খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন, ১৪৩২

ব্যারিস্টার কায়সার কামালের উদ্যোগে আরো ৪০ জনের চোখে আলো ফিরছে

নেত্রকোণা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫, ১০:৫১ পূর্বাহ্ণ
ব্যারিস্টার কায়সার কামালের উদ্যোগে আরো ৪০ জনের চোখে আলো ফিরছে

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামালের মানবিক উদ্যোগে শত শত দু:স্থ-অসহায় মানুষ ফিরে পাচ্ছেন চোখের আলো।

এ পর্যন্ত নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের তিন শতাধিক সাধারণ মানুষ কায়সার কামালের সহযোগিতায় চোখের চিকিৎসা পেয়ে পুরোপুরি সেরে উঠেছেন।

মানবিক এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় রবিবার (১৭ আগস্ট) ৮ম ধাপে ৪০ জন রোগীকে চোখের ছানি অপারেশনের জন্য ময়মনসিংহের ডা. কে জামান বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে ২৩ জন নারী ও ১৭ জন পুরুষ রয়েছেন।

‘আর্তমানবতার সেবায় বিএনপি’ এই ভাবনাকে উপজীব্য করে গরীব অসহায় মানুষকে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা দেবার এই উদ্যোগ নিয়েছেন কায়সার কামাল।

দুর্গাপুর উপজেলার এই চোখের রোগীরা দীর্ঘদিন ধরে ছানি সমস্যায় ভুগলেও অর্থ সংকটে এতদিন চিকিৎসা করাতে পারেননি। কায়সার কামাল সম্পূর্ণ নিজ খরচে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন।

৮ম ধাপে যাদের চোখের ছানি অপারেশন করা হচ্ছে তারা বলেন এই উদ্যোগের ফলে আবারো তারা স্বাভাবিক চলাফেরা ও কাজকর্ম করতে পারবেন।

এই রোগীদের অপারেশন ছাড়াও তাদের খাওয়াদাওয়া, ঔষধ, যাতায়াত সহ চিকিৎসা সংক্রান্ত অন্যান্য যাবতীয় খরচও বহন করছেন বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতা।

গত ১৯ জুলাই প্রথম ধাপে রোগীদের চোখের চিকিৎসা সম্পন্ন হয়। এরপর মোট সাত ধাপে ৩০৪ জন রোগীর সফল অপারেশন করা হয়।

এই মানবিক কর্মযজ্ঞে দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবকরা অক্লান্তভাবে কাজ করছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়,দুর্গাপুরের গুজিরকোণা গ্রামে ফ্রি মেডিকেল ও চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজনের মাধ্যমে ৯৩২ জন রোগীর চোখের ছানি অপারেশনের জন্য চূড়ান্ত করা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন ধাপে রোগীদের চোখের অপারেশন করা হয়।

আর্তমানবতার কল্যাণে এই মানবিক কাজ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আমি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত, আপনাদের পাশে সবসময় আছি — এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম

মাসুদুর রহমান, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি।
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ
আমি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত, আপনাদের পাশে সবসময় আছি — এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম

দিনাজপুর সদরের উত্তর ফরিদপুর ও মহাজনপাড়া এলাকাবাসীর উদ্যোগে রবিবার (৮ মার্চ) জনতা ক্লিনিক মোড়ে দিনাজপুর সদর-৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এমপি’র সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এমপি। তিনি বলেন, “আমি আপনাদের ভোটে এমপি হয়েছি। আপনারাই আমাকে তিনবারের মেয়র থেকে এমপি বানিয়েছেন। আমি দিনাজপুর সদরকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সুখে-দুঃখে আগেও যেমন আপনাদের পাশে ছিলাম, এখনো আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব।”
তিনি আরও বলেন, দিনাজপুর সদরের সব রাস্তাঘাট নতুনভাবে নির্মাণ করা হবে, যাতে জনগণের কোনো ভোগান্তি না থাকে। পর্যায়ক্রমে কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে বলেও তিনি জানান। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রণালয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার নুরুল হুদা, ডা. সাইফুর রহমান, মঞ্জুর মুর্শেদ সুমন, এ.আই. মিজানুর রহমান, মোস্তফা কামাল মিলন, মোজাফফর হোসেন, শামসুল আলম চৌধুরী, মিজানুর রহমান, আইয়ুব আলী, মোকসেদুল ইসলাম টুটুল ও সাজ্জাদ হুমায়ুনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

কলমাকান্দায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নি:স্ব ব্যবসায়ী, অন্তত ৭০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

মামুন রণবীর | নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ৯:০০ অপরাহ্ণ
কলমাকান্দায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নি:স্ব  ব্যবসায়ী, অন্তত ৭০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলায় জুতার গোডাউন ভস্মীভূত হয়েছে। এতে অন্তত ৬০-৭০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

শনিবার (৭ মার্চ) দিবাগত রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার ধান মহাল রোড এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার রাতে হঠাৎ বিদ্যুৎ আসার পরপরই গোডাউনে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ভয়াবহ রূপ ধারণ করে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। পরে জরুরি সেবা নম্বর ১০২ এ কল দিয়ে বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়।

অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসায়ী রিপন খানের জুতার গোডাউনের মালামাল সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে পাশের স্বপন দাসের ত্রিপালের গোডাউনে আংশিক আগুন লাগলেও সেখানে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

এদিকে, ফায়ার সার্ভিস দেরিতে পৌঁছেছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করলেও তা অস্বীকার করেছেন কলমাকান্দা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ আশরাফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‍ ঢাকার নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দিই এবং প্রায় এক ঘণ্টার আপ্রাণ চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই।

তিনি আরও জানান, আগুন লাগার প্রকৃত কারণ কী, তা তদন্তের পর নিশ্চিতভাবে বলা যাবে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী রিপন খান বলেন, সামনে ঈদ, তাই ঈদ বাজারকে কেন্দ্র করে গোডাউনে বিপুল মালামাল প্রস্তুত রাখা হয়েছিলো। এই অগ্নিকাণ্ডে একেবারে পথে বসে গেলাম। তিনি কান্নারত অবস্থায় বলেন, এই দূর্ঘটনায় আমি নি:স্ব হয়ে গেলাম। আমার আর কিছুই রইলো না।

ঈদের ভরা মৌসুমে এমন অপ্রত্যাশিত ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত এই ব্যবসায়ীর পাশে দাঁড়াতে স্থানীয় প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় কলমাকান্দায় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় কলমাকান্দায় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল – বিএনপির আয়োজনে এবং ভূমি প্রতিমন্ত্রী ও নেত্রকোণা ১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় চারদিনব্যাপী হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের ৫টি গ্রুপে বিভক্ত করা হয়। বিজয়ীদের মাঝে বাইসাইকেল, ডিনার সেটসহ বিভিন্ন পুরস্কারের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নগদ আর্থিক সহায়তাও প্রদান করা হয়।

গত বছর প্রথমবার এই আয়োজন করে উপজেলা বিএনপি। এবার ২য় বারের মতো এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হলো।

আয়োজকরা জানান, তরুণ প্রজন্মকে ইসলামের দীক্ষায় উজ্জীবিত এবং অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়।

তারা বলেন, এমন আয়োজনের মধ্য দিয়ে তরুণ প্রজন্মের মাঝে ইসলামী মূল্যবোধ ও সংস্কৃতি চর্চা আরো বৃদ্ধি পাবে।

কলমাকান্দায় ২য় বারের মতো বৃহৎ পরিসরে আয়োজিত হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা ঘিরে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। এমন আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিশু-কিশোরদের মধ্যে ইসলামী সংস্কৃতি চর্চার আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।