খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ২৭ চৈত্র, ১৪৩২

রাবির IEEE RUSB -এর “Legacy to Leadership -2026” অনুষ্ঠিত

রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
রাবির IEEE RUSB -এর “Legacy to Leadership -2026” অনুষ্ঠিত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের IEEE University of Rajshahi Student Branch (IEEE RUSB)-এর উদ্যোগে “Legacy to Leadership: Orientation, Farewell & Recognition Ceremony 2026” শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের জামাল নজরুল ইসলাম সায়েন্স বিল্ডিংয়ের ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং গ্যালারির ১৩৩ নম্বর কক্ষে বিকাল ২টা ৪৫ মিনিটে এ অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, IEEE-এর সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি IEEE RUSB-এর নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা, পেশাগত উৎকর্ষতা এবং সংগঠনের ভবিষ্যৎ ভিশনকে সামনে রেখে পরিকল্পিত হয়। এতে নবনিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য একটি ওরিয়েন্টেশন সেশন, নতুন সদস্যদের আনুষ্ঠানিক বরণ এবং বিদায়ী এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্যদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে সংগঠনের বিশিষ্ট অ্যালামনাই, উপদেষ্টা ও অবদানকারী ব্যক্তিবর্গকে তাদের দীর্ঘমেয়াদি সমর্থন ও দিকনির্দেশনার জন্য বিশেষভাবে স্বীকৃতি জানানো হয়। IEEE-এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ যেমন : YESIST12, BracNet Presents Robotide 2.0, IEEE Day, SPICSCON 2025 এবং PROCON 2025 এর সক্রিয় অংশগ্রহণকারী সদস্যদের মাঝে সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে “Rising Leader Award 2026” এবং “Special Contributor Award 2025” শিরোনামে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়, যেখানে সংগঠনের নিবেদিতপ্রাণ ও কর্মদক্ষ সদস্যদের স্বীকৃতি জানানো হয়।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে IEEE-এর মাধ্যমে প্রযুক্তিগত জ্ঞানচর্চা, নেতৃত্ব বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে নিজেদের সক্ষমতা তুলে ধরার গুরুত্ব আলোকপাত করেন। তারা নতুন সদস্যদের উদ্ভাবনী চিন্তা, পেশাগত উন্নয়ন এবং দায়িত্বশীল নেতৃত্ব গঠনের প্রতি উৎসাহিত করেন।

IEEE RUSB-এর বর্তমান Chairperson মো. জাবির মাহমুদ লিমন বলেন, “এই আয়োজনটি আমাদের জন্য শুধু একটি আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান নয়; এটি আমাদের অতীতের সাফল্যকে ধারণ করে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তোলার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।”

মাদারীপুরে বৃদ্ধার দাবি: আদালতের রায় পেয়েও মিলছে না স্বামীর বাড়ির অংশ ‎

এস এম সোহাগ কাজী মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৭ পূর্বাহ্ণ
মাদারীপুরে বৃদ্ধার দাবি: আদালতের রায় পেয়েও মিলছে না স্বামীর বাড়ির অংশ ‎

মাদারীপুর সদর উপজেলার দুধখালীর বড় কান্দি এলাকার আলেকজান বেগম।স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তির ন্যায্য অংশ ফিরে পেতে ৯৫ বছর বয়সেও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেনজীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে তিনি এখন আদালত ও প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ন্যায়বিচারের আশায়।বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আলেকজান বেগম অভিযোগ করেন, তার স্বামী মৃত হামেদ হাওলাদারের মৃত্যুর পর স্বামীর অংশ বুঝে নিতে গেলে স্বামীর আপন ভাইরা বাধা দেন। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন ইসরাফিল হাওলাদার, ইব্রাহিম হাওলাদার, ইমারত হাওলাদার, রহমান হাওলাদার ও শাজাহান হাওলাদার।তিনি জানান, তার স্বামী জীবিকার তাগিদে দীর্ঘদিন মাদারীপুর সদরে বসবাস করলেও মৃত্যুর পর গ্রামের বাড়ির সম্পত্তিতে তার ন্যায্য অধিকার রয়েছে। কিন্তু সেই অংশ ভোগদখল করতে গেলে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক সেখানে ঘরবাড়ি নির্মাণ শুরু করেন।

প্রতিবাদ জানাতে গেলে তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি, জায়গা ছেড়ে না দিলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন এই বৃদ্ধা।আলেকজান বেগম আরও জানান, তার স্বামীর স্থাবর সম্পত্তির সব কাগজপত্র হালনাগাদ রয়েছে এবং আদালতের রায়ে তিনি তার প্রাপ্য অংশ পাওয়ার অধিকারী বলে প্রমাণিত হয়েছে। তবে রায় বাস্তবায়নের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে গেলে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

‎তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েকবার নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্টরা চলে যাওয়ার পর আবারও কাজ শুরু করে দখলদাররা।সংবাদ সম্মেলনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে আলেকজান বেগম বলেন, কোর্টের বারান্দায় ঘুরতে ঘুরতে আমার জীবন শেষ হয়ে যাচ্ছে। আমি আমার স্বামীর জায়গা ফেরত চাই। মরার আগে নিজের ঘরে উঠতে চাই।

তিনি অবিলম্বে আদালতের রায় বাস্তবায়ন এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।

মাদারীপুরে গ্রাম আদালত প্রকল্পে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি পেলেন ডাসার ও কালকিনি উপজেলা কো-অর্ডিনেটর

এস এম সোহাগ কাজী মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
মাদারীপুরে গ্রাম আদালত প্রকল্পে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি পেলেন ডাসার ও কালকিনি উপজেলা কো-অর্ডিনেটর

মাদারীপুর জেলায় ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্প’ বাস্তবায়নে বিশেষ অবদান ও কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে। ডাসার ও কালকিনি উপজেলার উপজেলা কো-অর্ডিনেটর হিসেবে কর্মক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্যের জন্য এই সম্মাননা অর্জন করেন নাসিরউদ্দিন লিটন ।

‎​স্থানীয় সরকার বিভাগ মাদারীপুরের উপপরিচালক (উপসচিব) মোছা: জেসমিন আকতার বানু নিজ কার্যালয়ে এই সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। মাদারীপুর জেলায় গ্রাম আদালতকে আরও জনবান্ধব ও কার্যকর করতে নিরলস পরিশ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।

সম্মাননা প্রদানকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গ্রাম আদালত প্রকল্পের ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার মো: আলিউল হাসানাত খাঁন। উপপরিচালক মোছা: জেসমিন আকতার বানু তার বক্তব্যে বলেন, “তৃণমূল পর্যায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গ্রাম আদালতের ভূমিকা অপরিসীম। ডাসার ও কালকিনি উপজেলায় প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে উপজেলা কো-অর্ডিনেটরের ভূমিকা প্রশংসার দাবি রাখে।”

সম্মাননা প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় নাসিরউদ্দিন লিটন  জানান, এই স্বীকৃতি কাজের প্রতি দায়বদ্ধতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আগামীতে গ্রাম আদালতের সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তিনি আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাবেন।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ডাসার ও কালকিনি উপজেলায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে গতিশীল করা এবং বিচারপ্রার্থী মানুষের আস্থা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করায় তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। এই অর্জন স্থানীয় পর্যায়ে বিচার ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণে অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে।

ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁওয়ে ফুয়েল কার্ডে শৃঙ্খলা ফিরলেও দীর্ঘ লাইনে ভোগান্তি

MD JAMIL HASAN
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে ফুয়েল কার্ডে শৃঙ্খলা ফিরলেও দীর্ঘ লাইনে ভোগান্তি

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য।

জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’

এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে।

রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।”

অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না।

তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।