খুঁজুন
সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ২১ বৈশাখ, ১৪৩৩

ড. জীবণ চৌধুরী দিনাজপুরের সকল সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন

মাসুদুর রহমান, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি।
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫, ২:৫০ অপরাহ্ণ
ড. জীবণ চৌধুরী  দিনাজপুরের সকল সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন

২৬ আগষ্ট ২০২৫ তারিখ মঙ্গলবার জীবন মহল ফ্যামিলি পার্ক কাঞ্চনঘাট, বিরল, দিনাজপুরে ড. জীবন চৌধুরীর বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে একটি মহল উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে মিথ্যা অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন।
উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডঃ জীবন চৌধুরী এবং দিনাজপুর, বিরল, বোঁচাগঞ্জের সকল সাংবাদিকবৃন্দ।

ড. জীবণ চোধুরী বলেন, সত্য অনুসন্ধানে আপনাদের প্রচেষ্টাকে আমি সব সময়ই সমর্থণ এবং সহযোগিতা করে আসছি। এখানে যারা উপস্থিত আছেন তারা অনেকেই আমার পরিচিত আপনজন। দীর্ঘদিন আপনাদের সাথে আমার সম্পর্ক, কিন্তু কেউ বলতে পারবেন না আত্মপ্রচারের জন্য আমি কোনদিন কাউকে অনুরোধ করেছি – আজ বিশেষ প্রয়োজনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অবগত করার জন্যই আপনাদের সামনে হ্যাজির হয়েছি- আমি ড. জীবন চৌধুরী আমার কর্মকান্ড খোলা বইয়ের মত। দীর্ঘ ২৪টা বছর আমি এই বিরলের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ফ্রি এ্যাম্বুলেন্সের ব্যাবস্থা করেছি সারাবছর ভ্রাম্যমান মেডিকেলের মাধ্যমে অসহায়, দরিদ্র মানুষকে স্বাস্থ্য-সেবা দিয়ে আসছি। ফ্রি ঔষধের ব্যবস্থা করেছি, ঢাকার বিখ্যাত ডাক্তারদের এনে চক্ষু চিকিৎসা দিচ্ছি, ঔষধ, চশমা এর পরে যদি কারও দরকার হয়, তাকে ঢাকায় নিয়ে অপারেশনের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। শীতে প্রতিবছরই হাজার হাজার কম্বল, ঈদে নতুন কাপড়, সেমাই, চিনি, নগদ অর্থ দিয়ে আসছি। আমার কাছে এসে খালি হাতে ফিরে গেছে এমন উদাহরণ কেউ দিতে পারবে না। আমি আমার সাধ্যের সবটুকু দিয়ে এই জনপদের অসহায়, দরিদ্র মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে আসছি। বিনিময়ে আমি কোনদিন কোনকিছুই চাইনি। প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা, আপনারা জানেন গতবার আমি জতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছি এবং ব্যাপক সমর্থণ পেয়েছি। আমি বিশ্বাস করি জনগণ আমাকে নির্বাচিত করেছে, কিন্তু আমার জয় ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। এবার জাতীয় নির্বাচনের সময় ঘোষণা হবার পর থেকেই আমার বিরুদ্ধে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়ে গেছে। যাতে আমি নির্বাচন করতে না পারি। রাগে, দুঃখে যেন এলাকাতে না আসি এরই অংশ হিসেবে গত ১৬/০৮/২০২৫ তারিখে আমার জীবন মহল রিসোর্টে একটি নাটক সাজিয়ে আমার সম্মান হানির চেষ্টা করা হয়েছে। রিসোর্টে বোর্ডার আসবে, এটাই তো স্বাভাবিক। সমস্ত নিয়ম নীতি মেনেই এখানে ব্যবসা করা হয়। বোর্ডারদের জাতীয় পরিচয় পত্র দেখে তারপরে তাদের নাম ঠিকানা লেজারে লিপিবদ্ধ করেই রুম ভাড়া দেয়া হয় সেদিন তার কোন ব্যত্যয় ঘটে নাই। কিন্তু বোর্ডার রুমে আসার আধা-ঘন্টার মধ্যেই পরিকল্পিতভাবে ডিবি পুলিশ হাজির করা হয়, সাথে ভ্রাম্যমান আদালত। তারা এখানে কোন অনিয়ম পায়নি, কোন মাদক পায়নি বোর্ডার ব্যতীত কোন মানুষের অস্থিত্ব পায়নি। বোর্ডারের নাম-ঠিকানা, জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি সমস্ত কিছুই নিয়ম অনুযায়ী লেজারে লিপিবদ্ধ পেয়েছে। আমাদের কোন ত্রুটিই ভ্রাম্যমান আদালত, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী খুঁজে পায়নি। একটাই ত্রুটি পেয়েছে ঘটনা ঘটার আধাঘন্টা আগে যে বোর্ডার উঠেছে তার জাতীয় পরিচয়পত্র জাল। প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা আপনারাই বলেন এখানে আমার বা আমার প্রতিষ্ঠানের কি করার আছে, আমাদের দায় কি? যিনি জাল আই. ডি. দিয়েছেন, অপরাধ তো সে করেছে, অপরাধের সাজা তো তার হবার কথা; কিন্তু তাকে কোন সাজা না দিয়ে ছেড়ে দেয়। কিন্তু দুঃখজনক হলেও ভ্রাম্যমান আদালত আমার স্টাফদের জেল-জরিমানা করলো আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে আমি সমস্ত কিছুই মেনে নিলাম। এরপরেও এই কুচক্রী মহল থেমে থাকলো না, তারা ভাড়া করা লোক দিয়ে জীবন মহল পার্কের সামনে এসে তা ভেঙ্গে ফেলার হুমকি দিচ্ছে, আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে ফেইসবুকে বিভিন্ন গ্রুপ তৈরী করে কুরুচীপূর্ণ প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা, আপনারা সমাজের দর্পণ, জাতীয় বিবেক, আপনারা আসুন, দেখুন এখানে কোন অবৈধ কর্মকান্ড চলে কিনা, এখানে কোন মাদকের আখড়া আছে কিনা, এখানে অসামাজিক কোন কিছুর অস্তিত্ব আছে কিনা যদি এর কোন কিছুর অস্থিত্ব পান, তবে আপনার প্রকাশ করেন আর যদি না পান তবে আমার পাশে থেকে সত্যটুকু প্রকাশ করে আমার পাশে থাকেন আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ।

তিনি এসময় বলেন আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আপনাদের শত ব্যস্ততার মধ্যেও আমার আহবানে সাড়া দিয়ে এখানে উপস্থিত হয়েছেন।

উক্ত সভাটি আয়োজন করে সেবক পার্টি, বিরল, দিনাজপুর।

ধর্ষণের শিকার ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৬:০৪ পূর্বাহ্ণ
ধর্ষণের শিকার ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক

ডেস্ক রিপোর্ট:   নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ১২ বছরের মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। পরে ওই ছাত্রী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ায় মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষকের নাম আমান উল্লাহ সাগর। তিনি হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মদন থানায় ভুক্তভোগীর মা আমান উল্লাহ সাগরকে অভিযুক্ত করে অভিযোগটি দায়ের করেন। অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার পাঁচহার গ্রামে ২০২২ সালে হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। একই মাদরাসাতে তার স্ত্রীও প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত আছেন। ভুক্তভোগীও একই এলাকার বাসিন্দা। মেয়েটির মাকে ছেড়ে গেছে তার বাবা। জীবিকার তাগিদে শিশুটির মা সিলেটে গৃহ পরিচারিকার কাজ করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি তার নানির কাছে থেকে ওই মাদরাসায় লেখাপড়া করতো।

অভিযোগ রয়েছে, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর ওই মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনা কাউকে জানালে প্রাণনাশের ভয় দেখান ওই মাদরাসা শিক্ষক। পরবর্তীতে এপ্রিল মাসের ১৮ তারিখে ওই শিক্ষক ছুটিতে যাওয়ার পর আর মাদরাসায় আসেননি বলে জানিয়েছেন মাদরাসার আরেক শিক্ষক। আর ভুক্তভোগী ছাত্রী গত পাঁচ মাস ধরে মাদরাসায় আসা বন্ধ করে দেয়।

পরবর্তীতে শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন দেখে সন্দেহ হয় পরিবারের। তখন তার মা সিলেট থেকে এসে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারে ঘটনা। শিশুটি মাদরাসার শিক্ষকের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে জানায়। এরপর শিশুটিকে নিয়ে মদন উপজেলার বেসরকারি মেডিকেলে গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. সায়মা আক্তারকে দেখান। তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান, মেয়েটি ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

এ বিষয়ে ডাক্তার সায়মা আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বাচ্চাটি তার মায়ের সঙ্গে ক্লিনিকে আসে এবং জানায় যে তার পেট সবসময় ভারী লাগে এবং পেটের ভেতর কিছু একটা নড়াচড়া করছে বলে মনে হয়। চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা করে দেখতে পান যে বাচ্চাটি প্রচণ্ড রক্তশূন্যতায় ভুগছে। তার শরীরে রক্ত নেই বললেই চলে
এই গাইনি চিকিৎসক আক্ষেপ করে বলেন, ১১ বছর বয়সী এই শিশুটির আসলে একজন শিশু বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাকে গাইনোকোলজিস্টের কাছে আসতে হয়েছে এমন একটি সমস্যা নিয়ে, যা সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে দেখা যায়। মেয়েরা জন্মের সময় থেকেই ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণু নিয়ে জন্মায়। সাধারণত ১১-১২ বছর বয়সে এই ডিম্বাণুগুলো পূর্ণতা পায় এবং প্রথম মাসিকের মাধ্যমে তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। শিশুটি তার জীবনের প্রথম মাসিক হওয়ার অভিজ্ঞতা পাওয়ার আগেই গর্ভবতী হয়ে পড়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে শিশুটি এবং তার পরিবার বর্তমানে এক গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম জানান, এ ধরনের একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আমি এখানে নতুন যোগদান করায় বিস্তারিত বলতে পারছি না। তবে আইন তার নিজস্ব প্রক্রিয়া মেনে এগিয়ে যাবে।

দুর্গাপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ
দুর্গাপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নূর মোহাম্মদ নামের এক যুবকের ছুরিকাঘাতে ওয়াহিদুল ইসলাম কেলিস নামের অপর যুবক নিহত হয়েছেন।

শনিবার দিবাগত রাতে পৌর শহরের তেরি বাজার এলাকায় এ ঘটনার ঘটে৷ নিহত কেলিস ওই এলাকার মৃত আব্দুল মৃধার ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত ১১ টায় তেরি বাজার এলাকায় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে নূর মোহাম্মদ ওয়াহিদুল ইসলাম কেলিসকে ছুরিকাঘাত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেলে প্রেরণ করে ৷ পরে রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করে।

পুলিশ রাতেই দুর্গাপুরের বাসা থেকে নূর মোহাম্মদের মা নূরনাহার ও তার বোন জামাই মাজেদুল কে গ্রেফতার করে। এরপর পুলিশ তৎপর হয়ে অভিযান চালিয়ে ওইদিন ভোর রাতে নেত্রকোণার মালনী এলাকা থেকে ঘাতক নূর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করে ও এ ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করে। ঘাতক নূর মোহাম্মদ তেরী বাজার এলাকার মুজিবুর রহমানের ছেলে।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় থানায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ৫ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা করেন। ইতোমধ্যে ঘটনার মূল হোতা নূর মোহাম্মদ সহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন দুর্গাপুরের শাওন

নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ১:৫৯ পূর্বাহ্ণ
ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন দুর্গাপুরের শাওন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সদ্য ঘোষিত কমিটিতে সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার সাজ্জাদ হোসেন শাওন।

গত ২ মে রাতে সারাদেশে জেলা ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ ছাত্রদলের বিভিন্ন কমিটি প্রকাশ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির-এর স্বাক্ষরে অনুমোদিত ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের কমিটিও প্রকাশিত হয়।

নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মাহফুজুর রহমান লিপকন। একই কমিটিতে দুর্গাপুর পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সাজ্জাদ হোসেন শাওনকে সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়।

পদপ্রাপ্তির পর থেকেই দুর্গাপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছেন শাওন। তিনি বলেন, আমি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। একই সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কেন্দ্রীয় ও মহানগর ছাত্রদল সহ সকল রাজনৈতিক সহযোদ্ধার প্রতি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।

উল্লেখ্য, এর আগে সাজ্জাদ হোসেন শাওন ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক এবং দুর্গাপুর পৌর ছাত্রদলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।