খুঁজুন
বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৩০ বৈশাখ, ১৪৩৩

যেকোনো মুহূর্তে রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা: সাধারণ সম্পাদক পদে এগিয়ে সাব্বির আহমেদ অন্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক | রাজশাহী
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
যেকোনো মুহূর্তে রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা: সাধারণ সম্পাদক পদে এগিয়ে সাব্বির আহমেদ অন্তর

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর যেকোনো সময় ঘোষণা হতে পারে রাজশাহী মহানগর জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন আংশিক বা পূর্ণাঙ্গ কমিটি। নতুন এই কমিটিতে শীর্ষ পদগুলোতে কারা আসছেন, তা নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে চলছে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা ও উত্তেজনা। তবে সব আলোচনা ছাপিয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে সবচেয়ে জোরালোভাবে উচ্চারিত হচ্ছে রাজশাহী নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের বর্তমান আহ্বায়ক সাব্বির আহমেদ অন্তরের নাম।

​দলীয় সূত্রে জানা যায়, রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সাব্বির আহমেদ অন্তরের সক্রিয় ভূমিকা এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা তাকে এই দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে রেখেছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলকে সুসংগঠিত করার পাশাপাশি মহানগর ছাত্রদলের প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।

তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা ও অন্তরের অবস্থান:

  • ত্যাগী নেতৃত্বের মূল্যায়ন: তৃণমূলের নেতাকর্মীরা চাইছেন, যারা বিগত দিনে হামলা, মামলা ও নির্যাতন উপেক্ষা করে দলের হাল ধরেছেন এবং রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, তারাই যেন নতুন কমিটিতে শীর্ষ পদে মূল্যায়ন পান।
  • ক্লিন ইমেজ ও সাংগঠনিক দক্ষতা: পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ এবং সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে সাব্বির আহমেদ অন্তর তরুণ নেতাকর্মীদের কাছে বেশ গ্রহণযোগ্য একটি নাম। তৃণমূলের অনেক নেতাই মনে করছেন, তাকে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হলে রাজশাহী মহানগর ছাত্রদল আরও বেশি সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হবে।

​কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, ইতোমধ্যেই পদপ্রত্যাশীদের রাজনৈতিক আমলনামা যাচাই-বাছাইয়ের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। দলের হাইকমান্ড ত্যাগী, পরীক্ষিত ও রাজপথের সাহসী নেতাদের হাতেই রাজশাহীর মতো গুরুত্বপূর্ণ মহানগরের দায়িত্ব তুলে দিতে বদ্ধপরিকর।

​এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। কে ধরছেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের হাল এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সাব্বির আহমেদ অন্তরই চূড়ান্ত হচ্ছেন কি না, তা জানতে কেন্দ্রীয় কমিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিকেই অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আছেন রাজশাহীর আপামর ছাত্রদল নেতাকর্মীরা।

রাণীশংকৈলে নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বৈশাখী মেলার  উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৯:৪৯ পূর্বাহ্ণ
রাণীশংকৈলে নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বৈশাখী মেলার  উদ্বোধন

জেলা প্রতিনিধি :বাংলার হাজার বছরের লোকজ ঐতিহ্য, গ্রামীণ সংস্কৃতি ও উৎসবের চিরচেনা আবহে প্রাণ ফিরে পেয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা।

বর্ণিল আয়োজন, মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং হাজারো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী ৩৩তম বৈশাখী মেলা।

সোমবার (১১ মে) রাত ৯টায় পৌর শহরের ডিগ্রি কলেজ মাঠে ১০ দিনব্যাপী এ মেলার আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করা হয়। পৌর বিএনপির সভাপতি ও মেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শাহাজাহান আলীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মেলার মূল ফটকে ফিতা কেটে এবং মাঠের ভেতরে বর্ণিল বেলুন উড়িয়ে ঐতিহাসিক এ মেলার উদ্বোধন করেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সাবেক সাংসদ জাহিদুর রহমান।

ঠাকুরগাঁওয়ে টুম্পা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনে অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে টুম্পা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনে অনিয়মের অভিযোগ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া ইউনিয়নের ঘনি বিষ্ণপুর এলাকার বাসিন্দা মোছা:টুম্পা মনি পিতা:- মোঃ সাদেকুল ইসলাম

মাতা:- মোছাঃ আসমা বেগম
জন্মতারিখ- ২২/১০/১৯৯৩
ঠিকানা:- ঘনি বিষ্ণপুর, রুহিয়া, ঠাকুরগাঁও

লাস্যময়ী টুম্পা মনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দোকানদার এবং কি ধনী লোককে ফাঁদে ফেলে টাকা নিয়ে টাকা আর দেয় না।টাকা চাইলে পরবর্তীতে উল্টা আরো হুমকি ধামকি দেয়।
এই মহিলা কে বিভিন্নভাবে আবু নামে একজন সহযোগিতা করে আসছে। এদের বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সময় কয়েকজন ব্যবসায়ী ও স্থানীয় ব্যক্তি আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন।
স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ নেওয়ার পর তা ফেরত না দেওয়া এবং টাকা ফেরত চাইলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক লিখিত অভিযোগ বা প্রশাসনিক তদন্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে এলাকাবাসীর একাংশ বলছেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত টুম্পার সাথে বার বার যোগাযোগ করা হলেও টুম্পা এব্যাপার এ কোন বক্তব্য দিতে রাজী হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা জনমাধ্যমে অভিযোগ প্রকাশের আগে যথাযথ প্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়ার অনুসরণ জরুরি। তারা বলছেন, এতে যেমন প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে, তেমনি কারও সম্মানহানির ঝুঁকিও কমবে।
প্রশাসনের প্রতি এলাকাবাসীর আহ্বান অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

ডাসারে গ্রাম আদালতের ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ‎​

এস এম সোহাগ কাজী মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধ
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৬:৫০ অপরাহ্ণ
ডাসারে গ্রাম আদালতের ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ‎​

মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলায় ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়)’ প্রকল্পের অধীনে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরদের নিয়ে ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১১ মে) সকালে উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

‎​উপজেলা গ্রাম আদালত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাকিয়া সুলতানা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, “গ্রাম আদালতের সকল নথি ও রেজিস্টার সর্বদা হালনাগাদ রাখতে হবে। আমি নিজে এখন থেকে নিয়মিত প্রতিটি ইউনিয়ন পরিদর্শন করে এই নথিগুলো যাচাই করব।”

‎​ইউএনও আরও জোর দিয়ে বলেন, গ্রাম আদালতের এখতিয়ারভুক্ত কোনো মামলা বাইরে সালিশ করা যাবে না। সকল বিচারিক কার্যক্রম ইউনিয়ন পরিষদের নির্ধারিত এজলাসেই সম্পন্ন করতে হবে। সাধারণ মানুষকে গ্রাম আদালত সম্পর্কে সচেতন করতে স্থানীয় হাট-বাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘আউটরিচ’ কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেন তিনি। প্রতি মাসে অন্তত পাঁচটি করে মামলা নিষ্পত্তির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশকে তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে যাতে সাধারণ মানুষ দ্রুত ও সঠিক বিচার পায়।

‎​সভায় প্রকল্পের ডাসার ও কালকিনি উপজেলা কো-অর্ডিনেটর নাসির উদ্দিন লিটন বিগত তিন মাসের (জানুয়ারি ২০২৬ হতে মার্চ ২০২৬) কার্যক্রমের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি জানান, গত তিন মাসে ডাসার উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে মোট ৫২টি মামলা দায়ের হয়েছে এবং ৫২টি মামলাই সফলভাবে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে সর্বমোট ১২ লাখ ৭৭ হাজার টাকা আদায় করে দেওয়া হয়েছে।

‎​বিগত তিন মাসে ১৮টি মামলা নিষ্পত্তি করে বিশেষ কৃতিত্ব দেখানোর জন্য বালিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব সহকারীকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

‎​”অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে, সঠিক বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে”— এই স্লোগানকে সামনে রেখে প্রান্তিক মানুষের বিচারিক সেবা নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।