রুহিয়া উপজেলাকে ঘিরে নতুন প্রত্যাশা, নেতৃত্বে দেখতে চান মতিউর রহমানকে
নিজস্ব প্রতিনিধি।। ঐতিহাসিক গণরায়ে নির্বাচিত হয়ে মাননীয় মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্য, জনপদ ও সম্ভাবনার শহরকে উন্নয়নের নতুন দিগন্তে এগিয়ে নেওয়ার যে যাত্রা শুরু করেছেন, তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে যুক্ত হয়েছে বহুল প্রত্যাশিত রুহিয়া উপজেলা।
দীর্ঘদিন ধরে রুহিয়া অঞ্চলের সর্বস্তরের মানুষের প্রাণের দাবি ছিল এই উপজেলাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে বইছে আনন্দের জোয়ার। স্থানীয়দের ভাষ্য, রুহিয়ার মানুষের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নের মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন হয়েছে।
এখন স্থানীয়দের প্রত্যাশা—এই নবগঠিত উপজেলাকে সুশাসন, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে একটি আদর্শ প্রশাসনিক কাঠামোয় গড়ে তুলতে প্রয়োজন দক্ষ, দূরদর্শী ও জনবান্ধব নেতৃত্ব।
এক্ষেত্রে আলোচনায় উঠে এসেছে ২২ নম্বর সেনুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মতিউর রহমান-এর নাম।
স্থানীয়দের মতে, তাঁর নেতৃত্বে ২২ নম্বর সেনুয়া ইউনিয়নে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও কল্যাণমুখী পরিবেশ। জনগণের আস্থা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং উন্নয়নমুখী পরিকল্পনার কারণে তাঁকে রুহিয়া উপজেলার সম্ভাব্য যোগ্য অভিভাবক হিসেবে দেখছেন অনেকে।
সচেতন মহলের বিশ্বাস, মতিউর রহমানের নেতৃত্বে রুহিয়া উপজেলা হয়ে উঠতে পারে সুশাসন, সুব্যবস্থাপনা ও জনকল্যাণের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। যেখানে থাকবে না অন্যায়, অত্যাচার, অবিচার কিংবা জনদুর্ভোগের কোনো স্থান; বরং সকল ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ও মতের মানুষের জন্য গড়ে উঠবে একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ আবাসস্থল।
রুহিয়া উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা-এই নবযাত্রায় উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ্য নেতৃত্বে এগিয়ে আসবেন মতিউর রহমান, আর তাঁর হাত ধরেই রুহিয়া হবে উন্নয়ন ও সুশাসনের মডেল উপজেলা।

