খুঁজুন
, ,

দুর্গাপুরে বাড়িঘরে হামলা, হত্যাচেষ্টা ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় মামলা, সর্বোচ্চ বিচার দাবি

নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০২ অপরাহ্ণ
দুর্গাপুরে বাড়িঘরে হামলা, হত্যাচেষ্টা ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় মামলা, সর্বোচ্চ বিচার দাবি

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে বাড়িঘরে হামলা, হত্যাচেষ্টা ও নারীদের শ্লীলতাহানির ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ বিচার দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

উপজেলার গাওকান্দিয়া ইউনিয়নের ভাদুয়া গ্রামে গত ৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার সকালে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামী আব্দুল হাকিম, আব্দুল মন্নান,লালচান, জিয়াউর রহমান, মিনকুল সহ অভিযুক্ত ১১জন অত্যন্ত কলহপ্রিয়, দাঙ্গাবাজ, দুর্লোভী ও ক্ষতিকারক লোক। তারা ন্যায় অন্যায়ের কোন পরোয়া করে না। তাদের মধ্যে আব্দুল মনান্ন,জিয়াউর রহমান,মিনকুল ইসলাম প্রায় সময়ই তাদের বাড়িতে উচ্চশব্দে সাউন্ড বক্সে গান বাজায়, যার ফলে নামাজের সময়ে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।

মামলার অভিযোগ থেকে আরো জানা যায়, হামলার ঘটনার আগের দিন এশার নামাজের সময়ে মিনকুল ইসলাম তাদের বাড়িতে উচ্চ শব্দে সাউন্ড বক্স বাজাচ্ছিলেন। এসময় নামাজ আদায়ে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিবেশী হেলেনা খাতুন, মিনকুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে নামাজের সময়ে সাউন্ড বক্স বাজানোর জন্য নিষেধ করলে মিনকুল ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করে। তখন আশপাশের লোকজন এসে বিষয়টি ফয়সালা করে দেয়। তবে মিনকুল অপরাপর আসামীদের নিয়ে ষড়যন্ত্র করতে থাকে। ঘটনার জের ধরে পরদিন সকালে আসামীরা নিজ নিজ হাতে দা, চাইনিজ কুড়াল, কাঠের রুল, লাঠি ইত্যাদি ধারালো অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হেলেনা খাতুন ও তার শাশুড়ি ফাতেমা খাতুনের বাড়িতে হামলা চালায়। এসময় স্থানীয় জিয়াউর রহমান তার হাতে থাকা রাম দা দিয়ে খুন করার উদ্দেশ্যে হেলেনা খাতুনের স্বামী উরমত আলীর মাথার বাম পার্শ্বে উপর অংশে কুপ দিয়ে গুরুতর কাঁটা রক্তাক্ত জখম করে। এসময় উরমত বারান্দায় লুটিয়ে পড়লে আব্দুল হাকিম তার হাতে থাকা ধারালো চাইনিজ কুড়াল দিয়ে খুন করার উদ্দেশ্যে মাথার ডান পার্শ্বে উপর
অংশে কুপ দিয়ে গুরুতর কাঁটা রক্তাক্ত জখম করে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মতিউর রহমান বলেন, এই মামলার আসামী মিলন মিয়া তার হাতে ধারালো চাকু দিয়ে খুন করার উদ্দেশ্যে উরমত আলীর গলায় ফেস দিতে উদ্যত হলে তিনি বাম হাতে ফিরালে চাকুর ফেস লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে বাম হাতের কব্জির উপর অংশে লেগে মারাত্মক কাঁটা রক্তাক্ত জখম হয়। এসময় হেলেনা খাতুন তার স্বামীকে রক্ষা করতে চাইলে আব্দুল হাকিম,লালচান ও আলমগীর হোসেন চুলের মুঠি ও পড়নের কাপড় ধরে টানা হেচড়া করে কাপড় ছিঁড়ে ফেলে এবং তার শ্লীলতাহানি ঘটায়।

স্থানীয় বাসিন্দা শুক্কুর আলী বলেন, ঘটনার একপর্যায়ে আসামীগণ তাদের হাতে থাকা দা দিয়ে কুপিয়ে ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে বসতঘরের ক্ষতিসাধন করে। এই ঘটনায় ডাক-চিৎকার ও হৈহল্লা শুনে আশপাশের লোকজন চলে এলে আসামীগণ পালিয়ে যায়। এসময় তারা খুন করার হুমকি দিয়ে যায়।

এই হামলার ঘটনায় গুরুতর জখম উরমত আলী,হেলেনা খাতুন ও হাসি আক্তার বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মুঠোফোনে উরমত আলী বলেন, আমি ও আমার পরিবারের উপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ বিচার চাই। এই হামলা খুব ন্যাক্কারজনক। আমি স্থানীয় প্রশাসন সহ সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমি বর্তমানে প্রাণ শঙ্কায় আছি।

ভাদুয়া গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা মাওলানা উবায়দুল্লাহ বলেন, আব্দুল মন্নান, মিনকুল,লালচান খুবই বাজে প্রকৃতির লোক। তারা নিজেরা ঘটনা ঘটিয়ে অন্যদের ফাঁসিয়ে দেয়। এছাড়া উচ্চশব্দে রাতদিন গান বাজিয়ে এলাকার মানুষদের ডিস্টার্ব করে। তাদের কারণে ঠিকমতো নামাজ-কালাম পড়া যায়না। তারা ধর্ম-কর্ম মানে না। এলাকাবাসী তাদের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ। আমরা প্রশাসন ও সরকারের কাছে এর সুষ্ঠু বিহীত চাই।

দুর্গাপুর থানার ওসি কামরুল হাসান বলেন, পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মামলাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

মাদারগঞ্জে কালবেলা’র সাংবাদিক আকন্দ সোহাগের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জে কালবেলা’র সাংবাদিক আকন্দ সোহাগের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

জামালপুর প্রতিনিধি:জামালপুরের মাদারগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা মোঃ আবু সাঈদ সুজন (৩৬) ২১ অক্টোবর সন্ধ্যায় মাদারগঞ্জ মডেল থানায় এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ করেন।

​অভিযোগে কালবেলা’র প্রতিনিধি আকন্দ সোহাগকে (২৭) কে বিবাদী করা হয়েছে। সোহাগ উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের মোসলেমাবাদ আইগেনি পাড়া হোসেন আলী আকন্দের ছেলে।
​অভিযোগপত্র ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, আবু সাঈদ সুজন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন ও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। এর জের ধরে স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতকারীর সঙ্গে তাঁর বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগকারীর দাবি, সেই সূত্র ধরে আকন্দ সোহাগ সুজনের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সোহাগ ক্ষিপ্ত হন এবং তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার ও অপপ্রচারের হুমকি দেন। পরবর্তীতে সোহাগের ব্যবহৃত নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে ওই বিএনপি নেতার নামে অশ্লীল ও মানহানিকর বিভিন্ন বার্তা ও পোস্ট প্রচার করা হয়।
উল্লেখ্য যে, আনুমানিক ৩ মাস পূর্বে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় আরেকটি চাঁদাবাজির অভিযোগ হয়েছিল কালবেলার সাংবাদিক আকন্দ সোহাগ এর বিরুদ্ধে। পরে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে সেটা থেমে যায়। আনুমানিক ২০২২ সালে সাংবাদিকতায় এসেই মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয় এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নির্ভিক সাংবাদিকতা পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকায় মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের এক জরুরী সভায় ২৭ অক্টোবর/২০২২ ইং তারিখে সভাপতি/ সেক্রেটারি স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে সদস্য এবং সাধারণ সদস্য পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়। বছর দুয়েক পূর্বে নারী সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ও নির্লজ্জের মতো জনসম্মুখে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় তাকে।
​ভুক্তভোগী আবু সাঈদ সুজন বলেন, “এ ধরনের ভিত্তিহীন ও কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচারের কারণে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে আমার সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানাচ্ছি।”

​তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আকন্দ সোহাগ। মুঠোফোনে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি তাঁর (আবু সাঈদ সুজন) বাড়ি চিনিই না, সেখানে চাঁদাবাজির জন্য কেন যাব? আমি শুধু তাঁর বক্তব্য ফোনের মাধ্যমে নিয়েছিলাম, যার প্রমাণ আমার কাছে সংরক্ষিত আছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে এই লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এসব নিয়ে আমি বিচলিত নই এবং এতে আমার কোনো সমস্যা হবে না।”
​এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মোহাম্মদ আবুল হাসেম জানান, লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ণ
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন
  • বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: ‘মারে ভাসাইয়া জলে, কি ধন লইয়া জাইমু ঘরে। ঘরে গিয়া মা বলিব কারে গো’ গানের তালে তালে সুরমা নদীতে প্রতিমা বির্সজনের মধ্য দিয়ে সিলেটের বিশ্বনাথে ৬ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রতি বছর উপজেলা পরিষদ ঘাটে পৌর শহরের ৪টি প্রতিমা বিসর্জন করা হলেও এবছর বাসিয়া নদীর পানি ব্যাপকহারে কমে যাওয়ার ফলে সেখানে কোন প্রতিমা বিসর্জন করা হয়নি। পৌর শহরের ওই ৪টি প্রতিমা’সহ লামাকাজী ইউনিয়নের ৪টি মন্ডপের প্রতিমা’সহ ৮টি প্রতিমা দিঘলী গ্রাম এলাকায় সুরমা নদীতে প্রতিমা বিসর্জন করেন।
    বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে পৌর শহরের ৪টি মন্ডপের নেতৃবৃন্দ নিজেদের প্রতিমা নিয়ে প্রজেশন আকারে দিঘলী গ্রামস্থ প্রতিমা বিসর্জন স্থলে গিয়ে ওই এলাকার ৪টি মন্ডপের প্রতিমার সাথে সাথে নিজেদের প্রতিমা বিসর্জন করেন। প্রায় শুকিয়ে যাওয়া বাসিয়া নদীতে পানির পরিমাণ কমে যাওয়াটা যেনে সনাতন ধর্মালম্বীদের কাছে আরেকটি মিলনমেলায় পরিণত হয়। তাই ৮টি প্রতিমা বিসর্জনে প্রত্যেক মন্ডপের নেতৃবৃন্দ মিলেমিশে একাকার হয়ে যান।
    সরকারি বিধি-নিষেধের পাশাপাশি পূজা উদযাপন পরিষদের নিয়ম-নীতি মেনে উপজেলা ও পৌর শহরে অনুষ্ঠিত ২৬টি পূজামন্ডপের নেতৃবৃন্দ নিজেদের সুবিধামতো স্থানে প্রতিমা বিসর্জন সুষ্ঠ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করে ঘরে ফেরার ফলে সনাতন ধর্মালম্বীদের মনে বইছে আনন্দের বন্যা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরাসরি মনিটরিং করা হয় প্রতিমা বিসর্জন কার্যক্রম।
    শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতিমা বিসর্জনের সময় লামাকাজী ইউনিয়নের দিঘলী গ্রামে সুরমা নদীর তীরে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান, রামসুন্দর সরকারি অগ্রগামী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নবেন্দু জ্যোতি দে, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি তাপস দাশ পুরকায়স্থ, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সদস্য নিশি কান্ত পাল, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাবেক সহ সভাপতি রুপক কুমার দে, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য বাদল দেব, সুব্রত ধর বাপ্পী, সভাপতি সুনিল কান্তি দে, সহ সভাপতি বিজয় দে, সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে, যুগ্ম সম্পাদক গোবিন্দ মালাকার, কাজল মালাকার, কোষাধ্যক্ষ প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন দেব, দপ্তর সম্পাদক প্রনয় পাল বাপন, সহ দপ্তর সম্পাদক মিন্টু মালাকার, প্রচার সম্পাদক অজিত দেব, গণসংযোগ সম্পাদক শুভরাজ চন্দ, সহ গণসংযোগ সম্পাদক বিজয় চন্দ দে, সদস্য সুভাষ চন্দ্র দেব, নেপাল দেব, বিজয় বৈদ্য বারিন্দ্র, অজয় দেব, সৌমিত্র ধর মিশু, ধ্রুব জ্যোতি দে উজ্জল প্রমুখ’সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গ।
    সুষ্ট, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সিলেটের বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন হওয়ার জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন, থানা প্রশাসন, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সমগ্র উপজেলাবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশ্বনাথ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুনিল কান্তি দেও সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে।

মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন ও লিফলেট বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন ও লিফলেট বিতরণ

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ,জামালপুর প্রতিনিধি:জামালপুরের মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে চর সগুনা বাজার থেকে শুরু করেন ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম খান শত শত কর্মী সমর্থক নিয়ে অত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোটরসাইকেল শো-ডাউন করেন তিনি। চর সগুনা বাজার, কাহেতপাড়া বাজার, বাংলা বাজার, বীর ঘোষেরপাড়া করিমুজ্জামান মোড়, ঘোষের পাড়া মিলন বাজার, সবিলাপুর আইনলের মোড়, বেলতৈল বাজার, গুদার বাজার, বাগবাড়ী হাইস্কুল মোড় আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরেন এবং লিফলেট বিতরণ করেন পরে নিজবাড়ী প্রাঙ্গণে এসে শো ডাউন শেষ করেন। প্রার্থীর সাথে কর্মী সমর্থকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তিনি মেলান্দহ উপজেলার ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দীর্ঘদিন। এ ছাড়াও তিনি বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত থেকেও সমাজ,এলাকা তথা ইউনিয়নবাসীকে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম চালিয়েছেন। ইউনিয়নকে মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে এবং ইউনিয়নবাসীর উন্নয়নে সেবা করার লক্ষ্যে আগামী ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম খান সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।