খুঁজুন
শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২৮ চৈত্র, ১৪৩২

মিয়ানমারে বিধ্বংসী ভূমিকম্পের পরও হামলা চালাচ্ছে জান্তা বাহিনী

ওসমান কক্সবাজার
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৫, ৭:১১ অপরাহ্ণ
মিয়ানমারে বিধ্বংসী ভূমিকম্পের পরও হামলা চালাচ্ছে জান্তা বাহিনী

মিয়ানমারের শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত এক হাজার ৬০০ এর বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। ভয়াবহ ওই ভূমিকম্প দেশজুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। কিন্তু তারপরও সেখানে থেমে নেই জান্তা বাহিনীর বিমান হামলা। ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত অঞ্চলেই হামলা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

জাতিসংঘ অবশ্য এই হামলাগুলোকে ‘সম্পূর্ণভাবে অগ্রহণযোগ্য ও নিন্দনীয়’ বলে অভিহিত করেছে।

জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি টম অ্যান্ড্রুজ বলেছেন, ‘ ভূমিকম্পের পর যখন মানুষকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে, তখনও জান্তা বাহিনী বোমা ফেলছে—এটি অবিশ্বাস্য।’
জান্তা সরকারকে এখনই সব ধরনের সামরিক অভিযান বন্ধ করতে বলেছেন টম অ্যান্ড্রুস।

প্রায় চার বছর আগে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের ক্ষমতা পুনর্দখল করে দেশটির সেনাবাহিনী।

চার বছর পেরিয়ে গেলেও সামরিক বাহিনী এবং জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে তীব্র লড়াই অব্যাহত রয়েছে।

গত শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুরে ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে মিয়ানমার। ভূমিকম্প আঘাত হানার তিন ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে অর্থাৎ স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে উত্তরের রাজ্য শানের নাউংচোতে বিমান হামলা চালায় জান্তা বাহিনী। হামলায় অন্তত ৭ জন নিহত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বিবিসি বার্মিজ।

বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো (যারা সামরিক শাসন উৎখাতের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে) জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সাগাইং অঞ্চলের চ্যাং-উ টাউনশিপে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। এই এলাকা ছিল ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল। এছাড়া থাইল্যান্ড সীমান্তের কাছাকাছি এলাকাগুলোতেও হামলার খবর পাওয়া গেছে।

ক্ষমতাচ্যুত বেসামরিক প্রশাসনের প্রতিনিধিত্বকারী জাতীয় ঐক্য সরকার (এনইউজি) এক বিবৃতিতে বলেছে, ভূমিকম্প-প্রভাবিত এলাকাগুলোতে সশস্ত্র বাহিনী রবিবার থেকে দুই সপ্তাহের জন্য ‘আক্রমণাত্মক সামরিক অভিযান স্থগিত করবে, তবে আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।’

ভূমিকম্পের পর মিয়ানমারের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালে এবং রাজধানী নেপিদো থেকে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের খবর পাওয়া গেছে। নেপিদো ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল থেকে ১৫০ মাইল দূরে অবস্থিত।

জান্তা সরকার বলেছে, এখন পর্যন্ত ১,৬৪৪ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেকে আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল সাগাইং অঞ্চলের বড় অংশ এখন গণতন্ত্রপন্থি প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

দিনাজপুরে র‌্যাব-১৩’র পৃথক অভিযানে ১,১১৩ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার, গ্রেফতার ১

মাসুদুর রহমান, জেলা প্রতিনিধি দিনাজপুর
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
দিনাজপুরে র‌্যাব-১৩’র পৃথক অভিযানে ১,১১৩ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার, গ্রেফতার ১

দিনাজপুরে র‌্যাব-১৩ এর পৃথক দুইটি অভিযানে মোট ১,১১৩ বোতল ফেনসিডিলসহ সমজাতীয় অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র‌্যাব-১৩, সিপিসি-১ দিনাজপুর ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে ১১ এপ্রিল ২০২৬ রাত ১টার দিকে দিনাজপুর সদর উপজেলার কোতয়ালী থানাধীন ৪নং শেখপুরা ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় পলাতক আসামি মোঃ তোহিমুল ইসলাম ওরফে কেরু বিল্লাল (৩৪)-এর বাড়ির পূর্ব পাশে বসতঘরের দেয়াল সংলগ্ন স্থানে প্লাস্টিকের বস্তার মধ্যে রাখা ৩৯৩ বোতল এসকাফ, ১১৭ বোতল ফেনসিগ্রীপ এবং ১৬৯ বোতল ফেয়ারডিলসহ মোট ৬৭৯ বোতল ফেনসিডিল সমজাতীয় মাদক জব্দ করা হয়।
পৃথক আরেকটি অভিযানে একই দিন সকাল ৭টা ২০ মিনিটে কোতয়ালী থানাধীন ৭নং উথরাইল ইউনিয়নের নুনাইচ কাকিঁলাদীঘি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে ২৩৪ বোতল আরসিকাফ প্লাস ও ২০০ বোতল ফেনসিগ্রীপসহ মোট ৪৩৪ বোতল ফেনসিডিল সমজাতীয় মাদক উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মোঃ আইন উদ্দীন (৫২) নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র‌্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামি দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদকদ্রব্য বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল এবং মাদক পরিবহনে বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করত।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর আওতায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামি ও জব্দকৃত আলামত থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র‌্যাব-১৩ জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

দিনাজপুরে ইমাম কল্যাণ সংস্থার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মাসুদুর রহমান, জেলা প্রতিনিধি দিনাজপুর
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
দিনাজপুরে ইমাম কল্যাণ সংস্থার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 36;

দিনাজপুরে ইমামদের কল্যাণ ও অধিকার নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এশার নামাজের পর দিনাজপুর মহারাজা স্কুল মাঠ মসজিদে ইমাম কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোতয়ালী (সদর) থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ নূরনবী, শাইখুল হাদিস মাওলানা মতিউর রহমান কাসেমী, দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক আলহাজ মোস্তফা কামাল মিলন এবং সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ রেহাতুল ইসলাম খোকা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল বলেন, সমাজে ইমামদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করেন এবং নৈতিকতা ও মূল্যবোধ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। কিন্তু বাস্তবতায় অনেক ইমাম তাদের পরিশ্রম অনুযায়ী যথাযথ সম্মান ও প্রাপ্য সুবিধা পান না। তাই ইমামদের কল্যাণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মুফতি মুহাম্মদ খাইরুজ্জামান (পরিচালক, মা-খাদিজা (রা.) বালিকা মাদরাসা), মাওলানা মাহফুজুর রহমান (পরিচালক, আন-নুজুম ইসলামিক একাডেমী), হাফেজ মাওলানা মুফতি আব্দুর কাদের (ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মুসলিম হজ্ব ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস লিমিটেড)সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
আলোচনা সভায় বক্তারা ইমামদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, মর্যাদা বৃদ্ধি এবং তাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

দিনাজপুরে মোবাইল কোর্টে ৬ মাদকসেবীর সাজা

মাসুদুর রহমান, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি।
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ
দিনাজপুরে মোবাইল কোর্টে ৬ মাদকসেবীর সাজা

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় পৃথক অভিযানে ৬ জন মাদকসেবীকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বীরগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (৯ এপ্রিল) গভীর রাতে উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের বাহাদুর হাট ও শতগ্রাম ইউনিয়নের ঝাড়বাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪ জন মাদকসেবীকে আটক করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে আরেকটি অভিযানে বীরগঞ্জ পৌর এলাকার একটি বাড়ি থেকে আরও ২ জনকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন— রাজু ইসলাম (২৫), আল আমিন (৩৭), জাহাঙ্গীর আলম (৩৫), মাতুল শানু (৩০), সাদ্দাম (৩০) ও জাবেদ আলী (২৪)।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বীরগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় রাজু ইসলামকে ১ বছর এবং বাকি ৫ জনকে ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি প্রত্যেককে ১০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়।
সাজাপ্রাপ্তদের বৃহস্পতিবার বিকেলে দিনাজপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বীরগঞ্জ থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।