আপনার কি করার আছে করেন, আমি প্রশাসনকে জবাব দেব: পুকুরে লিটার ব্যবহারকারী ইউনুস আলী
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে দুপুরের পর বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফাঁকা হয়ে যায়। শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষের চেয়ে কোচিং ও প্রাইভেটমুখী হয়ে পড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) চন্দন কর।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ইউএনও চন্দন কর বলেন, _”আমরা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে দেখেছি, দুপুরের পর অনেক প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি একেবারেই কমে যায়। বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ক্লাস না করে কোচিং ও প্রাইভেটে সময় দিচ্ছে। এতে তারা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।”_
তিনি আরও বলেন, _”শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থী— তিন পক্ষকেই সচেতন হতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত উপস্থিতি ও পাঠদান নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এই উপজেলার সামগ্রিক শিক্ষার ফলাফল ভালো করা সম্ভব নয়।”_
সভায় হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. মো. শামীমুজ্জামান, হরিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল হাকিম আজাদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি উপাধ্যক্ষ আলহাজ্ব মো. জামাল উদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. আবু তাহের, আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের পৃথক দুটি অভিযানে দুই ব্যবসায়ীকে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার কারবালার মাঠ (তালডাঙ্গী) ও রাবেয়া মোড় এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উজ্জ্বল বাইন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যবসায়ীরা রাসায়নিক সার সংগ্রহ করে অবৈধভাবে গুদামজাত করে বেশি দামে বিক্রি করছিলেন।
অভিযানের সময় এক ব্যবসায়ীকে ১৫ হাজার টাকা (মামলা নং-১২৪/২০২৬) এবং অপর ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা (মামলা নং-১২৫/২০২৬) অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এ সময় প্রসিকিউটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তৌহিদ-ই-খুদা।
অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তা উজ্জ্বল বাইন বলেন, _”ব্যক্তি পর্যায়ে রাসায়নিক সার সংগ্রহ করে গুদামজাত করে বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছিল, যা আইনগতভাবে সঠিক নয়। তাই মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে।”_
উপজেলা প্রশাসন জানায়, বাজারে সারের কৃত্রিম সংকট রোধ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মুক্তাদির হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার:গাজীপুর জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় গাজীপুর জেলায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শ্রমিক আহত/নিহত হবার গুজব প্রচারে সম্প্রতি গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈরসহ (মৌচাক, সফিপুর পল্লীবিদ্যুৎ ও চন্দ্রা) বিভিন্ন স্থানে গার্মেন্টস শ্রমিকরা বেতন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবীতে আন্দোলন করে আসছে। চলমান আন্দোলনে সাধারণ শ্রমিকদের আড়ালে কোন দুস্কৃতিকারী ও অশুভ চক্র যাতে কোন প্রকার সহিংসতা, ভাঙচুর, রাষ্ট্রীয় ও জনগণের কোন সম্পদ এবং জনগণের জানমালের কোন প্রকার ক্ষতিসাধন করতে না পারে সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুলিশ অত্যন্ত সংযমী, ধৈর্যশীল, নিয়মতান্ত্রিক ও আইনানুগভাবে এমনকি আন্দোলনকারীদের সাথে সরাসরি কোন সংঘাতে লিপ্ত না হয়ে দায়িত্ব পালন করে আসছে। কিন্ত লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কতিপয় ষড়যন্ত্রকারী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী তাদের হীনস্বার্থ চরিতার্থ করা ও পুলিশের বিপক্ষে সাধারণ আন্দোলনকারীদের ক্ষেপিয়ে তোলার মানসে পুলিশের গুলিতে আন্দোলনকারী শ্রমিক/ছাত্র আহত/নিহত হবার মতো গুজব প্রচার করে আসছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া। বাস্তবে গাজীপুর জেলায় গার্মেন্টস শ্রমিক আন্দোলনে পুলিশের পক্ষ থেকে গুলি বর্ষণ এবং তার প্রেক্ষিতে কোন আন্দোলনকারী আহত/নিহত হবার ঘটনা ঘটেনি। সুতরাং আন্দোলনকারী শ্রমিক ও সাধারণ জনগণকে কোন প্রকার গুজব ও অপপ্রচারে কান না দেবার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। একই সাথে বেতন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবীতে শ্রমিকদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে সরকার ইতোমধ্যে মজুরী বোর্ড গঠন করার মাধ্যমে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবীকে আমলে নিয়েছে।
এমতাবস্থায়, দুস্কৃতিকারীদের প্ররোচনা ও উস্কানীতে আন্দোলনের নামে জালাও পোড়াও ও সহিংস ঘটনা ঘটানো থেকে বিরত থেকে নিজ নিজ কাজে মনোনিবেশ করার জন্য সকল শ্রমিক ও সাধারণ জনগণকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।
বাংলাদেশ পুলিশ সকল নাগরিকের আইনানুগ ও নিয়মতান্ত্রিক কার্যক্রমে পাশে থাকবে।