খুঁজুন
রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

রাবির ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ‘সি’ ইউনিটের উত্তরপত্র; বিভ্রান্ত শিক্ষার্থীরা

মীর তুহিন, রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৫, ৪:৫১ অপরাহ্ণ
রাবির ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ‘সি’ ইউনিটের উত্তরপত্র; বিভ্রান্ত শিক্ষার্থীরা

ছবি: 'বি' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার উত্তরপত্র

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ‘বি’ ইউনিট তথা ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় দেখা মিললো ‘সি’ ইউনিট তথা বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান এবং ভূ-বিজ্ঞান অনুষদের উত্তরপত্র (ওএমআর শিট)। ফলে বিজ্ঞান অনুষদের উত্তরপত্র দেখে হতভম্ব ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও রাবির কেন্দ্রগুলোতে দেখা দিয়েছে নানা সমস্যা।

ছবি: ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার উত্তরপত্র

শনিবার (১২ এপ্রিল) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ্ অ্যাকাডেমিক কলা ভবনের ২০১, ২০৩ ও ২০৪ নম্বর কক্ষে এসব ঘটনা ঘটে। এছাড়াও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অ্যাকাডেমিক ভবন ও স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু বিজ্ঞান ভবনেও এমন ঘটনা ঘটেছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই প্রথম পাঁচটি আঞ্চলিক কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা নিচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শনিবার (১২ এপ্রিল) বেলা ১১টায় শুরু হয় ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কেন্দ্রে ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ‘সি’ ইউনিটের উত্তরপত্র বিতরণ করা হয়। ভুল উত্তরপত্র নজরে পড়লে হতভম্ব হয়ে পড়েন শিক্ষার্থীরা। পরে কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের আন্তরিকতায় ওএমআর শিট পরিবর্তন করে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হয়। ১১টার আগেই শিক্ষার্থীদের মাঝে উত্তরপত্র বিতরণ করার নিয়ম থাকলেও ওএমআর শিটে ঝামেলা থাকায় পরীক্ষা শুরু হওয়ার ৫ মিনিট আগে উত্তরপত্র পান শিক্ষার্থীরা। ওএমআর শিটে নিজেদের রোল নম্বর, সেট কোড ভরাট এবং নিজেদের নাম-ঠিকানা লিখতে গিয়ে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করতে হয়েছে তাদের।

এদিকে, স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু অ্যাকাডেমিক ভবনের ২১৮ নম্বর কক্ষে ৯০ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর জন্য ওএমআর শিট পাঠানো হয়েছে ২৭টি। ফলে উত্তরপত্র বিতরণের সময় বিভ্রান্তির মধ্যে পড়েন কক্ষে থাকা পরিদর্শকরা। এছাড়াও অ্যাডমিট কার্ড সংক্রান্ত ঝামেলাতেও পড়তে হয় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের।

পরীক্ষা শেষে হল থেকে বেরিয়ে জাহিদ নামে এক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী জানান, “আমরা পরীক্ষার অন্তত আধাঘণ্টা আগেই হলে উপস্থিত হয়েছিলাম। কিন্তু ওএমআর শিট দেওয়ার পর দেখি সেখানে ‘বি’ ইউনিটের পরিবর্তে ‘সি’ ইউনিট লেখা রয়েছে। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কক্ষ পরিদর্শককে জানালে তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেন। তবে ততক্ষণে অনেকটা সময় পেরিয়ে গেছে। পরীক্ষার একেবারে শুরু হওয়ার ঠিক আগে আগে আমাদের নতুন শিট দেওয়া হয় এবং আমরা তাড়াহুড়ো করে তা পূরণ করি।”

শহীদুল্লাহ্ ভবনে দায়িত্বে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) অধ্যাপক গোলাম আরিফ বলেন, “আমাদের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। তবে একটি ছোট ভুল হয়েছিল—শহীদুল্লাহ্ ভবনের ২০৪ নম্বর কক্ষে ভুলবশত ‘বি’ ইউনিটের ওএমআর শিটের পরিবর্তে ‘সি’ ইউনিটের ওএমআর সরবরাহ করা হয়েছিল। কিন্তু আমরা তা সঙ্গে সঙ্গেই সংশোধন করে সঠিক ওএমআর শিট সরবরাহ করেছি, ফলে পরীক্ষার্থীদের বড় কোনো অসুবিধা হয়নি।”

তিনি আরও বলেন, “একাধিকবার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করায় কিছু পরীক্ষার্থীর সামান্য সমস্যা হয়েছিল, তবে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো সমাধান করেছি। সবাই সুন্দরভাবে পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরেছে।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এস এম এম কামরুজ্জামান বলেন, “‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। তবে কিছু জায়গায় ওএমআর শিট সংক্রান্ত সমস্যা হয়েছে। আমরা সেগুলো সমাধান করেছি, ফলে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের কোনো সমস্যা হয়নি।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন বলেন, “যারা ওএমআর শিট প্রিন্ট করে প্যাকিং করেছে, তারাই এ বিষয়টি ভুল করেছে। প্যাকিংয়ের উপরে ‘বি’ ইউনিট লেখা ছিল, কিন্তু ভিতরে ছিল ‘সি’ ইউনিটের ওএমআর শিট। পরবর্তীতে এ বিষয়ে আমরা খেয়াল রাখবো।”

প্রথমবারের মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি উদ্বোধন

ফারিহা তাহসীন রাইসা, রাবি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ
প্রথমবারের মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি উদ্বোধন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (রাকসুর) উদ্যোগে ক্যাম্পাসে প্রথমবারের মতো একটি ফার্মেসির উদ্বোধন করা হয়েছে।

এতে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরেই নিত্যপ্রয়োজনীয় সব ধরনের ওষুধ কিনতে পারবেন।

শুক্রবার (৮মে) বিকেল সাড়ে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবলিশ চত্বর সংলগ্ন এলাকায় এ ফার্মেসির উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনকালে রাকসুর এজিএস সালমান সাব্বির বলেন, ‌‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ৭২ বছরেও প্রশাসন পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল সেবা নিশ্চিত করতে পারেনি। এমনকি ক্যাম্পাসের ভেতরে একটিও ফার্মেসি ছিল না। আমাদের ইশতেহারে ছিল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি ফার্মেসি স্থাপন করা। আমরা রাকসুর উদ্যোগে ফার্মেসি চালু করতে সক্ষম হয়েছি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতায় এবং রাকসুর উদ্যোগে আজ ক্যাম্পাসের ভেতরে একটি ফার্মেসি চালু হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে এমন একটি স্থানে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যেখানে ছাত্রীদের সহজ যাতায়াত ও ওষুধ সংগ্রহের সুবিধা নিশ্চিত হবে।’

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন খান বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকলেও একটি ফার্মেসির অভাব ছিল, যা সত্যিই একটি অপূর্ণতা ছিল। আজ সেই অপূর্ণতার পূর্ণতা পেল।’

নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

ফারিহা তাহসিন রাইসা, রাবি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৫- ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে রাবি ক্যাম্পাস। নতুন পরিবেশ, নতুন স্বপ্ন এবং বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতাকে ঘিরে তাদের চোখেমুখে ছিল উচ্ছ্বাস আর কৌতূহলের ছাপ।

রবিবার (১০ মে) সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে নবীনদের আনাগোনা ছিল চোখে পড়ার মতো। সকাল ১০টায় বিভিন্ন অনুষদ ও বিভাগের সামনে তাদের সঙ্গে অভিভাবকদেরও দেখা যায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও বাড়তে থাকে।

ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, নবীনদের আগমনে নতুন রূপ ধারণ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার, প্যারিস রোড, টুকিটাকি চত্বর, আম চত্বর, পরিবহন মার্কেট, ইবলিশ চত্বরসহ বিভিন্ন জায়গায় নতুন-পুরোনো শিক্ষার্থীদের আড্ডা ছিল লক্ষণীয়।

প্রথন দিনের অনুভূতি জানতে চাইলে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী সালমান আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন পরিবেশ আমাদের জন্য অনেক আনন্দ আর উচ্ছ্বাসের। তবে এখানে আসার পথটা আমার জন্য সহজ ছিল না। ভর্তির শুরুটা ছিল বেশ কঠিন। প্রথমবার চান্স না পাওয়ায় ভীষণ হতাশায় পড়েছিলাম। সেই হতাশা কাটিয়ে দ্বিতীয়বার চেষ্টা করি, আর তখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাই।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী রিফাত বলেন, দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান শেষ আমি আজকে আমার জীবন নতুন যাত্রা শুরু করলাম, অনেক কষ্ট আর পরিশ্রমের মাধ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে অর্জন করতে পেরেছি। বিভাগের শিক্ষক , বড় ভাই বোন খুবই আন্তরিক। আমি আশা করছি আমার লক্ষ অর্জন করতে সক্ষম হবো।

ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষার্থী ফরহাদ রেজা বলেন, রাবি আমার কাছে ভালো লাগার ক্যাম্পাস। আমি এর আগেও এসেছি তখন থেকেই রাবির প্রতি আমার আলাদাভাবে ভালোলাগা শুরু হয়েছে। আমার আরো কিছু বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছিলো কিন্তু রাবিকেই আমি চয়েস হিসেবে নিয়েছি। ভালোভাবে পড়াশোনা করে বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আজকের দিনটি শুরু করতে যাচ্ছি

ব্যাংকিং এন্ড ইন্সুরেন্স বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী রাশেদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম দিন আসলেই ভালো লাগতেছে। ভিতর থেকে কেমন যে এক অজানা উদ্দিপনা কাজ করতেছে, আমিও এখন থেকে ০এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। চারদিকে নতুনত্ব, নতুন বন্ধু, নতুন পরিবেশ, নতুন একটা পরিবারের মতো লাগছে।

নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমান বলেন, ক্যাম্পাসে নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাই, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন তাদের মধুর হোক। একইসাথে আমি সর্তক করে দিতে চাই র‍্যাগিং আইনত দণ্ডনীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী এতে জড়ালে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সবাইকে সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ভর্তি প্রক্রিয়া শেষে আজ (১০ ম) বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ক্লাস শুরু হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে টুম্পা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনে অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে টুম্পা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনে অনিয়মের অভিযোগ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া ইউনিয়নের ঘনি বিষ্ণপুর গ্রামের সাদেকুল ইসলামের মেয়ে টুম্পা মনির বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে |

লাস্যময়ী টুম্পা মনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দোকানদার এবং কি ধনী লোককে ফাঁদে ফেলে টাকা নিয়ে টাকা আর দেয় না।টাকা চাইলে পরবর্তীতে উল্টা আরো হুমকি ধামকি দেয়।
এই মহিলা কে বিভিন্নভাবে আবু নামে একজন সহযোগিতা করে আসছে। এদের বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সময় কয়েকজন ব্যবসায়ী ও স্থানীয় ব্যক্তি আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন।
স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ নেওয়ার পর তা ফেরত না দেওয়া এবং টাকা ফেরত চাইলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক লিখিত অভিযোগ বা প্রশাসনিক তদন্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে এলাকাবাসীর একাংশ বলছেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত টুম্পার সাথে বার বার যোগাযোগ করা হলেও টুম্পা এব্যাপার এ কোন বক্তব্য দিতে রাজী হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা জনমাধ্যমে অভিযোগ প্রকাশের আগে যথাযথ প্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়ার অনুসরণ জরুরি। তারা বলছেন, এতে যেমন প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে, তেমনি কারও সম্মানহানির ঝুঁকিও কমবে।
প্রশাসনের প্রতি এলাকাবাসীর আহ্বান অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।