খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁওয়ে ফুয়েল কার্ডে শৃঙ্খলা ফিরলেও দীর্ঘ লাইনে ভোগান্তি

MD JAMIL HASAN
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে ফুয়েল কার্ডে শৃঙ্খলা ফিরলেও দীর্ঘ লাইনে ভোগান্তি

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য।

জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’

এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে।

রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।”

অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না।

তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

রাবির খুলনা জেলা সমিতির সভাপতি ফয়সাল, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী

রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
রাবির খুলনা জেলা সমিতির সভাপতি ফয়সাল, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী

‘বাঘের গর্জন নদীর বাঁকে, ঐক্য মোদের প্রাণের ডাকে’ এই স্লোগানকে ধারণ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) অধ্যয়নরত খুলনা জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন এর ২০২৬-২০২৭ সেশনের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নবগঠিত কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ফয়সাল আলমকে সভাপতি এবং ফার্সি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি শাহরিয়ার অনিক (ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগ) ও তটিনী তারান্নুম (ফিশারিজ বিভাগ)। যুগ্ম সম্পাদক পদে রয়েছেন শাহ্ নেওয়াজ শেখ (মার্কেটিং বিভাগ), নাফিজ নেওয়াজ তূর্য (হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগ) এবং কৌশিক আহমেদ অভি (মার্কেটিং বিভাগ)। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এস. কে. নাহিদ হাসান (ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ) ও জিলকর নবাব (মার্কেটিং বিভাগ)।

এছাড়া কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তানজিম আহমেদ অভি (হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগ)। প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নাফিসা মৃদুলা (ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ) ও আসাদুল্লাহ আল গালিব (ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ)। দপ্তর সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ঐশ্বর্য মণ্ডল (আইন বিভাগ)।

এক বছরের জন্য গঠিত এ কার্যনির্বাহী কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত খুলনা জেলার শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সাংগঠনিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংগঠনটির সদস্যরা।

রাণীশংকৈলে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৮:৫৬ পূর্বাহ্ণ
রাণীশংকৈলে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ 

জেলা প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌর শহরের ৮নং ওয়ার্ডের নয়নপুর কলোনী পাড়ায় ভয়াবহ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একটি বসতঘর সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

বুধবার (সন্ধ্যা) আনুমানিক ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়ির রান্নাঘরে রান্নারত অবস্থায় হঠাৎ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হলে মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার সময় পরিবারের সদস্যরা ঘরের বাইরে থাকায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তবে অল্পের জন্য বড় ধরনের হতাহতের হাত থেকে রক্ষা পান তারা।
স্থানীয়দের ধারণা, গ্যাস লাইনের পাইপে লিকেজ থাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক মো: দুলাল হোসাইন (৫৯), পিতা: মৃত আইয়ুব আলী।
খবর পেয়ে রাণীশংকৈল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে ঘরের আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়, খাদ্যসামগ্রীসহ সবকিছুই পুড়ে যায়। এতে পরিবারটি নিঃস্ব হয়ে পড়ে।
বর্তমানে পরিবারটি খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। স্থানীয়রা ক্ষতিগ্রস্ত দুলাল পরিবারকে সহায়তায় এগিয়ে আসতে সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

শাশুড়ীর লাশ দাফন:বাড়ি ফেরার পথে জামাই পরপারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৮:৫৩ পূর্বাহ্ণ
শাশুড়ীর লাশ দাফন:বাড়ি ফেরার পথে জামাই পরপারে

জেলা প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় শাশুড়ীকে দাফন করে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় জামাই আব্দুস সামাদ(৫০) নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। একই ঘটনায় স্ত্রী মর্জিনা বেগম (৪৫) গুরুতর আহত হয়েছেন।

নিহত আব্দুস সামাদ পার্শ্ববর্তী বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার গান্ডিগাড়ি গ্রামের মৃত কলিম উদ্দিনের ছেলে ও ডাক্তার আবুল কাশেমের চাচাতো ভাই। বুধবার (২০মে) রাত ৯ টায় উপজেলার মীরডাংঙ্গী টেকিয়া মহেশপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহতের ভাই আব্দুল কাদের জানান, তিন ভাই সহ পরিবারের সকলে রাণীশংকৈলে উপজেলার জওগাও গ্রামে ভাইয়ের শাশুরি কে দাফন শেষে বাড়ি ফেরার পথে মীরডাংঙ্গী টেকিয়া মহেশপুর নামক স্থানে রাস্তার উপর একটি ট্রাক্টর দাঁড়িয়ে ছিল। আমরা তিন ভাই এক সাথে আলাদা আলাদা মোটর সাইকেল নিয়ে বাড়ি ফিরছিলাম এসময় আচমকা ট্রাকের পিছন থেকে আসা মোটরসাইকেলটি আমার ভাই ধাক্কা দেয়। সে পড়ে যায় এবং গুরুতর আহত হয়। আমরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি মারা যায়। আমার ভাবিও একই গাড়িতে ছিল তিনিও গুরুতর আহত হয়। তাকে ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুরে স্থানান্তর করেছেন।
এ প্রসঙ্গে থানা অফিসার ইনচার্জ আমানুল্লাহ আল বারী মুঠোফোনে বলেন, লাশ বর্তমানে হাসপাতালের হেফাজতে রয়েছে,অভিযোগ কারীরা চাইলে মামলা হবে না চাইলে জিডি মূলে ছেড়ে দেওয়া হবে।