খুঁজুন
, ,

দারিদ্র্যকে জয় করে ফ্রিল্যান্সিংয়ের স্বপ্ন দেখছেন আদিবাসী কিশোরী জয়ন্তী মনি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ
দারিদ্র্যকে জয় করে ফ্রিল্যান্সিংয়ের স্বপ্ন দেখছেন আদিবাসী কিশোরী জয়ন্তী মনি

শান্ত পাহান, ঠাকুরগাঁও: গ্রামের প্রত্যন্ত পরিবেশ থেকে উঠে এসে দারিদ্র্য ও পারিবারিক সীমাবদ্ধতাকে জয় করে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন দেখছেন জয়ন্তী মনি পাহান। পড়াশোনার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং শিখে নিজেকে একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গড়ে তুলতে চান তিনি। তাঁর স্বপ্ন—নিজের যোগ্যতায় আয় করে পরিবারের পাশে দাঁড়ানো এবং একদিন দেশ ও দেশের বাইরের মানুষের সঙ্গে কাজ করা।

দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের বড়ভিটা গ্রামের প্রত্যন্ত এলাকার আদিবাসী পরিবারের সন্তান জয়ন্তী মনি পাহান। বর্তমানে তিনি দিনাজপুর শহরে বসবাস করছেন এবং ইন্টারমিডিয়েট দ্বিতীয় বর্ষে পড়াশোনা করছেন। পড়াশোনার পাশাপাশি যুক্ত হয়েছেন ড্রিম টেক আইটি একাডেমির ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ ও কাজের সঙ্গে।
জয়ন্তীর জীবনের গল্পের শুরু গ্রামের বাড়ি বড়ভিটা থেকে। ছোটবেলায় তাঁর মা-বাবা দুই মেয়েকে নিয়ে গ্রাম ছেড়ে দিনাজপুর শহরে চলে আসেন। সন্তানদের পড়াশোনা ও ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেই তাঁদের এই সিদ্ধান্ত। এরপর দিনাজপুর শহরেই দুই বোনের শৈশব ও বেড়ে ওঠা। বর্তমানে জয়ন্তী ও তাঁর বড় বোন দুলালী পাহান মা-বাবার সঙ্গে শহরে থাকেন। আর তাঁদের বড় দাদা গ্রামের বাড়ি বড়ভিটায় বসবাস করেন।
শহরে এসে পড়াশোনার সুযোগ পেলেও পরিবারের আর্থিক বাস্তবতা কখনো তাঁদের পিছু ছাড়েনি। সীমিত আয়ের সংসারে প্রতিদিনের জীবনযাপনই যেখানে সংগ্রামের, সেখানে ভবিষ্যতের জন্য বড় কোনো স্বপ্ন দেখা অনেকের কাছেই কঠিন। কিন্তু জয়ন্তী সেই বাস্তবতার মধ্যেই নিজের জন্য একটি নতুন পথ খুঁজে নিয়েছেন।
চাকরির পেছনে না ছুটে দক্ষতা অর্জনের সিদ্ধান্ত
জয়ন্তী মনে করেন, শুধু চাকরির আশায় বসে থাকলে তাঁর পরিবারের আর্থিক অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন সম্ভব নাও হতে পারে। তাই নিজের দক্ষতা তৈরি করে অনলাইনে কাজ করার পথ বেছে নিয়েছেন তিনি।
বড় বোন দুলালী পাহানের অনুপ্রেরণায় ২০২৫ সালে ড্রিম টেক আইটিতে যোগ দেন জয়ন্তী। সেখান থেকেই ফ্রিল্যান্সিংয়ের বিভিন্ন বিষয় শেখার পাশাপাশি নিজেকে ভবিষ্যতের কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করছেন।
নিজের স্বপ্নের কথা বলতে গিয়ে জয়ন্তী মনি পাহান বলেন,
“আমরা গরিব মানুষ। চাকরির পেছনে না ছুটে আমি আমার বড় বোন দুলালী পাহানের হাত ধরে ২০২৫ সালে ড্রিম টেক আইটিতে যোগদান করি। আমি চাই, আমি এই দেশের একজন ফ্রিল্যান্সার হয়ে দেশ ও দেশের বাইরের কাজ করে উপার্জন করতে। সেই উপার্জনের মাধ্যমে আমি আমার পরিবারের পাশে দাঁড়াতে চাই।”
পরিবারের আর্থিক কষ্টের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন,
“আমরা গরিব মানুষ, দিন আনি দিন খাই। একদিন কাজ না করলে আমাদের কপালে ভাত নেই। আমাদের এমন সামর্থ্যও নেই যে অনেক টাকা খরচ করে কোনো চাকরি করব। তাই আমি চাই নিজের দক্ষতা দিয়ে কাজ শিখে নিজের পায়ে দাঁড়াতে।”
স্বপ্নের সঙ্গে জড়িয়ে আছে পরিবারের ভবিষ্যৎ
জয়ন্তীর কাছে ফ্রিল্যান্সিং শুধু একটি পেশা নয়; এটি নিজের ও পরিবারের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার একটি সম্ভাবনা। পড়াশোনার পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে তিনি এমন একটি কর্মক্ষেত্র তৈরি করতে চান, যেখানে নিজের সময় ও সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করতে পারবেন।
তাঁর স্বপ্নের সবচেয়ে বড় অংশ জুড়ে রয়েছে মা-বাবা। পরিবারের কষ্ট তিনি কাছ থেকে দেখেছেন। তাই ভবিষ্যতে নিজের উপার্জনের মাধ্যমে তাঁদের পাশে দাঁড়াতে চান। পরিবারের আর্থিক সংকট কিছুটা হলেও দূর করে মা-বাবার মুখে হাসি ফোটানোই তাঁর অন্যতম লক্ষ্য।
আদিবাসী তরুণীদের জন্যও হতে পারে অনুপ্রেরণা
জয়ন্তী মনি পাহানের এই পথচলা শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের স্বপ্ন নয়; এটি প্রত্যন্ত এলাকার অনেক তরুণ-তরুণীর জন্য একটি বার্তাও বহন করে। সুযোগ ও সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের সন্তানরাও প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জন করে নিজের কর্মসংস্থানের পথ তৈরি করতে পারেন।
বিশেষ করে আদিবাসী পরিবারের মেয়েদের জন্য জয়ন্তীর এই উদ্যোগ একটি ইতিবাচক উদাহরণ হতে পারে। প্রচলিত চাকরির পাশাপাশি বর্তমান ডিজিটাল যুগে ফ্রিল্যান্সিং ও অনলাইনভিত্তিক কাজের মাধ্যমে আত্মনির্ভর হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে—এই বিশ্বাস নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
স্বপ্ন দেখছেন নিজের পরিচয়ে পরিচিত হওয়ার
জয়ন্তী মনি পাহান এখনো তাঁর স্বপ্নের পথের শুরুতে। সামনে রয়েছে আরও শেখার সময়, আরও পরিশ্রম এবং নিজেকে দক্ষ করে তোলার সুযোগ। তবে তাঁর চোখে ভবিষ্যতের যে স্বপ্ন, সেখানে রয়েছে আত্মনির্ভরতার দৃঢ় প্রত্যয়।
তিনি চান, একদিন তাঁর পরিচয় শুধু একজন শিক্ষার্থী হিসেবে নয়, বরং একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হিসেবেও তৈরি হোক। দেশ ও দেশের বাইরের মানুষের কাজ করে নিজের যোগ্যতায় উপার্জন করবেন—এটাই তাঁর স্বপ্ন।
দারিদ্র্য হয়তো তাঁর পথকে কঠিন করেছে, কিন্তু স্বপ্নকে থামাতে পারেনি। বড়ভিটা গ্রামের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে দিনাজপুর শহরে এসে পড়াশোনার পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জনের যে চেষ্টা জয়ন্তী মনি পাহান করছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।
স্বপ্ন পূরণের এই পথচলায় জয়ন্তী মনি পাহানের সবচেয়ে বড় শক্তি তাঁর ইচ্ছাশক্তি। আর সেই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে একদিন তিনি নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়াবেন—এমন প্রত্যাশাই তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষীদের।

মাদারগঞ্জে কালবেলা’র সাংবাদিক আকন্দ সোহাগের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জে কালবেলা’র সাংবাদিক আকন্দ সোহাগের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

জামালপুর প্রতিনিধি:জামালপুরের মাদারগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা মোঃ আবু সাঈদ সুজন (৩৬) ২১ অক্টোবর সন্ধ্যায় মাদারগঞ্জ মডেল থানায় এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ করেন।

​অভিযোগে কালবেলা’র প্রতিনিধি আকন্দ সোহাগকে (২৭) কে বিবাদী করা হয়েছে। সোহাগ উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের মোসলেমাবাদ আইগেনি পাড়া হোসেন আলী আকন্দের ছেলে।
​অভিযোগপত্র ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, আবু সাঈদ সুজন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন ও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। এর জের ধরে স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতকারীর সঙ্গে তাঁর বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগকারীর দাবি, সেই সূত্র ধরে আকন্দ সোহাগ সুজনের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সোহাগ ক্ষিপ্ত হন এবং তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার ও অপপ্রচারের হুমকি দেন। পরবর্তীতে সোহাগের ব্যবহৃত নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে ওই বিএনপি নেতার নামে অশ্লীল ও মানহানিকর বিভিন্ন বার্তা ও পোস্ট প্রচার করা হয়।
উল্লেখ্য যে, আনুমানিক ৩ মাস পূর্বে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় আরেকটি চাঁদাবাজির অভিযোগ হয়েছিল কালবেলার সাংবাদিক আকন্দ সোহাগ এর বিরুদ্ধে। পরে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে সেটা থেমে যায়। আনুমানিক ২০২২ সালে সাংবাদিকতায় এসেই মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয় এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নির্ভিক সাংবাদিকতা পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকায় মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের এক জরুরী সভায় ২৭ অক্টোবর/২০২২ ইং তারিখে সভাপতি/ সেক্রেটারি স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে সদস্য এবং সাধারণ সদস্য পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়। বছর দুয়েক পূর্বে নারী সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ও নির্লজ্জের মতো জনসম্মুখে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় তাকে।
​ভুক্তভোগী আবু সাঈদ সুজন বলেন, “এ ধরনের ভিত্তিহীন ও কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচারের কারণে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে আমার সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানাচ্ছি।”

​তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আকন্দ সোহাগ। মুঠোফোনে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি তাঁর (আবু সাঈদ সুজন) বাড়ি চিনিই না, সেখানে চাঁদাবাজির জন্য কেন যাব? আমি শুধু তাঁর বক্তব্য ফোনের মাধ্যমে নিয়েছিলাম, যার প্রমাণ আমার কাছে সংরক্ষিত আছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে এই লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এসব নিয়ে আমি বিচলিত নই এবং এতে আমার কোনো সমস্যা হবে না।”
​এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মোহাম্মদ আবুল হাসেম জানান, লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ণ
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন
  • বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: ‘মারে ভাসাইয়া জলে, কি ধন লইয়া জাইমু ঘরে। ঘরে গিয়া মা বলিব কারে গো’ গানের তালে তালে সুরমা নদীতে প্রতিমা বির্সজনের মধ্য দিয়ে সিলেটের বিশ্বনাথে ৬ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রতি বছর উপজেলা পরিষদ ঘাটে পৌর শহরের ৪টি প্রতিমা বিসর্জন করা হলেও এবছর বাসিয়া নদীর পানি ব্যাপকহারে কমে যাওয়ার ফলে সেখানে কোন প্রতিমা বিসর্জন করা হয়নি। পৌর শহরের ওই ৪টি প্রতিমা’সহ লামাকাজী ইউনিয়নের ৪টি মন্ডপের প্রতিমা’সহ ৮টি প্রতিমা দিঘলী গ্রাম এলাকায় সুরমা নদীতে প্রতিমা বিসর্জন করেন।
    বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে পৌর শহরের ৪টি মন্ডপের নেতৃবৃন্দ নিজেদের প্রতিমা নিয়ে প্রজেশন আকারে দিঘলী গ্রামস্থ প্রতিমা বিসর্জন স্থলে গিয়ে ওই এলাকার ৪টি মন্ডপের প্রতিমার সাথে সাথে নিজেদের প্রতিমা বিসর্জন করেন। প্রায় শুকিয়ে যাওয়া বাসিয়া নদীতে পানির পরিমাণ কমে যাওয়াটা যেনে সনাতন ধর্মালম্বীদের কাছে আরেকটি মিলনমেলায় পরিণত হয়। তাই ৮টি প্রতিমা বিসর্জনে প্রত্যেক মন্ডপের নেতৃবৃন্দ মিলেমিশে একাকার হয়ে যান।
    সরকারি বিধি-নিষেধের পাশাপাশি পূজা উদযাপন পরিষদের নিয়ম-নীতি মেনে উপজেলা ও পৌর শহরে অনুষ্ঠিত ২৬টি পূজামন্ডপের নেতৃবৃন্দ নিজেদের সুবিধামতো স্থানে প্রতিমা বিসর্জন সুষ্ঠ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করে ঘরে ফেরার ফলে সনাতন ধর্মালম্বীদের মনে বইছে আনন্দের বন্যা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরাসরি মনিটরিং করা হয় প্রতিমা বিসর্জন কার্যক্রম।
    শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতিমা বিসর্জনের সময় লামাকাজী ইউনিয়নের দিঘলী গ্রামে সুরমা নদীর তীরে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান, রামসুন্দর সরকারি অগ্রগামী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নবেন্দু জ্যোতি দে, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি তাপস দাশ পুরকায়স্থ, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সদস্য নিশি কান্ত পাল, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাবেক সহ সভাপতি রুপক কুমার দে, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য বাদল দেব, সুব্রত ধর বাপ্পী, সভাপতি সুনিল কান্তি দে, সহ সভাপতি বিজয় দে, সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে, যুগ্ম সম্পাদক গোবিন্দ মালাকার, কাজল মালাকার, কোষাধ্যক্ষ প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন দেব, দপ্তর সম্পাদক প্রনয় পাল বাপন, সহ দপ্তর সম্পাদক মিন্টু মালাকার, প্রচার সম্পাদক অজিত দেব, গণসংযোগ সম্পাদক শুভরাজ চন্দ, সহ গণসংযোগ সম্পাদক বিজয় চন্দ দে, সদস্য সুভাষ চন্দ্র দেব, নেপাল দেব, বিজয় বৈদ্য বারিন্দ্র, অজয় দেব, সৌমিত্র ধর মিশু, ধ্রুব জ্যোতি দে উজ্জল প্রমুখ’সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গ।
    সুষ্ট, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সিলেটের বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন হওয়ার জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন, থানা প্রশাসন, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সমগ্র উপজেলাবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশ্বনাথ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুনিল কান্তি দেও সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে।

মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন ও লিফলেট বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন ও লিফলেট বিতরণ

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ,জামালপুর প্রতিনিধি:জামালপুরের মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে চর সগুনা বাজার থেকে শুরু করেন ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম খান শত শত কর্মী সমর্থক নিয়ে অত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোটরসাইকেল শো-ডাউন করেন তিনি। চর সগুনা বাজার, কাহেতপাড়া বাজার, বাংলা বাজার, বীর ঘোষেরপাড়া করিমুজ্জামান মোড়, ঘোষের পাড়া মিলন বাজার, সবিলাপুর আইনলের মোড়, বেলতৈল বাজার, গুদার বাজার, বাগবাড়ী হাইস্কুল মোড় আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরেন এবং লিফলেট বিতরণ করেন পরে নিজবাড়ী প্রাঙ্গণে এসে শো ডাউন শেষ করেন। প্রার্থীর সাথে কর্মী সমর্থকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তিনি মেলান্দহ উপজেলার ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দীর্ঘদিন। এ ছাড়াও তিনি বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত থেকেও সমাজ,এলাকা তথা ইউনিয়নবাসীকে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম চালিয়েছেন। ইউনিয়নকে মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে এবং ইউনিয়নবাসীর উন্নয়নে সেবা করার লক্ষ্যে আগামী ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম খান সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।