খুঁজুন
শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন, ১৪৩২

রাকসুর জিএস ও রেজিস্ট্রারের বাকবিতণ্ডা

রাবি জিয়া পরিষদ ও জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের নিন্দা

ফাহমিদুর রহমান ফাহিম, রাবি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
রাবি জিয়া পরিষদ ও জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের নিন্দা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ ও রাকসুর জিএস সালাহউদ্দীন আম্মারের বাকবিতন্ডার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে রাবি জিয়া পরিষদ ও জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) জিয়া পরিষদ ও জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরিত দুটি আলাদা বিবৃতিতে এ নিন্দা জানানো হয়।

বিবৃতিতে তারা বলেছেন, রাবির সম্মানিত রেজিস্ট্রারের আফিস কক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ এর আফিস কক্ষে গত ০৯ নভেম্বর রাকসুর নির্বাচিত জিএস “সালাউদ্দিন আম্মার” কতৃক সংগঠিত ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে, জিয়া পরিষদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় জোরপূর্বক অফিসে প্রবেশ করে সালাউদ্দিন আম্মারকে বারবার বলতে শোনাযায় অফিস কক্ষে “মহানগর বিএনপি” এর প্রগ্রাম চলছে। অথচ প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে “মহানগর বিএনপি” এর কোন নেতাকর্মীকে সেখানে দেখা যায়নি। উল্লেখ্য সেখানে রাজশাহীর এনসিপি নেতাদের সংগে রেজিস্ট্রার মহোদয়ের মতবিনিময় সভা চলছিল, যাহা উক্ত ফুটেজে এনসিপি নেতাদের উপস্থিতির মাধ্যমে প্রমাণীত। এ যেন বিএনপির বিরুদ্ধে নেতিবাচক কোন কিছু প্রচার করে বিএনপির ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা মাত্র। সম্মানিত রেজিস্ট্রার মহোদয় ও বিএনপিকে নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচায় করায়, জিয়া পরিষদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

অন্যদিকে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের বিবৃতিতে তারা বলেছেন, গত ০৯ নভেম্বর তারিখ আনুমানিক বেলা ২টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এর কক্ষে তিনি বাহিরের কিছু অতিথির সাথে আলাপকালে রাকসু’র সাধারণ সম্পাদক জনাব আম্মার রেজিস্ট্রারের কক্ষে প্রবেশের অনুমতি চাইলে তিনি তাকে ১০ মিনিট পরে প্রবেশ করতে বলেন। সে সময় ফিশারিজ অনুষদের অধিকতা প্রফেসর ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান রেজিস্ট্রার এর সাক্ষাত লাভের জন্য অপেক্ষমান ছিলেন।

তিনিও তাকে ভিতরে গেষ্ট আছে বলে অপেক্ষা করতে বলেন। সে নির্বাচিত জিএস, তাই তার যে কোন সময় প্রবেশাধিকার আছে বলে দাবি করে। আম্মার রেজিস্ট্রার এর অনুরোধ ও ডীন মহোদয়ের অনুরোধ উপেক্ষা করে রেজিস্ট্রারের কক্ষে জোর পূর্বক কয়েকজন শিক্ষার্থীসহ ঢুকে পড়ে এবং কোন একটি ফাইলের ব্যাপারে মিথ্যা দোষারোপ করে উচ্চ-বাচ্য শুরু করে এবং অফিসের পরিবেশ বিঘ্নিত করে। প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় জোর পূর্বক অফিসে প্রবেশ করে সালাহউদ্দীন আম্মার কে বলতে সোনা যায় অফিস কক্ষে
মহানগর বিএনপি এর প্রোগ্রাম চলছে। অথচ প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে মহানগর বিএনপি এর কোন নেতাকর্মীকে সেখানে দেখা যায়নি।উল্লখ্য যে সেখানে রাজশাহী এনসিপি নেতাদের সংগে রেজিস্ট্রার মহাদয়ের মতবিনিময় সভা চলছিল, যাহা উক্ত ফুটেজে এনসিপি নেতাদের উপস্থিতির মাধ্যমে প্রমানিত। এ যেন বিএনপি এর বিরুদ্ধে নেতিবাচক কোনকিছু প্রচার করে রাতারাতি মহানায়ক বনে যাওয়ার প্রচেস্টার পুরানো নাটক।

তারা আরো বলেছেন, সে নির্বাচিত জিএস হলেও প্রশাসনিক কাজে খবরদারী করা তার এখতিয়ার বহির্ভূত কাজ। নির্বাচিত হওয়ার আগে থেকে বিভিন্নভাবে প্রশাসনিক কাজে হমুক্ষেপ ও শিক্ষক লাঞ্চনাসহ নানাবিধ কাজে সংশ্লিষ্ট থাকা সত্বেও অজ্ঞাত কারণে বিশ্বদ্যিালয় প্রশাসন তার বিষয়ে নীরব থেকেছে এবং সে আইনের আওতার বাইরেই থেকে যাচ্ছে। যার ফলে তার দুঃসাহস ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। তার এহেন কার্যকলাপে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে এবং বিএনপি কে বিভ্রান্তি মূলক তথ্য প্রচার করার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছে। তার এই ঘৃণীত কর্মকান্ডে বিশ্ববিদ্যলয়ের শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত ও কলুষিত হচ্ছে। তাই, তার অতীত ঘটনাবলীর তদন্ত রিপোর্ট অনতিবিলম্বে প্রকাশ করে তাকে আইনের আওতায় আনার জন্য জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছে।

মাদারীপুরে চাঁদা না পেয়ে সাংবাদিকের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, সন্ত্রাসী হামলায় নারী-শিশুসহ আহত একাধিক

এস এম সোহাগ কাজী মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
মাদারীপুরে চাঁদা না পেয়ে সাংবাদিকের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, সন্ত্রাসী হামলায় নারী-শিশুসহ আহত একাধিক

মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদী ইউনিয়নে চাঁদা না পেয়ে এক সাংবাদিকের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশুসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি নিয়ে সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ হোসেন খান জানান, একই এলাকার মৃত বাবন খাঁর ছেলে জাভেদ খাঁ ও তার ছেলে সুজন খাঁ দীর্ঘদিন ধরে তাকে এবং তার পরিবারের সদস্যদের নানা ভাবে হয়রানি করে আসছিল। বিভিন্ন সময় তার কাছে নগদ চাঁদা দাবি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্তরা তা অমান্য করে এবং ক্ষতিসাধনের হুমকি দিতে থাকে।

অভিযোগে বলা হয়, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ৯ মার্চ ২০২৬ রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটের দিকে তার বসতবাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। এতে প্রায় ৩ লাখ ২০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এর ধারাবাহিকতায় ১১ মার্চ দুপুর আনুমানিক ১টা ১০ মিনিটের দিকে আগুন দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় জাভেদ খাঁর নির্দেশে সুজন খাঁ, ইমরান খান, রোমান খান, নাছিমা বেগম, মুনি বেগমসহ আরও ১০–১২ জন সংঘবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার বাড়ির উঠানে এসে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সাংবাদিক মাসুদ হোসেন খান বলেন, হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দিলে আত্মরক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে তার ডান হাতের কব্জিতে গুরুতর জখম হয়। পরে লোহার রড দিয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ সময় তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে তার মেয়ে ইসমিতা খান মমির চুল ধরে টানাহেঁচড়া করা হয় এবং তার গলায় থাকা প্রায় এক ভরি তিন আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক আরও বলেন, তিনি আইনের আশ্রয় নেওয়ার কথা জানালে অভিযুক্তরা তাকে ও তার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে।

মাসুদ হোসেন খান বর্তমানে এশিয়ান টেলিভিশনের মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। এছাড়া তিনি দৈনিক গণতদন্ত পত্রিকার মফস্বল সম্পাদক, দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক এবং কয়েকটি জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (বিএমএসএস)-এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পর্ষদের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদেও দায়িত্বে রয়েছেন

ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) কর্তৃক মালিকবিহীন অবস্থায় ৯ লাখ ১০ হাজার ৫০০ টাকার মাদক ও চোরাচালান মালামাল আটক

মাসুদুর রহমান, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ
ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) কর্তৃক মালিকবিহীন অবস্থায় ৯ লাখ ১০ হাজার ৫০০ টাকার মাদক ও চোরাচালান মালামাল আটক

দিনাজপুর সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান মালামাল আটক করেছে ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি)।
১০ ও ১১ মার্চ ২০২৬ তারিখে ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) এর অধীনস্থ বিরামপুর বিশেষ ক্যাম্প, কাটলা বিশেষ ক্যাম্প, মনিপুর বিওপি ও দাইনুর বিওপি পৃথক পৃথকভাবে মোট ৬টি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ৩৩,৬৭০ পিস বাংলাদেশি মদ তৈরির বড়ি, ২৮৭ বোতল বাংলাদেশি যৌন উত্তেজক সিরাপ, ২৪ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল, ২০৭ বোতল ভারতীয় এসকাফ সিরাপ, ৯০০ পিস ভারতীয় নেশাজাতীয় ইনজেকশন এবং ১টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়।
আটককৃত মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান মালামালের সিজার মূল্য ৯,১০,৫০০ (নয় লক্ষ দশ হাজার পাঁচশত) টাকা বলে বিজিবি সূত্রে জানা গেছে।
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক ও চোরাচালানের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আমি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত, আপনাদের পাশে সবসময় আছি — এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম

মাসুদুর রহমান, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি।
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ
আমি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত, আপনাদের পাশে সবসময় আছি — এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম

দিনাজপুর সদরের উত্তর ফরিদপুর ও মহাজনপাড়া এলাকাবাসীর উদ্যোগে রবিবার (৮ মার্চ) জনতা ক্লিনিক মোড়ে দিনাজপুর সদর-৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এমপি’র সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এমপি। তিনি বলেন, “আমি আপনাদের ভোটে এমপি হয়েছি। আপনারাই আমাকে তিনবারের মেয়র থেকে এমপি বানিয়েছেন। আমি দিনাজপুর সদরকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সুখে-দুঃখে আগেও যেমন আপনাদের পাশে ছিলাম, এখনো আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব।”
তিনি আরও বলেন, দিনাজপুর সদরের সব রাস্তাঘাট নতুনভাবে নির্মাণ করা হবে, যাতে জনগণের কোনো ভোগান্তি না থাকে। পর্যায়ক্রমে কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে বলেও তিনি জানান। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রণালয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার নুরুল হুদা, ডা. সাইফুর রহমান, মঞ্জুর মুর্শেদ সুমন, এ.আই. মিজানুর রহমান, মোস্তফা কামাল মিলন, মোজাফফর হোসেন, শামসুল আলম চৌধুরী, মিজানুর রহমান, আইয়ুব আলী, মোকসেদুল ইসলাম টুটুল ও সাজ্জাদ হুমায়ুনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।