খুঁজুন
, ,

ডিভোর্সি নারীকে আইনি সহায়তা দিতে পারবেন না, পুলিশ সুপার বেলাল হেসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০৪ অপরাহ্ণ
ডিভোর্সি নারীকে আইনি সহায়তা দিতে পারবেন না, পুলিশ সুপার বেলাল হেসেন

নাসরিন আক্তার:- ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলার ১ নং ধর্মগড় ইউ পি,র দিহট ভরনিয়া গ্রামের মৃত সামশুল হকের ৫ মেয়ের মধ্যে ছোট মেয়ে মোছাঃ হাসনারা( ২০)। একই ইউনিয়নের চেকপোষ্ট চিকনী গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে হয় হাসনারার।বিয়ের সময় দেয়া হয় একটি মোটর সাইকেল সহ অন্যান্য আসবাব পত্র। বিয়ের পর থেকেই চলতে থাকে যৌতুকের জন্য নির্যাতন। বিয়ের এক বছরের মাথায় তাদের এক কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। নাম রাখা হয় মাহফুজা। বর্তমানে মাহফুজার বয়স দু,বছর। গত জুন/২৬ এর যে কোন এক সময় যৌতুকের জন্য মারপিট করে ও রক্তাক্ত জখম করে বাড়ী থেকে বের করে দেয়া হয়।তারপর উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্স থেকে দু,দিন চিকিৎসার পর বাপের বাড়ী ফেরেন।কিন্তু বাপের বাড়ী থেকে অনেক বার ফোনে যোগাযোগ করলে ও অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ ও তাকে তালাক দিবে বলে জানায়। পরবর্তীতে গত ০২ সেপ্টেম্বর ২৬ তারিখে কাজী অফিস কতৃক তালাকের নোটিস প্রেরন করে মেয়ের ঠিকানায়। মেয়ে নোটিস গ্রহন না করে যৌতুক বাবদ দেয়া সকল আসবাবপত্র ফেরত চেয়ে একখানা অভিযোগ দেন রানীশংকৈল থানায়।অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এস,আই রউফ মেয়েকে একতরফা ভাবে দোষারোপ করে আইনি সহায়তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। মেয়েটির পারিবারিক অবস্হা বিবেচনা করে অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমানুল্লাহ আল বারী তদন্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন তাহার বিয়েতে দেয়া সকল আসবাবপত্র ফিরিয়ে দিতে। কিন্তু শেষমেষ কোন উন্নতি হয়নি। বাধ্য হয়ে মেয়েটি তার পরিবারকে নিয়ে গত ১০/০৯/২০২৬ ইং তারিখে পুলিশ সুপারের সাথে সরাসরি দেখা করেন এবং মেয়েটিকে আস্বস্হ্য করেন। তাকে সকল আসবাবপত্র ফিরিয়ে দেয়ার ব্যবস্হা করা হবে।অদ্য ১৪ সেপ্টম্বর ২৬ ইং মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে কোর্টে মামলা করার পরামর্শ দেন এবং কোন আইনি সহযোগীতা করতে পারবেন না বলে জানিয়ে দেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩৫ অপরাহ্ণ

রঠা-প্রতিবাদ
চন্দনা রানী

রবিকে যারা রঠা বলে
মূর্খ ব‍্যক্তি তারা,
প্রতিবাদে পড়বে ঝড়ে
একটুখানি দাঁড়া।

র’ দিয়ে রবীন্দ্রনাথ
ঠ’ দিয়ে ঠাকুর,
বিশ্বের কবি রবীন্দ্রনাথকে বলে
পা চাটা কুকুর।

হায়রে বোকা হায়রে অধম
জ্ঞান হবে তোর কবে,
মানুষরুপী দেবতাকে তুই
চিনলি না এই ভবে!

যে দেখালো পথের দিশা
তাকেই করিস লাঞ্ছিত,
অসাধারণ কে তুচ্ছ করে
নিজরাই হবি বঞ্চিত।

এতদিনের যাঁর সাহিত্য পড়ে
ডিগ্রি করলে অর্জন,
কিসের লোভে কি উদ্দেশ্যে
করিস তাকে বর্জন?

(রচনাকালঃ 14/10/2026 বুধবার
রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও )

হরিপুরে নারীদের পোশাক তৈরির ভ্রাম্যমাণ প্রশিক্ষণ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৫ অপরাহ্ণ
হরিপুরে নারীদের পোশাক তৈরির ভ্রাম্যমাণ প্রশিক্ষণ শুরু

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে বেকার যুব নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ২১ দিনব্যাপী পোশাক তৈরি বিষয়ক ভ্রাম্যমাণ প্রশিক্ষণ কোর্স শুরু হয়েছে।

গত ১১ অক্টোবর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে উপজেলা প্রশিক্ষণ কক্ষে এই কোর্সের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কোর্সের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) চন্দন কর। এ সময় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার মো. আনোয়ার হোসেন।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই ভ্রাম্যমাণ প্রশিক্ষণে উপজেলার কর্মপ্রত্যাশী বেকার যুব নারীদের সেলাই মেশিনে পোশাক তৈরির ওপর হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন হিমা চৌধুরী।

প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউএনও চন্দন কর প্রশিক্ষণার্থীদের দক্ষতা অর্জনে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, “সবার আগে বাংলাদেশ” স্লোগানকে সামনে রেখে বেকার যুবকদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলতেই সরকার এই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে। ২১ দিনের এই প্রশিক্ষণ শেষে প্রশিক্ষণার্থীরা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবেন এবং পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।

প্রশিক্ষণ শেষে যোগ্য প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।

মাদারগঞ্জে কালবেলা’র সাংবাদিক আকন্দ সোহাগের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জে কালবেলা’র সাংবাদিক আকন্দ সোহাগের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

জামালপুর প্রতিনিধি:জামালপুরের মাদারগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা মোঃ আবু সাঈদ সুজন (৩৬) ২১ অক্টোবর সন্ধ্যায় মাদারগঞ্জ মডেল থানায় এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ করেন।

​অভিযোগে কালবেলা’র প্রতিনিধি আকন্দ সোহাগকে (২৭) কে বিবাদী করা হয়েছে। সোহাগ উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের মোসলেমাবাদ আইগেনি পাড়া হোসেন আলী আকন্দের ছেলে।
​অভিযোগপত্র ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, আবু সাঈদ সুজন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন ও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। এর জের ধরে স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতকারীর সঙ্গে তাঁর বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগকারীর দাবি, সেই সূত্র ধরে আকন্দ সোহাগ সুজনের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সোহাগ ক্ষিপ্ত হন এবং তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার ও অপপ্রচারের হুমকি দেন। পরবর্তীতে সোহাগের ব্যবহৃত নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে ওই বিএনপি নেতার নামে অশ্লীল ও মানহানিকর বিভিন্ন বার্তা ও পোস্ট প্রচার করা হয়।
উল্লেখ্য যে, আনুমানিক ৩ মাস পূর্বে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় আরেকটি চাঁদাবাজির অভিযোগ হয়েছিল কালবেলার সাংবাদিক আকন্দ সোহাগ এর বিরুদ্ধে। পরে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে সেটা থেমে যায়। আনুমানিক ২০২২ সালে সাংবাদিকতায় এসেই মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয় এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নির্ভিক সাংবাদিকতা পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকায় মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের এক জরুরী সভায় ২৭ অক্টোবর/২০২২ ইং তারিখে সভাপতি/ সেক্রেটারি স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে সদস্য এবং সাধারণ সদস্য পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়। বছর দুয়েক পূর্বে নারী সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ও নির্লজ্জের মতো জনসম্মুখে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় তাকে।
​ভুক্তভোগী আবু সাঈদ সুজন বলেন, “এ ধরনের ভিত্তিহীন ও কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচারের কারণে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে আমার সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানাচ্ছি।”

​তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আকন্দ সোহাগ। মুঠোফোনে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি তাঁর (আবু সাঈদ সুজন) বাড়ি চিনিই না, সেখানে চাঁদাবাজির জন্য কেন যাব? আমি শুধু তাঁর বক্তব্য ফোনের মাধ্যমে নিয়েছিলাম, যার প্রমাণ আমার কাছে সংরক্ষিত আছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে এই লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এসব নিয়ে আমি বিচলিত নই এবং এতে আমার কোনো সমস্যা হবে না।”
​এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মোহাম্মদ আবুল হাসেম জানান, লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।