খুঁজুন
সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ২৮ বৈশাখ, ১৪৩৩

ডাসারে গ্রাম আদালতের ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ‎​

এস এম সোহাগ কাজী মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধ
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৬:৫০ অপরাহ্ণ
ডাসারে গ্রাম আদালতের ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ‎​

মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলায় ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়)’ প্রকল্পের অধীনে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরদের নিয়ে ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১১ মে) সকালে উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

‎​উপজেলা গ্রাম আদালত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাকিয়া সুলতানা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, “গ্রাম আদালতের সকল নথি ও রেজিস্টার সর্বদা হালনাগাদ রাখতে হবে। আমি নিজে এখন থেকে নিয়মিত প্রতিটি ইউনিয়ন পরিদর্শন করে এই নথিগুলো যাচাই করব।”

‎​ইউএনও আরও জোর দিয়ে বলেন, গ্রাম আদালতের এখতিয়ারভুক্ত কোনো মামলা বাইরে সালিশ করা যাবে না। সকল বিচারিক কার্যক্রম ইউনিয়ন পরিষদের নির্ধারিত এজলাসেই সম্পন্ন করতে হবে। সাধারণ মানুষকে গ্রাম আদালত সম্পর্কে সচেতন করতে স্থানীয় হাট-বাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘আউটরিচ’ কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেন তিনি। প্রতি মাসে অন্তত পাঁচটি করে মামলা নিষ্পত্তির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশকে তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে যাতে সাধারণ মানুষ দ্রুত ও সঠিক বিচার পায়।

‎​সভায় প্রকল্পের ডাসার ও কালকিনি উপজেলা কো-অর্ডিনেটর নাসির উদ্দিন লিটন বিগত তিন মাসের (জানুয়ারি ২০২৬ হতে মার্চ ২০২৬) কার্যক্রমের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি জানান, গত তিন মাসে ডাসার উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে মোট ৫২টি মামলা দায়ের হয়েছে এবং ৫২টি মামলাই সফলভাবে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে সর্বমোট ১২ লাখ ৭৭ হাজার টাকা আদায় করে দেওয়া হয়েছে।

‎​বিগত তিন মাসে ১৮টি মামলা নিষ্পত্তি করে বিশেষ কৃতিত্ব দেখানোর জন্য বালিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব সহকারীকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

‎​”অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে, সঠিক বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে”— এই স্লোগানকে সামনে রেখে প্রান্তিক মানুষের বিচারিক সেবা নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

চরপাকেরদহ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করলেন সাবেক চেয়ারম্যান মজনু মিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ২:১১ অপরাহ্ণ
চরপাকেরদহ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করলেন সাবেক চেয়ারম্যান মজনু মিয়া

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার আগামী ১ নং চরপাকেরদহ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করলেন সাবেক সফল চেয়ারম্যান  অবঃ সেনা নায়েক  বীরমুক্তিযোদ্ধা শাহ্ মোঃ মজনু ফকির।  রোববার বিকালে শাহ্ মোঃ মজনু ফকির এর ফেসবুক আইডি থেকে চেয়ারম্যান পদে নিজের অতিত জিবনীসহ একটি স্ট্যাটাস দেন।  ফেসবুক পোস্টে তিনি ইউনিয়নবাসী কে সেবা করার লক্ষ্যে একটি আধুনিক মডেল ইউনিয়ন গড়ার অঙ্গিকার নিয়ে নিজেকে চেয়ারম্যান পদে  জানান দেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন….

প্রিয় ১ নং চরপাকেরদহ ইউনিয়নবাসী আস সালামু আলাইকুম…….. ।

আমি –
বীর মুক্তিযোদ্ধা – শাহ্ মোঃ মজনু মিয়া

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১ নং চরপাকেরদহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আগ্রহ প্রকাশ করছি।

আমার কিছু কথা নিচে বর্ণনা করছি।

অতীতে যা করেছি –

→ আমি জীবনবাজী রেখে মুক্তিযুদ্ধকরে উপহার দিয়েছি একটি দেশ। সেই স্বাধীন দেশে বাস করে সকল নাগরিক তদের সকল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

সশস্ত্র বাহিনীতে আমার জীবনের মূল্যবান সময় ব্যয়করে দেশ গড়েছি ও দেশের সেবা করেছি।

→ থানা মুক্তিযোদ্ধার কমান্ডার থাকা কালীন মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে অনেক কাজ করেছি।

→ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় সাধ্যমত সকল বৈধ কাজে অংশগ্রহন করেছি ও  নিজের পেনশনের টাকা, মুক্তিযোদ্ধার ভাতা ও সংসারের উপার্জিত টাকার অধিকাংশই সাধারন মানুষের কল্যাণে ও সেবায় ব্যয় করেছি।

→ বর্তমানে মাদারগঞ্জ থানা বিএনপির সফল সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।

আল্লাহর রহমতে ও  ইউনিয়নবাসীর প্রিয় ভোটারদের  ভোটে রায় নিয়ে মানুষের সেবা করার সুযোগ পেলে যা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি-

* প্রথমেই মহান আল্লাহ তা আলার প্রতি পূর্ণ আস্তা ও বিশ্বাসের উপর চলমান থাকা।

* ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে বিচার সহ  সমাজের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা।

* সুদ-ঘুষমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ কায়েমের চেষ্টা করা।

* সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, মাদক ও মাদক ব্যবসা মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।

* নারীর অধিকার বাস্তবায়নঃ সমাজের অর্ধেক নারী তাদের নিয়ে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার মাধ্যমে সমাজের সকল উন্নয়ন ও সাধারন কাজে সম্পৃক্ততা করা।

* এলাকার নদী ভাঙ্গন রোধে সরকারি, বেসরকারি ও সকল সহযোগী সংস্থার সহযোগিতায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ সহ নদী ভাঙ্গন এলাকার মানুষের জীবন মান স্বাভাবিক করা।

* এলাকার উন্নয়ন যেমন – রাস্তা-ঘাট, হাট-বাজার ও অবকাঠামোগত আধুনিকতার ভিত্তিতে উন্নয়ন করা। 

* শিক্ষা ক্ষেত্রে – আধুনিক শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, বিজ্ঞান, আইটি ও তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষা, ইসলামী শিক্ষা  ও অন্যান্য ধর্মীয় শিক্ষা সহ শিক্ষার মান, অবকাঠামো উন্নয়ন, বিজ্ঞান আইটি ও তথ্য প্রযুক্তির সরঞ্জাম সহ সঠিক ভাবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যাবতীয় সহযোগীতা ও বাস্তবায়ন করা।

* স্বাস্থ্য খাতে সরকারী, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুলোকে সচল ও সঠিক ভাবে পরিচালনার পাশা পাশি ১ নং চরপাকেরদহ ইউনিয়নে একটি প্রাইভেট হাসপাতাল স্থাপন করে জরুরী সেবা প্রদানের উদ্যোগ ও একটি জরুরী এম্বুলেন্স সার্ভিসের উদ্দোগ নেওয়া হবে।

* সামাজিক নিরাপত্তা- প্রতিটি মানুষ সে যে শ্রেনীর হোক, যে পেশারই হোক, সে যে ধর্মেরই হোক প্রত্যকের সামাজিক নিরাপত্তা বিধান নিশ্চিত করা হবে। কোন পেশী শক্তির কাছে কোন নিরহ ও সাধারন মানুষকে অন্যায়ের শিকার হতে দেওয়া হবে না।

* অত্যাধুনিক আইটি ও নেটওয়ার্ক সেবা ও গুরুত্বপূর্ণ জায়গা গুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরার নিয়ন্ত্রনে আওতায় আনা হবে।

* ইউনিয়ন পর্যায়ে বিভিন্ন ব্যাংকের শাখা খুলে ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করা হবে, বিশেষ করে ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, কৃষকের অর্থ জমা রাখা ও বিদেশীদের জন্য ব্যাংকের মাধ্যমে বিশেষ সেবার ব্যবস্থা করা।

খেলাধুলাঃ  খেলাধুলার জন্য ইউনিয়নে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও ওয়ার্ড ভিত্তিক খেলার মাঠ তৈরি করা ও খেলার যাবতীয় সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা হবে। 

সংস্কৃতি ও সাংস্কৃতিকঃ সুষ্ঠু ধরার সংস্কৃতি ও সাংস্কৃতিক চর্চার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

→ প্রশিক্ষণঃ সচেতনতামূলক, প্রেরণামূলক, সতর্কতামূলক ও অন্যান্য সকল প্রকার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষকে সামাজিক ন্যায় নীতি, সামাজিক নিরাপত্তা, জীবনযাত্রার মান, স্বাস্থ্য নিরাপত্তা, খাদ্য নিরাপত্তা, অর্থ নিরাপত্তা ও অন্যান্য সকল প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

নাগরিক সেবাঃ যেমন- → পরিচয় পত্র, জন্মসনদ, প্রত্যায়ন পত্র, চারিত্রিক সনদ ও অন্যান্য যে কোন প্রয়োজনীয় কাগজ সম্পর্কিত ২৪ ঘন্টা সার্ভিস দেওয়া হবে।

→গ্রাম আদালত ও শালিশের মাধ্যমে সাধারন মানুষের ছোট খাটো বিচার গুলোর ন্যায় ভিত্তিক সমাধান করা।

→ জমি-জমা সম্পর্কিত যে কোন সমস্যা ন্যায়বিচার ভিত্তিক স্থানীয় অভিজ্ঞ ব্যক্তিগণ, আইন সিদ্ধ উকিল ও প্রতিনিধি গণের সমন্নয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে সমাধান করা হবে।

→ সকল প্রকার আইনি সহায়তা প্রদান করা হবে, যারা সাধারন ও খেটে খাওয়া মানুষ যেন সহজভাবে আইনি সহয়তা পায় তার সঠিক পরামর্শ প্রদান করা হবে।

→ যে কোন জরুরী অবস্থা যেমন- বন্যা, খরা, ঘুর্নিঝড়, ভুমিকম্প, আগুন লাগা ও অন্যান্য যে কোন দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য জরুরী ফান্ড ও সরঞ্জামাদির ব্যবস্থা করা হবে।

→ নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, জ্বালানি সরবরাহের জন্য সরকারী, বেসরকারী ও প্রাইভেট বা ব্যক্তিগত উদ্যোগের মাধ্যমে আধুনিকায়ন ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ পূর্বক সেবা নিশ্চিত করা।

ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্য, কর্মচারী ও কর্মকর্তাগণ সহ অত্র ইউনিয়নের মধ্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গগণ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গগণ সহ একটি কেন্দ্রীয় কমিটি ও এলাকা ভিত্তিক উপ কমিটি তৈরি করার মাধ্যমে জনদুর্ভোগ লাঘব করে সকল সেবা জন সাধারনের খুব কাছে নেওয়া হবে।

সরকারী সকল অনুদানের পাশাপাশি বেসরকারী ভাবে সহযোগিতা, নিজ ইচ্ছায় সহযোগীতা ও পারিবারিক ভাবে অর্থনৈতিক সহযোগীতা ও সুষ্ঠু  বন্টনের  মাধ্যমে একটি আধুনিক ও মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরিত করা হবে ইনাশাআল্লাহ।

মহান আল্লাহ এই সৎ উদ্যোগকে কবুল করুন আমিন।আমি একজন মানুষের খাদেম হিসেবে জীবনের বাকি সময়ে উপরোক্ত শেষ ইচ্ছাগুলো পূরণ করার জন্য আপনাদের সহযোগীতা ও সমর্থনের জন্য সর্বস্তরের মানুষের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। 

সহযোগিতা পেলে সুস্থ হয়ে কর্মস্থলে ফিরতে চান ডায়াবেটিসে আক্রান্ত চায়ের দোকানদার সুজন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
সহযোগিতা পেলে সুস্থ হয়ে কর্মস্থলে ফিরতে চান ডায়াবেটিসে আক্রান্ত চায়ের দোকানদার সুজন

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের মাদারগঞ্জে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন চায়ের দোকানদার সুজনের ।  রোববার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় দুই হাতে  ক্রেস নিয়ে সংসারের অভাব অনটনের দুশ্চিন্তা  অবস্থায় বসে আছে  মাদারগঞ্জ পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের বালিজুড়ী পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা আইনুল হকের ছেলে সুজন মিয়া (৪২)।  স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে লোকটি দীর্ঘদিন থেকে চা বিক্রি করে আয় করে সংসার চালাতো। প্রায় দুই মাস যাবৎ ডায়াবেটিস এ আক্রান্ত হয়ে ইনফেকশন হয় বর্তমানে অসুস্থ হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। একটি থাকার টিনের মরিচা ধরা জরাজীর্ণ ঘর। যে কোন সময় ঝড় এলেই ঘরে চাল দিয়ে পড়বে বৃষ্টির পানি।   দৈনিক ঔষধ ও সংসার খরচ চালাতে পারছেন না তিনি। বাবা কাঠমিস্ত্রী কাজ করেন। এমন অবস্থায় পরিবারের কেউ অর্থনৈতিকভাবে সহযোগিতা করার কেউ নেই।  একটি মাত্র মেয়ে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। সুজন মিয়া জানান চা বিক্রি করে সংসার  চলছিল। কালবৈশাখী ঝড়ের মতো হঠাৎ আমার শরিরে ডায়াবেটিস দেখা দিলো। চিকিৎসা করা অবস্থায় ডায়াবেটিস এর সূত্র ধরে ইনফেকশন হয়ে গেল পায়ে ব্যান্ডেজ নিয়ে অকেজো হয়ে আছি। দৈনিক ঔষধ ও সংসার খরচ জোগাতে আর পারছি না অসুস্থ শরির নিয়ে।  এমতাবস্থায় উপজেলা প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা পেলে সুস্থ হয়ে কর্মস্থলে ফিরতে চান।

ঠাকুরগাঁও

খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চায় সরকার: শিল্পমন্ত্রী

MD JAMIL HASAN
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৮:১৩ অপরাহ্ণ
খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চায় সরকার: শিল্পমন্ত্রী

শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, মূলত খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই শিল্পনগরীতে ভবিষ্যতে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে এই অঞ্চলের আলু, চা ও দুগ্ধভিত্তিক শিল্পের সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে চায় সরকার।

শনিবার (৯ মে) সকাল সকালে ঠাকুরগাঁও বিসিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পনগরী পরিদর্শনে এসে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে ইতোমধ্যে একটি ইপিজেড রয়েছে, যেখানে শিল্প উদ্যোক্তারা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। নতুন যে বিসিক শিল্পনগরী নির্মাণ করা হচ্ছে, সেখানে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পনগরী গড়ে তোলা হবে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন শিল্প উদ্যোক্তার সঙ্গে কথা হয়েছে, তারা প্লট নিয়ে নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, বেকারত্ব দূর করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। আর সেই লক্ষ্যেই নতুন কলকারখানা ও বিনিয়োগ বাড়ানো হচ্ছে। নতুন করে প্রায় ৫০ একর জায়গাজুড়ে ঠাকুরগাঁও শিল্প পার্ক নির্মাণ করা হচ্ছে, যেখানে ২৫১টি প্লট থাকবে। এসব প্লটে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে। কেউ হয়তো দুই, তিন কিংবা চারটি প্লট নিয়েও শিল্প স্থাপন করবেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, এই প্রকল্প সফল হলে ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও শিল্পনগরী গড়ে তোলা হবে, যাতে দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব হয়।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে জনগোষ্ঠীকে জনশক্তিতে রূপান্তর করে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা এবং বিদ্যমান জনশক্তির দক্ষতা বৃদ্ধি করা। সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করে যাচ্ছে। ঠাকুরগাঁওয়ের নতুন শিল্পনগরী পরিদর্শনও সেই কার্যক্রমেরই একটি অংশ।

শিল্পমন্ত্রী আরও বলেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন নতুন রপ্তানিযোগ্য ফসল উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিশেষ করে আলুভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশে ব্যাপক পরিমাণে আলু উৎপাদিত হলেও রপ্তানিযোগ্য আলুর ঘাটতি রয়েছে। তাই রপ্তানিযোগ্য আলুর নতুন জাত উৎপাদনের দিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং ইনশাল্লাহ আমরা সেটি আগামী দিনে অর্জন করব।

এসময় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, বিসিক শিল্পনগরীর উদ্যোক্তা এবং জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে শিল্পমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও পুরাতন বিসিক শিল্পনগরীর বিভিন্ন কারখানা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।