খুঁজুন
, ,

মেয়েকে ওরা মেরে ফেলল, এখন মামলাও নিচ্ছে না পুলিশ’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
মেয়েকে ওরা মেরে ফেলল, এখন মামলাও নিচ্ছে না পুলিশ’

নিজস্ব প্রতিবেদক :বসতভিটার শেষ সাড়ে সাত শতক জমিটুকু বিক্রি করার সময় মহেন্দ্র নাথ রায়ের বুকটা কেঁপেছিল ঠিকই, কিন্তু সান্ত¡না ছিল একটাই মাতৃহীন ছোট মেয়েটা সুখে থাকবে। তিন লাখ টাকা যৌতুকের মধ্যে আড়াই লাখ শোধ করেছিলেন বিয়ের আসরেই। ভেবেছিলেন, বাকি ৫০ হাজার টাকার জন্য বুঝি স্বজনেরা কোনোদিন হিংস্র হয়ে উঠবে না। কিন্তু সেই ৫০ হাজার টাকাই শেষ পর্যন্ত কেড়ে নিল ১৭ বছরের রাধা রাণীর প্রাণ। রাধার গর্ভে থাকা চার মাসের অনাগত সন্তানটিও পৃথিবী দেখার আগেই পিষ্ট হলো যৌতুকের নির্মম বলিষ্ঠতায়। এই ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় রাঘবপুর গ্রামে।

বৃহস্পতিবার(১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাধার বাবার বাড়ি পীরগঞ্জের জয়কুর গ্রামে সেই বিক্রি করে দেওয়া বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় এক জীর্ণ দশা। টিনের চাল আর চাটাইয়ের বেড়ার ঘরে অভাবের ছাপ স্পষ্ট। মহেন্দ্র নাথ এক ঘরে থাকতেন, পাশের ঘরে থাকত তাঁর আদরের রাধা। সেই ঘর আজ শূন্য।
রাধার বাবা মহেন্দ্র নাথ বলছিলেন, ‘মৃত্যুর মাত্র দুইদিন আগে স্বামী মিঠুনকে নিয়ে রাধা এসেছিল ওই বাকি ৫০ হাজার টাকার জন্য। আমি বলেছিলাম, বাবা আমি তো নিঃস্ব, একটু সময় দাও, দুই-তিন মাস পর ব্যবস্থা করে দিব। বসতভিটা বিক্রি করে বিয়ে দিয়েছি, এখন আমার জমিও নেই, মেয়েটাও রইল না।’
গত বছরের আগস্ট মাসে পীরগঞ্জের রাঘবপুর গ্রামের ইটভাটা শ্রমিক মিঠুন চন্দ্র রায়ের সঙ্গে বিয়ে হয় রাধার। তখন সে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী। কাগজে-কলমে ১৮ দেখানো হলেও রাধার বয়স ছিল তখন মাত্র ১৬। বিয়ের পর থেকেই শুরু হয় মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন।
রাধার বড় ভাই সুভাষ চন্দ্র রায় ও ভাবি মানতা রাণীর অভিযোগ, বাকি টাকার জন্য রাধাকে প্রায়ই মারধর করা হতো, এমনকি দিনের পর দিন না খাইয়ে রাখা হতো। একথা জানলে বাবার কষ্ট বাড়বে, তাই শান্ত স্বভাবের মেয়েটি মুখ ফুটে কাউকে কিছু বলেনি। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। ১৩ এপ্রিল সোমবার সকালে রাঘবপুর গ্রামে স্বামীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় রাধার নিথর দেহ। তাঁর স্বামীর পরিবার থেকে জানানো হয়, গলায় ফাঁস দিয়ে রাঁধা মারা গেছেন।
রাধার বাবার পরিবারের অভিযোগ আরও গুরুত্বর। পুলিশ লাশ উদ্ধারের করে ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাউকে না জানিয়েই তড়িঘড়ি করে লাশ সৎকার করে ফেলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন। ভাই সুভাষ চন্দ্র রায়ের আক্ষেপ, ‘আমার বোন আত্মহত্যা করেনি। তাকে যৌতুকের জন্য পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। লাশ সৎকারের সময় আমাদের জানানো পর্যন্ত হয়নি, আমরা শেষবারের মতো ওর মুখটাও দেখতে পারলাম না।’
রাধার মৃত্যুতে জয়পুর গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে শোকের মাতম। প্রতিবেশীরা জানান, ৯ বছর বয়সে মা কালোনি বালাকে হারানো রাধা ছিল অত্যন্ত শান্ত ও ভদ্র। গ্রামের কারো সঙ্গে কোনোদিন উচ্চস্বরে কথা বলেনি সে। সেই মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করবে এ কথা গ্রামবাসী বিশ্বাস করতে পারছে না। তাদের দাবি, গর্ভবতী একটি মেয়েকে পিটিয়ে মেরে ফেলার পর আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে।
মেয়ে হারানোর শোক নিয়ে বাবা মহেন্দ্র নাথ গিয়েছিলেন পীরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে যৌতুকের জন্য নির্যাতনে তাঁর মেয়েকে মেরে ফেলার মামলা করতে। কিন্তু পুলিশ মামলা নেয়নি। মেয়ের বিচার চেয়ে দিশেহারা এই বৃদ্ধ বাবার বলেন, ‘মেয়ে হত্যার বিচার কার কাছে চাইব? যৌতুকের জন্য মেয়েকে ওরা মেরে ফেলল, এখন মামলাও নিচ্ছে না পুলিশ।’
পীরগঞ্জ থানা পুলিশ মামলা নিচ্ছে না কেন? এ বিষয়ে শুক্রবার ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন ফোনে বলেন, ‘এবিষয়ে আমাদের তদন্ত চলছে। যদি রাধার পরিবার মামলা দিতে চায়। পুলিশ অবশ্যই মামলা নিবে। মামলা নিতে কোনো বাধা নেই।’

মাদারগঞ্জে কালবেলা’র সাংবাদিক আকন্দ সোহাগের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জে কালবেলা’র সাংবাদিক আকন্দ সোহাগের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

জামালপুর প্রতিনিধি:জামালপুরের মাদারগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা মোঃ আবু সাঈদ সুজন (৩৬) ২১ অক্টোবর সন্ধ্যায় মাদারগঞ্জ মডেল থানায় এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ করেন।

​অভিযোগে কালবেলা’র প্রতিনিধি আকন্দ সোহাগকে (২৭) কে বিবাদী করা হয়েছে। সোহাগ উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের মোসলেমাবাদ আইগেনি পাড়া হোসেন আলী আকন্দের ছেলে।
​অভিযোগপত্র ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, আবু সাঈদ সুজন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন ও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। এর জের ধরে স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতকারীর সঙ্গে তাঁর বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগকারীর দাবি, সেই সূত্র ধরে আকন্দ সোহাগ সুজনের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সোহাগ ক্ষিপ্ত হন এবং তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার ও অপপ্রচারের হুমকি দেন। পরবর্তীতে সোহাগের ব্যবহৃত নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে ওই বিএনপি নেতার নামে অশ্লীল ও মানহানিকর বিভিন্ন বার্তা ও পোস্ট প্রচার করা হয়।
উল্লেখ্য যে, আনুমানিক ৩ মাস পূর্বে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় আরেকটি চাঁদাবাজির অভিযোগ হয়েছিল কালবেলার সাংবাদিক আকন্দ সোহাগ এর বিরুদ্ধে। পরে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে সেটা থেমে যায়। আনুমানিক ২০২২ সালে সাংবাদিকতায় এসেই মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয় এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নির্ভিক সাংবাদিকতা পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকায় মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের এক জরুরী সভায় ২৭ অক্টোবর/২০২২ ইং তারিখে সভাপতি/ সেক্রেটারি স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে সদস্য এবং সাধারণ সদস্য পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়। বছর দুয়েক পূর্বে নারী সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ও নির্লজ্জের মতো জনসম্মুখে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় তাকে।
​ভুক্তভোগী আবু সাঈদ সুজন বলেন, “এ ধরনের ভিত্তিহীন ও কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচারের কারণে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে আমার সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানাচ্ছি।”

​তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আকন্দ সোহাগ। মুঠোফোনে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি তাঁর (আবু সাঈদ সুজন) বাড়ি চিনিই না, সেখানে চাঁদাবাজির জন্য কেন যাব? আমি শুধু তাঁর বক্তব্য ফোনের মাধ্যমে নিয়েছিলাম, যার প্রমাণ আমার কাছে সংরক্ষিত আছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে এই লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এসব নিয়ে আমি বিচলিত নই এবং এতে আমার কোনো সমস্যা হবে না।”
​এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মোহাম্মদ আবুল হাসেম জানান, লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ণ
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন
  • বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: ‘মারে ভাসাইয়া জলে, কি ধন লইয়া জাইমু ঘরে। ঘরে গিয়া মা বলিব কারে গো’ গানের তালে তালে সুরমা নদীতে প্রতিমা বির্সজনের মধ্য দিয়ে সিলেটের বিশ্বনাথে ৬ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রতি বছর উপজেলা পরিষদ ঘাটে পৌর শহরের ৪টি প্রতিমা বিসর্জন করা হলেও এবছর বাসিয়া নদীর পানি ব্যাপকহারে কমে যাওয়ার ফলে সেখানে কোন প্রতিমা বিসর্জন করা হয়নি। পৌর শহরের ওই ৪টি প্রতিমা’সহ লামাকাজী ইউনিয়নের ৪টি মন্ডপের প্রতিমা’সহ ৮টি প্রতিমা দিঘলী গ্রাম এলাকায় সুরমা নদীতে প্রতিমা বিসর্জন করেন।
    বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে পৌর শহরের ৪টি মন্ডপের নেতৃবৃন্দ নিজেদের প্রতিমা নিয়ে প্রজেশন আকারে দিঘলী গ্রামস্থ প্রতিমা বিসর্জন স্থলে গিয়ে ওই এলাকার ৪টি মন্ডপের প্রতিমার সাথে সাথে নিজেদের প্রতিমা বিসর্জন করেন। প্রায় শুকিয়ে যাওয়া বাসিয়া নদীতে পানির পরিমাণ কমে যাওয়াটা যেনে সনাতন ধর্মালম্বীদের কাছে আরেকটি মিলনমেলায় পরিণত হয়। তাই ৮টি প্রতিমা বিসর্জনে প্রত্যেক মন্ডপের নেতৃবৃন্দ মিলেমিশে একাকার হয়ে যান।
    সরকারি বিধি-নিষেধের পাশাপাশি পূজা উদযাপন পরিষদের নিয়ম-নীতি মেনে উপজেলা ও পৌর শহরে অনুষ্ঠিত ২৬টি পূজামন্ডপের নেতৃবৃন্দ নিজেদের সুবিধামতো স্থানে প্রতিমা বিসর্জন সুষ্ঠ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করে ঘরে ফেরার ফলে সনাতন ধর্মালম্বীদের মনে বইছে আনন্দের বন্যা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরাসরি মনিটরিং করা হয় প্রতিমা বিসর্জন কার্যক্রম।
    শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতিমা বিসর্জনের সময় লামাকাজী ইউনিয়নের দিঘলী গ্রামে সুরমা নদীর তীরে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান, রামসুন্দর সরকারি অগ্রগামী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নবেন্দু জ্যোতি দে, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি তাপস দাশ পুরকায়স্থ, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সদস্য নিশি কান্ত পাল, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাবেক সহ সভাপতি রুপক কুমার দে, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য বাদল দেব, সুব্রত ধর বাপ্পী, সভাপতি সুনিল কান্তি দে, সহ সভাপতি বিজয় দে, সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে, যুগ্ম সম্পাদক গোবিন্দ মালাকার, কাজল মালাকার, কোষাধ্যক্ষ প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন দেব, দপ্তর সম্পাদক প্রনয় পাল বাপন, সহ দপ্তর সম্পাদক মিন্টু মালাকার, প্রচার সম্পাদক অজিত দেব, গণসংযোগ সম্পাদক শুভরাজ চন্দ, সহ গণসংযোগ সম্পাদক বিজয় চন্দ দে, সদস্য সুভাষ চন্দ্র দেব, নেপাল দেব, বিজয় বৈদ্য বারিন্দ্র, অজয় দেব, সৌমিত্র ধর মিশু, ধ্রুব জ্যোতি দে উজ্জল প্রমুখ’সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গ।
    সুষ্ট, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সিলেটের বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন হওয়ার জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন, থানা প্রশাসন, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সমগ্র উপজেলাবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশ্বনাথ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুনিল কান্তি দেও সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে।

মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন ও লিফলেট বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন ও লিফলেট বিতরণ

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ,জামালপুর প্রতিনিধি:জামালপুরের মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে চর সগুনা বাজার থেকে শুরু করেন ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম খান শত শত কর্মী সমর্থক নিয়ে অত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোটরসাইকেল শো-ডাউন করেন তিনি। চর সগুনা বাজার, কাহেতপাড়া বাজার, বাংলা বাজার, বীর ঘোষেরপাড়া করিমুজ্জামান মোড়, ঘোষের পাড়া মিলন বাজার, সবিলাপুর আইনলের মোড়, বেলতৈল বাজার, গুদার বাজার, বাগবাড়ী হাইস্কুল মোড় আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরেন এবং লিফলেট বিতরণ করেন পরে নিজবাড়ী প্রাঙ্গণে এসে শো ডাউন শেষ করেন। প্রার্থীর সাথে কর্মী সমর্থকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তিনি মেলান্দহ উপজেলার ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দীর্ঘদিন। এ ছাড়াও তিনি বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত থেকেও সমাজ,এলাকা তথা ইউনিয়নবাসীকে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম চালিয়েছেন। ইউনিয়নকে মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে এবং ইউনিয়নবাসীর উন্নয়নে সেবা করার লক্ষ্যে আগামী ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম খান সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।