খুঁজুন
বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ২৫ চৈত্র, ১৪৩২

রাবির যশোর জেলা সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ; নেতৃত্বে মেহেদী-আল আমীন

রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১:৫৭ অপরাহ্ণ
রাবির যশোর জেলা সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ; নেতৃত্বে মেহেদী-আল আমীন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) যশোর জেলা সমিতির (কপোতাক্ষ) পূর্ণাঙ্গ নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০২০ সেশনের শিক্ষার্থী সভাপতি. মো. মেহেদী হাসান সাগরকে সভাপতি ও

ব্যাংকিং এন্ড ইন্সুইরেন্স বিভাগের ২০২০-২০২১ সেশনের মো. আল আমিনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

গতকাল (৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে বর্তমান কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকের সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়। এর আগে গত ১৬ আগস্ট আগের কমিটির সভাপতি, সম্পাদকের অনুমতিতে আংশিক কমিটি প্রকাশ করা হয়।

এছাড়া সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন নাজমুল আকতার আকাশ। সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. ইয়াছিন আরাফাত, কামিনী ফাতেমা তিন্নি, ইউনুচ আলী, শরিফুল ইসলাম, ইনসান আলী, প্রত্যাশা, মোঃ মাসুম বিল্লাহ, মাহফুজুল ইসলাম, সুমাইয়া জমাদ্দার, মোঃ শাওন হোসেন, সাঈদ ইমন খান, লামিয়া আফরিন ও অরিসা অয়ারসি সাথী।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন সাব্বিরুল আলম, হেমন্ত সানা, তারেক মাহমুদ নিশান, আব্দুর রব, চৈতি বসু, সুমন হোসেন, নুসরাত জাহান রিচি, তানভিন সুলতানা দিতি, মোঃ শাওন, মো. ওয়াজিউল্লাহ ও মো. সাকিব হোসেন।
সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন রাকিবুল হাসান স্বাধীন, মাহমুদুল ইসলাম, জান্নাতুল ফেরদৌস, জাবির মাহমুদ লিমন, তানজিলা সজনী আকাশী, মেশকাত হোসেন ও তাজনভা তাজরীন স্নিগ্ধা।

অর্থ বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মুজাহিদ হোসাইন, সুলতান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ও রায়হান আহমেদ। সহ অর্থ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মাহফুজ আলম নয়ন ও নাফিস আহমেদ। দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন জাবির হোসেন রোহান ও ইমন রহমান। সহ-দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন সাদিকুল হাসিব নয়ন, মাহবুবা খাতুন জেবা, মো. আবু তালহা ও মোঃ ওমর ফারুক।

প্রচার সম্পাদক হয়েছেন ফাহমিদুর রহমান ফাহিম ও সানিমুল ইসলাম। সহ-প্রচার সম্পাদক হয়েছেন ফারদিন রাদ ও মাহিন আহমেদ। ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন রাফিন এস তামিম ও নাজমুল হোসেন। সহ ক্রীড়া সম্পাদক হয়েছেন আতিক হোসেন ও আসাদুজ্জামান আসাদ।

সাংস্কৃতিক সম্পাদক হয়েছেন হুমাইরা জামান রিস্তি ও সামিরা সুলতানা রিক্তা। সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক হয়েছেন সুমাইয়া পারভিন মিম্মা ও রিফাত হোসেন। বিতর্ক ও সেমিনার সম্পাদক হয়েছেন নয়ন আহমেদ এবং সহ সম্পাদক হয়েছেন মাহবুবুর রহমান। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক হয়েছেন মাহফুজুর রহমান রাব্বি এবং সহ সম্পাদক হয়েছেন নাইম আপন।

ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন আকলিমা জাহান, মনিরা সুলতানা মুক্তা, সামিয়া ইসলাম রুহি ও সুরাইয়া খুশি। ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মাহবুব হাসান সজীব ও জীবন দাস। সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মাজহারুল ইসলাম। উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আবির হোসেন এবং সহ সম্পাদক হয়েছেন খাইরুল ইসলাম।

ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁওয়ে ফুয়েল কার্ডে শৃঙ্খলা ফিরলেও দীর্ঘ লাইনে ভোগান্তি

MD JAMIL HASAN
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে ফুয়েল কার্ডে শৃঙ্খলা ফিরলেও দীর্ঘ লাইনে ভোগান্তি

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য।

জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’

এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে।

রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।”

অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না।

তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

জামালপুরে আনসার কমান্ডার পরিচয়ে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন, ভেকু ধ্বংস ও ব্যাটারি জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ
জামালপুরে আনসার কমান্ডার পরিচয়ে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন, ভেকু ধ্বংস ও ব্যাটারি জব্দ

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ,জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের মাদারগঞ্জে ঝাড়কাটা নদীতে আনসার কমান্ডার পরিচয়ে মাটি উত্তোলন করায় ভেকু ধ্বংস করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। 

অনলাইন নিউজ পোর্টাল উত্তরের চিত্র ডট কম এ সংবাদ প্রকাশের পর।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার ২ নং কড়ইচড়া ইউনিয়নের নলছিয়া এলাকায় এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।  ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাসেল দিও।

 

জানা গেছে, ঝাড়কাটা নদী থেকে ভেকু মেশিন  দিয়ে সরকারি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে আসছিল পার্শ্ববর্তী মেলান্দহ উপজেলার নলছিয়া এলাকার সিরাজুল আকন্দের ছেলে নুরনবী। খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাসেল দিও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এসময় আনসারের কমান্ডার পরিচয় দানকারী নুরনবী প্রশাসনের উপস্থিতি বুঝতে পেরে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত ভেকু মেশিনটি  অকেজো করে ও ভেকুর ব্যাটারি জব্দ করে নিয়ে যায়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন থেকে নুরনবী আনসার কমান্ডার পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে। এছাড়াও তার নিজ এলকাসহ আশেপাশের এলাকায় অবৈধভাবে শালিসি বৈঠকে অর্থের বিনিময়ে নিরীহ মানুষকে হয়রানি করে আসছে। তার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

মাদারগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)  রাসেল দিও জানান, অভিযান পরিচালনা করে ভেকু মেশিনটি অকেজো ও ভেকুর ব্যাটারি জব্দ করা হয়েছে। জনস্বার্থে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কৃষক উৎপাদিত ফসল যেন ঘরে তুলতে পারে সেজন্য যা করণীয় আমরা করবো : ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩৫ পূর্বাহ্ণ
কৃষক উৎপাদিত ফসল যেন ঘরে তুলতে পারে সেজন্য যা করণীয় আমরা করবো : ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

আকস্মিক অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোণার হাওর অঞ্চলে কৃষকের স্বপ্নের ফসল তলিয়ে গিয়ে তা নষ্ট হবার উপক্রম হয়েছে। বর্তমানে ফসল রক্ষার্থে ভীষণ দুশ্চিন্তায় কৃষক। এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোণা ১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলার বড়খাপন ইউনিয়নের কাউয়ার বাড়ি খাল ও তৎসংলগ্ন প্লাবিত এলাকা আকস্মিক পরিদর্শন করেন তিনি।

এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং হাওর অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে তড়িৎ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, এখানকার জনবসতির একমাত্র উপার্জন হচ্ছে কৃষি। হঠাৎ পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে তাদের জমির ফসল। কেউ হয়তো কিছু ফসল পাবে, কেউ পাবে না- এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা নতুন দায়িত্ব নিয়েছি। আপাতত প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাঁধের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং কৃষকদের জন্য অনুদান দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি নিজেও একজন কৃষকের সন্তান। কৃষকের সুবিধার্থে এবং তাদের উৎপাদিত ফসল যেন ঘরে তুলতে পারে, তার জন্য যা করণীয় আমরা তা করবো ইনশাআল্লাহ।

হাওরের কৃষকদের এই করুণ অবস্থার জন্য পূর্ববর্তী সরকারের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করে তিনি বলেন, গত ১০-১৫ বছর ধরে এ অঞ্চলে কোনো নদী বা খাল খনন হয়নি। উল্টো বিভিন্ন জায়গায় বাঁধ দিয়ে বিগত সরকারের দলীয় নেতাকর্মীরা মাছ চাষ করে অর্থ উপার্জন করেছে। নদীর সাথে খালের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছিল। আমরা নতুন বাংলাদেশে এমন অনিয়মের ন্যায়বিচার চাই।

সারাদেশে বর্তমান সরকার গৃহীত খাল ও নদী খননের বৃহৎ প্রকল্পের প্রসঙ্গ টেনে তিনি কৃষকদের আশ্বস্ত করেন, এই প্রকল্পের আওতায় হাওর অঞ্চলের খালগুলোও খনন করা হবে।

নেত্রকোণার হাওর অঞ্চলের ৪২ হাজার হেক্টর জমির ফসল বর্তমানে ঝুঁকির মুখে রয়েছে উল্লেখ করে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জরুরি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনেক গাফিলতি ও স্বজনপ্রীতি রয়েছে। আমি এখান থেকেই পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, সচিব এবং সংশ্লিষ্ট ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, তারা যেন অনতিবিলম্বে হাওর অঞ্চলে এসে কৃষকদের সাথে কথা বলে কার্যকর ও স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

কায়সার কামাল বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সরকার যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো একটু সক্রিয় হলেই আমরা সেদিকে এগিয়ে যেতে পারবো।