খুঁজুন
, ,

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:৫০ অপরাহ্ণ

আদিবাসী সাঁওতাল সমাজে ধামসা,মাদলের নীরবতা।

✍🏻 মিলন মার্ডী

আদিবাসী সাঁওতালদের ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র, সুর (রাহা) ও নৃত্যের সাথে সাঁওতাল সমাজের শিকড়ের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। বরেন্দ্র অঞ্চলসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ১ লক্ষ ২৯ হাজার সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর আত্মপরিচয়ের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলো তাদের ‘আরি-চারি’ বা কৃষ্টি-সংস্কৃতি। কিন্তু আধুনিকতার প্রভাব এবং মূলধারার সংস্কৃতির চাপে এসব ঐতিহ্যবাহী উপাদান চর্চা কমে যাওয়ার ফলে সাঁওতাল সমাজে তৈরি হচ্ছে গভীর আতঙ্ক ও সংকট।

সাঁওতাল সংস্কৃতিতে প্রতিটি উৎসব ও পার্বণের জন্য পৃথক সুর (রাহা), নৃত্য (এনেচ) এবং নির্দিষ্ট বাদ্যযন্ত্র নির্ধারিত থাকে।

তুমদা (মাদল) ও টামাক (নাগরা)সাঁওতাল সঙ্গীতের মূল স্পন্দন। মাদলের গম্ভীর শব্দ এবং টামাকের তাল সাঁওতালদের ঐক্য ও যৌথ শক্তির প্রতীক হিসেবে পরিচিত।

তৈরিয়ৌ (বাঁশি) ও ফেনটড় বানাম/রেতা বানাম (দোতারা/সারিন্দা)সাঁওতাল জীবনের প্রেম, প্রকৃতি ও বিরহের প্রকাশ ঘটায় এই সুরের মূল যন্ত্রগুলোর মাধ্যমে।

রাহা ও তালের বৈচিত্র্য রয়েছে যেমন (তাহা রেতা নানা তারনা) স্বরগ্রামের ওপর ভিত্তি করে দোং রাহা (বিয়ে), সহরায় রাহা (ফসল কাটার উৎসব), বাহা রাহা (বসন্ত উৎসব), দাসায় রাহা (পূজা ও শোক) এবং লাগড়ের মতো প্রায় পঞ্চাশটিরও বেশি সুরের বৈচিত্র্য বিদ্যমান। নির্দিষ্ট সুরের তালে সাঁওতালদের নাচ ও গানের ধরনও আলাদা হয় তবে ঐতিহ্যবাহী যন্ত্র ও সুরের চর্চা কমে যাওয়ার ফলে বর্তমানে সাঁওতাল সমাজে যেসব পরিবর্তন ও সংকট দেখা দিচ্ছে আত্মপরিচয়ের সংকট বাদ্যযন্ত্র কেবল আনন্দের উপাদান নয়, এটি একটি জাতির পরিচয় বহন করে। মাদল, বানামের বা (হারমুনিয়াম)শব্দ বন্ধ হয়ে গেলে সাঁওতাল গানের নিজস্ব রূপ হারিয়ে যায়, যার ফলে তরুণ প্রজন্ম তাদের মৌলিক সাংস্কৃতিক পরিচয় চিনতে ব্যর্থ হচ্ছে।

নিজ ভাষায় (সিরিং ও এনেজে) অনীহা আসে যখন গানের সুর ও ছন্দ বিকৃত বা হারিয়ে যায়, তখন ভাষার প্রতি আগ্রহ কমে যায়। আধুনিক বাদ্যযন্ত্র বা ভিনজাতীয় সুরের প্রভাবে সাঁওতাল তরুণদের মধ্যে নিজ ভাষায় গান গাওয়া (সিরিং) এবং দৈনন্দিন জীবনে সাঁওতালি ভাষায় কথা বলার (রড়রপড়/গালমারাও) প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পাচ্ছে।

আরি-চারি (কৃষ্টি-সংস্কৃতি) বাহা, সহরায় কিংবা দাসায় উৎসবগুলো যদি কেবল আনুষ্ঠানিকতায় রূপ নেয় এবং সঠিক বাদ্য ও সুরের অভাব ঘটে, তবে এসব উৎসবের পেছনে থাকা সামাজিক মূল্যবোধ ও ইতিহাস বিলুপ্ত হয়ে পড়ে।

সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও পথভ্রষ্টতা নিজস্ব সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম দুর্বল হয়ে পড়ায় সাঁওতাল যুবসমাজ অন্য ভাষার অপসংস্কৃতি ও মূলধারার বিনোদনে নিজেকে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করছে। এতে করে একটি ঐতিহ্যবাহী জনগোষ্ঠী শিকড়হীন হয়ে পরিচয়বিহীন সত্তায় পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ছে এ থেকে উত্তরণের উপায় হচ্ছে সাঁওতাল সংস্কৃতির সত্তা ও শিকড় টিকিয়ে রাখার জন্য জরুরি কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেমন

প্রতিনিয়ত চর্চা ও অনুষ্ঠান আয়োজন গ্রামে গ্রামে তরুণদের নিয়ে নিয়মিত গালমারাও (কথোপকথন), সিরিং (গান) এবং এনেচ (নৃত্য)-এর আসর বা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা ও তুমদা, টামাক, তৈরিয়ৌ এবং বিশেষ করে বানাম বাদকদের কাছ থেকে নতুন প্রজন্মকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা।

হারিয়ে যেতে বসা ৫০টিরও বেশি ‘রাহা’ (সুর) এবং গানগুলো রেকর্ড করে আধুনিক ভাবে সংরক্ষণ করা যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এগুলো শিখতে পারে এবং জীবনে ধারণ করতে সক্ষম হয়। প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে বরেন্দ্র অঞ্চলসহ অন্যান্য এলাকার সাঁওতাল অধ্যুষিত অঞ্চলে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন করা এবং বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় সাংস্কৃতিক উৎসবে সাঁওতালদের মৌলিক যন্ত্রসহ পরিবেশনার সুযোগ তৈরি করা।

সংস্কৃতিই একটি জাতির প্রাণ। সাঁওতাল সমাজকে  তার নিজস্ব শেকড় ও অস্তিত্বে টিকিয়ে রাখতে হলে সঙ্গীত, নৃত্য, ভাষা ও বাদ্যযন্ত্রের  ব্যবহার ছাড়া কোনো বিকল্প কিছুই নেই।

মাদারগঞ্জে কালবেলা’র সাংবাদিক আকন্দ সোহাগের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জে কালবেলা’র সাংবাদিক আকন্দ সোহাগের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

জামালপুর প্রতিনিধি:জামালপুরের মাদারগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা মোঃ আবু সাঈদ সুজন (৩৬) ২১ অক্টোবর সন্ধ্যায় মাদারগঞ্জ মডেল থানায় এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ করেন।

​অভিযোগে কালবেলা’র প্রতিনিধি আকন্দ সোহাগকে (২৭) কে বিবাদী করা হয়েছে। সোহাগ উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের মোসলেমাবাদ আইগেনি পাড়া হোসেন আলী আকন্দের ছেলে।
​অভিযোগপত্র ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, আবু সাঈদ সুজন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন ও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। এর জের ধরে স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতকারীর সঙ্গে তাঁর বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগকারীর দাবি, সেই সূত্র ধরে আকন্দ সোহাগ সুজনের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সোহাগ ক্ষিপ্ত হন এবং তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার ও অপপ্রচারের হুমকি দেন। পরবর্তীতে সোহাগের ব্যবহৃত নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে ওই বিএনপি নেতার নামে অশ্লীল ও মানহানিকর বিভিন্ন বার্তা ও পোস্ট প্রচার করা হয়।
উল্লেখ্য যে, আনুমানিক ৩ মাস পূর্বে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় আরেকটি চাঁদাবাজির অভিযোগ হয়েছিল কালবেলার সাংবাদিক আকন্দ সোহাগ এর বিরুদ্ধে। পরে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে সেটা থেমে যায়। আনুমানিক ২০২২ সালে সাংবাদিকতায় এসেই মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয় এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নির্ভিক সাংবাদিকতা পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকায় মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের এক জরুরী সভায় ২৭ অক্টোবর/২০২২ ইং তারিখে সভাপতি/ সেক্রেটারি স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে সদস্য এবং সাধারণ সদস্য পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়। বছর দুয়েক পূর্বে নারী সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ও নির্লজ্জের মতো জনসম্মুখে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় তাকে।
​ভুক্তভোগী আবু সাঈদ সুজন বলেন, “এ ধরনের ভিত্তিহীন ও কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচারের কারণে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে আমার সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানাচ্ছি।”

​তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আকন্দ সোহাগ। মুঠোফোনে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি তাঁর (আবু সাঈদ সুজন) বাড়ি চিনিই না, সেখানে চাঁদাবাজির জন্য কেন যাব? আমি শুধু তাঁর বক্তব্য ফোনের মাধ্যমে নিয়েছিলাম, যার প্রমাণ আমার কাছে সংরক্ষিত আছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে এই লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এসব নিয়ে আমি বিচলিত নই এবং এতে আমার কোনো সমস্যা হবে না।”
​এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মোহাম্মদ আবুল হাসেম জানান, লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ণ
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন
  • বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: ‘মারে ভাসাইয়া জলে, কি ধন লইয়া জাইমু ঘরে। ঘরে গিয়া মা বলিব কারে গো’ গানের তালে তালে সুরমা নদীতে প্রতিমা বির্সজনের মধ্য দিয়ে সিলেটের বিশ্বনাথে ৬ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রতি বছর উপজেলা পরিষদ ঘাটে পৌর শহরের ৪টি প্রতিমা বিসর্জন করা হলেও এবছর বাসিয়া নদীর পানি ব্যাপকহারে কমে যাওয়ার ফলে সেখানে কোন প্রতিমা বিসর্জন করা হয়নি। পৌর শহরের ওই ৪টি প্রতিমা’সহ লামাকাজী ইউনিয়নের ৪টি মন্ডপের প্রতিমা’সহ ৮টি প্রতিমা দিঘলী গ্রাম এলাকায় সুরমা নদীতে প্রতিমা বিসর্জন করেন।
    বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে পৌর শহরের ৪টি মন্ডপের নেতৃবৃন্দ নিজেদের প্রতিমা নিয়ে প্রজেশন আকারে দিঘলী গ্রামস্থ প্রতিমা বিসর্জন স্থলে গিয়ে ওই এলাকার ৪টি মন্ডপের প্রতিমার সাথে সাথে নিজেদের প্রতিমা বিসর্জন করেন। প্রায় শুকিয়ে যাওয়া বাসিয়া নদীতে পানির পরিমাণ কমে যাওয়াটা যেনে সনাতন ধর্মালম্বীদের কাছে আরেকটি মিলনমেলায় পরিণত হয়। তাই ৮টি প্রতিমা বিসর্জনে প্রত্যেক মন্ডপের নেতৃবৃন্দ মিলেমিশে একাকার হয়ে যান।
    সরকারি বিধি-নিষেধের পাশাপাশি পূজা উদযাপন পরিষদের নিয়ম-নীতি মেনে উপজেলা ও পৌর শহরে অনুষ্ঠিত ২৬টি পূজামন্ডপের নেতৃবৃন্দ নিজেদের সুবিধামতো স্থানে প্রতিমা বিসর্জন সুষ্ঠ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করে ঘরে ফেরার ফলে সনাতন ধর্মালম্বীদের মনে বইছে আনন্দের বন্যা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরাসরি মনিটরিং করা হয় প্রতিমা বিসর্জন কার্যক্রম।
    শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতিমা বিসর্জনের সময় লামাকাজী ইউনিয়নের দিঘলী গ্রামে সুরমা নদীর তীরে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান, রামসুন্দর সরকারি অগ্রগামী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নবেন্দু জ্যোতি দে, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি তাপস দাশ পুরকায়স্থ, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সদস্য নিশি কান্ত পাল, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাবেক সহ সভাপতি রুপক কুমার দে, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য বাদল দেব, সুব্রত ধর বাপ্পী, সভাপতি সুনিল কান্তি দে, সহ সভাপতি বিজয় দে, সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে, যুগ্ম সম্পাদক গোবিন্দ মালাকার, কাজল মালাকার, কোষাধ্যক্ষ প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন দেব, দপ্তর সম্পাদক প্রনয় পাল বাপন, সহ দপ্তর সম্পাদক মিন্টু মালাকার, প্রচার সম্পাদক অজিত দেব, গণসংযোগ সম্পাদক শুভরাজ চন্দ, সহ গণসংযোগ সম্পাদক বিজয় চন্দ দে, সদস্য সুভাষ চন্দ্র দেব, নেপাল দেব, বিজয় বৈদ্য বারিন্দ্র, অজয় দেব, সৌমিত্র ধর মিশু, ধ্রুব জ্যোতি দে উজ্জল প্রমুখ’সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গ।
    সুষ্ট, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সিলেটের বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন হওয়ার জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন, থানা প্রশাসন, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সমগ্র উপজেলাবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশ্বনাথ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুনিল কান্তি দেও সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে।

মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন ও লিফলেট বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন ও লিফলেট বিতরণ

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ,জামালপুর প্রতিনিধি:জামালপুরের মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে চর সগুনা বাজার থেকে শুরু করেন ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম খান শত শত কর্মী সমর্থক নিয়ে অত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোটরসাইকেল শো-ডাউন করেন তিনি। চর সগুনা বাজার, কাহেতপাড়া বাজার, বাংলা বাজার, বীর ঘোষেরপাড়া করিমুজ্জামান মোড়, ঘোষের পাড়া মিলন বাজার, সবিলাপুর আইনলের মোড়, বেলতৈল বাজার, গুদার বাজার, বাগবাড়ী হাইস্কুল মোড় আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরেন এবং লিফলেট বিতরণ করেন পরে নিজবাড়ী প্রাঙ্গণে এসে শো ডাউন শেষ করেন। প্রার্থীর সাথে কর্মী সমর্থকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তিনি মেলান্দহ উপজেলার ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দীর্ঘদিন। এ ছাড়াও তিনি বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত থেকেও সমাজ,এলাকা তথা ইউনিয়নবাসীকে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম চালিয়েছেন। ইউনিয়নকে মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে এবং ইউনিয়নবাসীর উন্নয়নে সেবা করার লক্ষ্যে আগামী ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম খান সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।