খুঁজুন
সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ২১ বৈশাখ, ১৪৩৩

জনকল্যাণ ও উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় হবে সোমেশ্বরী অস্থায়ী কাঠের সেতুর উদ্বৃত্ত অর্থ

নেত্রকোণা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৮ অপরাহ্ণ
জনকল্যাণ ও উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় হবে সোমেশ্বরী অস্থায়ী কাঠের সেতুর উদ্বৃত্ত অর্থ

জনসাধারণের নিত্যদিনের দুর্ভোগ লাঘব ও চলাচলের সুবিধার্থে গত শুকনো মৌসুমে নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার সোমেশ্বরী নদীর উপর নির্মিত হয় অস্থায়ী কাঠের সেতু।

গত ১৫ই মে নদীতে পাহড়ি ঢল আসার পূর্বে পাঁচ মাস টিকে ছিল এই সেতু। এই পাঁচ মাসে সেতু থেকে আয় হয়েছে মোট ৫২ লাখ ৬৭ হাজার ৬৪০ টাকা।

শনিবার (৫ জুলাই) দুর্গাপুর প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এই তথ্য তুলে ধরেন শিবগঞ্জ-দুর্গাপুর অস্থায়ী সেতু কমিটি।

এসময় তারা জানান,বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কামালের পরামর্শ,সক্রিয় উদ্যোগ ও আর্থিক সহায়তায় শিবগঞ্জ-দুর্গাপুর খেয়াঘাটে একটি অস্থায়ী কাঠের সেতু নির্মাণ করা হয়।

দুর্গাপুরবাসীর অনেক সমস্যার মধ্যে শিবগঞ্জ-দুর্গাপুর খেয়াঘাট দিয়ে নদী পারাপার অন্যতম। হাজারো সাধারণ মানুষ, ছাত্রছাত্রী, ব্যবসায়ী, পর্যটক, নানা ধরনের যানবাহন ও গবাদি পশু প্রতিদিন এই খেয়াঘাট দিয়ে নদী পার হয়ে থাকে। সাধারণ নৌকা দিয়ে নদী পারাপার হওয়া ছাড়া অন্য কোন বিকল্প নেই। ফলে প্রায়শই নানারকম দূর্ঘটনা ঘটে থাকে। এ ধরনের প্রাত্যহিক সমস্যা দূরীকরণের লক্ষ্যে কাঠের সেতুটি নির্মিত হয়।

সেতু কমিটি জানায়,গত বছরের ৯ নভেম্বর এই সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়। বিপুল পরিমাণ কাঠ, বাঁশ, লোহা, রশি সহ নানা রকম নির্মাণ সামগ্রী ও দুপাড়ে মাটি ভরাট করে রাস্তা নির্মাণ, সেতু সহ নির্মিত রাস্তার রক্ষণাবেক্ষণ,বৈদুতিক আলোর ব্যবস্থা, সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিধানসহ বিশাল কর্মযজ্ঞের মধ্য দিয়ে ১৫ ডিসেম্বর সেতুটি জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য খুলে দেয়া হয়।

ডিসেম্বর থেকে মে পর্যন্ত পাঁচ মাসে অস্থায়ী এই সেতু থেকে মোট আয় হয়েছে ৫২ লাখ ৬৭ হাজার ৬৪০ টাকা। এর মধ্যে পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কার বাবদ খরচ হয়েছে ১২ লাখ ৪০ হাজার ৪০ টাকা। এছাড়া অস্থায়ী সেতু নির্মাণকালীন খরচ হয় ১৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা। সকল খরচ বাদে বর্তমানে উদ্বৃত্ত অর্থের পরিমাণ ২৪ লাখ ৮৭ হাজার ৬০০ টাকা। এই অর্থ স্থানীয় বিভিন্ন ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান হিসেবে প্রদান করা হবে। এছাড়া সামাজিক কাজ,জনকল্যাণ ও উন্নয়নমূলক কাজেও ব্যয় করা হবে বলে জানায় সেতু কমিটি।

এই মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট এমএ জিন্নাহ, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহবায়ক আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন মাস্টার, কুল্লাগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ্ আলম, তেরিবাজার বড় মসজিদের খতিব মাওলানা মোঃ আব্দুর রব, শিবগঞ্জ বায়তুল তাকওয়া জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোঃ ওয়ালি উল্লাহ, কুল্লাগড়া শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রমের সাধারণ সম্পাদক বাবু প্রভাত চন্দ্র সাহা এবং খ্রীস্ট ধর্মীয় প্রতিনিধি মিস্টার পঙ্কজ সাংমা।

 ইটের ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা বন্ধ : ঠাকুরগাঁওয়ে গৃহবন্ধী একটি  পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
 ইটের ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা বন্ধ : ঠাকুরগাঁওয়ে গৃহবন্ধী একটি  পরিবার
  • ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ॥ প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে ঠাকুরগাঁওয়ে চলাচলের রাস্তায় ইটের দেয়ালের ব্যরিকেড দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে একটি পরিবারকে। ফলে বাসায় বৃদ্ধদের চিকিৎসার ওষুধ না নিতে পারা, ছেলে-মেয়েদের স্কুল মাদ্রাসায় না পাঠাতে পেরে এবং ঘর থেকে বের হতে না পারায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও খাবার সংগ্রহ করা অসম্ভব হয়ে পড়ায় মানবেতর জীবন যাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারটি। এ অবস্থায় দ্রুতই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে তারা।
  • জানাযায়, পাকিস্তান পিরিয়ডে তৎকালীন ঠাকুরগাঁও মহকুমার মুন্সিপাড়া গোরস্থান সংলগ্ন প্রায় ৯ শতাংশ জমি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ত্রাণ হিসেবে পান মো হাবিব। পরবর্তীতে হাবিবের দুই ছেলে আব্দুল নাইম ৩ শতাংশ এবং আব্দুল আজিজ (মুন্না) ৬ শতাংশ করে নেন। সময় যাবার সাথে সাথে অব্দুল আজিজ মুন্নার পরিবার আব্দুল নাইমের পরিবারের সে ৩ শতাংশ জমিও কেড়ে নেবার পায়তারা করে। এর পর থেকেই শুরু হয় আব্দুল নাইমের পরিবারের ওপর নির্যাতন। ২০১৬ সালে দুই পরিবারের মাঝে এ ধরনের সমস্যা দেখে এলাকাবাসীই উদ্যোগ নিয়ে স্থানীয় মেম্বার এবং গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ নিয়ে একটি সালিশ এর ব্যবস্থা করে এবং সেখানে একটি সমাধান দিয়ে দুই পরিবারের কর্তাবৃন্দের কাছেই লিখিত নেয়া হয়। তবে সে সালিশকে উপেক্ষা করে পুনরায় সে জমি কেড়ে নেবার পায়তারা শুরু করে আব্দুল আজিজের পরিবার এবং ভুক্তভোগী পরিবারটির ওপর চালায় অমানবিক নির্যাতন। যার ফলশ্রুতিতেই গত দু সপ্তাহ ধরে অবরুদ্ধ হয়ে রয়েছে আব্দুল নাইমের পরিবারটি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভুক্তভোগী পরিবারটির ছোট থেকে বড় সকলেই অনেক কষ্ট করে সে ইটের দেয়ালের ব্যারিকেড পার হয়ে তাদের অতিপ্রযোজনীয় কাজ গুলো সারছেন। পরিবারের শিশুরা কোনদিন স্কুল মাদ্রাসায় যেতে পারছে কোননি পাছেনা। মহিলারা জীবনের ঝুকি নিয়ে অন্যের দেয়ালে ঝুলে পার হচ্ছেন সে ব্যারিকেড।

ভুক্তভোগী পরিবারের রানী আক্তার জানান, আমার শশুর বাড়ি এটি। এখানে আমাদের অবরুদ্ধ করে রাখায় আমরা যেমন তেমন ভাবে বেঁচে আছি। আমার সন্তানদের নিয়ে কি করবো আর তাদের মুখে খাবার তুলে দেবোই বা কিভাবে আর তাদের স্কুল মাদ্রাসাতেই পাঠাবো কিভাবে জানিনা। যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছি, দেখাযাক আল্লাহ কপালে কি রেখেছেন।

রানী আক্তারের ৯ বছরের ছেলে মিরাজ আলম বলে, আমি মাদ্রাসায় হেফজ পড়ছি। প্রতিদিন যেতে পারিনা। কেউ সাহায্য না করলে রাস্তা পার হতে পারিনা। আমাদের খুব ভয় লাগে এভাবে। কবে যে আবার আগের মত মাদ্রাসায় যেতে পারবো জানিনা।

রাস্তা বন্ধ করে চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও পরিবারটিকে অবরুদ্ধ করে রাখার ব্যাপারে অভিযুক্ত আব্দুল আজিজের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে না পেয়ে ছোট ছেলে মন্টির সাথে কথা হলে তিনি ইটের ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা বন্ধের বিষয়টি স্মীকার করে বলেন, এ বিষয়ে যেনো কেউ সমাধানে আসে এ জন্যই আমরা এ রাস্তা বন্ধ করেছি। তবে ভুক্তভোগী পরিবারটির মানবেতর জীবনযাপন প্রসঙ্গে তিনি এরিয়ে যান।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে (এসিল্যান্ড) ভূমি কর্মকর্তার স্মরনাপন্ন হতে বলেন।
সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা (সহকারী কমিশনার ভূমি) আশাদুল হক এর স্মরনাপন্ন হলে তিনি বলেন, আমাদের কাছে এ বিষয়ে কোন অভিযোগ আসেনি। তবে পথ বন্ধ করা আইনত অন্যায়, কেউ যদি এমন করে থাকে তাহলে অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ধর্ষণের শিকার ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৬:০৪ পূর্বাহ্ণ
ধর্ষণের শিকার ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক

ডেস্ক রিপোর্ট:   নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ১২ বছরের মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। পরে ওই ছাত্রী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ায় মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষকের নাম আমান উল্লাহ সাগর। তিনি হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মদন থানায় ভুক্তভোগীর মা আমান উল্লাহ সাগরকে অভিযুক্ত করে অভিযোগটি দায়ের করেন। অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার পাঁচহার গ্রামে ২০২২ সালে হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। একই মাদরাসাতে তার স্ত্রীও প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত আছেন। ভুক্তভোগীও একই এলাকার বাসিন্দা। মেয়েটির মাকে ছেড়ে গেছে তার বাবা। জীবিকার তাগিদে শিশুটির মা সিলেটে গৃহ পরিচারিকার কাজ করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি তার নানির কাছে থেকে ওই মাদরাসায় লেখাপড়া করতো।

অভিযোগ রয়েছে, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর ওই মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনা কাউকে জানালে প্রাণনাশের ভয় দেখান ওই মাদরাসা শিক্ষক। পরবর্তীতে এপ্রিল মাসের ১৮ তারিখে ওই শিক্ষক ছুটিতে যাওয়ার পর আর মাদরাসায় আসেননি বলে জানিয়েছেন মাদরাসার আরেক শিক্ষক। আর ভুক্তভোগী ছাত্রী গত পাঁচ মাস ধরে মাদরাসায় আসা বন্ধ করে দেয়।

পরবর্তীতে শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন দেখে সন্দেহ হয় পরিবারের। তখন তার মা সিলেট থেকে এসে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারে ঘটনা। শিশুটি মাদরাসার শিক্ষকের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে জানায়। এরপর শিশুটিকে নিয়ে মদন উপজেলার বেসরকারি মেডিকেলে গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. সায়মা আক্তারকে দেখান। তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান, মেয়েটি ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

এ বিষয়ে ডাক্তার সায়মা আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বাচ্চাটি তার মায়ের সঙ্গে ক্লিনিকে আসে এবং জানায় যে তার পেট সবসময় ভারী লাগে এবং পেটের ভেতর কিছু একটা নড়াচড়া করছে বলে মনে হয়। চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা করে দেখতে পান যে বাচ্চাটি প্রচণ্ড রক্তশূন্যতায় ভুগছে। তার শরীরে রক্ত নেই বললেই চলে
এই গাইনি চিকিৎসক আক্ষেপ করে বলেন, ১১ বছর বয়সী এই শিশুটির আসলে একজন শিশু বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাকে গাইনোকোলজিস্টের কাছে আসতে হয়েছে এমন একটি সমস্যা নিয়ে, যা সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে দেখা যায়। মেয়েরা জন্মের সময় থেকেই ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণু নিয়ে জন্মায়। সাধারণত ১১-১২ বছর বয়সে এই ডিম্বাণুগুলো পূর্ণতা পায় এবং প্রথম মাসিকের মাধ্যমে তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। শিশুটি তার জীবনের প্রথম মাসিক হওয়ার অভিজ্ঞতা পাওয়ার আগেই গর্ভবতী হয়ে পড়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে শিশুটি এবং তার পরিবার বর্তমানে এক গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম জানান, এ ধরনের একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আমি এখানে নতুন যোগদান করায় বিস্তারিত বলতে পারছি না। তবে আইন তার নিজস্ব প্রক্রিয়া মেনে এগিয়ে যাবে।

দুর্গাপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ
দুর্গাপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নূর মোহাম্মদ নামের এক যুবকের ছুরিকাঘাতে ওয়াহিদুল ইসলাম কেলিস নামের অপর যুবক নিহত হয়েছেন।

শনিবার দিবাগত রাতে পৌর শহরের তেরি বাজার এলাকায় এ ঘটনার ঘটে৷ নিহত কেলিস ওই এলাকার মৃত আব্দুল মৃধার ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত ১১ টায় তেরি বাজার এলাকায় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে নূর মোহাম্মদ ওয়াহিদুল ইসলাম কেলিসকে ছুরিকাঘাত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেলে প্রেরণ করে ৷ পরে রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করে।

পুলিশ রাতেই দুর্গাপুরের বাসা থেকে নূর মোহাম্মদের মা নূরনাহার ও তার বোন জামাই মাজেদুল কে গ্রেফতার করে। এরপর পুলিশ তৎপর হয়ে অভিযান চালিয়ে ওইদিন ভোর রাতে নেত্রকোণার মালনী এলাকা থেকে ঘাতক নূর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করে ও এ ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করে। ঘাতক নূর মোহাম্মদ তেরী বাজার এলাকার মুজিবুর রহমানের ছেলে।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় থানায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ৫ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা করেন। ইতোমধ্যে ঘটনার মূল হোতা নূর মোহাম্মদ সহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।