খুঁজুন
শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন, ১৪৩২

কালরাতের বজ্রকণ্ঠ: শহীদ জিয়ার স্মরণে ছাত্রনেতা মো. লতিফুর রহমানের অমর কবিতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ মে, ২০২৫, ৯:৫২ অপরাহ্ণ
কালরাতের বজ্রকণ্ঠ: শহীদ জিয়ার স্মরণে ছাত্রনেতা মো. লতিফুর রহমানের অমর কবিতা

রাজশাহী: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে নিউ গভমেন্ট ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের অন্যতম বিপ্লবী ও মানবিক ছাত্রনেতা, কবি ও সাহিত্যিক মো. লতিফুর রহমান এক আবেগঘন কবিতা রচনা করেছেন। “কালরাতের বজ্রকণ্ঠ” শিরোনামের এই কবিতাটিতে তিনি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ভূমিকা, দেশপ্রেম এবং জনগণের প্রতি গভীর মমত্ববোধের চিত্র তুলে ধরেছেন।
কবিতার শুরুতেই কবি লতিফুর রহমান ১৯৭১ সালের কালো রাতে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে জিয়ার ঐতিহাসিক স্বাধীনতা ঘোষণার বজ্রকণ্ঠকে স্মরণ করেছেন। “আমি মেজর জিয়া বলছি” – এই ঘোষণার মাধ্যমেই যেন সারা বাংলায় মুক্তিযুদ্ধের দামামা বেজে উঠেছিল, এমন অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে কবিতাটিতে।
এরপর কবি জিয়াউর রহমানকে একজন নির্ভীক সেনাপতি ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে তুলে ধরেছেন, যিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং বীরত্বের জন্য “বীর উত্তম” খেতাব অর্জন করেছিলেন। কবিতায় কবি লতিফুর রহমান জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বকে একনায়কের শাসনের ভিত্তি ধ্বংসকারী এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
“সৈনিক থেকে শ্রমিক নেতা, হাতে নিয়েছিলে কোদাল, আমজনতার কাতারে মিশেছিলে যেন রাখাল” – এই পঙ্ক্তিতে কবি জিয়াউর রহমানের সাধারণ মানুষের সাথে মিশে যাওয়ার এবং তাদের কল্যাণে কাজ করার দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন। খাল খনন, ক্ষুধার্তের অন্নদান এবং কৃষকের সম্মান বৃদ্ধির মতো কাজের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান কীভাবে নতুন জীবনের ধারা নিয়ে এসেছিলেন, তা কবি লতিফুর রহমানের কবিতায় মূর্ত হয়ে উঠেছে।
কবিতায় জিয়াউর রহমানকে আধুনিক বাংলা গড়ার স্বপ্নদ্রষ্টা এবং ভবিষ্যতের ভোর উন্মোচনকারী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তারুণ্যের ভালোবাসা ও অগণিত হৃদয়ের অনন্ত পিপাসা হিসেবে তিনি আজও মানুষের মাঝে বেঁচে আছেন বলে কবি মনে করেন। সততা ও দরিদ্রের সম্রাট হিসেবে জিয়াউর রহমানের গুণাবলী কবিতায় বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে।
কবি লতিফুর রহমান জিয়াউর রহমানকে একজন আদর্শ পিতা, ভক্ত স্বামী এবং কর্তব্যপরায়ণ কবি হিসেবেও দেখেছেন। কর্মঠ, সময়নিষ্ঠ ও দূরদর্শী এই নেতা ঘুম জাগানো পাখির মতো জাতিকে প্রেরণা জুগিয়েছিলেন বলে কবি উল্লেখ করেছেন। তার ডাকে মন্ত্রী ও কর্মচারীরা কর্মচাঞ্চল্য ফিরে পেয়েছিলেন এবং উন্নতির পথে ধাবিত হয়েছিলেন। উনিশ দফা কর্মসূচি ও জাতীয়তাবাদের পতাকাবাহী হিসেবে জিয়াউর রহমান নারীর সম অধিকারের দীক্ষাও দিয়েছিলেন বলে কবিতায় উল্লেখ করা হয়েছে।
কৃষকের বন্ধু এবং অকৃত্রিম সহযোগী হিসেবে জিয়াউর রহমানের অবদান কবি লতিফুর রহমানের কবিতায় গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়েছে। কবি বিশ্বাস করেন, জিয়াউর রহমানের আদর্শ চিরকাল অনুকরণীয় এবং তিনি সাধারণ মানুষের হৃদয়ে চিরস্থায়ী সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত থাকবেন।
পরিশেষে, কবি লতিফুর রহমান গভীর বেদনার সাথে জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ড এবং এর পরবর্তী প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেছেন। ঘাতকের প্রতিহিংসার বিপরীতে জিয়াউর রহমানের বুকের রক্তকণা যেন সবুজ শাড়িতে মহিমান্বিত বাংলার বধূ এবং কপালে আঁকা লাল সূর্যের জন্ম দিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
“স্বর্ণাক্ষরে লেখা রবে তোমার পবিত্র নাম, ‘জিয়াউর রহমান’, তুমি বাংলার শ্রেষ্ঠতম” – এই দৃঢ় উচ্চারণের মাধ্যমে কবি মো. লতিফুর রহমান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জ্ঞাপন করেছেন এবং তাকে বাংলার শ্রেষ্ঠতম হিসেবে অভিহিত করেছেন। কবিতাটি জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি এক আন্তরিক ও শক্তিশালী শ্রদ্ধার্ঘ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

কালরাতের বজ্রকণ্ঠ-

মার্চের কালো রাতে তুমি ছিলে বিদ্রোহী হুঙ্কার,
কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে স্বাধীনতা ঘোষণার ঝঙ্কার।
“আমি মেজর জিয়া বলছি” – এই বজ্রকণ্ঠের ধ্বনি,
বাংলার প্রান্তে প্রান্তে জাগালো যুদ্ধের রণভেরী।

শত্রুর সম্মুখে তুমি ছিলে নির্ভীক সেনাপতি,
জেড ফোর্সের অধিনায়ক, বীরত্বের জ্যোতি।
স্বাধীনতা সংগ্রামে তুমি ছিলে অগ্রগামী নেতা,
“বীর উত্তম” খেতাব তোমার, জনতার শ্রদ্ধা ও মমতা।

ভেঙেছিলে একনায়কের শাসনের ভিত্তি,
গড়েছিলে বহুদলীয় গণতন্ত্রের ভীতি।
সৈনিক থেকে শ্রমিক নেতা, হাতে নিয়েছিলে কোদাল,
আমজনতার কাতারে মিশেছিলে যেন রাখাল।

খালে এনেছিলে নতুন জীবনের ধারা,
দিয়েছিলে ক্ষুধার্তের অন্ন, কৃষকের সম্মান বাড়া।
আধুনিক বাংলা গড়ার স্বপ্নে ছিলে বিভোর,
ধাপে ধাপে হেঁটেছিলে ভবিষ্যতের ভোর।

তুমি ছিলে মহানায়ক, তারুণ্যের ভালোবাসা,
অগণিত হৃদয়ে তুমি অনন্ত পিপাসা।
সততার উজ্জ্বল প্রতীক তুমি ছিলে ধ্রুব,
রাজভান্ডারের রক্ষক, দরিদ্র সম্রাট রুদ্র।

আদর্শ পিতার প্রতিচ্ছবি, ভক্ত স্বামীর ছবি,
নও তুমি রাজা-মহারাজা, ছিলে কর্তব্যরত কবি।
কর্মঠ, সময়নিষ্ঠ, ছিলে দূরদর্শী নেতা,
ঘুম জাগানো পাখির মতো, প্রেরণার প্রণেতা।

তোমার ডাকে জেগেছিল মন্ত্রী, রাজ্যের কর্মচারী,
সচল হয়েছিল কর্মের চাকা, উন্নতির সারথি।
উনিশ দফার রূপকার, জাতীয়তাবাদের ধ্বজা,
নারীকে দিয়েছিলে সম অধিকারের দীক্ষা।

কৃষকের বন্ধু তুমি, দিয়েছিলে সহযোগিতা অপার,
চির উন্নত মমশির, তুমি স্মৃতিতে অম্লান রবার।
তোমার আদর্শ চির অনুকরণীয়, হে মহান,
আমজনতার হৃদয়ে তুমি অটুট সম্মান।

প্রতিহিংসার আগুনে পুড়েছে ঘাতকের মন,
তোমার বুকের রক্তকণা জন্ম দিয়েছে অগণন।
সবুজ শাড়িতে মহিমান্বিত বাংলার বধূ,
কপালে আঁকা লাল সূর্য, তুমি ছিলে সে সিন্ধু।

স্বর্ণাক্ষরে লেখা রবে তোমার পবিত্র নাম,
“জিয়াউর রহমান”, তুমি বাংলার শ্রেষ্ঠতম।

মাদারীপুরে চাঁদা না পেয়ে সাংবাদিকের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, সন্ত্রাসী হামলায় নারী-শিশুসহ আহত একাধিক

এস এম সোহাগ কাজী মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
মাদারীপুরে চাঁদা না পেয়ে সাংবাদিকের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, সন্ত্রাসী হামলায় নারী-শিশুসহ আহত একাধিক

মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদী ইউনিয়নে চাঁদা না পেয়ে এক সাংবাদিকের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশুসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি নিয়ে সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ হোসেন খান জানান, একই এলাকার মৃত বাবন খাঁর ছেলে জাভেদ খাঁ ও তার ছেলে সুজন খাঁ দীর্ঘদিন ধরে তাকে এবং তার পরিবারের সদস্যদের নানা ভাবে হয়রানি করে আসছিল। বিভিন্ন সময় তার কাছে নগদ চাঁদা দাবি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্তরা তা অমান্য করে এবং ক্ষতিসাধনের হুমকি দিতে থাকে।

অভিযোগে বলা হয়, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ৯ মার্চ ২০২৬ রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটের দিকে তার বসতবাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। এতে প্রায় ৩ লাখ ২০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এর ধারাবাহিকতায় ১১ মার্চ দুপুর আনুমানিক ১টা ১০ মিনিটের দিকে আগুন দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় জাভেদ খাঁর নির্দেশে সুজন খাঁ, ইমরান খান, রোমান খান, নাছিমা বেগম, মুনি বেগমসহ আরও ১০–১২ জন সংঘবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার বাড়ির উঠানে এসে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সাংবাদিক মাসুদ হোসেন খান বলেন, হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দিলে আত্মরক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে তার ডান হাতের কব্জিতে গুরুতর জখম হয়। পরে লোহার রড দিয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ সময় তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে তার মেয়ে ইসমিতা খান মমির চুল ধরে টানাহেঁচড়া করা হয় এবং তার গলায় থাকা প্রায় এক ভরি তিন আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক আরও বলেন, তিনি আইনের আশ্রয় নেওয়ার কথা জানালে অভিযুক্তরা তাকে ও তার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে।

মাসুদ হোসেন খান বর্তমানে এশিয়ান টেলিভিশনের মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। এছাড়া তিনি দৈনিক গণতদন্ত পত্রিকার মফস্বল সম্পাদক, দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক এবং কয়েকটি জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (বিএমএসএস)-এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পর্ষদের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদেও দায়িত্বে রয়েছেন

ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) কর্তৃক মালিকবিহীন অবস্থায় ৯ লাখ ১০ হাজার ৫০০ টাকার মাদক ও চোরাচালান মালামাল আটক

মাসুদুর রহমান, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ
ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) কর্তৃক মালিকবিহীন অবস্থায় ৯ লাখ ১০ হাজার ৫০০ টাকার মাদক ও চোরাচালান মালামাল আটক

দিনাজপুর সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান মালামাল আটক করেছে ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি)।
১০ ও ১১ মার্চ ২০২৬ তারিখে ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) এর অধীনস্থ বিরামপুর বিশেষ ক্যাম্প, কাটলা বিশেষ ক্যাম্প, মনিপুর বিওপি ও দাইনুর বিওপি পৃথক পৃথকভাবে মোট ৬টি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ৩৩,৬৭০ পিস বাংলাদেশি মদ তৈরির বড়ি, ২৮৭ বোতল বাংলাদেশি যৌন উত্তেজক সিরাপ, ২৪ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল, ২০৭ বোতল ভারতীয় এসকাফ সিরাপ, ৯০০ পিস ভারতীয় নেশাজাতীয় ইনজেকশন এবং ১টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়।
আটককৃত মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান মালামালের সিজার মূল্য ৯,১০,৫০০ (নয় লক্ষ দশ হাজার পাঁচশত) টাকা বলে বিজিবি সূত্রে জানা গেছে।
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক ও চোরাচালানের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আমি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত, আপনাদের পাশে সবসময় আছি — এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম

মাসুদুর রহমান, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি।
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ
আমি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত, আপনাদের পাশে সবসময় আছি — এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম

দিনাজপুর সদরের উত্তর ফরিদপুর ও মহাজনপাড়া এলাকাবাসীর উদ্যোগে রবিবার (৮ মার্চ) জনতা ক্লিনিক মোড়ে দিনাজপুর সদর-৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এমপি’র সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এমপি। তিনি বলেন, “আমি আপনাদের ভোটে এমপি হয়েছি। আপনারাই আমাকে তিনবারের মেয়র থেকে এমপি বানিয়েছেন। আমি দিনাজপুর সদরকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সুখে-দুঃখে আগেও যেমন আপনাদের পাশে ছিলাম, এখনো আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব।”
তিনি আরও বলেন, দিনাজপুর সদরের সব রাস্তাঘাট নতুনভাবে নির্মাণ করা হবে, যাতে জনগণের কোনো ভোগান্তি না থাকে। পর্যায়ক্রমে কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে বলেও তিনি জানান। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রণালয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার নুরুল হুদা, ডা. সাইফুর রহমান, মঞ্জুর মুর্শেদ সুমন, এ.আই. মিজানুর রহমান, মোস্তফা কামাল মিলন, মোজাফফর হোসেন, শামসুল আলম চৌধুরী, মিজানুর রহমান, আইয়ুব আলী, মোকসেদুল ইসলাম টুটুল ও সাজ্জাদ হুমায়ুনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।