খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮ মাঘ, ১৪৩২

গ্রাম আদালত বিষয়ক প্রশিক্ষণ মাদারীপুর পৌরসভার হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়

সোহাগ কাজী । মাদারীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ মার্চ, ২০২৫, ৪:২৯ অপরাহ্ণ
গ্রাম আদালত বিষয়ক প্রশিক্ষণ মাদারীপুর পৌরসভার হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়

 চারদিন ব্যাপী মাদারীপুর জেলা প্রশাসন এর আয়োজনে  মাদারীপুর জেলার মাদারীপুর সদর, রাজৈর ও শিবচর উপজেলার ২৯ টি ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নিয়ে আজ 09/03/2025 তারিখ সকাল 9:00 ঘটিকার সময় মাদারীপুর পৌরসভা হলরুমে গ্রাম আদালত বিষয়ক প্রশিক্ষণ চলছে।উক্ত প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন করেন এবং গ্রাম আদালতের বিভিন্ন কার্যকলাপ নিয়ে আলোচনা করেন আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মাদারীপুর জেলার সন্মানিত জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং অত্র প্রশিক্ষণের কোর্স পরিচালক মোছা: ইয়াসমিন আক্তার, সন্মানিত জেলা প্রশাসক মহোদয় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সরকারি কাম কম্পিউটার অপারেটরদের গ্রাম আদালতের নথিপত্র লেখার ক্ষেত্রে মনোযোগী হতে হবে এই মর্মে অংশগ্রহণকারীদের অবগত করেন জেলা প্রশাসক আরও বলেন বাংলাদেশের মধ্যে

মাদারীপুর জেলা গ্রাম আদালতের কাজের ক্ষেত্রে প্রথম হবে এটা আমি আপনাদের কাছ থেকে আসা করছি তিনি আরোও বলেন প্রতি মাসে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে সঠিক রিপোর্ট জমা দিবেন কোন ভাবেই ভুল রিপোর্ট জমা দিবেন না।উক্ত প্রশিক্ষণে আরও উপস্থিত ছিলেন স্হানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) ও অত্র প্রশিক্ষনের কোর্স  সমন্বয়কারী মুহাম্মদ হাবিবুল আলম।উক্ত ৪ দিন ব্যাপী  গ্রাম আদালত প্রশিক্ষণে গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ ও বিধিমালা নিয়ে এবং গ্রাম আদালতের ডকুমেন্টেশন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে তাই সকল অংশগ্রহণকারীদের আইন বিধি সম্পর্কে ধারনা নিতে হবে। এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) মুহাম্মদ হাবিবুল আলম বলেন যে অংশগ্রহণকারীদের হাতে-কলমে গ্রাম আদালতের নথি রেজিস্টার লেখা কি ভাবে নথিপত্র সংরক্ষণ করা হয় তা হাতে কলমে শেখানো হবে।

উক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর / ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণ আইন বিধিমালা ও গ্রাম আদালতের ডকুমেন্টেশনের উপর দক্ষতা অর্জন করবেন যাতে তারা গ্রাম আদালতের পেশকার হিসাবে গ্রাম আদালতের নথিপত্র লেখা ও সংরক্ষণ করতে পারে। উক্ত প্রশিক্ষণে সার্বিক সহযোগিতা করেন মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ জেলার ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার মো: আলিউল হাসনাত খান,  মাদারীপুর জেলার ডাসার ও কালকিনি উপজেলার কো-অর্ডিনেটর নাসির উদ্দিন লিটন,শিবচর উপজেলার  উপজেলা কো-অর্ডিনেটর পপি আক্তার এবং মাদারীপুর ও রাজৈর উপজেলা কো-অর্ডিনেটর শারমিন সুরভী সহ ২৯ টি ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর /ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণ।

ঠাকুরগাঁও–২ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন  বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী তুলা

MD JAMIL HASAN
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁও–২ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন  বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী তুলা

ঠাকুরগাঁও–২ (বালিয়াডাঙ্গী–হরিপুর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্বতন্ত্র প্রার্থী শেষ পর্যন্ত তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এতে করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আলোচিত এই আসনে রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড় সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন করেন।রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই তার মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

মো. জুলফিকার মর্তুজা চৌধুরী তুলা জানায়, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা ও সামগ্রিক নির্বাচনী কৌশলের অংশ হিসেবেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে বিএনপির জেলা কিংবা কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কোনো নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও–২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। বিদ্রোহী প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের ফলে এ আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থীর ডা. আব্দুস সালাম এর অবস্থান আরও সুসংহত হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী মাঠে বিএনপির সাংগঠনিক ঐক্য জোরদার করবে এবং ভোটের হিসাবেও দলটি সুবিধাজনক অবস্থানে যাবে। এই আসনে বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী থাকলেন ৭ জন।

নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় স্ত্রীর মৃত্যুদন্ড

মামুন রণবীর | নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় স্ত্রীর মৃত্যুদন্ড

Oplus_131072

নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামী রুক্কু মিয়াকে (৩৮) কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রী রুবিনা আক্তারকে (৩৭) মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেয়া হয়েছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জেলা জজ মোছা. মরিয়ম-মুন-মুঞ্জুরী এই রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত রুবিনা আক্তার (৩২) জেলার পূর্বধলা উপজেলার কৈলাটি গ্রামের বজলুর রহমানের মেয়ে। তার স্বামী নিহত রুক্কু মিয়া একই উপজেলার লেটিরকান্দা গ্রামের শামছুর রহমানের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, রুক্কু মিয়া তিনটি বিয়ে করেছিলেন। প্রথম স্ত্রী রুবিনা ছাড়াও পরে নোয়াখালীতে দ্বিতীয় ও গাজীপুরে তৃতীয় বিয়ে করেন। রুক্কুর সঙ্গে ১১ বছরের সংসার জীবনে রুবিনার ৯ বছর ও ৭ বছরের দুইটি মেয়ে রয়েছে। কিন্তু কয়েক বছর ধরে তিনি তাদের ভরণপোষণ দিচ্ছিলেন না। এতে চরম কলহ দেখা দেয়। এই দাম্পত্য কলহের জেরে ২০২১ সালের ১৪ মে, ঈদের দিন সন্ধ্যায় রুক্কু মিয়া শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গেলে রাতের খাবার শেষে ঘুমন্ত অবস্থায় রুবিনা তাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

এই হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত রুক্কুর ভাই মো. আসান মিয়া বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে ওই মামলায় ১১ জনের সাক্ষ্য শেষে রুবিনা আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আদালত।

রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম বলেন, এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড। মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ ও উপস্থাপিত আলামত পর্যালোচনা করে আদালত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করছে।

রাবি ডিবেটিং ফোরামের নতুন কমিটি গঠন

রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
রাবি ডিবেটিং ফোরামের নতুন কমিটি গঠন

রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ফোরাম (RUDF)-এর ১৭তম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে চিফ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফাইনান্স বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের মোসাঈব ইবনে আনোয়ার।

গত ১৫ জানুয়ারি বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচনের মাধ্যমে ৬ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি গঠন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও মডারেটর মহোদয়।

কমিটিতে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রত্যয় সারার শিহাব, রাকিবুল হাসান স্বাধীন, মাফিউল ওয়াহিদ সিহাব, তামিম খান ও সৌকত খান অন্তু।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সাল থেকে রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ফোরাম (RUDF) শিক্ষার্থীদের বিতর্ক শেখানোর জন্য কাজ করে আসছে এবং একই সাথে জাতীয় পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় কে প্রতিনিধিত্ব করে আসছে।