খুঁজুন
, ,

চরপাকেরদহ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করলেন সাবেক চেয়ারম্যান মজনু মিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ২:১১ অপরাহ্ণ
চরপাকেরদহ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করলেন সাবেক চেয়ারম্যান মজনু মিয়া

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার আগামী ১ নং চরপাকেরদহ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করলেন সাবেক সফল চেয়ারম্যান  অবঃ সেনা নায়েক  বীরমুক্তিযোদ্ধা শাহ্ মোঃ মজনু ফকির।  রোববার বিকালে শাহ্ মোঃ মজনু ফকির এর ফেসবুক আইডি থেকে চেয়ারম্যান পদে নিজের অতিত জিবনীসহ একটি স্ট্যাটাস দেন।  ফেসবুক পোস্টে তিনি ইউনিয়নবাসী কে সেবা করার লক্ষ্যে একটি আধুনিক মডেল ইউনিয়ন গড়ার অঙ্গিকার নিয়ে নিজেকে চেয়ারম্যান পদে  জানান দেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন….

প্রিয় ১ নং চরপাকেরদহ ইউনিয়নবাসী আস সালামু আলাইকুম…….. ।

আমি –
বীর মুক্তিযোদ্ধা – শাহ্ মোঃ মজনু মিয়া

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১ নং চরপাকেরদহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আগ্রহ প্রকাশ করছি।

আমার কিছু কথা নিচে বর্ণনা করছি।

অতীতে যা করেছি –

→ আমি জীবনবাজী রেখে মুক্তিযুদ্ধকরে উপহার দিয়েছি একটি দেশ। সেই স্বাধীন দেশে বাস করে সকল নাগরিক তদের সকল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

→ সশস্ত্র বাহিনীতে আমার জীবনের মূল্যবান সময় ব্যয়করে দেশ গড়েছি ও দেশের সেবা করেছি।

→ থানা মুক্তিযোদ্ধার কমান্ডার থাকা কালীন মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে অনেক কাজ করেছি।

→ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় সাধ্যমত সকল বৈধ কাজে অংশগ্রহন করেছি ও  নিজের পেনশনের টাকা, মুক্তিযোদ্ধার ভাতা ও সংসারের উপার্জিত টাকার অধিকাংশই সাধারন মানুষের কল্যাণে ও সেবায় ব্যয় করেছি।

→ বর্তমানে মাদারগঞ্জ থানা বিএনপির সফল সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।

আল্লাহর রহমতে ও  ইউনিয়নবাসীর প্রিয় ভোটারদের  ভোটে রায় নিয়ে মানুষের সেবা করার সুযোগ পেলে যা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি-

* প্রথমেই মহান আল্লাহ তা আলার প্রতি পূর্ণ আস্তা ও বিশ্বাসের উপর চলমান থাকা।

* ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে বিচার সহ  সমাজের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা।

* সুদ-ঘুষমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ কায়েমের চেষ্টা করা।

* সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, মাদক ও মাদক ব্যবসা মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।

* নারীর অধিকার বাস্তবায়নঃ সমাজের অর্ধেক নারী তাদের নিয়ে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার মাধ্যমে সমাজের সকল উন্নয়ন ও সাধারন কাজে সম্পৃক্ততা করা।

* এলাকার নদী ভাঙ্গন রোধে সরকারি, বেসরকারি ও সকল সহযোগী সংস্থার সহযোগিতায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ সহ নদী ভাঙ্গন এলাকার মানুষের জীবন মান স্বাভাবিক করা।

* এলাকার উন্নয়ন যেমন – রাস্তা-ঘাট, হাট-বাজার ও অবকাঠামোগত আধুনিকতার ভিত্তিতে উন্নয়ন করা। 

* শিক্ষা ক্ষেত্রে – আধুনিক শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, বিজ্ঞান, আইটি ও তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষা, ইসলামী শিক্ষা  ও অন্যান্য ধর্মীয় শিক্ষা সহ শিক্ষার মান, অবকাঠামো উন্নয়ন, বিজ্ঞান আইটি ও তথ্য প্রযুক্তির সরঞ্জাম সহ সঠিক ভাবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যাবতীয় সহযোগীতা ও বাস্তবায়ন করা।

* স্বাস্থ্য খাতে সরকারী, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুলোকে সচল ও সঠিক ভাবে পরিচালনার পাশা পাশি ১ নং চরপাকেরদহ ইউনিয়নে একটি প্রাইভেট হাসপাতাল স্থাপন করে জরুরী সেবা প্রদানের উদ্যোগ ও একটি জরুরী এম্বুলেন্স সার্ভিসের উদ্দোগ নেওয়া হবে।

* সামাজিক নিরাপত্তা- প্রতিটি মানুষ সে যে শ্রেনীর হোক, যে পেশারই হোক, সে যে ধর্মেরই হোক প্রত্যকের সামাজিক নিরাপত্তা বিধান নিশ্চিত করা হবে। কোন পেশী শক্তির কাছে কোন নিরহ ও সাধারন মানুষকে অন্যায়ের শিকার হতে দেওয়া হবে না।

* অত্যাধুনিক আইটি ও নেটওয়ার্ক সেবা ও গুরুত্বপূর্ণ জায়গা গুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরার নিয়ন্ত্রনে আওতায় আনা হবে।

* ইউনিয়ন পর্যায়ে বিভিন্ন ব্যাংকের শাখা খুলে ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করা হবে, বিশেষ করে ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, কৃষকের অর্থ জমা রাখা ও বিদেশীদের জন্য ব্যাংকের মাধ্যমে বিশেষ সেবার ব্যবস্থা করা।

খেলাধুলাঃ  খেলাধুলার জন্য ইউনিয়নে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও ওয়ার্ড ভিত্তিক খেলার মাঠ তৈরি করা ও খেলার যাবতীয় সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা হবে। 

সংস্কৃতি ও সাংস্কৃতিকঃ সুষ্ঠু ধরার সংস্কৃতি ও সাংস্কৃতিক চর্চার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

→ প্রশিক্ষণঃ সচেতনতামূলক, প্রেরণামূলক, সতর্কতামূলক ও অন্যান্য সকল প্রকার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষকে সামাজিক ন্যায় নীতি, সামাজিক নিরাপত্তা, জীবনযাত্রার মান, স্বাস্থ্য নিরাপত্তা, খাদ্য নিরাপত্তা, অর্থ নিরাপত্তা ও অন্যান্য সকল প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

নাগরিক সেবাঃ যেমন- → পরিচয় পত্র, জন্মসনদ, প্রত্যায়ন পত্র, চারিত্রিক সনদ ও অন্যান্য যে কোন প্রয়োজনীয় কাগজ সম্পর্কিত ২৪ ঘন্টা সার্ভিস দেওয়া হবে।

→গ্রাম আদালত ও শালিশের মাধ্যমে সাধারন মানুষের ছোট খাটো বিচার গুলোর ন্যায় ভিত্তিক সমাধান করা।

→ জমি-জমা সম্পর্কিত যে কোন সমস্যা ন্যায়বিচার ভিত্তিক স্থানীয় অভিজ্ঞ ব্যক্তিগণ, আইন সিদ্ধ উকিল ও প্রতিনিধি গণের সমন্নয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে সমাধান করা হবে।

→ সকল প্রকার আইনি সহায়তা প্রদান করা হবে, যারা সাধারন ও খেটে খাওয়া মানুষ যেন সহজভাবে আইনি সহয়তা পায় তার সঠিক পরামর্শ প্রদান করা হবে।

→ যে কোন জরুরী অবস্থা যেমন- বন্যা, খরা, ঘুর্নিঝড়, ভুমিকম্প, আগুন লাগা ও অন্যান্য যে কোন দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য জরুরী ফান্ড ও সরঞ্জামাদির ব্যবস্থা করা হবে।

→ নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, জ্বালানি সরবরাহের জন্য সরকারী, বেসরকারী ও প্রাইভেট বা ব্যক্তিগত উদ্যোগের মাধ্যমে আধুনিকায়ন ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ পূর্বক সেবা নিশ্চিত করা।

→ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্য, কর্মচারী ও কর্মকর্তাগণ সহ অত্র ইউনিয়নের মধ্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গগণ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গগণ সহ একটি কেন্দ্রীয় কমিটি ও এলাকা ভিত্তিক উপ কমিটি তৈরি করার মাধ্যমে জনদুর্ভোগ লাঘব করে সকল সেবা জন সাধারনের খুব কাছে নেওয়া হবে।

সরকারী সকল অনুদানের পাশাপাশি বেসরকারী ভাবে সহযোগিতা, নিজ ইচ্ছায় সহযোগীতা ও পারিবারিক ভাবে অর্থনৈতিক সহযোগীতা ও সুষ্ঠু  বন্টনের  মাধ্যমে একটি আধুনিক ও মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরিত করা হবে ইনাশাআল্লাহ।

মহান আল্লাহ এই সৎ উদ্যোগকে কবুল করুন আমিন।আমি একজন মানুষের খাদেম হিসেবে জীবনের বাকি সময়ে উপরোক্ত শেষ ইচ্ছাগুলো পূরণ করার জন্য আপনাদের সহযোগীতা ও সমর্থনের জন্য সর্বস্তরের মানুষের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। 

মাদারগঞ্জে কালবেলা’র সাংবাদিক আকন্দ সোহাগের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জে কালবেলা’র সাংবাদিক আকন্দ সোহাগের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

জামালপুর প্রতিনিধি:জামালপুরের মাদারগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা মোঃ আবু সাঈদ সুজন (৩৬) ২১ অক্টোবর সন্ধ্যায় মাদারগঞ্জ মডেল থানায় এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ করেন।

​অভিযোগে কালবেলা’র প্রতিনিধি আকন্দ সোহাগকে (২৭) কে বিবাদী করা হয়েছে। সোহাগ উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের মোসলেমাবাদ আইগেনি পাড়া হোসেন আলী আকন্দের ছেলে।
​অভিযোগপত্র ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, আবু সাঈদ সুজন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন ও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। এর জের ধরে স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতকারীর সঙ্গে তাঁর বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগকারীর দাবি, সেই সূত্র ধরে আকন্দ সোহাগ সুজনের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সোহাগ ক্ষিপ্ত হন এবং তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার ও অপপ্রচারের হুমকি দেন। পরবর্তীতে সোহাগের ব্যবহৃত নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে ওই বিএনপি নেতার নামে অশ্লীল ও মানহানিকর বিভিন্ন বার্তা ও পোস্ট প্রচার করা হয়।
উল্লেখ্য যে, আনুমানিক ৩ মাস পূর্বে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় আরেকটি চাঁদাবাজির অভিযোগ হয়েছিল কালবেলার সাংবাদিক আকন্দ সোহাগ এর বিরুদ্ধে। পরে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে সেটা থেমে যায়। আনুমানিক ২০২২ সালে সাংবাদিকতায় এসেই মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয় এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নির্ভিক সাংবাদিকতা পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকায় মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের এক জরুরী সভায় ২৭ অক্টোবর/২০২২ ইং তারিখে সভাপতি/ সেক্রেটারি স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে সদস্য এবং সাধারণ সদস্য পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়। বছর দুয়েক পূর্বে নারী সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ও নির্লজ্জের মতো জনসম্মুখে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় তাকে।
​ভুক্তভোগী আবু সাঈদ সুজন বলেন, “এ ধরনের ভিত্তিহীন ও কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচারের কারণে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে আমার সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানাচ্ছি।”

​তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আকন্দ সোহাগ। মুঠোফোনে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি তাঁর (আবু সাঈদ সুজন) বাড়ি চিনিই না, সেখানে চাঁদাবাজির জন্য কেন যাব? আমি শুধু তাঁর বক্তব্য ফোনের মাধ্যমে নিয়েছিলাম, যার প্রমাণ আমার কাছে সংরক্ষিত আছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে এই লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এসব নিয়ে আমি বিচলিত নই এবং এতে আমার কোনো সমস্যা হবে না।”
​এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মোহাম্মদ আবুল হাসেম জানান, লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ণ
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন
  • বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: ‘মারে ভাসাইয়া জলে, কি ধন লইয়া জাইমু ঘরে। ঘরে গিয়া মা বলিব কারে গো’ গানের তালে তালে সুরমা নদীতে প্রতিমা বির্সজনের মধ্য দিয়ে সিলেটের বিশ্বনাথে ৬ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রতি বছর উপজেলা পরিষদ ঘাটে পৌর শহরের ৪টি প্রতিমা বিসর্জন করা হলেও এবছর বাসিয়া নদীর পানি ব্যাপকহারে কমে যাওয়ার ফলে সেখানে কোন প্রতিমা বিসর্জন করা হয়নি। পৌর শহরের ওই ৪টি প্রতিমা’সহ লামাকাজী ইউনিয়নের ৪টি মন্ডপের প্রতিমা’সহ ৮টি প্রতিমা দিঘলী গ্রাম এলাকায় সুরমা নদীতে প্রতিমা বিসর্জন করেন।
    বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে পৌর শহরের ৪টি মন্ডপের নেতৃবৃন্দ নিজেদের প্রতিমা নিয়ে প্রজেশন আকারে দিঘলী গ্রামস্থ প্রতিমা বিসর্জন স্থলে গিয়ে ওই এলাকার ৪টি মন্ডপের প্রতিমার সাথে সাথে নিজেদের প্রতিমা বিসর্জন করেন। প্রায় শুকিয়ে যাওয়া বাসিয়া নদীতে পানির পরিমাণ কমে যাওয়াটা যেনে সনাতন ধর্মালম্বীদের কাছে আরেকটি মিলনমেলায় পরিণত হয়। তাই ৮টি প্রতিমা বিসর্জনে প্রত্যেক মন্ডপের নেতৃবৃন্দ মিলেমিশে একাকার হয়ে যান।
    সরকারি বিধি-নিষেধের পাশাপাশি পূজা উদযাপন পরিষদের নিয়ম-নীতি মেনে উপজেলা ও পৌর শহরে অনুষ্ঠিত ২৬টি পূজামন্ডপের নেতৃবৃন্দ নিজেদের সুবিধামতো স্থানে প্রতিমা বিসর্জন সুষ্ঠ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করে ঘরে ফেরার ফলে সনাতন ধর্মালম্বীদের মনে বইছে আনন্দের বন্যা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরাসরি মনিটরিং করা হয় প্রতিমা বিসর্জন কার্যক্রম।
    শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতিমা বিসর্জনের সময় লামাকাজী ইউনিয়নের দিঘলী গ্রামে সুরমা নদীর তীরে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান, রামসুন্দর সরকারি অগ্রগামী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নবেন্দু জ্যোতি দে, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি তাপস দাশ পুরকায়স্থ, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সদস্য নিশি কান্ত পাল, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাবেক সহ সভাপতি রুপক কুমার দে, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য বাদল দেব, সুব্রত ধর বাপ্পী, সভাপতি সুনিল কান্তি দে, সহ সভাপতি বিজয় দে, সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে, যুগ্ম সম্পাদক গোবিন্দ মালাকার, কাজল মালাকার, কোষাধ্যক্ষ প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন দেব, দপ্তর সম্পাদক প্রনয় পাল বাপন, সহ দপ্তর সম্পাদক মিন্টু মালাকার, প্রচার সম্পাদক অজিত দেব, গণসংযোগ সম্পাদক শুভরাজ চন্দ, সহ গণসংযোগ সম্পাদক বিজয় চন্দ দে, সদস্য সুভাষ চন্দ্র দেব, নেপাল দেব, বিজয় বৈদ্য বারিন্দ্র, অজয় দেব, সৌমিত্র ধর মিশু, ধ্রুব জ্যোতি দে উজ্জল প্রমুখ’সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গ।
    সুষ্ট, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সিলেটের বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন হওয়ার জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন, থানা প্রশাসন, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সমগ্র উপজেলাবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশ্বনাথ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুনিল কান্তি দেও সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে।

মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন ও লিফলেট বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন ও লিফলেট বিতরণ

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ,জামালপুর প্রতিনিধি:জামালপুরের মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে চর সগুনা বাজার থেকে শুরু করেন ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম খান শত শত কর্মী সমর্থক নিয়ে অত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোটরসাইকেল শো-ডাউন করেন তিনি। চর সগুনা বাজার, কাহেতপাড়া বাজার, বাংলা বাজার, বীর ঘোষেরপাড়া করিমুজ্জামান মোড়, ঘোষের পাড়া মিলন বাজার, সবিলাপুর আইনলের মোড়, বেলতৈল বাজার, গুদার বাজার, বাগবাড়ী হাইস্কুল মোড় আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরেন এবং লিফলেট বিতরণ করেন পরে নিজবাড়ী প্রাঙ্গণে এসে শো ডাউন শেষ করেন। প্রার্থীর সাথে কর্মী সমর্থকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তিনি মেলান্দহ উপজেলার ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দীর্ঘদিন। এ ছাড়াও তিনি বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত থেকেও সমাজ,এলাকা তথা ইউনিয়নবাসীকে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম চালিয়েছেন। ইউনিয়নকে মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে এবং ইউনিয়নবাসীর উন্নয়নে সেবা করার লক্ষ্যে আগামী ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম খান সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।