খুঁজুন
, ,

দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির চতুর্থ বর্ষপূর্তি : সমাজের প্রতি আমাদের নিবেদন

মামুন রণবীর
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৯:৩২ অপরাহ্ণ
দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির চতুর্থ বর্ষপূর্তি : সমাজের প্রতি আমাদের নিবেদন

সময়ের পরিক্রমায় নেত্রকোণা জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্য-পর্যটনসমৃদ্ধ দুর্গাপুর উপজেলার দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতি আজ চতুর্থ বর্ষ পূর্ণ করলো। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রত্যয়ে একঝাঁক নিবেদিত সংবাদকর্মী নিয়ে চার বছর আগে যাত্রা শুরু করা দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতি নিয়মিত রিপোর্টিং কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করেছে।

সাংবাদিকদের এই সংগঠনের সদস্যবৃন্দ শুধুমাত্র সংবাদ পরিবেশনে সীমাবদ্ধ থাকেনি। তারা প্রতিনিয়ত সংবাদ পরিবেশন, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চা এবং সাংবাদিকতায় উৎকর্ষ সাধনে নানা কার্যক্রম করে চলেছে। তারা সাংবাদিকতায় দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে এবং প্রতিনিয়ত নিজেদের ছাড়িয়ে
গিয়েছে।

একটি চমৎকার গঠনতন্ত্র প্রণয়নের মাধ্যমে সমিতির সামগ্রিক কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় গত চার বছরে দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতি বেশ অগ্রসর হয়েছে।

দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতি ভালো মন্দ মিলিয়েই চারটি বছর পার করেছে। সেখানে যেমন অনেক নান্দনিকতা ছিলো তেমনি নিজেদের ছাড়িয়ে যাবার অনেক চ্যালেঞ্জও ছিলো।

সময়ের বাস্তবিকতায় অনেক চড়াই-উৎরাই পার হয়ে আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি। আমাদের কলম কথা বলে সময়ের, কথা বলে সত্যের,কথা বলে বস্তুনিষ্ঠতার। আমাদের কাছে সাংবাদিকতা শুধুমাত্র নিউজ কাভারেজ নয়। সাংবাদিকতা আমাদের কাছে একটি মহান দায়িত্ব, সমাজের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা, পারস্পরিক আত্মনিবেদন এবং সমাজ ও সভ্যতার প্রকৃত চিত্র উপস্থাপন।

আমরা জানি,গণমাধ্যম সমাজের আয়না। আয়নায় যেমন নিজের চেহারা প্রতিবিম্বিত হয়, তেমনি দেশ, জাতি, সমাজ এমনকি সমকালীন বিশ্বের চলমান ঘটনা, জীবনযাত্রা, চিন্তাচেতনা, জাতীয় স্বার্থ ও দিকনির্দেশনা গণমাধ্যমে প্রকাশ ও প্রচার হয়। সেই গণমাধ্যম ও সাংবাদিকরা জাতির জাগ্রত বিবেক। সামাজিক উন্নয়ন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, সত্য-সুন্দর এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে গণমাধ্যম ও সংবাদকর্মীদের গুরুত্ব অপরিসীম।

সাংবাদিকতার মূল দায়িত্ব হলো সত্য উদঘাটন, বস্তুনিষ্ঠ ও নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ করে জনগণের কাছে উপস্থাপন করা। যা সমাজকে সঠিক পথে চালিত করতে সাহায্য করে; এর দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে ‘চতুর্থ স্তম্ভ’ হিসেবে কাজ করা, প্রান্তিক মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরা, ভুল তথ্য প্রতিরোধ করা এবং নৈতিক মানদণ্ড বজায় রেখে নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে কাজ করা। আমরা সেই বিষয়গুলো ধারণ করেই কাজ করে যাচ্ছি।

দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির যাত্রা শুরু হয়েছিলো শূন্য থেকে। সেই শূন্য থেকে কিভাবে পূর্ণতা দেয়া যায় সে চেষ্টাই প্রতিনিয়ত অব্যাহত ছিল। যেখানে ছিল সংবাদ,সাংবাদিকতা, সামাজিক দায় এবং বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম। যেখানে আলোর পথযাত্রী হিসেবে কাজ করেছে সমিতির সদস্যবৃন্দ। এই ধারা আগামীর দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে।

চার বছরে দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির কার্যক্রম –

১. জাতীয় দিবসগুলো উদযাপনে সক্রিয় অংশগ্রহণ।
২. অসহায় মানুষদের জন্য ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প পরিচালন।
৩. নয়নযোগী অনাথালয় ও ডাকুমারা এতিমখানায় চাল বিতরণের মাধ্যমে অনাথদের পাশে দাঁড়ানো ।
৪. পবিত্র রমজানে দরিদ্র মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মধ্যে পবিত্র কোরআন শরীফ এবং ইসলামী বিভিন্ন সামগ্রী প্রদান ।
৫. মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল আয়োজন ।
৬. সহযোগী সংগঠন হিসেবে দুর্গাপুর উপজেলার কৃতি ব্যক্তিদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সক্রিয় অংশগ্রহণ ।
৭. সমিতির উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ ।
৮. সমিতির নিজস্ব পাঠাগার স্থাপনের মাধ্যমে নিয়মিত চর্চার পরিধি আরো সমৃদ্ধকরণ।
৯. সাংবাদিকদের দক্ষতা আরো বেশি শাণিত করতে তৃণমূল সাংবাদিকতা শীর্ষক মৌলিক প্রশিক্ষণ আয়োজন ।
১০. সময়ের সাথে নিজেদের আপডেট রেখে সাংবাদিকতা চর্চায় মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতা শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন।
১১. সমাজের জন্য যা কিছু ইতিবাচক তা নিয়ে নানা পরিসরে কার্যক্রম পরিচালন এবং দুর্গাপুরের পর্যটনকে সারাদেশে ব্র্যান্ডিং করতে চ্যানেলের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালন।
১২. গাজায় গণহত্যা বন্ধের আহ্বানে গণমানুষকে নিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি।
১৩. আর্তপীড়িত মানুষের কল্যাণে সমাজে ভয়েস রেইজ করা।
১৪. সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধে বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজন।
১৫. সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন।

লেখক : সহ সভাপতি, দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতি।

মাদারগঞ্জে কালবেলা’র সাংবাদিক আকন্দ সোহাগের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জে কালবেলা’র সাংবাদিক আকন্দ সোহাগের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

জামালপুর প্রতিনিধি:জামালপুরের মাদারগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা মোঃ আবু সাঈদ সুজন (৩৬) ২১ অক্টোবর সন্ধ্যায় মাদারগঞ্জ মডেল থানায় এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ করেন।

​অভিযোগে কালবেলা’র প্রতিনিধি আকন্দ সোহাগকে (২৭) কে বিবাদী করা হয়েছে। সোহাগ উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের মোসলেমাবাদ আইগেনি পাড়া হোসেন আলী আকন্দের ছেলে।
​অভিযোগপত্র ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, আবু সাঈদ সুজন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন ও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। এর জের ধরে স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতকারীর সঙ্গে তাঁর বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগকারীর দাবি, সেই সূত্র ধরে আকন্দ সোহাগ সুজনের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সোহাগ ক্ষিপ্ত হন এবং তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার ও অপপ্রচারের হুমকি দেন। পরবর্তীতে সোহাগের ব্যবহৃত নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে ওই বিএনপি নেতার নামে অশ্লীল ও মানহানিকর বিভিন্ন বার্তা ও পোস্ট প্রচার করা হয়।
উল্লেখ্য যে, আনুমানিক ৩ মাস পূর্বে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় আরেকটি চাঁদাবাজির অভিযোগ হয়েছিল কালবেলার সাংবাদিক আকন্দ সোহাগ এর বিরুদ্ধে। পরে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে সেটা থেমে যায়। আনুমানিক ২০২২ সালে সাংবাদিকতায় এসেই মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয় এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নির্ভিক সাংবাদিকতা পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকায় মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের এক জরুরী সভায় ২৭ অক্টোবর/২০২২ ইং তারিখে সভাপতি/ সেক্রেটারি স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে সদস্য এবং সাধারণ সদস্য পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়। বছর দুয়েক পূর্বে নারী সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ও নির্লজ্জের মতো জনসম্মুখে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় তাকে।
​ভুক্তভোগী আবু সাঈদ সুজন বলেন, “এ ধরনের ভিত্তিহীন ও কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচারের কারণে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে আমার সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানাচ্ছি।”

​তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আকন্দ সোহাগ। মুঠোফোনে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি তাঁর (আবু সাঈদ সুজন) বাড়ি চিনিই না, সেখানে চাঁদাবাজির জন্য কেন যাব? আমি শুধু তাঁর বক্তব্য ফোনের মাধ্যমে নিয়েছিলাম, যার প্রমাণ আমার কাছে সংরক্ষিত আছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে এই লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এসব নিয়ে আমি বিচলিত নই এবং এতে আমার কোনো সমস্যা হবে না।”
​এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মোহাম্মদ আবুল হাসেম জানান, লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ণ
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন
  • বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: ‘মারে ভাসাইয়া জলে, কি ধন লইয়া জাইমু ঘরে। ঘরে গিয়া মা বলিব কারে গো’ গানের তালে তালে সুরমা নদীতে প্রতিমা বির্সজনের মধ্য দিয়ে সিলেটের বিশ্বনাথে ৬ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রতি বছর উপজেলা পরিষদ ঘাটে পৌর শহরের ৪টি প্রতিমা বিসর্জন করা হলেও এবছর বাসিয়া নদীর পানি ব্যাপকহারে কমে যাওয়ার ফলে সেখানে কোন প্রতিমা বিসর্জন করা হয়নি। পৌর শহরের ওই ৪টি প্রতিমা’সহ লামাকাজী ইউনিয়নের ৪টি মন্ডপের প্রতিমা’সহ ৮টি প্রতিমা দিঘলী গ্রাম এলাকায় সুরমা নদীতে প্রতিমা বিসর্জন করেন।
    বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে পৌর শহরের ৪টি মন্ডপের নেতৃবৃন্দ নিজেদের প্রতিমা নিয়ে প্রজেশন আকারে দিঘলী গ্রামস্থ প্রতিমা বিসর্জন স্থলে গিয়ে ওই এলাকার ৪টি মন্ডপের প্রতিমার সাথে সাথে নিজেদের প্রতিমা বিসর্জন করেন। প্রায় শুকিয়ে যাওয়া বাসিয়া নদীতে পানির পরিমাণ কমে যাওয়াটা যেনে সনাতন ধর্মালম্বীদের কাছে আরেকটি মিলনমেলায় পরিণত হয়। তাই ৮টি প্রতিমা বিসর্জনে প্রত্যেক মন্ডপের নেতৃবৃন্দ মিলেমিশে একাকার হয়ে যান।
    সরকারি বিধি-নিষেধের পাশাপাশি পূজা উদযাপন পরিষদের নিয়ম-নীতি মেনে উপজেলা ও পৌর শহরে অনুষ্ঠিত ২৬টি পূজামন্ডপের নেতৃবৃন্দ নিজেদের সুবিধামতো স্থানে প্রতিমা বিসর্জন সুষ্ঠ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করে ঘরে ফেরার ফলে সনাতন ধর্মালম্বীদের মনে বইছে আনন্দের বন্যা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরাসরি মনিটরিং করা হয় প্রতিমা বিসর্জন কার্যক্রম।
    শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতিমা বিসর্জনের সময় লামাকাজী ইউনিয়নের দিঘলী গ্রামে সুরমা নদীর তীরে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান, রামসুন্দর সরকারি অগ্রগামী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নবেন্দু জ্যোতি দে, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি তাপস দাশ পুরকায়স্থ, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সদস্য নিশি কান্ত পাল, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাবেক সহ সভাপতি রুপক কুমার দে, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য বাদল দেব, সুব্রত ধর বাপ্পী, সভাপতি সুনিল কান্তি দে, সহ সভাপতি বিজয় দে, সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে, যুগ্ম সম্পাদক গোবিন্দ মালাকার, কাজল মালাকার, কোষাধ্যক্ষ প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন দেব, দপ্তর সম্পাদক প্রনয় পাল বাপন, সহ দপ্তর সম্পাদক মিন্টু মালাকার, প্রচার সম্পাদক অজিত দেব, গণসংযোগ সম্পাদক শুভরাজ চন্দ, সহ গণসংযোগ সম্পাদক বিজয় চন্দ দে, সদস্য সুভাষ চন্দ্র দেব, নেপাল দেব, বিজয় বৈদ্য বারিন্দ্র, অজয় দেব, সৌমিত্র ধর মিশু, ধ্রুব জ্যোতি দে উজ্জল প্রমুখ’সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গ।
    সুষ্ট, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সিলেটের বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন হওয়ার জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন, থানা প্রশাসন, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সমগ্র উপজেলাবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশ্বনাথ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুনিল কান্তি দেও সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে।

মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন ও লিফলেট বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন ও লিফলেট বিতরণ

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ,জামালপুর প্রতিনিধি:জামালপুরের মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে চর সগুনা বাজার থেকে শুরু করেন ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম খান শত শত কর্মী সমর্থক নিয়ে অত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোটরসাইকেল শো-ডাউন করেন তিনি। চর সগুনা বাজার, কাহেতপাড়া বাজার, বাংলা বাজার, বীর ঘোষেরপাড়া করিমুজ্জামান মোড়, ঘোষের পাড়া মিলন বাজার, সবিলাপুর আইনলের মোড়, বেলতৈল বাজার, গুদার বাজার, বাগবাড়ী হাইস্কুল মোড় আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরেন এবং লিফলেট বিতরণ করেন পরে নিজবাড়ী প্রাঙ্গণে এসে শো ডাউন শেষ করেন। প্রার্থীর সাথে কর্মী সমর্থকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তিনি মেলান্দহ উপজেলার ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দীর্ঘদিন। এ ছাড়াও তিনি বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত থেকেও সমাজ,এলাকা তথা ইউনিয়নবাসীকে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম চালিয়েছেন। ইউনিয়নকে মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে এবং ইউনিয়নবাসীর উন্নয়নে সেবা করার লক্ষ্যে আগামী ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম খান সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।