খুঁজুন
, ,

দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির ৩ সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির ৩ সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলা

নেত্রকোণার দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেছে কলি হাসান নামের অপর সাংবাদিক।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) নেত্রকোণা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটি দায়ের করা হয়। দ্রুত বিচার মামলা সি আর নং-৮(১)/২৬। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এর বিচারক নুসরাত জাহান মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

এই মামলায় অভিযুক্তরা হলেন, সিরাজুল ইসলাম ওরফে সজীম শাইন, পলাশ সাহা এবং আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে মামুন রণবীর। তাদের মধ্যে সজীম শাইন দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বর্তমান কমিটির আহ্বায়ক, পলাশ সাহা দুবারের নির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক এবং মামুন রণবীর তিনবারের নির্বাচিত সহ সভাপতি। তারা প্রত্যেকেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে সুনামের সাথে কাজ করে আসছেন। এছাড়া তারা বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথেও যুক্ত রয়েছেন। দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির সূচনালগ্ন থেকেই তারা সততা,বস্তুনিষ্ঠতা ও দক্ষতার সাথে উক্ত সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাদের সম্মানহানি ও হয়রানি করতে এই মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে কলি হাসান।

মামলার বিবরণে বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংগঠনের তিন সদস্য সভাপতি কলি হাসানকে অফিস কক্ষে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি ও মারধরের চেষ্টা করেন। এ সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির ওই মিটিংয়ে উপস্থিত বিভিন্ন সদস্যের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সেদিন মিটিংয়ে কলি হাসানের সাথে সংগঠনের বিভিন্ন বিষয়ে কথাবার্তা হয় সদস্যদের। তারা ওই মিটিংয়ে রেজ্যুলেশনে উল্লেখিত বিভিন্ন বিষয়ে কলি হাসানের কাছে ব্যাখ্যা জানতে চান। কলি হাসান সদুত্তর দিতে না পেরে বারবার সদস্যদের থামিয়ে দেন এবং কথা বলতে বাধা দেন। কোন কোন সদস্যকে বলেন, সাংগঠনিক বিষয় নতুন করে শিখে এসে মিটিংয়ে বসতে। একপর্যায়ে সদুত্তর দিতে না পেরে, সাধারণ সম্পাদকের সাথে কথা না বলেই সম্পূর্ণ এককভাবে তড়িঘড়ি করে মিটিং স্থগিত করার ঘোষণা করেন। সাধারণ সম্পাদক নিয়মনীতি মেনে মিটিং সমাপ্ত করার কথা বললেও কলি হাসান কোন কর্ণপাত করেনি।

দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির সদস্যরা বলেন, সংগঠনের সদস্যদের প্রতি তৎকালীন সভাপতি কলি হাসানের অসদাচরণ, সদস্যদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত, সদস্যদের অবমূল্যায়ন করা, বিভিন্ন সাংগঠনিক বিষয়ে স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কারো সাথে পরামর্শ না করে একক সিদ্ধান্তে যাচ্ছেতাইভাবে সংগঠনের সুনাম ক্ষুন্ন করে কর্মসূচি করা সহ প্রাসঙ্গিক বিভিন্ন কারণে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক সহ বর্তমান পর্ষদের প্রতি অনাস্থা এনে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি উক্ত পর্ষদ বিলুপ্তি করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরে সংগঠনের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়। উক্ত সিদ্ধান্তগুলোতে সংগঠনের ১৩ জন সদস্যের মধ্যে ১০ জন সদস্য লিখিতভাবে একমত পোষণ করেন। পরে এটি নিউজেও প্রকাশিত হয়।

সংগঠনের সদস্যরা বলেন, এই আহ্বায়ক কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে কলি হাসান নতুন চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র শুরু করে। এরই প্রেক্ষিতে সে বিভিন্ন ঘটনার অবতারণা করে এবং সংগঠনে ভাঙন ধরানোর পাঁয়তারা করে।

কলি হাসান গত ৩ মার্চ দুর্গাপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। সেখানে উল্লেখ করেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত অনুমান ০৮:৪৫ ঘটিকায় অফিসে গিয়ে আমার সংরক্ষিত ড্রয়ারের আমার ব্যক্তিগত গুরুত্বপূর্ণ নথি, সংগঠনের বিভিন্ন দপ্তরের আবেদনের অনুলিপি, আমার ব্যবহৃত সীল, সাংবাদিক ০২টি আইডি কার্ড, জিআর চাল বিক্রয়ের ৩৫,০০০/- (পঁয়ত্রিশ হাজার) টাকা, টেবিলের উপরে থাকা একটি ডায়রী, সাংবাদিক লগোযুক্ত একটি গ্লাস যথাস্থানে পাই নাই। তখন টেবিলের উপরে আমার ব্যবহৃত নেম প্লেটটি ভাঙা অবস্থায় দেখতে পাই।

সাংবাদিক সমিতির তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম সজীব এবং নির্বাহী সদস্য দিলোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, থানায় সাধারণ ডায়েরিতে কলি হাসান যে সময় উল্লেখ করেছেন সেই সময়ে অফিস সম্পূর্ণ আগের অবস্থাতেই ছিল।

শফিকুল আলম সজীব বলেন, আমি রাত ৯:৩০ পর্যন্ত অফিসে ছিলাম। ওই সময় পর্যন্ত অফিসের সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। কলি হাসান মূলত মিথ্যা অভিযোগ করেছে। সে জিআর চাল বিক্রির বিষয়টি কাউকে না জানিয়েই করেছে। এটি সম্পূর্ণ সংগঠন বিরোধী কাজ। অনেক সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড সে আমাকে বা কাউকে না জানিয়ে একাই সিদ্ধান্ত নিয়ে করেছে। যা সম্পূর্ণরূপে সংগঠনের গঠনতন্ত্রবিরোধী।

দিলোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, কলি হাসান প্রাণনাশের হুমকি উল্লেখ করে যে মামলাটি দায়ের করেছে তা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা মামলা। যাদের অভিযুক্ত করে মামলা করা হয়েছে তারা দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে সাংবাদিকতা করছেন। মূলত তাদেরকে হয়রানি করতে এই মামলা করেছে কলি হাসান। আমরা এই হীন কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই। কলি হাসান জিআর চাল বিক্রির টাকা নিজে আত্মসাৎ করতেই এতো নাটক সাজাচ্ছে।

সাংবাদিক সমিতির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আদনানুর রহমান বলেন, কলি হাসানের এই ন্যাক্কারজনক কান্ডের নিন্দা জানায় সাংবাদিক সমিতি। তার বিরুদ্ধে যথাযথ সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির তিন সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে দুর্গাপুর সাংবাদিক সমাজ ও সুধী সমাজের নেতৃবৃন্দ।

মাদারগঞ্জে কালবেলা’র সাংবাদিক আকন্দ সোহাগের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জে কালবেলা’র সাংবাদিক আকন্দ সোহাগের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

জামালপুর প্রতিনিধি:জামালপুরের মাদারগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা মোঃ আবু সাঈদ সুজন (৩৬) ২১ অক্টোবর সন্ধ্যায় মাদারগঞ্জ মডেল থানায় এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ করেন।

​অভিযোগে কালবেলা’র প্রতিনিধি আকন্দ সোহাগকে (২৭) কে বিবাদী করা হয়েছে। সোহাগ উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের মোসলেমাবাদ আইগেনি পাড়া হোসেন আলী আকন্দের ছেলে।
​অভিযোগপত্র ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, আবু সাঈদ সুজন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন ও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। এর জের ধরে স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতকারীর সঙ্গে তাঁর বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগকারীর দাবি, সেই সূত্র ধরে আকন্দ সোহাগ সুজনের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সোহাগ ক্ষিপ্ত হন এবং তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার ও অপপ্রচারের হুমকি দেন। পরবর্তীতে সোহাগের ব্যবহৃত নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে ওই বিএনপি নেতার নামে অশ্লীল ও মানহানিকর বিভিন্ন বার্তা ও পোস্ট প্রচার করা হয়।
উল্লেখ্য যে, আনুমানিক ৩ মাস পূর্বে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় আরেকটি চাঁদাবাজির অভিযোগ হয়েছিল কালবেলার সাংবাদিক আকন্দ সোহাগ এর বিরুদ্ধে। পরে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে সেটা থেমে যায়। আনুমানিক ২০২২ সালে সাংবাদিকতায় এসেই মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয় এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নির্ভিক সাংবাদিকতা পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকায় মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের এক জরুরী সভায় ২৭ অক্টোবর/২০২২ ইং তারিখে সভাপতি/ সেক্রেটারি স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে সদস্য এবং সাধারণ সদস্য পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়। বছর দুয়েক পূর্বে নারী সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ও নির্লজ্জের মতো জনসম্মুখে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় তাকে।
​ভুক্তভোগী আবু সাঈদ সুজন বলেন, “এ ধরনের ভিত্তিহীন ও কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচারের কারণে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে আমার সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানাচ্ছি।”

​তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আকন্দ সোহাগ। মুঠোফোনে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি তাঁর (আবু সাঈদ সুজন) বাড়ি চিনিই না, সেখানে চাঁদাবাজির জন্য কেন যাব? আমি শুধু তাঁর বক্তব্য ফোনের মাধ্যমে নিয়েছিলাম, যার প্রমাণ আমার কাছে সংরক্ষিত আছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে এই লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এসব নিয়ে আমি বিচলিত নই এবং এতে আমার কোনো সমস্যা হবে না।”
​এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মোহাম্মদ আবুল হাসেম জানান, লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ণ
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন
  • বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: ‘মারে ভাসাইয়া জলে, কি ধন লইয়া জাইমু ঘরে। ঘরে গিয়া মা বলিব কারে গো’ গানের তালে তালে সুরমা নদীতে প্রতিমা বির্সজনের মধ্য দিয়ে সিলেটের বিশ্বনাথে ৬ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রতি বছর উপজেলা পরিষদ ঘাটে পৌর শহরের ৪টি প্রতিমা বিসর্জন করা হলেও এবছর বাসিয়া নদীর পানি ব্যাপকহারে কমে যাওয়ার ফলে সেখানে কোন প্রতিমা বিসর্জন করা হয়নি। পৌর শহরের ওই ৪টি প্রতিমা’সহ লামাকাজী ইউনিয়নের ৪টি মন্ডপের প্রতিমা’সহ ৮টি প্রতিমা দিঘলী গ্রাম এলাকায় সুরমা নদীতে প্রতিমা বিসর্জন করেন।
    বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে পৌর শহরের ৪টি মন্ডপের নেতৃবৃন্দ নিজেদের প্রতিমা নিয়ে প্রজেশন আকারে দিঘলী গ্রামস্থ প্রতিমা বিসর্জন স্থলে গিয়ে ওই এলাকার ৪টি মন্ডপের প্রতিমার সাথে সাথে নিজেদের প্রতিমা বিসর্জন করেন। প্রায় শুকিয়ে যাওয়া বাসিয়া নদীতে পানির পরিমাণ কমে যাওয়াটা যেনে সনাতন ধর্মালম্বীদের কাছে আরেকটি মিলনমেলায় পরিণত হয়। তাই ৮টি প্রতিমা বিসর্জনে প্রত্যেক মন্ডপের নেতৃবৃন্দ মিলেমিশে একাকার হয়ে যান।
    সরকারি বিধি-নিষেধের পাশাপাশি পূজা উদযাপন পরিষদের নিয়ম-নীতি মেনে উপজেলা ও পৌর শহরে অনুষ্ঠিত ২৬টি পূজামন্ডপের নেতৃবৃন্দ নিজেদের সুবিধামতো স্থানে প্রতিমা বিসর্জন সুষ্ঠ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করে ঘরে ফেরার ফলে সনাতন ধর্মালম্বীদের মনে বইছে আনন্দের বন্যা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরাসরি মনিটরিং করা হয় প্রতিমা বিসর্জন কার্যক্রম।
    শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতিমা বিসর্জনের সময় লামাকাজী ইউনিয়নের দিঘলী গ্রামে সুরমা নদীর তীরে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান, রামসুন্দর সরকারি অগ্রগামী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নবেন্দু জ্যোতি দে, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি তাপস দাশ পুরকায়স্থ, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সদস্য নিশি কান্ত পাল, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাবেক সহ সভাপতি রুপক কুমার দে, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য বাদল দেব, সুব্রত ধর বাপ্পী, সভাপতি সুনিল কান্তি দে, সহ সভাপতি বিজয় দে, সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে, যুগ্ম সম্পাদক গোবিন্দ মালাকার, কাজল মালাকার, কোষাধ্যক্ষ প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন দেব, দপ্তর সম্পাদক প্রনয় পাল বাপন, সহ দপ্তর সম্পাদক মিন্টু মালাকার, প্রচার সম্পাদক অজিত দেব, গণসংযোগ সম্পাদক শুভরাজ চন্দ, সহ গণসংযোগ সম্পাদক বিজয় চন্দ দে, সদস্য সুভাষ চন্দ্র দেব, নেপাল দেব, বিজয় বৈদ্য বারিন্দ্র, অজয় দেব, সৌমিত্র ধর মিশু, ধ্রুব জ্যোতি দে উজ্জল প্রমুখ’সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গ।
    সুষ্ট, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সিলেটের বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন হওয়ার জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন, থানা প্রশাসন, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সমগ্র উপজেলাবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশ্বনাথ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুনিল কান্তি দেও সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে।

মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন ও লিফলেট বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন ও লিফলেট বিতরণ

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ,জামালপুর প্রতিনিধি:জামালপুরের মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে চর সগুনা বাজার থেকে শুরু করেন ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম খান শত শত কর্মী সমর্থক নিয়ে অত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোটরসাইকেল শো-ডাউন করেন তিনি। চর সগুনা বাজার, কাহেতপাড়া বাজার, বাংলা বাজার, বীর ঘোষেরপাড়া করিমুজ্জামান মোড়, ঘোষের পাড়া মিলন বাজার, সবিলাপুর আইনলের মোড়, বেলতৈল বাজার, গুদার বাজার, বাগবাড়ী হাইস্কুল মোড় আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরেন এবং লিফলেট বিতরণ করেন পরে নিজবাড়ী প্রাঙ্গণে এসে শো ডাউন শেষ করেন। প্রার্থীর সাথে কর্মী সমর্থকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তিনি মেলান্দহ উপজেলার ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দীর্ঘদিন। এ ছাড়াও তিনি বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত থেকেও সমাজ,এলাকা তথা ইউনিয়নবাসীকে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম চালিয়েছেন। ইউনিয়নকে মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে এবং ইউনিয়নবাসীর উন্নয়নে সেবা করার লক্ষ্যে আগামী ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম খান সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।