খুঁজুন
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাল্যবিয়ে ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।

জহিদুল্লাহ খান চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ, ২০২৫, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাল্যবিয়ে ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাল্যবিয়ে ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে স্থানীয় অংশীজনদের জন্য একটি ওরিয়েন্টেশন ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের *সোশ্যাল অ্যান্ড বিহেভিয়ার চেঞ্জ
প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এই ওরিয়েন্টেশনে অংশগ্রহণ করেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, স্বাস্থ্য ও সমাজকর্মী, শিশু ও যুব সমাজের প্রতিনিধিরা, এবং ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ।

কর্মসূচির সভাপতিত্ব করেন* সদর উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন। এসময় আলোচনায় অংশ নেন, আলহাজ আব্দুস সামাদ কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের ফিল্ড সুপারভাইজার এ.বি.এম.জি. কিবরিয়া, সোশ্যাল অ্যান্ড বিহেভিয়ার চেঞ্জ প্রকল্পের ব্যবস্থাপক উত্তম মন্ডল, আব্দুর রহিমসহ অন্যরা।

*বক্তারা* এই কর্মসূচিতে বাল্যবিয়ে ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যক্রম আরও জোরদার করার জন্য উপস্থিত সবাইকে আহ্বান জানান। বক্তারা মনে করেন, সমাজে সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে বাল্যবিয়ে, শিশু ধর্ষণ, এবং অন্যান্য সহিংসতা রোধ করা সম্ভব।
এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল, স্থানীয় জনগণের মাঝে সচেতনতা তৈরি করা এবং শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো।

সকল অংশগ্রহণকারী এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা পালন করার অঙ্গীকার করেন।

দিনাজপুরে স্বামীর সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ, সন্তানসহ নিরাপত্তাহীনতায় বিধবা নারী

মাসুদুর রহমান, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি।
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
দিনাজপুরে স্বামীর সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ, সন্তানসহ নিরাপত্তাহীনতায় বিধবা নারী

দিনাজপুর শহরে স্বামীর মৃত্যুর পর তার সম্পত্তিতে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা, ভরণ-পোষণ না দেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে কোতোয়ালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক বিধবা নারী।
অভিযোগকারী মোছাঃ হোসনে আরা হাসি (৩৭) দিনাজপুর শহরের নিমনগর বালুবাড়ী এলাকার বাসিন্দা। তিনি জানান, প্রায় ১৪ বছর আগে মৃত রবিউল ইসলামের সঙ্গে রেজিস্ট্রি কাবিননামার মাধ্যমে তার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের এক পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করে, যার বয়স বর্তমানে ১০ বছর।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, বিয়ের পর থেকে স্বামী তাকে ও সন্তানকে শহরের একটি ভাড়া বাসায় রেখে সংসার পরিচালনা করতেন। গত ৭ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে রবিউল ইসলাম স্ট্রোক করে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই তার দেবর, স্বামীর প্রথম স্ত্রী ও অন্যান্য স্বজনেরা তাকে এবং তার শিশুসন্তানকে সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করার অপচেষ্টা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি দাবি করেন, দিনাজপুর কোতোয়ালী থানার পুলহাট এলাকায় অবস্থিত স্বামীর মালিকানাধীন “পূরবী হাসকিং মিল” ও মিলের লাইসেন্স নিজেদের নামে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে স্বামীর মৃত্যু সনদপত্রও তাকে দেওয়া হচ্ছে না।
হোসনে আরা হাসি আরও অভিযোগ করেন, তিনি ও তার ছেলে আইনগতভাবে মৃত রবিউল ইসলামের উত্তরাধিকারী হলেও তাদের বাদ দিয়ে অন্যদের নামে ওয়ারিশ সনদপত্র তৈরি বা প্রস্তুতের চেষ্টা করা হচ্ছে।
এছাড়া, সন্তানের ভরণ-পোষণ ও নিজের ন্যায্য প্রাপ্য দাবি করলে অভিযুক্তরা তা দিতে অস্বীকার করেন। এমনকি তার শাশুড়ির সঙ্গে দেখা করতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যায় মোবাইল ফোনে ভরণ-পোষণ ও সম্পত্তির অংশ দাবি করলে তাকে গালিগালাজ করা হয় এবং মামলা করলে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। প্রয়োজনে মারধর ও খুনজখম করারও ভয়ভীতি দেখানো হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ ঘটনায় তিনি নিজের ও সন্তানের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
কোতোয়ালী থানার একটি সূত্র জানায়, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৭ অপরাহ্ণ
উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা
  • স্টাফ রিপোর্টার, নির্বাচন কমিশন (ইসি) শিগগিরই উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে যাচ্ছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরে জনপ্রতিনিধিদের অপসারণের পর এসব নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।
    স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) এবং সিটি করপোরেশন-পৌরসভা নির্বাচনের পর ধাপে ধাপে উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অনেক সূত্র অনুসারে, ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন জুলাই ২০২৬ থেকে শুরু হতে পারে। প্রথম ধাপে ২০৪টির মতো ইউনিয়নে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।
    উপজেলা পরিষদ নির্বাচনও একই সময়ের কাছাকাছি বা তার পরে চার ধাপে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন থেকে সুনির্দিষ্ট তারিখ বা পূর্ণ তফসিল ঘোষণা করা হয়নি। ইসি সূত্র জানিয়েছে, সিটি করপোরেশন নির্বাচন (জুন মাসে সম্ভাব্য) শেষ হলে উপজেলা-ইউনিয়ন নির্বাচনের রোডম্যাপ চূড়ান্ত করা হবে।
    গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
    দলীয় প্রতীক: বর্তমান সরকারের অধীনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের বিধান বাতিল করা হয়েছে। নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে।
    প্রস্তুতি: নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে। আচরণবিধি ও গেজেট প্রকাশের কাজ চলমান।
    পর্যায়ক্রম: সিটি করপোরেশন → পৌরসভা → উপজেলা পরিষদ → জেলা পরিষদ → ইউনিয়ন পরিষদ।
    নির্বাচন কমিশন শিগগিরই বিস্তারিত তফসিল ঘোষণা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভোটারদের সচেতনতা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

দুর্গাপুরে বাড়িঘরে হামলা, হত্যাচেষ্টা ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় মামলা, সর্বোচ্চ বিচার দাবি

নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০২ অপরাহ্ণ
দুর্গাপুরে বাড়িঘরে হামলা, হত্যাচেষ্টা ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় মামলা, সর্বোচ্চ বিচার দাবি

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে বাড়িঘরে হামলা, হত্যাচেষ্টা ও নারীদের শ্লীলতাহানির ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ বিচার দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

উপজেলার গাওকান্দিয়া ইউনিয়নের ভাদুয়া গ্রামে গত ৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার সকালে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামী আব্দুল হাকিম, আব্দুল মন্নান,লালচান, জিয়াউর রহমান, মিনকুল সহ অভিযুক্ত ১১জন অত্যন্ত কলহপ্রিয়, দাঙ্গাবাজ, দুর্লোভী ও ক্ষতিকারক লোক। তারা ন্যায় অন্যায়ের কোন পরোয়া করে না। তাদের মধ্যে আব্দুল মনান্ন,জিয়াউর রহমান,মিনকুল ইসলাম প্রায় সময়ই তাদের বাড়িতে উচ্চশব্দে সাউন্ড বক্সে গান বাজায়, যার ফলে নামাজের সময়ে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।

মামলার অভিযোগ থেকে আরো জানা যায়, হামলার ঘটনার আগের দিন এশার নামাজের সময়ে মিনকুল ইসলাম তাদের বাড়িতে উচ্চ শব্দে সাউন্ড বক্স বাজাচ্ছিলেন। এসময় নামাজ আদায়ে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিবেশী হেলেনা খাতুন, মিনকুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে নামাজের সময়ে সাউন্ড বক্স বাজানোর জন্য নিষেধ করলে মিনকুল ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করে। তখন আশপাশের লোকজন এসে বিষয়টি ফয়সালা করে দেয়। তবে মিনকুল অপরাপর আসামীদের নিয়ে ষড়যন্ত্র করতে থাকে। ঘটনার জের ধরে পরদিন সকালে আসামীরা নিজ নিজ হাতে দা, চাইনিজ কুড়াল, কাঠের রুল, লাঠি ইত্যাদি ধারালো অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হেলেনা খাতুন ও তার শাশুড়ি ফাতেমা খাতুনের বাড়িতে হামলা চালায়। এসময় স্থানীয় জিয়াউর রহমান তার হাতে থাকা রাম দা দিয়ে খুন করার উদ্দেশ্যে হেলেনা খাতুনের স্বামী উরমত আলীর মাথার বাম পার্শ্বে উপর অংশে কুপ দিয়ে গুরুতর কাঁটা রক্তাক্ত জখম করে। এসময় উরমত বারান্দায় লুটিয়ে পড়লে আব্দুল হাকিম তার হাতে থাকা ধারালো চাইনিজ কুড়াল দিয়ে খুন করার উদ্দেশ্যে মাথার ডান পার্শ্বে উপর
অংশে কুপ দিয়ে গুরুতর কাঁটা রক্তাক্ত জখম করে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মতিউর রহমান বলেন, এই মামলার আসামী মিলন মিয়া তার হাতে ধারালো চাকু দিয়ে খুন করার উদ্দেশ্যে উরমত আলীর গলায় ফেস দিতে উদ্যত হলে তিনি বাম হাতে ফিরালে চাকুর ফেস লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে বাম হাতের কব্জির উপর অংশে লেগে মারাত্মক কাঁটা রক্তাক্ত জখম হয়। এসময় হেলেনা খাতুন তার স্বামীকে রক্ষা করতে চাইলে আব্দুল হাকিম,লালচান ও আলমগীর হোসেন চুলের মুঠি ও পড়নের কাপড় ধরে টানা হেচড়া করে কাপড় ছিঁড়ে ফেলে এবং তার শ্লীলতাহানি ঘটায়।

স্থানীয় বাসিন্দা শুক্কুর আলী বলেন, ঘটনার একপর্যায়ে আসামীগণ তাদের হাতে থাকা দা দিয়ে কুপিয়ে ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে বসতঘরের ক্ষতিসাধন করে। এই ঘটনায় ডাক-চিৎকার ও হৈহল্লা শুনে আশপাশের লোকজন চলে এলে আসামীগণ পালিয়ে যায়। এসময় তারা খুন করার হুমকি দিয়ে যায়।

এই হামলার ঘটনায় গুরুতর জখম উরমত আলী,হেলেনা খাতুন ও হাসি আক্তার বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মুঠোফোনে উরমত আলী বলেন, আমি ও আমার পরিবারের উপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ বিচার চাই। এই হামলা খুব ন্যাক্কারজনক। আমি স্থানীয় প্রশাসন সহ সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমি বর্তমানে প্রাণ শঙ্কায় আছি।

ভাদুয়া গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা মাওলানা উবায়দুল্লাহ বলেন, আব্দুল মন্নান, মিনকুল,লালচান খুবই বাজে প্রকৃতির লোক। তারা নিজেরা ঘটনা ঘটিয়ে অন্যদের ফাঁসিয়ে দেয়। এছাড়া উচ্চশব্দে রাতদিন গান বাজিয়ে এলাকার মানুষদের ডিস্টার্ব করে। তাদের কারণে ঠিকমতো নামাজ-কালাম পড়া যায়না। তারা ধর্ম-কর্ম মানে না। এলাকাবাসী তাদের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ। আমরা প্রশাসন ও সরকারের কাছে এর সুষ্ঠু বিহীত চাই।

দুর্গাপুর থানার ওসি কামরুল হাসান বলেন, পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মামলাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।