খুঁজুন
বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ২৩ বৈশাখ, ১৪৩৩

কালরাতের বজ্রকণ্ঠ: শহীদ জিয়ার স্মরণে ছাত্রনেতা মো. লতিফুর রহমানের অমর কবিতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ মে, ২০২৫, ৯:৫২ অপরাহ্ণ
কালরাতের বজ্রকণ্ঠ: শহীদ জিয়ার স্মরণে ছাত্রনেতা মো. লতিফুর রহমানের অমর কবিতা

রাজশাহী: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে নিউ গভমেন্ট ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের অন্যতম বিপ্লবী ও মানবিক ছাত্রনেতা, কবি ও সাহিত্যিক মো. লতিফুর রহমান এক আবেগঘন কবিতা রচনা করেছেন। “কালরাতের বজ্রকণ্ঠ” শিরোনামের এই কবিতাটিতে তিনি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ভূমিকা, দেশপ্রেম এবং জনগণের প্রতি গভীর মমত্ববোধের চিত্র তুলে ধরেছেন।
কবিতার শুরুতেই কবি লতিফুর রহমান ১৯৭১ সালের কালো রাতে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে জিয়ার ঐতিহাসিক স্বাধীনতা ঘোষণার বজ্রকণ্ঠকে স্মরণ করেছেন। “আমি মেজর জিয়া বলছি” – এই ঘোষণার মাধ্যমেই যেন সারা বাংলায় মুক্তিযুদ্ধের দামামা বেজে উঠেছিল, এমন অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে কবিতাটিতে।
এরপর কবি জিয়াউর রহমানকে একজন নির্ভীক সেনাপতি ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে তুলে ধরেছেন, যিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং বীরত্বের জন্য “বীর উত্তম” খেতাব অর্জন করেছিলেন। কবিতায় কবি লতিফুর রহমান জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বকে একনায়কের শাসনের ভিত্তি ধ্বংসকারী এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
“সৈনিক থেকে শ্রমিক নেতা, হাতে নিয়েছিলে কোদাল, আমজনতার কাতারে মিশেছিলে যেন রাখাল” – এই পঙ্ক্তিতে কবি জিয়াউর রহমানের সাধারণ মানুষের সাথে মিশে যাওয়ার এবং তাদের কল্যাণে কাজ করার দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন। খাল খনন, ক্ষুধার্তের অন্নদান এবং কৃষকের সম্মান বৃদ্ধির মতো কাজের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান কীভাবে নতুন জীবনের ধারা নিয়ে এসেছিলেন, তা কবি লতিফুর রহমানের কবিতায় মূর্ত হয়ে উঠেছে।
কবিতায় জিয়াউর রহমানকে আধুনিক বাংলা গড়ার স্বপ্নদ্রষ্টা এবং ভবিষ্যতের ভোর উন্মোচনকারী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তারুণ্যের ভালোবাসা ও অগণিত হৃদয়ের অনন্ত পিপাসা হিসেবে তিনি আজও মানুষের মাঝে বেঁচে আছেন বলে কবি মনে করেন। সততা ও দরিদ্রের সম্রাট হিসেবে জিয়াউর রহমানের গুণাবলী কবিতায় বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে।
কবি লতিফুর রহমান জিয়াউর রহমানকে একজন আদর্শ পিতা, ভক্ত স্বামী এবং কর্তব্যপরায়ণ কবি হিসেবেও দেখেছেন। কর্মঠ, সময়নিষ্ঠ ও দূরদর্শী এই নেতা ঘুম জাগানো পাখির মতো জাতিকে প্রেরণা জুগিয়েছিলেন বলে কবি উল্লেখ করেছেন। তার ডাকে মন্ত্রী ও কর্মচারীরা কর্মচাঞ্চল্য ফিরে পেয়েছিলেন এবং উন্নতির পথে ধাবিত হয়েছিলেন। উনিশ দফা কর্মসূচি ও জাতীয়তাবাদের পতাকাবাহী হিসেবে জিয়াউর রহমান নারীর সম অধিকারের দীক্ষাও দিয়েছিলেন বলে কবিতায় উল্লেখ করা হয়েছে।
কৃষকের বন্ধু এবং অকৃত্রিম সহযোগী হিসেবে জিয়াউর রহমানের অবদান কবি লতিফুর রহমানের কবিতায় গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়েছে। কবি বিশ্বাস করেন, জিয়াউর রহমানের আদর্শ চিরকাল অনুকরণীয় এবং তিনি সাধারণ মানুষের হৃদয়ে চিরস্থায়ী সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত থাকবেন।
পরিশেষে, কবি লতিফুর রহমান গভীর বেদনার সাথে জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ড এবং এর পরবর্তী প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেছেন। ঘাতকের প্রতিহিংসার বিপরীতে জিয়াউর রহমানের বুকের রক্তকণা যেন সবুজ শাড়িতে মহিমান্বিত বাংলার বধূ এবং কপালে আঁকা লাল সূর্যের জন্ম দিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
“স্বর্ণাক্ষরে লেখা রবে তোমার পবিত্র নাম, ‘জিয়াউর রহমান’, তুমি বাংলার শ্রেষ্ঠতম” – এই দৃঢ় উচ্চারণের মাধ্যমে কবি মো. লতিফুর রহমান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জ্ঞাপন করেছেন এবং তাকে বাংলার শ্রেষ্ঠতম হিসেবে অভিহিত করেছেন। কবিতাটি জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি এক আন্তরিক ও শক্তিশালী শ্রদ্ধার্ঘ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

কালরাতের বজ্রকণ্ঠ-

মার্চের কালো রাতে তুমি ছিলে বিদ্রোহী হুঙ্কার,
কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে স্বাধীনতা ঘোষণার ঝঙ্কার।
“আমি মেজর জিয়া বলছি” – এই বজ্রকণ্ঠের ধ্বনি,
বাংলার প্রান্তে প্রান্তে জাগালো যুদ্ধের রণভেরী।

শত্রুর সম্মুখে তুমি ছিলে নির্ভীক সেনাপতি,
জেড ফোর্সের অধিনায়ক, বীরত্বের জ্যোতি।
স্বাধীনতা সংগ্রামে তুমি ছিলে অগ্রগামী নেতা,
“বীর উত্তম” খেতাব তোমার, জনতার শ্রদ্ধা ও মমতা।

ভেঙেছিলে একনায়কের শাসনের ভিত্তি,
গড়েছিলে বহুদলীয় গণতন্ত্রের ভীতি।
সৈনিক থেকে শ্রমিক নেতা, হাতে নিয়েছিলে কোদাল,
আমজনতার কাতারে মিশেছিলে যেন রাখাল।

খালে এনেছিলে নতুন জীবনের ধারা,
দিয়েছিলে ক্ষুধার্তের অন্ন, কৃষকের সম্মান বাড়া।
আধুনিক বাংলা গড়ার স্বপ্নে ছিলে বিভোর,
ধাপে ধাপে হেঁটেছিলে ভবিষ্যতের ভোর।

তুমি ছিলে মহানায়ক, তারুণ্যের ভালোবাসা,
অগণিত হৃদয়ে তুমি অনন্ত পিপাসা।
সততার উজ্জ্বল প্রতীক তুমি ছিলে ধ্রুব,
রাজভান্ডারের রক্ষক, দরিদ্র সম্রাট রুদ্র।

আদর্শ পিতার প্রতিচ্ছবি, ভক্ত স্বামীর ছবি,
নও তুমি রাজা-মহারাজা, ছিলে কর্তব্যরত কবি।
কর্মঠ, সময়নিষ্ঠ, ছিলে দূরদর্শী নেতা,
ঘুম জাগানো পাখির মতো, প্রেরণার প্রণেতা।

তোমার ডাকে জেগেছিল মন্ত্রী, রাজ্যের কর্মচারী,
সচল হয়েছিল কর্মের চাকা, উন্নতির সারথি।
উনিশ দফার রূপকার, জাতীয়তাবাদের ধ্বজা,
নারীকে দিয়েছিলে সম অধিকারের দীক্ষা।

কৃষকের বন্ধু তুমি, দিয়েছিলে সহযোগিতা অপার,
চির উন্নত মমশির, তুমি স্মৃতিতে অম্লান রবার।
তোমার আদর্শ চির অনুকরণীয়, হে মহান,
আমজনতার হৃদয়ে তুমি অটুট সম্মান।

প্রতিহিংসার আগুনে পুড়েছে ঘাতকের মন,
তোমার বুকের রক্তকণা জন্ম দিয়েছে অগণন।
সবুজ শাড়িতে মহিমান্বিত বাংলার বধূ,
কপালে আঁকা লাল সূর্য, তুমি ছিলে সে সিন্ধু।

স্বর্ণাক্ষরে লেখা রবে তোমার পবিত্র নাম,
“জিয়াউর রহমান”, তুমি বাংলার শ্রেষ্ঠতম।

সবুজ বাংলাদেশ-এর ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: মাদারীপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ ও আলোচনা সভা ‎ ‎

এস এম সোহাগ কাজী মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধ
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ
সবুজ বাংলাদেশ-এর ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: মাদারীপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ ও আলোচনা সভা ‎ ‎

বাংলাদেশ-এর ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাদারীপুর জেলা শাখার উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ, রোপণ এবং “পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও নৈতিক অবক্ষয় রোধে করণীয়” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎​মঙ্গলবার (বা অনুষ্ঠানের তারিখ) মাদারীপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত আচমত আলী খান স্কুল এ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

‎​

‎​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:

‎​মাদারীপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

‎​জেলা তথ্য অফিসার।

‎​আচমত আলী খান স্কুল এ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ।

‎‎​সবুজ বাংলাদেশ মাদারীপুর জেলা কমিটির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় পরিষদের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল আরফান প্রিন্স-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আশরাফুল আলম।

‎​অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা কমিটির সহ-সভাপতি আহসানুল আলম (স্মরণ), সহ-সভাপতি রাজিব হাওলাদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিপন চক্রবর্তী, অর্থ সম্পাদক লিজা আক্তার, নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক সালমা আক্তার রোজিনা, প্রচার সম্পাদক আফরোজা অপু এবং যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক সৈকত হোসেন। এছাড়াও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

‎​আলোচনা সভায় আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন:

‎​পরিবেশ রক্ষা: দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রত্যেকের অন্তত একটি করে গাছ লাগানো এবং তার পরিচর্যা করা উচিত।

‎​নৈতিকতা চর্চা: পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক অবক্ষয় রোধে সচেতন হতে হবে এবং আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।

‎​আলোচনা শেষে অতিথিবৃন্দ শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা তুলে দেন এবং কলেজ প্রাঙ্গণে চারা রোপণ করে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

‎​সবুজ বাংলাদেশ-এর জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, সংগঠনের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধিতে তাদের এই ধরনের সামাজিক কার্যক্রম জেলাজুড়ে অব্যাহত থাকবে।

জামালপুরে গৃহবধূর বিদ্যুৎপিষ্টে মৃত্যু: আহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৯:৩৪ অপরাহ্ণ
জামালপুরে গৃহবধূর বিদ্যুৎপিষ্টে মৃত্যু: আহ

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের মাদারগঞ্জে তালাকপ্রাপ্ত গৃহবধূর বিদ্যুৎপিষ্টে মৃত্যু।  একই পরিবারে ৩ জনের আহতের ঘটনা ঘটেছে।  স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে মঙ্গলবার বিকালে প্রবাসী স্বামী তালাক দেওয়ার পর ঐ বাড়ী থেকে জিনিসপত্র নিয়ে বাড়ীতে আসেন। উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের  পলিশা এলাকা নিজবাড়ীতে আসবাপত্র ঘরে উঠানোর সময় কারেন্টের তার বাঁজে ঘটনাস্থলেই বিদ্যুৎ পিষ্টে মারা যায় তালাকপ্রাপ্ত গৃহবধূ সুমিনা (১৯)।  সে ঐ এলাকার সুজা মিয়ার মেয়ে।  এ ঘটনায় তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের আরো ৩ জন আহত হয়।  আহতরা হলেন নিহতের মা শিখা বেগম (৪৫), চাচা নূরুল ইসলাম (৫০), ভাতিজি কনিকা (১৫) ও চাচি জহুরা ( ৪০)।

স্থানীয় ইউপি সদস্য রকিবুল ইসলাম রকি জানান ১ বছর পূর্বে নিহত সুমিনা নামের মেয়েটির বিবাহ হয়েছিল ৫ নং জোড়খালী ইউনিয়নের সাফিউলের সাথে । পারিবারিক কলহ চলছিল পরিবারের মাঝে এক পর্যায়ে মামলা দায়ের করে কোর্টে এবং মাদারগঞ্জ ব্র‍্যাক অফিস নারী ও শিশু সুরক্ষা কেন্দ্রে ন্যায় বিচারের আশায়।  আজ মঙ্গলবার বিকালে মাদারগঞ্জ ব্র‍্যাক অফিসে উভয়ে পক্ষের উপস্থিতিতে তালাকপ্রাপ্ত হয় মেয়েটি।  জিনিসপত্র অর্থাৎ স্টিলের বাক্স নিয়ে ঘরে উঠানোর সময় বোর্ডের সাথে ধাক্কা লাগে বাক্সসহ কারেন্ট হয়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়। 

ব্র‍্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনী সুরক্ষা কর্মসূচী মাদারগঞ্জ শাখার অফিসার সেলফ ঝরনা বেগম জানান  আমরা অভিযোগ পেয়েছিলাম। এরই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বেলা ১২ টার দিকে উভয় পক্ষেরসহ স্থানীয় ইউপি সদস্যদের উপস্থিতিতে বিষয়টি মিমাংসা করা হয়েছে।  মেয়েটা স্বামীর বাড়ীতে যাবে না এবং ছেলেটা বউ নিতে চায়।  উভয়পক্ষসহ তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে মেয়েটা তালাকপ্রাপ্ত হয় এবং বিকালে তারা আসবাবপত্র নিয়ে চলে যায়।  আমরা সাধারণ মানুষকে হয়রানি থেকে এবং মামলার মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত থেকে  উভয় পরিবারকে বাঁচাতে ব্র‍্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনী সুরক্ষা দিয়ে থাকি।  হঠাৎ জানতে পারলাম বিদ্যুৎপিষ্টে মেয়েটার মৃত্যু।  

এ ব্যাপারে ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে যাওয়া  মাদারগঞ্জ মডেল থানার এস আই আব্বাস জানান মেয়েটা আজকেই তালাকপ্রাপ্ত হয়েছে।  স্বামীর বাড়ীতে থাকা তার প্রাপ্য জিনিসপত্র গুলো নিয়ে বাড়ীতে এসে স্টিলের বাক্স ঘরে উঠানোর সময় বোর্ডের সাথে ধাক্কা লাগার পর বাক্সসহ বিদ্যুৎ ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই বিদ্যুৎ পিষ্টে সুমিনার মৃত্যু হয়।  একই পরিবারের ৪ জন আহত হয়। 

এ ব্যাপারে জামালপুর জেলা সহকারী পুলিশ সুপার মাদারগঞ্জ সার্কেল মোস্তাফিজুর রহমান ভূঞা জানান মেয়েটি তালাকপ্রাপ্ত ছিল তার বাড়ীতে আসবাবপত্র উঠানোর সময় বিদ্যুৎপিষ্টে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এ ঘটনায় ৪ জন আহত হয় এবং আহতরা বর্তমানে সুস্থ আছে।  নিহতের লাশ সুরতহাল করা হয়েছে। একটি অপমৃত্যু মামলা করা হবে। পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে নিহতের লাশ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

৪২২ পিস ইয়াবা ও ৬০ হাজার টাকাসহ ‘মাদক ব্যবসায়ী’ বেলাল, সহযোগী গ্রেপ্তার

MD JAMIL HASAN
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
৪২২ পিস ইয়াবা ও ৬০ হাজার টাকাসহ ‘মাদক ব্যবসায়ী’ বেলাল, সহযোগী গ্রেপ্তার

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার একটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে বেলাল (স্থানীয়ভাবে কুখ্যাত ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত) ও তাঁর এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গোয়েন্দা বিভাগ। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ৪২২ পিস ইয়াবা ও নগদ ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ (মঙ্গলবার) পীরগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বেলাল ওই এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। নিজের বাসার আশপাশের প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সিসি ক্যামেরার নেটওয়ার্ক স্থাপন করে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গতিবিধি আগেভাগেই নজরদারি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।