খুঁজুন
, ,

এক রাস্তার শহর নেত্রকোণা,যানজটে জনগণ অতিষ্ঠ

দিলওয়ার খান
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৯:০৫ অপরাহ্ণ
এক রাস্তার শহর নেত্রকোণা,যানজটে জনগণ অতিষ্ঠ

এক রাস্তার শহর নেত্রকোণা। যেখানে অপরিকল্পিতভাবে চলাচল করছে ইজিবাইক ও মিশুকের মতো ব্যাটারিচালিত যান।
নেত্রকোণা পৌর শহরের মূল রাস্তার দুই পাশের ফুটপাত দখল করে বসেছে দোকানপাট। কোথাও কোথাও ফুটপাত ছাড়িয়ে মূল সড়কের ওপর বসে গেছে পণ্যের পসরা।

অপরদিকে রাস্তার দখল নিয়েছে ইজিবাইক। চালকদের কোনও সিগন্যাল জ্ঞান না থাকায় যেভাবে খুশি সেভাবে ইজিবাইক চলাচল, যত্রতত্র পার্কিং ও যাত্রী উঠানামা এবং ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় অতিমাত্রায় বেড়েছে যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনা। কিন্তু বছরের পর বছর এ রকম চললেও সমস্যা সমাধানে তেমন কোনও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। কোনও কোনও সময় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে প্রশাসনিকভাবে অভিযান পরিচালনা করলেও তা আবার অভিযান শেষ করে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আগের অবস্থায় ফেরত যাচ্ছে। যার দরুন সমস্যা থেকে যাচ্ছে যেমন তেমনই। তাই প্রয়োজন স্থায়ী সমাধান।

নেত্রকোণা পৌরসভা সূত্রে জানা যায় ২৪০০ শত ব্যাটারিচালিত ইজি বাইক ও ১৩০০ মিশুক ও১১০০ রিক্সার লাইসেন্স দিয়েছে পৌর কতৃপক্ষ ২০২৪ সালের হিসাব অনুযায়ী। যেগুলো পৌরশহরে চলাচল করবে এবং টু শিফটে ভাগ করা হয়েছে একদিন হলুদ কালার আর একদিন লাল কালার। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে পৌর শহরের আশপাশ এলাকার পৌরসভার বাহিরের অটোরিক্সা, মিশুক ও রিক্সার সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে যানযট বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়াও লাইসেন্সবিহীন যানবাহনের সংখ্যাও কম নয়।

দিনের বেলায় পৌরশহরের ভেতর দিয়ে চলাচল করছে লড়ি, ট্রাকসহ বিভিন্ন বড় বড় যানবাহন। যার দরুণ বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই পৌরশহরের সংকুচিত একমাত্র রাস্তাটি ব্যস্ত থেকে মহাব্যস্ততায় রুপ নেয় অল্পেতেই। সৃষ্টি হয় কঠিন যানজটের। কিন্তু এসব সমস্যা সমাধানে ট্রাফিক পুলিশের তেমন কোনও তৎপরতা চোখে পরে না। শহরের কয়েকটা পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন থাকলেও তারা যানজট নিরসনে কার্যকর তেমন কোনও ভূমিকা রাখতে পারছেন না।

এমতাবস্থায় তীব্র যানজটে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। পথচারীদের কেউ কেউ দুই পায়ের ওপর ভরসা করলেও অনেকেই তিন চাকার যানের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু তাদের মধ্যে কেউ কেউ সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছতে পারলেও অনেকেই মাঝ পথে দীর্ঘ সময় ধরে জ্যামে আটকে থাকেন। তাতে অসুস্থ রোগী, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবীদের পড়তে হয় বিপাকে। ফলে ভোগান্তি পৌঁছেছে চরম পর্যায়ে। শহরের রাজুর বাজার, আখড়ার মোড়, তেরী বাজার, থানার মোড়, ছোটবাজার, মেছুয়া বাজার, বড় বাজার, চক মসজিদ মোড়, মালনীরোড, মোক্তারপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় জ্যাম একটি নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সব পয়েন্টগুলোতে ছোট জানের মাঝারি দীর্ঘ লাইন চোখে পড়ার মত।

এলাকাগুলোর মধ্যে বেশ কিছু পয়েন্টে ব্যস্ত রাস্তার ফুটপাত দখল করে নিয়েছে ব্যবসায়ীরা। যার ফলে কোটি কোটি টাকা খরচ করে পথচারীদের জন্যে ফুটপাত নির্মাণ করা হলেও তার সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ আর অবৈধভাবে সুবিধা লুটছেন ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ। ফুটপাত দখল করে ফল, কাপড়, জুতা, কাঁচামালসহ বিভিন্ন পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন তারা। এতে করে একদিকে যেমন সংকুচিত হয়েছে রাস্তা অপরদিকে পথচারীদের হাঁটতে হচ্ছে মুল রাস্তা ধরে। ফলে দিন দিন বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা। প্রায় প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে পথাচারীরা।

জেলার সচেতন সমাজ ও সাধারণ পথচারীরা এসব সমস্যা নিরসনে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তারা বলেন, নেত্রকোনায় যেহেতু কোনও বাইপাস সড়ক অদ্যাবধি হয়নি সেহেতু যতটুকু রাস্তা আমাদের রয়েছে ততটুকুর সঠিক ব্যবহারের বিকল্প নেই। এ ব্যাপারে জেলাপ্রশাসকের উদ্যোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা সহ পুলিশী তৎপরতা বৃদ্ধি করে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ ও রাস্তায় সীমিত যান এবং সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত শহরের মুল সড়ক দিয়ে ট্রাক-লড়িসহ বিভিন্ন বড় বড় যান চলাচল নিষিদ্ধের দাবি জানান তারা।

এমতাবস্থায় নেত্রকোণা পৌর এলাকাকে যানজটমুক্ত রাখতে সীমিত সংখ্যক ইজিবাইক চলাচল ও ফুটপাতগুলোকে দখল মুক্ত রাখার দাবি পৌরবাসীর।এছাড়া জেলা শহরের বড়বাজার চক মসজিদ মালনী রোড, তেরি বাজার মোড় খেকে ওয়ান ওয়ে রিক্সা চলাচল করলে যানজট কমে আসবে বলে সচেতন মহলের ধারণা। এ ব্যাপারে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেন জনগণ। সম্প্রতি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক (অটো ও মিশুক) এর হঠাৎ ভাড়া বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।

মাদারগঞ্জে কালবেলা’র সাংবাদিক আকন্দ সোহাগের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জে কালবেলা’র সাংবাদিক আকন্দ সোহাগের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

জামালপুর প্রতিনিধি:জামালপুরের মাদারগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা মোঃ আবু সাঈদ সুজন (৩৬) ২১ অক্টোবর সন্ধ্যায় মাদারগঞ্জ মডেল থানায় এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ করেন।

​অভিযোগে কালবেলা’র প্রতিনিধি আকন্দ সোহাগকে (২৭) কে বিবাদী করা হয়েছে। সোহাগ উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের মোসলেমাবাদ আইগেনি পাড়া হোসেন আলী আকন্দের ছেলে।
​অভিযোগপত্র ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, আবু সাঈদ সুজন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন ও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। এর জের ধরে স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতকারীর সঙ্গে তাঁর বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগকারীর দাবি, সেই সূত্র ধরে আকন্দ সোহাগ সুজনের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সোহাগ ক্ষিপ্ত হন এবং তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার ও অপপ্রচারের হুমকি দেন। পরবর্তীতে সোহাগের ব্যবহৃত নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে ওই বিএনপি নেতার নামে অশ্লীল ও মানহানিকর বিভিন্ন বার্তা ও পোস্ট প্রচার করা হয়।
উল্লেখ্য যে, আনুমানিক ৩ মাস পূর্বে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় আরেকটি চাঁদাবাজির অভিযোগ হয়েছিল কালবেলার সাংবাদিক আকন্দ সোহাগ এর বিরুদ্ধে। পরে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে সেটা থেমে যায়। আনুমানিক ২০২২ সালে সাংবাদিকতায় এসেই মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয় এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নির্ভিক সাংবাদিকতা পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকায় মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের এক জরুরী সভায় ২৭ অক্টোবর/২০২২ ইং তারিখে সভাপতি/ সেক্রেটারি স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে সদস্য এবং সাধারণ সদস্য পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়। বছর দুয়েক পূর্বে নারী সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ও নির্লজ্জের মতো জনসম্মুখে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় তাকে।
​ভুক্তভোগী আবু সাঈদ সুজন বলেন, “এ ধরনের ভিত্তিহীন ও কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচারের কারণে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে আমার সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানাচ্ছি।”

​তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আকন্দ সোহাগ। মুঠোফোনে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি তাঁর (আবু সাঈদ সুজন) বাড়ি চিনিই না, সেখানে চাঁদাবাজির জন্য কেন যাব? আমি শুধু তাঁর বক্তব্য ফোনের মাধ্যমে নিয়েছিলাম, যার প্রমাণ আমার কাছে সংরক্ষিত আছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে এই লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এসব নিয়ে আমি বিচলিত নই এবং এতে আমার কোনো সমস্যা হবে না।”
​এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মোহাম্মদ আবুল হাসেম জানান, লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ণ
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন
  • বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: ‘মারে ভাসাইয়া জলে, কি ধন লইয়া জাইমু ঘরে। ঘরে গিয়া মা বলিব কারে গো’ গানের তালে তালে সুরমা নদীতে প্রতিমা বির্সজনের মধ্য দিয়ে সিলেটের বিশ্বনাথে ৬ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রতি বছর উপজেলা পরিষদ ঘাটে পৌর শহরের ৪টি প্রতিমা বিসর্জন করা হলেও এবছর বাসিয়া নদীর পানি ব্যাপকহারে কমে যাওয়ার ফলে সেখানে কোন প্রতিমা বিসর্জন করা হয়নি। পৌর শহরের ওই ৪টি প্রতিমা’সহ লামাকাজী ইউনিয়নের ৪টি মন্ডপের প্রতিমা’সহ ৮টি প্রতিমা দিঘলী গ্রাম এলাকায় সুরমা নদীতে প্রতিমা বিসর্জন করেন।
    বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে পৌর শহরের ৪টি মন্ডপের নেতৃবৃন্দ নিজেদের প্রতিমা নিয়ে প্রজেশন আকারে দিঘলী গ্রামস্থ প্রতিমা বিসর্জন স্থলে গিয়ে ওই এলাকার ৪টি মন্ডপের প্রতিমার সাথে সাথে নিজেদের প্রতিমা বিসর্জন করেন। প্রায় শুকিয়ে যাওয়া বাসিয়া নদীতে পানির পরিমাণ কমে যাওয়াটা যেনে সনাতন ধর্মালম্বীদের কাছে আরেকটি মিলনমেলায় পরিণত হয়। তাই ৮টি প্রতিমা বিসর্জনে প্রত্যেক মন্ডপের নেতৃবৃন্দ মিলেমিশে একাকার হয়ে যান।
    সরকারি বিধি-নিষেধের পাশাপাশি পূজা উদযাপন পরিষদের নিয়ম-নীতি মেনে উপজেলা ও পৌর শহরে অনুষ্ঠিত ২৬টি পূজামন্ডপের নেতৃবৃন্দ নিজেদের সুবিধামতো স্থানে প্রতিমা বিসর্জন সুষ্ঠ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করে ঘরে ফেরার ফলে সনাতন ধর্মালম্বীদের মনে বইছে আনন্দের বন্যা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরাসরি মনিটরিং করা হয় প্রতিমা বিসর্জন কার্যক্রম।
    শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতিমা বিসর্জনের সময় লামাকাজী ইউনিয়নের দিঘলী গ্রামে সুরমা নদীর তীরে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান, রামসুন্দর সরকারি অগ্রগামী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নবেন্দু জ্যোতি দে, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি তাপস দাশ পুরকায়স্থ, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সদস্য নিশি কান্ত পাল, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাবেক সহ সভাপতি রুপক কুমার দে, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য বাদল দেব, সুব্রত ধর বাপ্পী, সভাপতি সুনিল কান্তি দে, সহ সভাপতি বিজয় দে, সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে, যুগ্ম সম্পাদক গোবিন্দ মালাকার, কাজল মালাকার, কোষাধ্যক্ষ প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন দেব, দপ্তর সম্পাদক প্রনয় পাল বাপন, সহ দপ্তর সম্পাদক মিন্টু মালাকার, প্রচার সম্পাদক অজিত দেব, গণসংযোগ সম্পাদক শুভরাজ চন্দ, সহ গণসংযোগ সম্পাদক বিজয় চন্দ দে, সদস্য সুভাষ চন্দ্র দেব, নেপাল দেব, বিজয় বৈদ্য বারিন্দ্র, অজয় দেব, সৌমিত্র ধর মিশু, ধ্রুব জ্যোতি দে উজ্জল প্রমুখ’সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গ।
    সুষ্ট, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সিলেটের বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন হওয়ার জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন, থানা প্রশাসন, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সমগ্র উপজেলাবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশ্বনাথ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুনিল কান্তি দেও সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে।

মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন ও লিফলেট বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন ও লিফলেট বিতরণ

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ,জামালপুর প্রতিনিধি:জামালপুরের মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে চর সগুনা বাজার থেকে শুরু করেন ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম খান শত শত কর্মী সমর্থক নিয়ে অত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোটরসাইকেল শো-ডাউন করেন তিনি। চর সগুনা বাজার, কাহেতপাড়া বাজার, বাংলা বাজার, বীর ঘোষেরপাড়া করিমুজ্জামান মোড়, ঘোষের পাড়া মিলন বাজার, সবিলাপুর আইনলের মোড়, বেলতৈল বাজার, গুদার বাজার, বাগবাড়ী হাইস্কুল মোড় আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরেন এবং লিফলেট বিতরণ করেন পরে নিজবাড়ী প্রাঙ্গণে এসে শো ডাউন শেষ করেন। প্রার্থীর সাথে কর্মী সমর্থকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তিনি মেলান্দহ উপজেলার ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দীর্ঘদিন। এ ছাড়াও তিনি বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত থেকেও সমাজ,এলাকা তথা ইউনিয়নবাসীকে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম চালিয়েছেন। ইউনিয়নকে মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে এবং ইউনিয়নবাসীর উন্নয়নে সেবা করার লক্ষ্যে আগামী ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম খান সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।