খুঁজুন
, ,

বালিয়াডাঙ্গীর বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নে আরএমপি নিয়োগের লটারি অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:২৯ পূর্বাহ্ণ
বালিয়াডাঙ্গীর বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নে আরএমপি নিয়োগের লটারি অনুষ্ঠিত

নুরনবী,বালিয়াডাঙ্গী (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ৪নং বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন আরএমপি (RMP) কর্মসূচির নারী কর্মী নিয়োগের লক্ষ্যে লটারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে এ লটারি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। লটারিকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে চাকরিপ্রত্যাশী নারীসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। কাঙ্ক্ষিত চাকরির সুযোগ পাওয়ার আশায় নারীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। এ সময় পুরো ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আরএমপি কর্মসূচির আওতায় ৪নং বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়ন থেকে মোট ১০ জন নারীকে লটারির মাধ্যমে নিয়োগের জন্য নির্বাচন করা হয়। নির্বাচিত নারীরা এলাকার গ্রামীণ সড়কের রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচর্যা ও প্রয়োজনীয় মেরামত সংক্রান্ত কাজে নিয়োজিত থাকবেন।

লটারি কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মাসুদুল আলম এবং ৪নং বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শাহাবুদ্দিন মিয়া (চাবি)। এ সময় উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলীগণ, ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

লটারি চলাকালে চাকরিপ্রত্যাশী নারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎকণ্ঠা লক্ষ্য করা যায়। কাঙ্ক্ষিত সুযোগ পাওয়ার প্রত্যাশায় অনেক নারী অধীর আগ্রহে লটারির ফলাফলের অপেক্ষা করেন।

স্থানীয়দের মতে, আরএমপি কর্মসূচি গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে দরিদ্র ও অসচ্ছল পরিবারের নারীরা কর্মসংস্থানের সুযোগ পেলে নিজেদের আর্থিক অবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবারে স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে পারবেন। একই সঙ্গে গ্রামীণ রাস্তা রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থাও আরও সচল থাকবে।

সব মিলিয়ে এলজিইডির আরএমপি কর্মসূচির আওতায় বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নে ১০ জন নারীকে নিয়োগের এ উদ্যোগ স্থানীয় নারীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

আপনার কি করার আছে করেন, আমি প্রশাসনকে জবাব দেব: পুকুরে লিটার ব্যবহারকারী ইউনুস আলী 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
আপনার কি করার আছে করেন, আমি প্রশাসনকে জবাব দেব: পুকুরে লিটার ব্যবহারকারী ইউনুস আলী 
 ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার শান্তিপুর, মৌজা: আরাজী চন্দনচহট, ডাক: মুজাহিদাবাদ এলাকায় পুকুরে বয়লার মুরগির বিষ্ঠা (লিটার) দিয়ে মাছ চাষের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকার ইউনুস আলী, নূর আলম ও মতিয়র নামে কয়েকজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে পুকুরের পাড়ে বস্তায় বস্তায় বয়লার লিটার জমা করে তা মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, পুকুর পাড়ে প্রায় ৫০-৭৫ বস্তা বয়লার বিষ্ঠা স্তূপ করে রাখা হয়েছে। বস্তাগুলো থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, ফলে আশপাশে চলাচল করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
এলাকাবাসী জানান, এভাবে উৎপাদিত মাছ স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়লার বিষ্ঠায় থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, এন্টিবায়োটিক ও অ্যামোনিয়া মাছের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে ডায়রিয়া, কিডনি ও লিভারের জটিল রোগ সৃষ্টি করতে পারে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউনুস আলীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, _”সবাই লিটার ব্যবহার করছে, আপনার কি করার আছে করেন, আমি প্রশাসনকে জবাব দেব।”_
এ বিষয়ে রাণীশংকৈল উপজেলার ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল জলিলকে মুঠোফোনে কল করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় এলাকার সচেতন মহল অস্বাস্থ্যকর এই মাছ চাষ বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

হরিপুরে দুপুরের পর ফাঁকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থীরা ঝুঁকছে কোচিংয়ে: ইউএনও

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
হরিপুরে দুপুরের পর ফাঁকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থীরা ঝুঁকছে কোচিংয়ে: ইউএনও

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে দুপুরের পর বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফাঁকা হয়ে যায়। শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষের চেয়ে কোচিং ও প্রাইভেটমুখী হয়ে পড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) চন্দন কর।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ইউএনও চন্দন কর বলেন, _”আমরা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে দেখেছি, দুপুরের পর অনেক প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি একেবারেই কমে যায়। বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ক্লাস না করে কোচিং ও প্রাইভেটে সময় দিচ্ছে। এতে তারা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।”_

তিনি আরও বলেন, _”শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থী— তিন পক্ষকেই সচেতন হতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত উপস্থিতি ও পাঠদান নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এই উপজেলার সামগ্রিক শিক্ষার ফলাফল ভালো করা সম্ভব নয়।”_

সভায় হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. মো. শামীমুজ্জামান, হরিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল হাকিম আজাদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি উপাধ্যক্ষ আলহাজ্ব মো. জামাল উদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. আবু তাহের, আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

হরিপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১২ অপরাহ্ণ
হরিপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের পৃথক দুটি অভিযানে দুই ব্যবসায়ীকে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার কারবালার মাঠ (তালডাঙ্গী) ও রাবেয়া মোড় এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উজ্জ্বল বাইন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যবসায়ীরা রাসায়নিক সার সংগ্রহ করে অবৈধভাবে গুদামজাত করে বেশি দামে বিক্রি করছিলেন।

অভিযানের সময় এক ব্যবসায়ীকে ১৫ হাজার টাকা (মামলা নং-১২৪/২০২৬) এবং অপর ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা (মামলা নং-১২৫/২০২৬) অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এ সময় প্রসিকিউটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তৌহিদ-ই-খুদা।

অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তা উজ্জ্বল বাইন বলেন, _”ব্যক্তি পর্যায়ে রাসায়নিক সার সংগ্রহ করে গুদামজাত করে বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছিল, যা আইনগতভাবে সঠিক নয়। তাই মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে।”_

উপজেলা প্রশাসন জানায়, বাজারে সারের কৃত্রিম সংকট রোধ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।