খুঁজুন
, ,

ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির মাদক বিরোধী অভিযান আপন দুই ভাই-বোন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩১ পূর্বাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির মাদক বিরোধী অভিযান আপন দুই ভাই-বোন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঠাকুরগাঁও :ঠাকুরগাঁও সদর থানাধীন রোড এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করিয়া জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ঠাকুরগাঁও ২২ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রয়ের ১৪,৮০০ টাকাসহ আপন দুই ভাই-বোনকে গ্রেফতার করিয়াছে।

গত ৬ নভেম্বর ২০২৬ ইং তারিখ রাত্রিবেলা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হইলেন বাবলী ও রুবেল। তাহারা আপন দুই ভাই-বোন।

ডিবি সূত্রে জানা যায়, অভিযানকালে আসামি বাবলীর মাথার চুলের খোঁপার মধ্য হইতেও ইয়াবা পাওয়া গিয়াছে।

এছাড়া আসামি রুবেলের বিরুদ্ধে মাদকসহ মোট ১১টি মামলা রহিয়াছে।

তারা দুইজন চায়ের দোকানের পাশাপাশি মাদকের ব্যবসাও চালিয়ে যাচ্ছিল। চায়ের দোকানের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরিয়া মাদক বিক্রি করিয়া আসিতেছিল বলিয়া অভিযোগ রহিয়াছে।

এ বিষয়ে মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।

কুড়িগ্রামের কচাকাটায় কচাকাটা ও কেদার ইউনিয়নে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:১৩ অপরাহ্ণ
কুড়িগ্রামের কচাকাটায় কচাকাটা ও কেদার ইউনিয়নে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা 

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কুড়িগ্রামের কচাকাটায় কচাকাটা ও কেদার ইউনিয়নে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ঢাকা জেলা দক্ষিণের সাবেক শিবিরের সভাপতি ও কচাকাটা ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ মাহবুবুর রহমান ও কচাকাটা থানার সাবেক শিবিরের সভাপতি ও কচাকাটা থানা শাখার সেক্রেটারি মোঃ আব্দুল বাতেনকে কুড়িগ্রাম চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করার পর তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।

শনিবার ( ৭ নভেম্বর) কচাকাটায়  আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন কুড়িগ্রাম জেলা জামাতের আমীর – অধ্যাপক আজিজুল ইসলাম সরকার স্বপন। 

এ সময় কচাকাটা ও কেদার ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য প্রার্থী গনের নামও ঘোষণা করা হয়। জামাতের চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকায় আনন্দ মিছিল ও জনসাধারণের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেছেন স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।

দলীয় সূত্র জানায়, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী কোনো জোটগতভাবে নয়, বরং এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের আলোকেই প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য একক প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় কচাকাটা ও কেদার ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের নাম চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করেন জেলা জামাতের আমির। প্রার্থিতা ঘোষণার খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই স্থানীয় জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা আনন্দ মিছিল বের করেন। মিছিলগুলো ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাজার প্রদক্ষিণ করে। এ সময় নেতা-কর্মীরা প্রার্থীর পক্ষে স্লোগান দেন এবং এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন। মিছিল শেষে উপস্থিত জনসাধারণের মাঝে মিষ্টিও বিতরণ করা হয়। স্থানীয় সাধারণ ভোটার ও জামায়াত সমর্থকরা জানান, সময়োপযোগী ও যোগ্য প্রার্থী দেওয়ায় তারা আনন্দিত। দল এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ায় নির্বাচনী মাঠ আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে এবং সাধারণ মানুষ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন।

উল্লেখ্য, আগামী বছরের ২১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া পাঁচ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলো তৃণমূল গোছাতে শুরু করেছে। জামায়াতে ইসলামীও একক শক্তিতে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে। 

মাদারীপুরে জমি বিরোধে ফলন্ত গাছ কাটার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:১২ অপরাহ্ণ
মাদারীপুরে জমি বিরোধে ফলন্ত গাছ কাটার অভিযোগ

মাদারীপুর সদর উপজেলার চরখাগদী এলাকায় পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে বসতবাড়ির ৬-৭টি ফলন্ত গাছ কেটে নেওয়া এবং বাধা দিতে গেলে এক ব্যক্তির মা ও চাচিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মাদারীপুর সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী গোলামুর রহমান (পরাগ)।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদারীপুর সদর উপজেলার চরখাগদী এলাকায় গোলামুর রহমানের সঙ্গে একই এলাকার আতাউর রহমান লিটন, প্রিন্স তালুকদার, উদয় তালুকদার ও নাইছ তালুকদারসহ কয়েকজনের দীর্ঘদিন ধরে পৈত্রিক বসতবাড়ির জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে মাদারীপুর সদর জজ আদালতে দেওয়ানি মোকদ্দমা নম্বর ২৮৩/২০১৭ চলমান রয়েছে।অভিযোগে বলা হয়, গত ৬ নভেম্বর সকাল আনুমানিক ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে প্রতিপক্ষের লোকজন বিরোধপূর্ণ বসতবাড়ির জায়গায় থাকা তাঁদের রোপণ করা মেহগনি, কাঁঠালসহ ৬-৭টি ফলন্ত গাছ জোরপূর্বক কেটে নিয়ে যায়। এসব গাছের আনুমানিক বাজারমূল্য দুই লাখ টাকা বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারী।এ সময় গোলামুর রহমান ও তাঁর সঙ্গে থাকা সাক্ষীরা গাছ কাটতে বাধা দিলে অভিযুক্তরা তাঁদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। পরে রামদা, ছেনদা, চাইনিজ কুড়াল ও বাঁশের লাঠিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযোগে আরও বলা হয়, গোলামুর রহমানের মা ও চাচি রাজিয়া বেগম তাঁদের বাঁচাতে এগিয়ে এলে অভিযুক্তদের একজন তাঁদের ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন। এতে তাঁদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয়। আহত দুজন বর্তমানে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ছাড়া অভিযুক্তরা গাছপালা নিজেদের দাবি করে ভোগদখলের হুমকি দেন। একই সঙ্গে থানায় অভিযোগ করলে কোনো ক্ষতি করতে পারবে না এবং বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন গোলামুর রহমান।‎ঘটনার পর স্থানীয়দের পরামর্শে তিনি মাদারীপুর সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

‎

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়-ফজলুল হক মিলন এমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:২৩ পূর্বাহ্ণ
৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়-ফজলুল হক মিলন এমপি

মুক্তাদির হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার:গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ কে এম ফজলুল হক মিলন বলেন, ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এ দিবস আমাদের জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার চেতনায় উজ্জীবিত করে। আজকের এই দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী সকল নেতাকর্মীকে স্মরণ করছি। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের মূল শিক্ষা হলো—জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিতভাবে কাজ করা। আমরা বিশ্বাস করি, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে গাজীপুর জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালিপূর্ব আলৈাচনা সভায় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ কে এম ফজলুল হক মিলন এসব বলেন।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ কে এম ফজলুল হক মিলনের নেতৃত্বে র‌্যালিতে গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রিয়াজুল হান্নান এবং গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ড. চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী, কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হুমায়ূন কবির মাস্টার ও সদস্য সচিব খালেকুজ্জামান বাবলু অগ্রভাগে ছিলেন।
সংসদ সদস্য ফজলুল হক মিলন আরোও বলেন, গাজীপুর জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে, বিএনপি আজও ঐক্যবদ্ধ ও সুসংগঠিত। আমি দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানাই, ব্যক্তিস্বার্থ ও ভেদাভেদ ভুলে জনগণের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করুন। আসুন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক, মানবিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি।
এ সময় গাজীপুর জেলা, কালীগঞ্জ উপজেলা ও পৌর বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে র‌্যালিতে যোগ দেন। র‌্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগানে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন। নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ র‌্যালির মধ্য দিয়ে গাজীপুর জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা দলীয় ঐক্য, সংহতি ও সাংগঠনিক শক্তির প্রকাশ ঘটান।