খুঁজুন
শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২৮ চৈত্র, ১৪৩২

পবিপ্রবিতে গবেষণা উৎসব: উপকূলের স্বপ্ন ও চিন্তার এক মহোৎসব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ মে, ২০২৫, ৫:১৮ অপরাহ্ণ
পবিপ্রবিতে গবেষণা উৎসব: উপকূলের স্বপ্ন ও চিন্তার এক মহোৎসব

স্টাফ রিপোর্টার, মোঃ রিয়াজুল ইসলামঃ 

২৩ বছরের পথ চলার এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় পেরিয়ে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) এবার প্রথমবারের মতো আয়োজন করল ‘গবেষণা উৎসব’। ২০২৫ সালের ১৮ মে রবিবার এই উৎসবের মধ্য দিয়ে পবিপ্রবি নতুন দিগন্তের সন্ধান দিল—এক ভিন্ন মাত্রার, গবেষণাভিত্তিক শিক্ষার বার্তা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের উদ্যোগে ‘Research for Coastal Resilience’—অর্থাৎ উপকূলীয় সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে টেকসই উন্নয়ন শীর্ষক থিমে দিনভর চলে নানা কর্মসূচি। এটি শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং উপকূলীয় অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সমাধানে নতুন ভাবনার সূচনা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম, ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মাসুমা হাবিব, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান এবং অনেকে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফরিদা আখতার বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় হলো জ্ঞানের আধার। শিক্ষক ও গবেষকদের নিয়মিত গবেষণার সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে এবং তা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে।” ভাইস-চ্যান্সেলর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম জানান, “গবেষণা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং সমাজ ও জাতির উন্নয়নে অবদান রাখতে হবে। পবিপ্রবি এই প্রথমবারের মতো গবেষণা উৎসবের মাধ্যমে এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করল।”

ইউজিসির প্রফেসর ড. মাসুমা হাবিব বলেন, “পবিপ্রবির গবেষণার মান অত্যন্ত উচ্চ এবং এটি দক্ষিণাঞ্চলের জন্য এক অনন্য সুযোগ।” প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান আরও যোগ করেন, “গবেষণার গুণগত মান নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এই উৎসব পবিপ্রবিকে উপকূলীয় গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করবে।”

উৎসবের মূল আকর্ষণ ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি অনুষদের দশটি গবেষণা প্রকল্প এবং রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের দুইটি বিশেষ প্রকল্পের উপস্থাপনা। এসব গবেষণা উপকূলীয় অঞ্চলের বাস্তব সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে করা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের গবেষণার প্রতি আগ্রহী করে তোলে।

সমাপনীতে নির্বাচিত গবেষণা প্রতিবেদন নিয়ে স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ করা হয় এবং গবেষকদের হাতে সম্মাননা স্মারক, ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. মামুন-উর-রশিদ বলেন, “এই উৎসব শুধু আয়োজন নয়, এটি উপকূলের ভবিষ্যৎ গঠনের এক গুরুত্বপূর্ণ সূচনা।”

এভাবেই পবিপ্রবি ইতিহাসে নতুন অধ্যায় শুরু করল—গবেষণায় গড়া, উপকূলের সংকট-সম্ভাবনার বুনন, এবং টেকসই উন্নয়নের এক প্রাণবন্ত রূপরেখা। আগামী দিনে এই গবেষণা উৎসব উপকূলীয় বাংলাদেশের পরিবর্তনের এক শক্তিশালী ধাক্কা হয়ে উঠবে বলেই আশা সংশ্লিষ্টদের।

রাজশাহী বিভাগীয় খাদ্য অধিদপ্তর ডিলার সমিতির নির্বাচনে নতুন নেতৃত্ব: সভাপতি সুমন, সাধারণ সম্পাদক অন্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
রাজশাহী বিভাগীয় খাদ্য অধিদপ্তর ডিলার সমিতির নির্বাচনে নতুন নেতৃত্ব: সভাপতি সুমন, সাধারণ সম্পাদক অন্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী:

রাজশাহী বিভাগীয় খাদ্য অধিদপ্তর ডিলার সমিতির নির্বাচনে নতুন নেতৃত্ব এসেছে। সদ্য সমাপ্ত এই নির্বাচনে সমিতির সদস্যদের ভোটে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের ডিলার সুমন সর্দার এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ০৩ নম্বর ওয়ার্ডের ডিলার সাব্বির আহমেদ অন্তর।

​নব-নির্বাচিত সভাপতি সুমন সর্দার ডিলার সমিতির দায়িত্বের পাশাপাশি রাজনৈতিক অঙ্গনেও একজন সুপরিচিত মুখ। তিনি বর্তমানে রাজশাহী শাহ মখদুম থানা বিএনপির সভাপতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর এই নতুন নেতৃত্বে ডিলার সমিতির কার্যক্রমে আরও গতিশীলতা আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

​অন্যদিকে, ডিলার সমিতির নব-নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ অন্তর ছাত্র রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন পরিচিত ও পরীক্ষিত মুখ। তিনি বর্তমানে রাজশাহী নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং এর আগে একই কমিটির সাবেক সভাপতি ছিলেন। এছাড়াও তিনি ০৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক এবং রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছেন।

​নতুন এই নেতৃত্বের হাত ধরে রাজশাহী বিভাগীয় খাদ্য অধিদপ্তর ডিলার সমিতির সাধারণ সদস্যদের অধিকার আদায়, ডিলারদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং সমিতির সামগ্রিক সাংগঠনিক কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ভোটার ও সাধারণ ডিলারবৃন্দ।

দিনাজপুরে র‌্যাব-১৩’র পৃথক অভিযানে ১,১১৩ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার, গ্রেফতার ১

মাসুদুর রহমান, জেলা প্রতিনিধি দিনাজপুর
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
দিনাজপুরে র‌্যাব-১৩’র পৃথক অভিযানে ১,১১৩ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার, গ্রেফতার ১

দিনাজপুরে র‌্যাব-১৩ এর পৃথক দুইটি অভিযানে মোট ১,১১৩ বোতল ফেনসিডিলসহ সমজাতীয় অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র‌্যাব-১৩, সিপিসি-১ দিনাজপুর ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে ১১ এপ্রিল ২০২৬ রাত ১টার দিকে দিনাজপুর সদর উপজেলার কোতয়ালী থানাধীন ৪নং শেখপুরা ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় পলাতক আসামি মোঃ তোহিমুল ইসলাম ওরফে কেরু বিল্লাল (৩৪)-এর বাড়ির পূর্ব পাশে বসতঘরের দেয়াল সংলগ্ন স্থানে প্লাস্টিকের বস্তার মধ্যে রাখা ৩৯৩ বোতল এসকাফ, ১১৭ বোতল ফেনসিগ্রীপ এবং ১৬৯ বোতল ফেয়ারডিলসহ মোট ৬৭৯ বোতল ফেনসিডিল সমজাতীয় মাদক জব্দ করা হয়।
পৃথক আরেকটি অভিযানে একই দিন সকাল ৭টা ২০ মিনিটে কোতয়ালী থানাধীন ৭নং উথরাইল ইউনিয়নের নুনাইচ কাকিঁলাদীঘি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে ২৩৪ বোতল আরসিকাফ প্লাস ও ২০০ বোতল ফেনসিগ্রীপসহ মোট ৪৩৪ বোতল ফেনসিডিল সমজাতীয় মাদক উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মোঃ আইন উদ্দীন (৫২) নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র‌্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামি দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদকদ্রব্য বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল এবং মাদক পরিবহনে বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করত।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর আওতায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামি ও জব্দকৃত আলামত থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র‌্যাব-১৩ জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

দিনাজপুরে ইমাম কল্যাণ সংস্থার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মাসুদুর রহমান, জেলা প্রতিনিধি দিনাজপুর
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
দিনাজপুরে ইমাম কল্যাণ সংস্থার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 36;

দিনাজপুরে ইমামদের কল্যাণ ও অধিকার নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এশার নামাজের পর দিনাজপুর মহারাজা স্কুল মাঠ মসজিদে ইমাম কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোতয়ালী (সদর) থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ নূরনবী, শাইখুল হাদিস মাওলানা মতিউর রহমান কাসেমী, দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক আলহাজ মোস্তফা কামাল মিলন এবং সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ রেহাতুল ইসলাম খোকা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল বলেন, সমাজে ইমামদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করেন এবং নৈতিকতা ও মূল্যবোধ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। কিন্তু বাস্তবতায় অনেক ইমাম তাদের পরিশ্রম অনুযায়ী যথাযথ সম্মান ও প্রাপ্য সুবিধা পান না। তাই ইমামদের কল্যাণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মুফতি মুহাম্মদ খাইরুজ্জামান (পরিচালক, মা-খাদিজা (রা.) বালিকা মাদরাসা), মাওলানা মাহফুজুর রহমান (পরিচালক, আন-নুজুম ইসলামিক একাডেমী), হাফেজ মাওলানা মুফতি আব্দুর কাদের (ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মুসলিম হজ্ব ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস লিমিটেড)সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
আলোচনা সভায় বক্তারা ইমামদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, মর্যাদা বৃদ্ধি এবং তাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।