাত করেন। তারা নতুন সদস্যদের উদ্ভাবনী চিন্তা, পেশাগত উন্নয়ন এবং দায়িত্বশীল নেতৃত্ব গঠনের প্রতি উৎসাহিত করেন।

IEEE RUSB-এর বর্তমান Chairperson মো. জাবির মাহমুদ লিমন বলেন, “এই আয়োজনটি আমাদের জন্য শুধু একটি আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান নয়; এটি আমাদের অতীতের সাফল্যকে ধারণ করে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তোলার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।”

মাদারীপুরে গ্রাম আদালত প্রকল্পে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি পেলেন ডাসার ও কালকিনি উপজেলা কো-অর্ডিনেটর

এস এম সোহাগ কাজী মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
মাদারীপুরে গ্রাম আদালত প্রকল্পে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি পেলেন ডাসার ও কালকিনি উপজেলা কো-অর্ডিনেটর

মাদারীপুর জেলায় ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্প’ বাস্তবায়নে বিশেষ অবদান ও কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে। ডাসার ও কালকিনি উপজেলার উপজেলা কো-অর্ডিনেটর হিসেবে কর্মক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্যের জন্য এই সম্মাননা অর্জন করেন নাসিরউদ্দিন লিটন ।

‎​স্থানীয় সরকার বিভাগ মাদারীপুরের উপপরিচালক (উপসচিব) মোছা: জেসমিন আকতার বানু নিজ কার্যালয়ে এই সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। মাদারীপুর জেলায় গ্রাম আদালতকে আরও জনবান্ধব ও কার্যকর করতে নিরলস পরিশ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।

সম্মাননা প্রদানকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গ্রাম আদালত প্রকল্পের ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার মো: আলিউল হাসানাত খাঁন। উপপরিচালক মোছা: জেসমিন আকতার বানু তার বক্তব্যে বলেন, “তৃণমূল পর্যায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গ্রাম আদালতের ভূমিকা অপরিসীম। ডাসার ও কালকিনি উপজেলায় প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে উপজেলা কো-অর্ডিনেটরের ভূমিকা প্রশংসার দাবি রাখে।”

সম্মাননা প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় নাসিরউদ্দিন লিটন  জানান, এই স্বীকৃতি কাজের প্রতি দায়বদ্ধতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আগামীতে গ্রাম আদালতের সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তিনি আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাবেন।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ডাসার ও কালকিনি উপজেলায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে গতিশীল করা এবং বিচারপ্রার্থী মানুষের আস্থা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করায় তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। এই অর্জন স্থানীয় পর্যায়ে বিচার ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণে অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে।