খুঁজুন
, ,

ইশতেহারের ৯০ শতাংশ বাস্তবায়নের দাবি রাকসুর তথ্য ও গবেষণা বিভাগের

রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ
ইশতেহারের ৯০ শতাংশ বাস্তবায়নের দাবি রাকসুর তথ্য ও গবেষণা বিভাগের
উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণ, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং ক্যাম্পাসসেবা সহজ করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) তথ্য ও গবেষণা বিভাগ। এক বছরে নির্বাচনী ইশতেহারের প্রায় ৯০ শতাংশ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবি করেছে বিভাগটি। তবে কয়েকটি উদ্যোগ বাস্তবায়ন ও অগ্রগতিতে সীমাবদ্ধতা থাকলেও এ পর্যন্ত ১৪টি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রাকসুর তথ্য ও গবেষণা বিভাগের সম্পন্ন কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে অভিযোগ ও পরামর্শ গ্রহণের ওয়েবসাইট, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক ওয়েবিনার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কর্মশালা, আইইএলটিএস কোর্স, গবেষণা প্রশিক্ষণ ও আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলা। ওয়েবিনারে হার্ভার্ড ও অক্সফোর্ডের বিভিন্ন শিক্ষকের অংশগ্রহণের কথা জানিয়েছে বিভাগটি। এ ছাড়া ‘AI for Study’ শীর্ষক দুটি অনলাইন ও অফলাইন কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি পরীক্ষা মূল্যায়ন পদ্ধতির পরিবর্তন, গবেষণায় প্রণোদনা ও ক্যাম্পাসসেবা উন্নয়নেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া গবেষণায় শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়াতে ‘Research Methodology Course’-এর আওতায় দুই ব্যাচে বাছাই করা ২০০ শিক্ষার্থীকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের গবেষণায় প্রণোদনা দেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। একজন মার্কিন প্রশিক্ষকের সহযোগিতায় ‘Pre-IELTS Spoken Course’-এর দুটি অনলাইন ব্যাচে বাছাই করা ২০০ শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থীকে বিনা মূল্যে অনলাইনে আইইএলটিএস কোর্স করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্পর্কে ধারণা দিতে দুই দিনব্যাপী ‘International Education Expo’ আয়োজন করা হয়। এতে প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন দেশে উচ্চশিক্ষার বিষয়ে বিনা মূল্যে পরামর্শসেবা দেওয়া হয়।
এদিকে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পরামর্শ ও সমস্যা রাকসুর কাছে পৌঁছে দিতে ‘রাকসু কমপ্লেইন্ট অ্যান্ড অ্যাডভাইস সেন্টার’ ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষক মূল্যায়ন কার্যক্রম প্রশাসনিকভাবে চালু, পরীক্ষার খাতায় রোল নম্বরবিহীন পদ্ধতি প্রবর্তন এবং কোডিংয়ের মাধ্যমে খাতা মূল্যায়নের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
বিভাগটির তথ্যমতে, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট (টিএ) ও রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট (আরএ) বাবদ নতুন খাত যুক্ত করার উদ্যোগও সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরিতে ‘Speak Up, Stay Strong and Take Action Against Cyber Bullying’ শীর্ষক সেমিনারে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হয়েছে। তবে ‘RU Campus App’ ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট চালুর কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে বিভাগটি। অন্যদিকে, ইশতেহারে থাকা ‘Teachers Exchange Program’ চালুর উদ্যোগটি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ইউসুফ শেখ বলেন, প্রশাসনিক জটিলতা সত্ত্বেও বিভাগটির কার্যক্রম সামগ্রিকভাবে ইতিবাচক ছিল এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। তবে কর্মসূচিগুলোতে আরও বেশি কথোপকথনের অনুশীলন, ব্যক্তিগত দক্ষতাভিত্তিক পরামর্শ, হাতে-কলমে শিক্ষা ও দক্ষতা মূল্যায়নের ব্যবস্থা থাকলে শিক্ষার্থীরা আরও বেশি উপকৃত হতো।
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাজহারুল ইসলাম ফাহিম বলেন, দীর্ঘ ৩৫ বছর পর অনুষ্ঠিত রাকসুর তথ্য ও গবেষণা বিভাগ এক বছরে ইশতেহারের অধিকাংশ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছে। বিনা মূল্যে আইইএলটিএস, স্পোকেন ইংলিশ, আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলা ও গবেষণাবিষয়ক প্রশিক্ষণ শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে আগামী পাঁচ থেকে দশ বছরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা ও উচ্চশিক্ষায় অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেনারি ও এনিমেল সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী আজহারুল ইসলাম জানান, বিভাগটির উদ্যোগগুলো বেশ প্রশংসনীয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত শেখার পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়নি। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত দক্ষতা অনুযায়ী দিকনির্দেশনা, পর্যাপ্ত অনুশীলন ও কার্যকর মূল্যায়নের সুযোগ সীমিত ছিল। ভবিষ্যতে এসব ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে পারলে কার্যক্রমগুলো আরও ফলপ্রসূ হবে।
সার্বিক বিষয়ে রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বি. এম. নাজমুছ সাকিব বলেন, ‘দায়িত্ব পালনকালে অনেকের সহযোগিতা পেয়েছি। বিশেষ করে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব স্যার গবেষণায় প্রণোদনার বিষয়ে তাৎক্ষণিক সম্মতি দিয়েছিলেন। তবে বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে। সিসিডিসির পাশাপাশি সেন্ট্রাল সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালুর দীর্ঘদিনের পরিকল্পনাও পরিচালকের সদিচ্ছার অভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।’
রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, তথ্য ও গবেষণা বিভাগের প্রায় সব কাজই সম্পন্ন হয়েছে। বাকি উদ্যোগটির জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া থাকলেও প্রশাসনের অনুমতি পাওয়া যাচ্ছে না। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে উদ্যোগটি বাস্তবায়ন জরুরি। তবে আইসিটি সেন্টারের পরিচালক ও উপাচার্য পর্যায়ে বিষয়টি আটকে থাকায় এখনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।’

মাদারগঞ্জে কালবেলা’র সাংবাদিক আকন্দ সোহাগের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জে কালবেলা’র সাংবাদিক আকন্দ সোহাগের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

জামালপুর প্রতিনিধি:জামালপুরের মাদারগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা মোঃ আবু সাঈদ সুজন (৩৬) ২১ অক্টোবর সন্ধ্যায় মাদারগঞ্জ মডেল থানায় এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ করেন।

​অভিযোগে কালবেলা’র প্রতিনিধি আকন্দ সোহাগকে (২৭) কে বিবাদী করা হয়েছে। সোহাগ উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের মোসলেমাবাদ আইগেনি পাড়া হোসেন আলী আকন্দের ছেলে।
​অভিযোগপত্র ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, আবু সাঈদ সুজন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন ও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। এর জের ধরে স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতকারীর সঙ্গে তাঁর বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগকারীর দাবি, সেই সূত্র ধরে আকন্দ সোহাগ সুজনের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সোহাগ ক্ষিপ্ত হন এবং তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার ও অপপ্রচারের হুমকি দেন। পরবর্তীতে সোহাগের ব্যবহৃত নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে ওই বিএনপি নেতার নামে অশ্লীল ও মানহানিকর বিভিন্ন বার্তা ও পোস্ট প্রচার করা হয়।
উল্লেখ্য যে, আনুমানিক ৩ মাস পূর্বে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় আরেকটি চাঁদাবাজির অভিযোগ হয়েছিল কালবেলার সাংবাদিক আকন্দ সোহাগ এর বিরুদ্ধে। পরে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে সেটা থেমে যায়। আনুমানিক ২০২২ সালে সাংবাদিকতায় এসেই মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয় এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নির্ভিক সাংবাদিকতা পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকায় মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের এক জরুরী সভায় ২৭ অক্টোবর/২০২২ ইং তারিখে সভাপতি/ সেক্রেটারি স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে সদস্য এবং সাধারণ সদস্য পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়। বছর দুয়েক পূর্বে নারী সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ও নির্লজ্জের মতো জনসম্মুখে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় তাকে।
​ভুক্তভোগী আবু সাঈদ সুজন বলেন, “এ ধরনের ভিত্তিহীন ও কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচারের কারণে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে আমার সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানাচ্ছি।”

​তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আকন্দ সোহাগ। মুঠোফোনে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি তাঁর (আবু সাঈদ সুজন) বাড়ি চিনিই না, সেখানে চাঁদাবাজির জন্য কেন যাব? আমি শুধু তাঁর বক্তব্য ফোনের মাধ্যমে নিয়েছিলাম, যার প্রমাণ আমার কাছে সংরক্ষিত আছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে এই লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এসব নিয়ে আমি বিচলিত নই এবং এতে আমার কোনো সমস্যা হবে না।”
​এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মোহাম্মদ আবুল হাসেম জানান, লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ণ
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন
  • বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: ‘মারে ভাসাইয়া জলে, কি ধন লইয়া জাইমু ঘরে। ঘরে গিয়া মা বলিব কারে গো’ গানের তালে তালে সুরমা নদীতে প্রতিমা বির্সজনের মধ্য দিয়ে সিলেটের বিশ্বনাথে ৬ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রতি বছর উপজেলা পরিষদ ঘাটে পৌর শহরের ৪টি প্রতিমা বিসর্জন করা হলেও এবছর বাসিয়া নদীর পানি ব্যাপকহারে কমে যাওয়ার ফলে সেখানে কোন প্রতিমা বিসর্জন করা হয়নি। পৌর শহরের ওই ৪টি প্রতিমা’সহ লামাকাজী ইউনিয়নের ৪টি মন্ডপের প্রতিমা’সহ ৮টি প্রতিমা দিঘলী গ্রাম এলাকায় সুরমা নদীতে প্রতিমা বিসর্জন করেন।
    বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে পৌর শহরের ৪টি মন্ডপের নেতৃবৃন্দ নিজেদের প্রতিমা নিয়ে প্রজেশন আকারে দিঘলী গ্রামস্থ প্রতিমা বিসর্জন স্থলে গিয়ে ওই এলাকার ৪টি মন্ডপের প্রতিমার সাথে সাথে নিজেদের প্রতিমা বিসর্জন করেন। প্রায় শুকিয়ে যাওয়া বাসিয়া নদীতে পানির পরিমাণ কমে যাওয়াটা যেনে সনাতন ধর্মালম্বীদের কাছে আরেকটি মিলনমেলায় পরিণত হয়। তাই ৮টি প্রতিমা বিসর্জনে প্রত্যেক মন্ডপের নেতৃবৃন্দ মিলেমিশে একাকার হয়ে যান।
    সরকারি বিধি-নিষেধের পাশাপাশি পূজা উদযাপন পরিষদের নিয়ম-নীতি মেনে উপজেলা ও পৌর শহরে অনুষ্ঠিত ২৬টি পূজামন্ডপের নেতৃবৃন্দ নিজেদের সুবিধামতো স্থানে প্রতিমা বিসর্জন সুষ্ঠ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করে ঘরে ফেরার ফলে সনাতন ধর্মালম্বীদের মনে বইছে আনন্দের বন্যা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরাসরি মনিটরিং করা হয় প্রতিমা বিসর্জন কার্যক্রম।
    শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতিমা বিসর্জনের সময় লামাকাজী ইউনিয়নের দিঘলী গ্রামে সুরমা নদীর তীরে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান, রামসুন্দর সরকারি অগ্রগামী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নবেন্দু জ্যোতি দে, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি তাপস দাশ পুরকায়স্থ, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সদস্য নিশি কান্ত পাল, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাবেক সহ সভাপতি রুপক কুমার দে, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য বাদল দেব, সুব্রত ধর বাপ্পী, সভাপতি সুনিল কান্তি দে, সহ সভাপতি বিজয় দে, সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে, যুগ্ম সম্পাদক গোবিন্দ মালাকার, কাজল মালাকার, কোষাধ্যক্ষ প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন দেব, দপ্তর সম্পাদক প্রনয় পাল বাপন, সহ দপ্তর সম্পাদক মিন্টু মালাকার, প্রচার সম্পাদক অজিত দেব, গণসংযোগ সম্পাদক শুভরাজ চন্দ, সহ গণসংযোগ সম্পাদক বিজয় চন্দ দে, সদস্য সুভাষ চন্দ্র দেব, নেপাল দেব, বিজয় বৈদ্য বারিন্দ্র, অজয় দেব, সৌমিত্র ধর মিশু, ধ্রুব জ্যোতি দে উজ্জল প্রমুখ’সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গ।
    সুষ্ট, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সিলেটের বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন হওয়ার জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন, থানা প্রশাসন, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সমগ্র উপজেলাবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশ্বনাথ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুনিল কান্তি দেও সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে।

মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন ও লিফলেট বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন ও লিফলেট বিতরণ

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ,জামালপুর প্রতিনিধি:জামালপুরের মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে চর সগুনা বাজার থেকে শুরু করেন ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম খান শত শত কর্মী সমর্থক নিয়ে অত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোটরসাইকেল শো-ডাউন করেন তিনি। চর সগুনা বাজার, কাহেতপাড়া বাজার, বাংলা বাজার, বীর ঘোষেরপাড়া করিমুজ্জামান মোড়, ঘোষের পাড়া মিলন বাজার, সবিলাপুর আইনলের মোড়, বেলতৈল বাজার, গুদার বাজার, বাগবাড়ী হাইস্কুল মোড় আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরেন এবং লিফলেট বিতরণ করেন পরে নিজবাড়ী প্রাঙ্গণে এসে শো ডাউন শেষ করেন। প্রার্থীর সাথে কর্মী সমর্থকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তিনি মেলান্দহ উপজেলার ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দীর্ঘদিন। এ ছাড়াও তিনি বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত থেকেও সমাজ,এলাকা তথা ইউনিয়নবাসীকে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম চালিয়েছেন। ইউনিয়নকে মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে এবং ইউনিয়নবাসীর উন্নয়নে সেবা করার লক্ষ্যে আগামী ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম খান সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।