খুঁজুন
শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১ চৈত্র, ১৪৩২

মধ্যপাড়ায় রেলওয়ের লিজকৃত জমি জবর দখলের পাঁয়তারা: সংবাদ সম্মেলনে সাজ্জাদ হোসেনের অভিযোগ

মাসুদুর রহমান, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি।
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ
মধ্যপাড়ায় রেলওয়ের লিজকৃত জমি জবর দখলের পাঁয়তারা: সংবাদ সম্মেলনে সাজ্জাদ হোসেনের অভিযোগ

দিনাজপুর পার্বতীপুরের মধ্যপাড়া রেলওয়ে স্টেশনসংলগ্ন রেলওয়ের লিজকৃত জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা সাজ্জাদ হোসেন।

আজ মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুরে মধ্যপাড়া রেলস্টেশন এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে সাজ্জাদ হোসেন জানান, ২০০৯ সালে তিনি রেলওয়ের নিকট থেকে বৈধভাবে ৩ একর ২৩ শতক পরিত্যক্ত জমি লিজ নিয়ে সেখানে আম, কাঁঠালসহ বিভিন্ন ফলদ গাছ রোপণ করেন। গত ১৫ বছর ধরে নিজ খরচে জমিটি পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ করে আসছেন তিনি।

তিনি অভিযোগ করেন, “গত চার বছর ধরে একটি প্রভাবশালী মহল, বিশেষ করে স্থানীয় আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী, আমার বৈধভাবে লিজ নেয়া জমি দখলের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। আমি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট দফতরে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ করলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”

সাজ্জাদ হোসেন আরও বলেন, “২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ জনগণের সহযোগিতায় আমি জমির নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাই। তবে বর্তমানে রেলওয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তা, বিশেষ করে কানুনগো এবং কাগজপত্র বিভাগে কর্মরত ব্যক্তিরা আবারও জমিটি অন্য কাউকে বরাদ্দ দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন।”

তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “এই জমির উন্নয়নে আমার বছরের পর বছর পরিশ্রম ও অর্থ বিনিয়োগ রয়েছে। দুর্নীতিগ্রস্ত কিছু কর্মকর্তার স্বার্থে যদি এই জমি হাতছাড়া হয়, তবে আমার সবকিছুই ধ্বংস হয়ে যাবে।”

সংবাদ সম্মেলনে তিনি চার দফা দাবি উত্থাপন করেন: পূর্বের বৈধ লিজ বহাল রাখা, রেলওয়ের অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ, জমি অন্য কাউকে বরাদ্দ না দেওয়া এবং
শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদভাবে ভোগদখলের নিশ্চয়তা দেওয়া।

তিনি বলেন, “আমি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে ন্যায়বিচার এবং আমার স্বপ্নের নিরাপত্তা চাই।”

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দা আসাদুল হক বলেন, “প্রায় ১২ বছর ধরে সাজ্জাদ ভাইয়ের জমিতে কাজ করছি। এখান থেকে আমাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। আমরা সরকারের কাছে আবেদন জানাই, যথাযথ প্রক্রিয়ায় তাকে পুনরায় লিজ দেওয়া হোক।”

আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দা মাহবুবুর রহমান বলেন, “এই পরিত্যক্ত জমিতে সাজ্জাদ হোসেন আমবাগান গড়ে তুলেছেন। গাছগুলো এখন ১০-১২ বছরের, ফল আসতে শুরু করেছে। সরকার যেন এই লিজ পুনরায় তার নামে বহাল রাখে, এটাই আমাদের দাবি।”

এ বিষয়ে মন্তব্য নেওয়ার জন্য পাবনার পাকশী রেলওয়ের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ অফিসার আরিফুল ইসলামের ব্যবহৃত ০১৭১১ ৬৯ ২৮৬৯ নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ধারের ৩০০০ টাকা নিয়ে ৬ মাস ধরে টালবাহানা: প্রশ্নের মুখে ছাত্রদল নেতা আপন সরকারের নৈতিকতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ণ
ধারের ৩০০০ টাকা নিয়ে ৬ মাস ধরে টালবাহানা: প্রশ্নের মুখে ছাত্রদল নেতা আপন সরকারের নৈতিকতা

নিজস্ব প্রতিবেদক|রাজশাহী

​রাজশাহীর বাঘা উপজেলা ছাত্রদলের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক পদপ্রার্থী ও নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজের ইন্টারমিডিয়েট শাখা ছাত্রদলের সাবেক ছাত্র নেতা আপন সরকারের বিরুদ্ধে ধারের টাকা ফেরত না দিয়ে দীর্ঘ ছয় মাস ধরে টালবাহানা করার অভিযোগ উঠেছে। মাত্র ৩০০০ টাকার জন্য একজন পদপ্রত্যাশী নেতার এমন ‘পাইতারা’ বা টালবাহানায় স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে হাস্যরস ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

​ঘটনার বিবরণ:
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ছয় মাস আগে জরুরি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে আপন সরকার কলেজের এক ছাত্রের কাছ থেকে ৩০০০ টাকা ধার নেন। ধার নেওয়ার সময় অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে টাকাটি পরিশোধ করার প্রতিশ্রুতি দিলেও সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর তিনি ভিন্ন রূপ ধারণ করেন। পাওনাদার বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও আপন সরকার নানা অজুহাতে সময় ক্ষেপণ করে আসছেন।

​ভুক্তভোগীর অভিযোগ:
ভুক্তভোগী জানান, “একজন ছাত্রনেতা হিসেবে তাকে বিশ্বাস করে টাকাটা দিয়েছিলাম। কিন্তু এখন ছয় মাস পার হয়ে গেলেও তিনি টাকা দিচ্ছেন না। ফোন দিলে ধরেন না, আর ধরলেও আজ-কাল বলে ঘোরান। তার মতো দায়িত্বশীল পদের প্রত্যাশীকে এই সামান্য টাকার জন্য এমন পাইতারা করতে দেখাটা সত্যিই দুঃখজনক।”

​রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন:
আপন সরকার বর্তমানে বাঘা উপজেলা ছাত্রদলের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক পদের জন্য লবিং করছেন। তবে মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের মতে, যারা ব্যক্তিগত লেনদেন বা সাধারণ মানুষের আমানত রক্ষা করতে পারেন না, তাদের হাতে সাংগঠনিক দায়িত্ব কতটুকু নিরাপদ তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। ছাত্রদলের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসার আগেই এমন ‘আমানত খিয়ানত’ নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন সচেতন নেতা-কর্মীরা।
​এই বিষয়ে অভিযুক্ত আপন সরকারের মন্তব্য জানতে তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পাওনাদারের দাবি, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নয় বরং নৈতিক জায়গা থেকে অতি দ্রুত যেন আপন সরকার তার ধারের টাকা পরিশোধ করেন।

অতিরিক্ত শর্ট-ফর্ম ভিডিও দেখায় ঢাকার কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ADHD-সদৃশ উপসর্গের ঝুঁকি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ
অতিরিক্ত শর্ট-ফর্ম ভিডিও দেখায় ঢাকার কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ADHD-সদৃশ উপসর্গের ঝুঁকি

ঢাকা শহরের কলেজ শিক্ষার্থীদের ওপর পরিচালিত এক গবেষণা জানিয়েছে, অতিরিক্ত ভিডিও দেখার ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মনোযোগের সমস্যা এবং ADHD-সদৃশ উপসর্গের ঝুঁকি বেড়ে যায়। গবেষক আনজুমান আরা আল জন্নাতি

আধুনিক ডিজিটাল যুগে রিলস, শোর্টসসহ শর্ট-ফর্ম ভিডিও তরুণদের বিনোদনের একটি বড় অংশ হয়ে উঠেছে। কিন্তু সম্প্রতি ঢাকা শহরের কলেজ শিক্ষার্থীদের ওপর পরিচালিত এক গবেষণা জানিয়েছে, অতিরিক্ত ভিডিও দেখার ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মনোযোগের সমস্যা এবং ADHD-সদৃশ উপসর্গের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

গবেষক আনজুমান আরা আল জন্নাতি (ANZUMAN ARA AL ZANNATI) এই ক্রস-সেকশনাল স্টাডিটি পরিচালনা করেছেন।

গবেষণায় ১৪ থেকে ২১ বছর বয়সী ৩০৫ জন কলেজ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের ADHD উপসর্গ মূল্যায়ন করা হয়েছে WHO-এর Adult ADHD Self-Report Scale (ASRS v1.1) ব্যবহার করে।

ফলাফল অনুযায়ী, অংশগ্রহণকারীর ৪৩.৩% শিক্ষার্থী ADHD-সদৃশ উপসর্গের জন্য পজিটিভ স্ক্রিনিং হয়েছে। যারা দিনে ৪ ঘন্টা বা তার বেশি ভিডিও দেখেন, তাদের মধ্যে ৬০% শিক্ষার্থী পজিটিভ স্ক্রিনিং হয়েছে। অন্যদিকে, যারা দিনে ১ ঘণ্টা বা কম ভিডিও দেখেন, তাদের মধ্যে মাত্র ১৫% শিক্ষার্থী পজিটিভ স্ক্রিনিং হয়েছে।

গবেষক আনজুমান আরা আল জন্নাতি বলেন, “উচ্চ মাত্রার ডিজিটাল ভিডিও দেখার অভ্যাস শিক্ষার্থীদের মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি এবং দৈনন্দিন কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে। আমাদের গবেষণার লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং ডিজিটাল ব্যবহারে সঠিক সীমা নির্ধারণে সাহায্য করা।”

গবেষণার তথ্যগুলো Zenodo ডেটাসেটে সংরক্ষিত রয়েছে (DOI: 10.5281/zenodo.18959389) এবং Creative Commons Attribution 4.0 International লাইসেন্সের আওতায় প্রকাশিত।

মাদারীপুরে চাঁদা না পেয়ে সাংবাদিকের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, সন্ত্রাসী হামলায় নারী-শিশুসহ আহত একাধিক

এস এম সোহাগ কাজী মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
মাদারীপুরে চাঁদা না পেয়ে সাংবাদিকের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, সন্ত্রাসী হামলায় নারী-শিশুসহ আহত একাধিক

মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদী ইউনিয়নে চাঁদা না পেয়ে এক সাংবাদিকের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশুসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি নিয়ে সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ হোসেন খান জানান, একই এলাকার মৃত বাবন খাঁর ছেলে জাভেদ খাঁ ও তার ছেলে সুজন খাঁ দীর্ঘদিন ধরে তাকে এবং তার পরিবারের সদস্যদের নানা ভাবে হয়রানি করে আসছিল। বিভিন্ন সময় তার কাছে নগদ চাঁদা দাবি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্তরা তা অমান্য করে এবং ক্ষতিসাধনের হুমকি দিতে থাকে।

অভিযোগে বলা হয়, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ৯ মার্চ ২০২৬ রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটের দিকে তার বসতবাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। এতে প্রায় ৩ লাখ ২০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এর ধারাবাহিকতায় ১১ মার্চ দুপুর আনুমানিক ১টা ১০ মিনিটের দিকে আগুন দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় জাভেদ খাঁর নির্দেশে সুজন খাঁ, ইমরান খান, রোমান খান, নাছিমা বেগম, মুনি বেগমসহ আরও ১০–১২ জন সংঘবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার বাড়ির উঠানে এসে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সাংবাদিক মাসুদ হোসেন খান বলেন, হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দিলে আত্মরক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে তার ডান হাতের কব্জিতে গুরুতর জখম হয়। পরে লোহার রড দিয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ সময় তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে তার মেয়ে ইসমিতা খান মমির চুল ধরে টানাহেঁচড়া করা হয় এবং তার গলায় থাকা প্রায় এক ভরি তিন আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক আরও বলেন, তিনি আইনের আশ্রয় নেওয়ার কথা জানালে অভিযুক্তরা তাকে ও তার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে।

মাসুদ হোসেন খান বর্তমানে এশিয়ান টেলিভিশনের মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। এছাড়া তিনি দৈনিক গণতদন্ত পত্রিকার মফস্বল সম্পাদক, দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক এবং কয়েকটি জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (বিএমএসএস)-এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পর্ষদের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদেও দায়িত্বে রয়েছেন