খুঁজুন
শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

রুহিয়া উপজেলাকে ঘিরে নতুন প্রত্যাশা, নেতৃত্বে দেখতে চান মতিউর রহমানকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
রুহিয়া উপজেলাকে ঘিরে নতুন প্রত্যাশা, নেতৃত্বে দেখতে চান মতিউর রহমানকে

নিজস্ব প্রতিনিধি।। ঐতিহাসিক গণরায়ে নির্বাচিত হয়ে মাননীয় মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্য, জনপদ ও সম্ভাবনার শহরকে উন্নয়নের নতুন দিগন্তে এগিয়ে নেওয়ার যে যাত্রা শুরু করেছেন, তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে যুক্ত হয়েছে বহুল প্রত্যাশিত রুহিয়া উপজেলা।

দীর্ঘদিন ধরে রুহিয়া অঞ্চলের সর্বস্তরের মানুষের প্রাণের দাবি ছিল এই উপজেলাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে বইছে আনন্দের জোয়ার। স্থানীয়দের ভাষ্য, রুহিয়ার মানুষের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নের মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন হয়েছে।
এখন স্থানীয়দের প্রত্যাশা—এই নবগঠিত উপজেলাকে সুশাসন, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে একটি আদর্শ প্রশাসনিক কাঠামোয় গড়ে তুলতে প্রয়োজন দক্ষ, দূরদর্শী ও জনবান্ধব নেতৃত্ব।
এক্ষেত্রে আলোচনায় উঠে এসেছে ২২ নম্বর সেনুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মতিউর রহমান-এর নাম।
স্থানীয়দের মতে, তাঁর নেতৃত্বে ২২ নম্বর সেনুয়া ইউনিয়নে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও কল্যাণমুখী পরিবেশ। জনগণের আস্থা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং উন্নয়নমুখী পরিকল্পনার কারণে তাঁকে রুহিয়া উপজেলার সম্ভাব্য যোগ্য অভিভাবক হিসেবে দেখছেন অনেকে।
সচেতন মহলের বিশ্বাস, মতিউর রহমানের নেতৃত্বে রুহিয়া উপজেলা হয়ে উঠতে পারে সুশাসন, সুব্যবস্থাপনা ও জনকল্যাণের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। যেখানে থাকবে না অন্যায়, অত্যাচার, অবিচার কিংবা জনদুর্ভোগের কোনো স্থান; বরং সকল ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ও মতের মানুষের জন্য গড়ে উঠবে একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ আবাসস্থল।
রুহিয়া উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা-এই নবযাত্রায় উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ্য নেতৃত্বে এগিয়ে আসবেন মতিউর রহমান, আর তাঁর হাত ধরেই রুহিয়া হবে উন্নয়ন ও সুশাসনের মডেল উপজেলা।

ঠাকুরগাঁওয়ে টুম্পা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনে অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে টুম্পা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনে অনিয়মের অভিযোগ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া ইউনিয়নের ঘনি বিষ্ণপুর গ্রামের সাদেকুল ইসলামের মেয়ে টুম্পা মনির বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে |

লাস্যময়ী টুম্পা মনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দোকানদার এবং কি ধনী লোককে ফাঁদে ফেলে টাকা নিয়ে টাকা আর দেয় না।টাকা চাইলে পরবর্তীতে উল্টা আরো হুমকি ধামকি দেয়।
এই মহিলা কে বিভিন্নভাবে আবু নামে একজন সহযোগিতা করে আসছে। এদের বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সময় কয়েকজন ব্যবসায়ী ও স্থানীয় ব্যক্তি আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন।
স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ নেওয়ার পর তা ফেরত না দেওয়া এবং টাকা ফেরত চাইলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক লিখিত অভিযোগ বা প্রশাসনিক তদন্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে এলাকাবাসীর একাংশ বলছেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত টুম্পার সাথে বার বার যোগাযোগ করা হলেও টুম্পা এব্যাপার এ কোন বক্তব্য দিতে রাজী হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা জনমাধ্যমে অভিযোগ প্রকাশের আগে যথাযথ প্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়ার অনুসরণ জরুরি। তারা বলছেন, এতে যেমন প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে, তেমনি কারও সম্মানহানির ঝুঁকিও কমবে।
প্রশাসনের প্রতি এলাকাবাসীর আহ্বান অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ মাদারীপুরে গৃহবধূকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ ‎​

এস এম সোহাগ কাজী মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ণ
পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ মাদারীপুরে গৃহবধূকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ ‎​

মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদী ইউনিয়নের পশ্চিম টুবিয়া এলাকায় পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে রোকসানা (৩৮) নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। তিনি ওই গ্রামের ইমারত শ্রমিক এমদাদ ফকিরের স্ত্রী। বর্তমানে তিনি মাদারীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

‎​ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ ১৫ মে (শুক্রবার) আনুমানিক দুপুর ১২টার দিকে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে রবিউল, মুক্তা, হাওয়া ও নুরুজ্জামানসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে এমদাদ ফকিরের বাড়ির সামনে আসেন। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় রবিউল ওরফে জয় নামের এক ব্যক্তি অন্যদের মারধরের নির্দেশ দেন। এরপরই অভিযুক্তরা গৃহবধূ রোকসানাকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে আত্মরক্ষার্থে তিনি দৌড়ে পাশের চকে (মাঠে) গিয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

‎​বিরোধের কারণ

‎​ভুক্তভোগী রোকসানা জানান, তার স্বামী এমদাদ ফকির একজন পেশাদার ইমারত শ্রমিক। তিনি ইতালি প্রবাসী শাহজালালের একটি ভবনের দোতলা নির্মাণের চুক্তিভিত্তিক কাজ নেন। বর্তমানে ভবনটিতে শাহজালালের ভাই রবিউল বসবাস করছেন। চুক্তি অনুযায়ী ভবনের একতলা ও দ্বিতীয় তলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন করা হলেও রবিউল ও তার পরিবার শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা টাকা পরিশোধ না করে দীর্ঘদিন ধরে টালবাহানা ও ঘুরাতে থাকেন।

‎​একজন খেটে খাওয়া শ্রমিকের ন্যায্য পাওনা টাকা নিয়ে ছিনিমিনি খেলার প্রতিবাদ করায় তারা আমার ওপর এই বর্বর হামলা চালিয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

‎ রোকসানা (ভুক্তভোগী গৃহবধূ)

‎​ভুক্তভোগী পরিবারটি জানায়, এই হামলার ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আটোয়ারীতে ঐতিহাসিক বার আউলিয়া মাজার শরীফের বার্ষিক ওরশ মোবারক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৮:৫৩ অপরাহ্ণ
আটোয়ারীতে ঐতিহাসিক বার আউলিয়া মাজার শরীফের বার্ষিক ওরশ মোবারক

আটোয়ারী (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ও ঐতিহাসিক বার আউলিয়া মাজারে একদিনের বার্ষিক ওরশ মোবারক অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারো বৈশাখের শেষ বৃহস্পতিবার (১৪ মে- ২০২৬) উৎসবমূখর পরিবেশে ওরশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওরশ উপলক্ষে দিনব্যাপি চলে মাজার জিয়ারত,তবারক বিতরণ কার্যক্রম। সকাল থেকেই জেলার প্রত্যন্ত এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানতের চাল, মুরগী,কবুতর, গরু-ছাগল ও নগদ অর্থসহ ভক্তরা সমেবেত হন ঐতিহাসিক বার আউলিয়া মাজার প্রাঙ্গণে। এ উপলক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। বার আউলিয়া মাজার উন্নয়ন কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিপামনি দেবী জানান, বার আউলিয়া মাজারে ওরশ উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদারের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মাজার এলাকায় পর্যাপ্ত আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, গ্রাম পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্বে আছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মী সহ সাদা পোশাকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে। এ উপলক্ষে মাজার প্রাঙ্গণ সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত আছে। নিরাপত্তাসহ সকল আনুষ্ঠানিকতার মূল তদারকীতে থাকছে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণ।
স্থানীয় জনশ্রুতি মতে ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, প্রায় কায়েকশত বছর আগে এ এলাকাটি ঘন জঙ্গল ছিল। সেই সময় বার জন ওলী ও সুফি সাধক চট্রগ্রাম থেকে পায়ে হেঁটে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইসলাম প্রচার করতে করতে দেশের সর্ব উত্তরের পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নে এসে পৌঁছান এবং এখানে আস্তানা গড়ে তোলে এ এলাকায় ইসলাম প্রচার শুরু করেন। পরবর্তীতে তাঁদের মৃত্যুর পর ওই স্থানে তাঁদের সমাহিত করা হয়। আর এভাবেই গড়ে উঠে বার আউলিয়া মাজার শরীফ। প্রতি বছর বৈশাখ মাসের শেষ বৃহস্পতিবার বার আউলিয়া মাজার শরীফে একদিনের বার্ষিক ওরশ অনুষ্ঠিত হয়।
বার জন আউলিয়া হলেন, হেমায়েত আলী শাহ্ (র:), কেরামত শাহ্ (র:), আজহার আলী শাহ্ (র:), হাকিম আলী শাহ্ (র:), মনসুর আলী শাহ্ (র:), মমিনুল শাহ (র:), শেখ গরীবুল্লাহ (র), আমজাদ আলী মোল্লা (র:), ফরিজ উদ্দীন আখতার (র:), শাহ্ মোক্তার আলী (র:) ও শাহ্ অলিউল্লাহ ্(র:)।
জানা যায়, অত্র এলাকায় ইসলাম ধর্মের আবির্ভাব বা প্রচার এই ১২ জন অলি আউলিয়ার হাত ধরেই শুরু হয়। বার আউলিয়াদের আধ্যাত্মিক ক্ষমতা নিয়ে বিভিন্ন ধরণের জনশ্রুতি প্রচলিত রয়েছে। বার আউলিয়া মাজার শরীফটি মির্জাপুরের বার আউলিয়া মৌজার প্রায় ৪৭ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। ১২ জন আউলিয়াকে এই বিস্তীর্ণ ৪৭ একর জমির ১১ টি স্থানে সমাহিত করা হয়েছে। মাজার শরীফ এলাকার কেন্দ্রে হেমায়েত আলী শাহ্ (র:) ও নিয়ামত উল্লাহ শাহ্ (র:) কবর দু’টি পাশাপাশি একসাথে অবস্থিত, যা জোড়া কবর নামে পরিচিত।