খুঁজুন
, ,

সিসাদূষণ প্রতিরোধে রাবিতে ইয়ুথনেট গ্লোবাল ও পিওর আর্থের র‍্যালি

রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
সিসাদূষণ প্রতিরোধে রাবিতে ইয়ুথনেট গ্লোবাল ও পিওর আর্থের র‍্যালি
সিসাদূষণের উৎস, স্বাস্থ্যঝুঁকি ও প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) র‍্যালি ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সিসাদূষণ প্রতিরোধ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে ইয়ুথনেট গ্লোবাল ও পিওর আর্থ বাংলাদেশের উদ্যোগে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
‘সিসাদূষণ প্রতিরোধে, আমরা আছি একসাথে’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীরা অংশ নেন।
আন্তর্জাতিক সিসাদূষণ প্রতিরোধ সপ্তাহ উপলক্ষে দেশের আট বিভাগে সপ্তাহব্যাপী জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। পিওর আর্থ বাংলাদেশের সহযোগিতায় ইয়ুথনেট গ্লোবাল এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এতে সহ-আয়োজক হিসেবে রয়েছে ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ, ইউক্যান ও আর্থ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন।
আয়োজকদের মতে, শিশু, তরুণ, শিক্ষক, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সিসার ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি সিসাদূষণের উৎস শনাক্ত করা, প্রতিরোধের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্থানীয় পর্যায়ে দূষণ রোধে তরুণদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
কর্মসূচিতে পিওর আর্থ বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মিতালী দাশ বলেন, “শিশুদের সিসার বিষক্রিয়া থেকে সুরক্ষিত রাখতে সিসার উৎস শনাক্ত ও দূষণ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নিরাপদ ভোগ্যপণ্য নিশ্চিত করা, পরিবেশসম্মত ব্যাটারি পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে পিওর আর্থ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে যৌথভাবে সম্প্রসারিত উৎপাদক দায়বদ্ধতা (ইপিআর) নির্দেশিকা প্রণয়নে কাজ করছে। এই নির্দেশিকা লেড-অ্যাসিড ব্যাটারির কার্যকর সংগ্রহ, ট্র্যাকিং ও পরিবেশসম্মত পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণে সহায়তা করবে।”
ইয়ুথনেট গ্লোবালের নির্বাহী সমন্বয়ক সোহানুর রহমান বলেন, “অপরিকল্পিত ও অনিরাপদ সিসা-অ্যাসিড ব্যাটারি পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শুধু শ্রমিকদের নয়, আশপাশের পুরো জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য ও পরিবেশকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে।”ক্ষতিকর শিল্পপ্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলা এবং নীতিগত পরিবর্তনের দাবি জোরদার করার কথাও বলেন তিনি।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম কনক বলেন, “সিসাদূষণ প্রতিরোধ করতে হলে আইনের সহায়তা নিতে হবে এবং নীতিমালার আওতায় কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।”
মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সিসার ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে ইয়ুথনেট গ্লোবালের রাজশাহী বিভাগীয় সমন্বয়কারী হৃদিকা আহসান শ্রেয়া বলেন, “স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও তরুণদের সম্মিলিত উদ্যোগ সিসাদূষণ প্রতিরোধের কাজকে এগিয়ে নিতে পারে। জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সিসাদূষণের উৎস চিহ্নিত করা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”
কর্মসূচির অংশ হিসেবে র‍্যালি, মানববন্ধন, উঠান বৈঠক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচারাভিযান ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসূচিটিও এ দেশব্যাপী উদ্যোগের অংশ।

বিশ্বনাথে উপজেলা ধারাভাষ্যকার ও উপস্থাপক এসোসিয়েশনের কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ণ
বিশ্বনাথে উপজেলা ধারাভাষ্যকার ও উপস্থাপক এসোসিয়েশনের কমিটি গঠন

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:সিলেটের বিশ্বনাথে উপজেলা ধারাভাষ্যকার ও উপস্থাপক এসোসিয়েশনের ২০২৬-২৮ সেশনের কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটি গঠন উপলক্ষে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকালে পৌর শহরের বিশ্বনাথ সাংবাদিক ইউনিয়নের কার্যালয়ে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপস্থিত সকল সদস্যবৃন্দের সম্মতিক্রমে মো. জুয়েল আহমদকে সভাপতি, মো. আরকুম আলীকে সাধারণ সম্পাদক ও আল তাহমিদকে সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত করে ২০২৬-২৮ সেশনের বিশ্বনাথ উপজেলা ধারাভাষ্যকার ও উপস্থাপক এসোসিয়েশনের নবগঠিত কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির অন‍্যান‍্য দায়িত্বপ্রাপ্তগন হলেন,
সিনিয়র সহ সভাপতি এমরান আহমদ, সহ সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় কর্মকার, অর্থ সম্পাদক ফেরদৌস হাসান নাঈম, দপ্তর সম্পাদক আলী হোসেন মুল্লা, সহ দপ্তর সম্পাদক সোহাগ আহমদ, ক্রীড়া সম্পাদক জাবু শাহ, প্রচার সম্পাদক হোসাইন আহমদ ইমলাক, সহ প্রচার সম্পাদক নাছির আহমদ, সদস্য সিরাজ মিয়া, ওলিউর ও জুনেদ মিয়া।
কার্যনির্বাহী সদস্য, সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলী লিটন।

মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে গবেষণা অগ্রগতির কোনো বিকল্প নেই: সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে গবেষণা অগ্রগতির কোনো বিকল্প নেই: সচিব

শেখ খায়রুল ইসলাম পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:-দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য সম্পদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মৎস্য সম্পদের উন্নয়নে গবেষণা ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব মোঃ দেলোয়ার হোসেন।তিনি বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে মৎস্য সম্পদের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে গবেষণা কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। এ জন্য সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি মৎস্য সম্পদের উন্নয়নে নতুন নতুন গবেষণা পরিচালনার জন্য মৎস্য বিজ্ঞানীদের প্রতি আহ্বান জানান।সচিব বলেন, দেশের সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি সম্পদ ব্যবহারে এবং অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। গবেষণা প্রকল্পের একটি টাকাও যেন অপচয় না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জনগণের অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং এ বিষয়ে সবার জবাবদিহি রয়েছে।বর্তমান বেতন স্কেলকে সরকারের সাহসী ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগের তুলনায় দ্বিগুণ বেতন স্কেল প্রদানের মাধ্যমে সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তার যথাযথ প্রতিদান দিতে সবাইকে আরও বেশি দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে এগিয়ে নিতে কর্মক্ষেত্রে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার পরিচয় দিতে হবে।৩০ অক্টোবর শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের খুলনার পাইকগাছাস্থ লোনাপানি কেন্দ্রে আয়োজিত গবেষণা অগ্রগতি পর্যালোচনা বিষয়ক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ লতিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, চলমান গবেষণা কার্যক্রম আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হলে ভবিষ্যতে মেরিকালচার বা সামুদ্রিক জলজ চাষে বিপ্লব ঘটানো সম্ভব হবে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ড. মোঃ আমিরুল ইসলাম, মৎস্য অধিদপ্তর খুলনার পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ বদরুজ্জামান এবং পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী।অনুষ্ঠানে লোনাপানি কেন্দ্রের কেন্দ্রপ্রধান ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আজহার আলী কেন্দ্রের গবেষণার অগ্রগতি এবং চলমান গবেষণা কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন লোনাপানি কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. দেবাশীষ কুমার মন্ডল, ড. গোলাম সাজেদ রিয়ার ও ড. নূর-এ-রওশন, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ গোলাম মোস্তফা, সায়মা সুলতানা সোনিয়া, মাসুদুর রহমান ও ফাল্গুনী বিশ্বাস, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পার্থ প্রতিম রায়।

জাপানের শিনশু বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চলছে রাবির যৌথ পাঠদান কর্মসূচি

রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
জাপানের শিনশু বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চলছে রাবির যৌথ পাঠদান কর্মসূচি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ এবং জাপানের শিনশু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের যৌথ উদ্যোগে Collaborative Online International Learning (COIL) পদ্ধতিতে সমন্বিত পাঠদান কার্যক্রম চলছে। ২০২৪ সালে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হওয়া এ কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালেও দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছেন।
রাবির প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহরিয়ার শোভন এবং জাপানের শিনশু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. হিরোসুকে তাতসুমি এ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ২০২৪ সালে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জুমের মাধ্যমে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এ যৌথ পাঠদান কার্যক্রমের সূচনা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০২৫ সালেও কার্যক্রমটি অব্যাহত ছিল।
COIL বা Collaborative Online International Learning হলো দুটি ভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে জ্ঞান ও সংস্কৃতি বিনিময়ের একটি অনলাইনভিত্তিক শিক্ষাপদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে ভিন্ন দেশের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা একই শিক্ষাকার্যক্রমে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি পারস্পরিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পান।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষক শিক্ষার্থীরা জানান, এ ধরনের আন্তর্জাতিক সহযোগিতামূলক পাঠদান শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক শিক্ষার পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত করার পাশাপাশি আন্তঃসাংস্কৃতিক যোগাযোগ, পারস্পরিক সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিকাশে ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে ভিন্ন দেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ পান।
কার্যক্রমে অংশ নেওয়া রাবির এক শিক্ষার্থী বলেন, এ কার্যক্রমে অংশ নিয়ে জাপানের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ভিন্ন দেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার সুযোগ পাচ্ছি। অনলাইনে যৌথ পাঠদানের মাধ্যমে আমাদের চিন্তাভাবনার পরিধি বাড়ছে এবং আন্তর্জাতিক পরিবেশে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করছি। এটি পড়াশোনার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ কর্মজীবনেও সহায়ক হবে বলে মনে করি।
রাবির প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহরিয়ার শোভন জানান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও শিনশু বিশ্ববিদ্যালয়ের এ যৌথ উদ্যোগ আন্তর্জাতিক শিক্ষায় সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি বিকাশে ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা আন্তর্জাতিক শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ করতে চাই।