খুঁজুন
সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ২১ বৈশাখ, ১৪৩৩

মধ্যপাড়ায় রেলওয়ের লিজকৃত জমি জবর দখলের পাঁয়তারা: সংবাদ সম্মেলনে সাজ্জাদ হোসেনের অভিযোগ

মাসুদুর রহমান, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি।
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ
মধ্যপাড়ায় রেলওয়ের লিজকৃত জমি জবর দখলের পাঁয়তারা: সংবাদ সম্মেলনে সাজ্জাদ হোসেনের অভিযোগ

দিনাজপুর পার্বতীপুরের মধ্যপাড়া রেলওয়ে স্টেশনসংলগ্ন রেলওয়ের লিজকৃত জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা সাজ্জাদ হোসেন।

আজ মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুরে মধ্যপাড়া রেলস্টেশন এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে সাজ্জাদ হোসেন জানান, ২০০৯ সালে তিনি রেলওয়ের নিকট থেকে বৈধভাবে ৩ একর ২৩ শতক পরিত্যক্ত জমি লিজ নিয়ে সেখানে আম, কাঁঠালসহ বিভিন্ন ফলদ গাছ রোপণ করেন। গত ১৫ বছর ধরে নিজ খরচে জমিটি পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ করে আসছেন তিনি।

তিনি অভিযোগ করেন, “গত চার বছর ধরে একটি প্রভাবশালী মহল, বিশেষ করে স্থানীয় আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী, আমার বৈধভাবে লিজ নেয়া জমি দখলের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। আমি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট দফতরে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ করলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”

সাজ্জাদ হোসেন আরও বলেন, “২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ জনগণের সহযোগিতায় আমি জমির নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাই। তবে বর্তমানে রেলওয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তা, বিশেষ করে কানুনগো এবং কাগজপত্র বিভাগে কর্মরত ব্যক্তিরা আবারও জমিটি অন্য কাউকে বরাদ্দ দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন।”

তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “এই জমির উন্নয়নে আমার বছরের পর বছর পরিশ্রম ও অর্থ বিনিয়োগ রয়েছে। দুর্নীতিগ্রস্ত কিছু কর্মকর্তার স্বার্থে যদি এই জমি হাতছাড়া হয়, তবে আমার সবকিছুই ধ্বংস হয়ে যাবে।”

সংবাদ সম্মেলনে তিনি চার দফা দাবি উত্থাপন করেন: পূর্বের বৈধ লিজ বহাল রাখা, রেলওয়ের অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ, জমি অন্য কাউকে বরাদ্দ না দেওয়া এবং
শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদভাবে ভোগদখলের নিশ্চয়তা দেওয়া।

তিনি বলেন, “আমি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে ন্যায়বিচার এবং আমার স্বপ্নের নিরাপত্তা চাই।”

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দা আসাদুল হক বলেন, “প্রায় ১২ বছর ধরে সাজ্জাদ ভাইয়ের জমিতে কাজ করছি। এখান থেকে আমাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। আমরা সরকারের কাছে আবেদন জানাই, যথাযথ প্রক্রিয়ায় তাকে পুনরায় লিজ দেওয়া হোক।”

আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দা মাহবুবুর রহমান বলেন, “এই পরিত্যক্ত জমিতে সাজ্জাদ হোসেন আমবাগান গড়ে তুলেছেন। গাছগুলো এখন ১০-১২ বছরের, ফল আসতে শুরু করেছে। সরকার যেন এই লিজ পুনরায় তার নামে বহাল রাখে, এটাই আমাদের দাবি।”

এ বিষয়ে মন্তব্য নেওয়ার জন্য পাবনার পাকশী রেলওয়ের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ অফিসার আরিফুল ইসলামের ব্যবহৃত ০১৭১১ ৬৯ ২৮৬৯ নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

 ইটের ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা বন্ধ : ঠাকুরগাঁওয়ে গৃহবন্ধী একটি  পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
 ইটের ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা বন্ধ : ঠাকুরগাঁওয়ে গৃহবন্ধী একটি  পরিবার
  • ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ॥ প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে ঠাকুরগাঁওয়ে চলাচলের রাস্তায় ইটের দেয়ালের ব্যরিকেড দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে একটি পরিবারকে। ফলে বাসায় বৃদ্ধদের চিকিৎসার ওষুধ না নিতে পারা, ছেলে-মেয়েদের স্কুল মাদ্রাসায় না পাঠাতে পেরে এবং ঘর থেকে বের হতে না পারায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও খাবার সংগ্রহ করা অসম্ভব হয়ে পড়ায় মানবেতর জীবন যাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারটি। এ অবস্থায় দ্রুতই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে তারা।
  • জানাযায়, পাকিস্তান পিরিয়ডে তৎকালীন ঠাকুরগাঁও মহকুমার মুন্সিপাড়া গোরস্থান সংলগ্ন প্রায় ৯ শতাংশ জমি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ত্রাণ হিসেবে পান মো হাবিব। পরবর্তীতে হাবিবের দুই ছেলে আব্দুল নাইম ৩ শতাংশ এবং আব্দুল আজিজ (মুন্না) ৬ শতাংশ করে নেন। সময় যাবার সাথে সাথে অব্দুল আজিজ মুন্নার পরিবার আব্দুল নাইমের পরিবারের সে ৩ শতাংশ জমিও কেড়ে নেবার পায়তারা করে। এর পর থেকেই শুরু হয় আব্দুল নাইমের পরিবারের ওপর নির্যাতন। ২০১৬ সালে দুই পরিবারের মাঝে এ ধরনের সমস্যা দেখে এলাকাবাসীই উদ্যোগ নিয়ে স্থানীয় মেম্বার এবং গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ নিয়ে একটি সালিশ এর ব্যবস্থা করে এবং সেখানে একটি সমাধান দিয়ে দুই পরিবারের কর্তাবৃন্দের কাছেই লিখিত নেয়া হয়। তবে সে সালিশকে উপেক্ষা করে পুনরায় সে জমি কেড়ে নেবার পায়তারা শুরু করে আব্দুল আজিজের পরিবার এবং ভুক্তভোগী পরিবারটির ওপর চালায় অমানবিক নির্যাতন। যার ফলশ্রুতিতেই গত দু সপ্তাহ ধরে অবরুদ্ধ হয়ে রয়েছে আব্দুল নাইমের পরিবারটি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভুক্তভোগী পরিবারটির ছোট থেকে বড় সকলেই অনেক কষ্ট করে সে ইটের দেয়ালের ব্যারিকেড পার হয়ে তাদের অতিপ্রযোজনীয় কাজ গুলো সারছেন। পরিবারের শিশুরা কোনদিন স্কুল মাদ্রাসায় যেতে পারছে কোননি পাছেনা। মহিলারা জীবনের ঝুকি নিয়ে অন্যের দেয়ালে ঝুলে পার হচ্ছেন সে ব্যারিকেড।

ভুক্তভোগী পরিবারের রানী আক্তার জানান, আমার শশুর বাড়ি এটি। এখানে আমাদের অবরুদ্ধ করে রাখায় আমরা যেমন তেমন ভাবে বেঁচে আছি। আমার সন্তানদের নিয়ে কি করবো আর তাদের মুখে খাবার তুলে দেবোই বা কিভাবে আর তাদের স্কুল মাদ্রাসাতেই পাঠাবো কিভাবে জানিনা। যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছি, দেখাযাক আল্লাহ কপালে কি রেখেছেন।

রানী আক্তারের ৯ বছরের ছেলে মিরাজ আলম বলে, আমি মাদ্রাসায় হেফজ পড়ছি। প্রতিদিন যেতে পারিনা। কেউ সাহায্য না করলে রাস্তা পার হতে পারিনা। আমাদের খুব ভয় লাগে এভাবে। কবে যে আবার আগের মত মাদ্রাসায় যেতে পারবো জানিনা।

রাস্তা বন্ধ করে চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও পরিবারটিকে অবরুদ্ধ করে রাখার ব্যাপারে অভিযুক্ত আব্দুল আজিজের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে না পেয়ে ছোট ছেলে মন্টির সাথে কথা হলে তিনি ইটের ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা বন্ধের বিষয়টি স্মীকার করে বলেন, এ বিষয়ে যেনো কেউ সমাধানে আসে এ জন্যই আমরা এ রাস্তা বন্ধ করেছি। তবে ভুক্তভোগী পরিবারটির মানবেতর জীবনযাপন প্রসঙ্গে তিনি এরিয়ে যান।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে (এসিল্যান্ড) ভূমি কর্মকর্তার স্মরনাপন্ন হতে বলেন।
সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা (সহকারী কমিশনার ভূমি) আশাদুল হক এর স্মরনাপন্ন হলে তিনি বলেন, আমাদের কাছে এ বিষয়ে কোন অভিযোগ আসেনি। তবে পথ বন্ধ করা আইনত অন্যায়, কেউ যদি এমন করে থাকে তাহলে অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ধর্ষণের শিকার ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৬:০৪ পূর্বাহ্ণ
ধর্ষণের শিকার ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক

ডেস্ক রিপোর্ট:   নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ১২ বছরের মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। পরে ওই ছাত্রী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ায় মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষকের নাম আমান উল্লাহ সাগর। তিনি হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মদন থানায় ভুক্তভোগীর মা আমান উল্লাহ সাগরকে অভিযুক্ত করে অভিযোগটি দায়ের করেন। অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার পাঁচহার গ্রামে ২০২২ সালে হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। একই মাদরাসাতে তার স্ত্রীও প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত আছেন। ভুক্তভোগীও একই এলাকার বাসিন্দা। মেয়েটির মাকে ছেড়ে গেছে তার বাবা। জীবিকার তাগিদে শিশুটির মা সিলেটে গৃহ পরিচারিকার কাজ করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি তার নানির কাছে থেকে ওই মাদরাসায় লেখাপড়া করতো।

অভিযোগ রয়েছে, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর ওই মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনা কাউকে জানালে প্রাণনাশের ভয় দেখান ওই মাদরাসা শিক্ষক। পরবর্তীতে এপ্রিল মাসের ১৮ তারিখে ওই শিক্ষক ছুটিতে যাওয়ার পর আর মাদরাসায় আসেননি বলে জানিয়েছেন মাদরাসার আরেক শিক্ষক। আর ভুক্তভোগী ছাত্রী গত পাঁচ মাস ধরে মাদরাসায় আসা বন্ধ করে দেয়।

পরবর্তীতে শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন দেখে সন্দেহ হয় পরিবারের। তখন তার মা সিলেট থেকে এসে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারে ঘটনা। শিশুটি মাদরাসার শিক্ষকের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে জানায়। এরপর শিশুটিকে নিয়ে মদন উপজেলার বেসরকারি মেডিকেলে গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. সায়মা আক্তারকে দেখান। তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান, মেয়েটি ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

এ বিষয়ে ডাক্তার সায়মা আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বাচ্চাটি তার মায়ের সঙ্গে ক্লিনিকে আসে এবং জানায় যে তার পেট সবসময় ভারী লাগে এবং পেটের ভেতর কিছু একটা নড়াচড়া করছে বলে মনে হয়। চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা করে দেখতে পান যে বাচ্চাটি প্রচণ্ড রক্তশূন্যতায় ভুগছে। তার শরীরে রক্ত নেই বললেই চলে
এই গাইনি চিকিৎসক আক্ষেপ করে বলেন, ১১ বছর বয়সী এই শিশুটির আসলে একজন শিশু বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাকে গাইনোকোলজিস্টের কাছে আসতে হয়েছে এমন একটি সমস্যা নিয়ে, যা সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে দেখা যায়। মেয়েরা জন্মের সময় থেকেই ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণু নিয়ে জন্মায়। সাধারণত ১১-১২ বছর বয়সে এই ডিম্বাণুগুলো পূর্ণতা পায় এবং প্রথম মাসিকের মাধ্যমে তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। শিশুটি তার জীবনের প্রথম মাসিক হওয়ার অভিজ্ঞতা পাওয়ার আগেই গর্ভবতী হয়ে পড়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে শিশুটি এবং তার পরিবার বর্তমানে এক গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম জানান, এ ধরনের একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আমি এখানে নতুন যোগদান করায় বিস্তারিত বলতে পারছি না। তবে আইন তার নিজস্ব প্রক্রিয়া মেনে এগিয়ে যাবে।

দুর্গাপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ
দুর্গাপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নূর মোহাম্মদ নামের এক যুবকের ছুরিকাঘাতে ওয়াহিদুল ইসলাম কেলিস নামের অপর যুবক নিহত হয়েছেন।

শনিবার দিবাগত রাতে পৌর শহরের তেরি বাজার এলাকায় এ ঘটনার ঘটে৷ নিহত কেলিস ওই এলাকার মৃত আব্দুল মৃধার ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত ১১ টায় তেরি বাজার এলাকায় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে নূর মোহাম্মদ ওয়াহিদুল ইসলাম কেলিসকে ছুরিকাঘাত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেলে প্রেরণ করে ৷ পরে রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করে।

পুলিশ রাতেই দুর্গাপুরের বাসা থেকে নূর মোহাম্মদের মা নূরনাহার ও তার বোন জামাই মাজেদুল কে গ্রেফতার করে। এরপর পুলিশ তৎপর হয়ে অভিযান চালিয়ে ওইদিন ভোর রাতে নেত্রকোণার মালনী এলাকা থেকে ঘাতক নূর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করে ও এ ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করে। ঘাতক নূর মোহাম্মদ তেরী বাজার এলাকার মুজিবুর রহমানের ছেলে।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় থানায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ৫ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা করেন। ইতোমধ্যে ঘটনার মূল হোতা নূর মোহাম্মদ সহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।