খুঁজুন
বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ২৫ চৈত্র, ১৪৩২

রাজশাহীতে মেয়েকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদে বাবা হত্যা মামলা প্রধান আসামীসহ গ্রেফতার ২

মোহাইমিনুল ইসলাম | নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৫, ১০:০৮ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে মেয়েকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদে বাবা হত্যা মামলা প্রধান আসামীসহ গ্রেফতার ২

রাজশাহীতে মহানগরীতে মেয়েকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় বাবা হত্যা মামলার ৩ আসামী গ্রেপ্তার। শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) মধ্যে রাতে নওগাঁ জেলার রামরায়পুর আড়ারাপাড়া এলাকা থেকে নান্টু ও মোঃ খোকন মিয়া কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫ ও একইদিন বিকাল বেলায় মহানগরীর শহিদ মিনার এলাকা থেকে মো. রুমেল কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতার মো:নান্টু (২৮) সে রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন শহিদ মিনার এলকার মো: কালু মিয়ার ছেলে, মোঃ খোকন মিয়া (২৮) একই এলাকার মৃত: আঃ সত্তার এর ছেলে।

শনিবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে র‌্যাব-৫ এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ।

তিনি বলেন, ঘটনার পরই নওগাঁ জেলার রামরায়পুর আড়ারাপাড়া এলাকায় নান্টু ও খোকন একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেখান থেকে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী তাঁদের বোয়ালিয়া মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এছাড়া রুমেল এজাহারভুক্ত না হলেও, তদন্তে তাঁর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে আগেও একটি মামলা রয়েছে বলে জানান, বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাক আহমেদ।

 

ঘটনার পেছনের প্রেক্ষাপট
গত বুধবার রাতে রাজশাহীর তালাইমারী শহীদ মিনার এলাকায় আকরাম আলী (৫২) ও তাঁর ছেলে ইমাম হাসান হামলার শিকার হন। মেয়েকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় তাঁদের ওপর এ হামলা চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় আকরামকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত ১১টার দিকে তিনি মারা যান। আকরাম ছিলেন পেশাদার বাসচালক ও রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য।

নিহতের মেয়ে রাফিয়া আলফি চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। বাবার মৃত্যুর পরদিন, বৃহস্পতিবার, তিনি কাঁদতে কাঁদতে পরীক্ষায় অংশ নেন।

নিহতের ছেলে হাসান ইমাম বৃহস্পতিবার দুপুরে বোয়ালিয়া মডেল থানায় মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখসহ আরও চার-পাঁচজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন, তালাইমারী শহীদ মিনার এলাকার মো. নান্টু (২৮), মো. বিশাল (২৮), খোকন মিয়া (২৮), তাসিন হোসেন (২৫), মো. অমি (২০), মো. নাহিদ (২৫) ও মো. শিশির (২০)।

 

উত্ত্যক্ততা থেকে হত্যাকাণ্ড
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে প্রধান আসামি নান্টু তাঁর স্ত্রীকে মারধর করেন। নান্টুর স্ত্রীর আত্মীয় হওয়ায় আকরাম আলীর স্ত্রী এ ঘটনার প্রতিবাদ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নান্টু তাঁর পরিবারকে ক্ষতির হুমকি দেন এবং তাঁর লোকজন দিয়ে আকরামের মেয়ে রাফিয়াকে উত্ত্যক্ত করতে থাকেন।

বুধবার রাতে নান্টু নিজেই রাফিয়াকে গালিগালাজ করে। এ নিয়ে আকরাম প্রতিবাদ জানাতে নান্টুর পরিবারের কাছে গেলে তারা বিষয়টি গুরুত্ব না দিয়ে উল্টো হামলার ঘটনা ঘটায়। রাত ১০টার দিকে তালাইমারী শহীদ মিনার এলাকায় আকরাম ও তাঁর ছেলেকে ইট দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়।

বাবার লাশের পাশে দাঁড়িয়ে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে রাফিয়া বলেন, “আমি প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফিরছিলাম। তখন নান্টু ও তাঁর লোকজন আমাকে গালি দেয়। বাসায় গিয়ে বাবাকে বলি, তিনি প্রতিবাদ করতে যান। কিন্তু নান্টুর পরিবার কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে বরং তাকে লেলিয়ে দেয়। এর ফলেই বাবাকে হত্যা করা হয়। আমি বাবাকে হারিয়েছি- এই কষ্ট আমি কোনোদিন ভুলতে পারব না। আমি খুনিদের ফাঁসি চাই।

ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁওয়ে ফুয়েল কার্ডে শৃঙ্খলা ফিরলেও দীর্ঘ লাইনে ভোগান্তি

MD JAMIL HASAN
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে ফুয়েল কার্ডে শৃঙ্খলা ফিরলেও দীর্ঘ লাইনে ভোগান্তি

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য।

জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’

এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে।

রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।”

অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না।

তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

জামালপুরে আনসার কমান্ডার পরিচয়ে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন, ভেকু ধ্বংস ও ব্যাটারি জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ
জামালপুরে আনসার কমান্ডার পরিচয়ে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন, ভেকু ধ্বংস ও ব্যাটারি জব্দ

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ,জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের মাদারগঞ্জে ঝাড়কাটা নদীতে আনসার কমান্ডার পরিচয়ে মাটি উত্তোলন করায় ভেকু ধ্বংস করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। 

অনলাইন নিউজ পোর্টাল উত্তরের চিত্র ডট কম এ সংবাদ প্রকাশের পর।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার ২ নং কড়ইচড়া ইউনিয়নের নলছিয়া এলাকায় এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।  ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাসেল দিও।

 

জানা গেছে, ঝাড়কাটা নদী থেকে ভেকু মেশিন  দিয়ে সরকারি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে আসছিল পার্শ্ববর্তী মেলান্দহ উপজেলার নলছিয়া এলাকার সিরাজুল আকন্দের ছেলে নুরনবী। খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাসেল দিও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এসময় আনসারের কমান্ডার পরিচয় দানকারী নুরনবী প্রশাসনের উপস্থিতি বুঝতে পেরে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত ভেকু মেশিনটি  অকেজো করে ও ভেকুর ব্যাটারি জব্দ করে নিয়ে যায়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন থেকে নুরনবী আনসার কমান্ডার পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে। এছাড়াও তার নিজ এলকাসহ আশেপাশের এলাকায় অবৈধভাবে শালিসি বৈঠকে অর্থের বিনিময়ে নিরীহ মানুষকে হয়রানি করে আসছে। তার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

মাদারগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)  রাসেল দিও জানান, অভিযান পরিচালনা করে ভেকু মেশিনটি অকেজো ও ভেকুর ব্যাটারি জব্দ করা হয়েছে। জনস্বার্থে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কৃষক উৎপাদিত ফসল যেন ঘরে তুলতে পারে সেজন্য যা করণীয় আমরা করবো : ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩৫ পূর্বাহ্ণ
কৃষক উৎপাদিত ফসল যেন ঘরে তুলতে পারে সেজন্য যা করণীয় আমরা করবো : ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

আকস্মিক অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোণার হাওর অঞ্চলে কৃষকের স্বপ্নের ফসল তলিয়ে গিয়ে তা নষ্ট হবার উপক্রম হয়েছে। বর্তমানে ফসল রক্ষার্থে ভীষণ দুশ্চিন্তায় কৃষক। এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোণা ১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলার বড়খাপন ইউনিয়নের কাউয়ার বাড়ি খাল ও তৎসংলগ্ন প্লাবিত এলাকা আকস্মিক পরিদর্শন করেন তিনি।

এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং হাওর অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে তড়িৎ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, এখানকার জনবসতির একমাত্র উপার্জন হচ্ছে কৃষি। হঠাৎ পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে তাদের জমির ফসল। কেউ হয়তো কিছু ফসল পাবে, কেউ পাবে না- এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা নতুন দায়িত্ব নিয়েছি। আপাতত প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাঁধের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং কৃষকদের জন্য অনুদান দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি নিজেও একজন কৃষকের সন্তান। কৃষকের সুবিধার্থে এবং তাদের উৎপাদিত ফসল যেন ঘরে তুলতে পারে, তার জন্য যা করণীয় আমরা তা করবো ইনশাআল্লাহ।

হাওরের কৃষকদের এই করুণ অবস্থার জন্য পূর্ববর্তী সরকারের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করে তিনি বলেন, গত ১০-১৫ বছর ধরে এ অঞ্চলে কোনো নদী বা খাল খনন হয়নি। উল্টো বিভিন্ন জায়গায় বাঁধ দিয়ে বিগত সরকারের দলীয় নেতাকর্মীরা মাছ চাষ করে অর্থ উপার্জন করেছে। নদীর সাথে খালের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছিল। আমরা নতুন বাংলাদেশে এমন অনিয়মের ন্যায়বিচার চাই।

সারাদেশে বর্তমান সরকার গৃহীত খাল ও নদী খননের বৃহৎ প্রকল্পের প্রসঙ্গ টেনে তিনি কৃষকদের আশ্বস্ত করেন, এই প্রকল্পের আওতায় হাওর অঞ্চলের খালগুলোও খনন করা হবে।

নেত্রকোণার হাওর অঞ্চলের ৪২ হাজার হেক্টর জমির ফসল বর্তমানে ঝুঁকির মুখে রয়েছে উল্লেখ করে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জরুরি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনেক গাফিলতি ও স্বজনপ্রীতি রয়েছে। আমি এখান থেকেই পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, সচিব এবং সংশ্লিষ্ট ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, তারা যেন অনতিবিলম্বে হাওর অঞ্চলে এসে কৃষকদের সাথে কথা বলে কার্যকর ও স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

কায়সার কামাল বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সরকার যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো একটু সক্রিয় হলেই আমরা সেদিকে এগিয়ে যেতে পারবো।