খুঁজুন
সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ২১ বৈশাখ, ১৪৩৩

তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. দুলাল হোসেন শশরা ইউনিয়ন বিএনপি’র মত বিনিময়

মাসুদুর রহমান, দিনাজপুর প্রতিনিধি।
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ জুন, ২০২৫, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. দুলাল হোসেন শশরা  ইউনিয়ন বিএনপি’র মত বিনিময়

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কর্তৃক জাতির সামনে উপস্থাপিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা নিয়ে দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. মোফাজ্জল হোসেন দুলাল সদরের শশরা ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মী ও স্থানীয় সাধারণ মানুষের সাথে মতবিনিময় করেছেন।

শুক্রবার (১৩ জুন ২০২৫) ৫:৩০ ঘটিকায় সদর উপজেলার ফুলতলা বাজারে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শশরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ আমিরুল ইসলাম ডাল্টনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সভাপতি এ্যাড. মোফাজ্জল হোসেন দুলাল।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে তৃনমূলের বিএনপির নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান। পাশাপাশি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. মোফাজ্জল হোসেন দুলালকে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার জন্য বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারনি কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান। কারণ এর আগে তিনি সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে বিপুর ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়া তিনি আউলিয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। এসব বিবেচনায় কেন্দ্রীয় বিএনপি এ্যাড. মোফাজ্জল হোসেন দুলালকে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার দাবি জানান তারা।

মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির কৃষি বিয়ষক সম্পাদক ও দিনাজপুর জেলা ট্রাক মালিক গ্রুপের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফজলুর রশিদ ফজলু, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফরিজার রহমান তপু, সদর উপজলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও শশরা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আইনুল হক, শশরা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আব্দুল বারী, জেলা জাসাসের সদস্য সচিব ও শশরা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ হুমায়ুন কবির আনাফ, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মকসেদুল ইসলাম বাবু, শশরা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ খাদেমুল ইসলাম কচু প্রমূখ।

মতবিনিময় সভায় শশরা ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, কৃষকদল, শ্রমিকদল, মতস্যজীবী দলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসহযোগি সংগঠনের বিপুলসংখ্যাক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা ও ছাত্রদলকে আরো শিক্ষার্থীবান্ধব করতে কাজ করবো : ইমরুল কায়েস

মামুন রণবীর | নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ণ
শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা ও ছাত্রদলকে আরো শিক্ষার্থীবান্ধব করতে কাজ করবো : ইমরুল কায়েস

ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আনন্দমোহন কলেজ ছাত্রদলের সদ্য ঘোষিত কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার ইমরুল কায়েস।

​গত ২ মে রাতে সারাদেশে জেলা ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ ছাত্রদলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখার কমিটি ঘোষণা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরের যৌথ স্বাক্ষরে আনন্দমোহন কলেজ শাখার নতুন কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়।

​ইমরুল কায়েসের পদপ্রাপ্তির খবরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সহ বিভিন্ন মাধ্যমে নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের শুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছেন তিনি।

ইমরুল কায়েস বলেন, আমাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করায় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সংগ্রামী সভাপতি ও বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। সহ-সভাপতির দায়িত্ব পেয়ে আমি খুব আনন্দিত। এই আস্থা ও সম্মান আমাকে আরও দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করতে অনুপ্রেরণা জোগাবে। আনন্দমোহন কলেজ ছাত্রদলকে একটি সুসংগঠিত, ঐক্যবদ্ধ ও শিক্ষার্থীবান্ধব সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা এবং গঠনমূলক কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবো। আমি আমার সহযোদ্ধাদের সাথে নিয়ে সততা, নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে সংগঠনের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।

 ইটের ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা বন্ধ : ঠাকুরগাঁওয়ে গৃহবন্ধী একটি  পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
 ইটের ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা বন্ধ : ঠাকুরগাঁওয়ে গৃহবন্ধী একটি  পরিবার
  • ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ॥ প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে ঠাকুরগাঁওয়ে চলাচলের রাস্তায় ইটের দেয়ালের ব্যরিকেড দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে একটি পরিবারকে। ফলে বাসায় বৃদ্ধদের চিকিৎসার ওষুধ না নিতে পারা, ছেলে-মেয়েদের স্কুল মাদ্রাসায় না পাঠাতে পেরে এবং ঘর থেকে বের হতে না পারায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও খাবার সংগ্রহ করা অসম্ভব হয়ে পড়ায় মানবেতর জীবন যাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারটি। এ অবস্থায় দ্রুতই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে তারা।
  • জানাযায়, পাকিস্তান পিরিয়ডে তৎকালীন ঠাকুরগাঁও মহকুমার মুন্সিপাড়া গোরস্থান সংলগ্ন প্রায় ৯ শতাংশ জমি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ত্রাণ হিসেবে পান মো হাবিব। পরবর্তীতে হাবিবের দুই ছেলে আব্দুল নাইম ৩ শতাংশ এবং আব্দুল আজিজ (মুন্না) ৬ শতাংশ করে নেন। সময় যাবার সাথে সাথে অব্দুল আজিজ মুন্নার পরিবার আব্দুল নাইমের পরিবারের সে ৩ শতাংশ জমিও কেড়ে নেবার পায়তারা করে। এর পর থেকেই শুরু হয় আব্দুল নাইমের পরিবারের ওপর নির্যাতন। ২০১৬ সালে দুই পরিবারের মাঝে এ ধরনের সমস্যা দেখে এলাকাবাসীই উদ্যোগ নিয়ে স্থানীয় মেম্বার এবং গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ নিয়ে একটি সালিশ এর ব্যবস্থা করে এবং সেখানে একটি সমাধান দিয়ে দুই পরিবারের কর্তাবৃন্দের কাছেই লিখিত নেয়া হয়। তবে সে সালিশকে উপেক্ষা করে পুনরায় সে জমি কেড়ে নেবার পায়তারা শুরু করে আব্দুল আজিজের পরিবার এবং ভুক্তভোগী পরিবারটির ওপর চালায় অমানবিক নির্যাতন। যার ফলশ্রুতিতেই গত দু সপ্তাহ ধরে অবরুদ্ধ হয়ে রয়েছে আব্দুল নাইমের পরিবারটি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভুক্তভোগী পরিবারটির ছোট থেকে বড় সকলেই অনেক কষ্ট করে সে ইটের দেয়ালের ব্যারিকেড পার হয়ে তাদের অতিপ্রযোজনীয় কাজ গুলো সারছেন। পরিবারের শিশুরা কোনদিন স্কুল মাদ্রাসায় যেতে পারছে কোননি পাছেনা। মহিলারা জীবনের ঝুকি নিয়ে অন্যের দেয়ালে ঝুলে পার হচ্ছেন সে ব্যারিকেড।

ভুক্তভোগী পরিবারের রানী আক্তার জানান, আমার শশুর বাড়ি এটি। এখানে আমাদের অবরুদ্ধ করে রাখায় আমরা যেমন তেমন ভাবে বেঁচে আছি। আমার সন্তানদের নিয়ে কি করবো আর তাদের মুখে খাবার তুলে দেবোই বা কিভাবে আর তাদের স্কুল মাদ্রাসাতেই পাঠাবো কিভাবে জানিনা। যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছি, দেখাযাক আল্লাহ কপালে কি রেখেছেন।

রানী আক্তারের ৯ বছরের ছেলে মিরাজ আলম বলে, আমি মাদ্রাসায় হেফজ পড়ছি। প্রতিদিন যেতে পারিনা। কেউ সাহায্য না করলে রাস্তা পার হতে পারিনা। আমাদের খুব ভয় লাগে এভাবে। কবে যে আবার আগের মত মাদ্রাসায় যেতে পারবো জানিনা।

রাস্তা বন্ধ করে চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও পরিবারটিকে অবরুদ্ধ করে রাখার ব্যাপারে অভিযুক্ত আব্দুল আজিজের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে না পেয়ে ছোট ছেলে মন্টির সাথে কথা হলে তিনি ইটের ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা বন্ধের বিষয়টি স্মীকার করে বলেন, এ বিষয়ে যেনো কেউ সমাধানে আসে এ জন্যই আমরা এ রাস্তা বন্ধ করেছি। তবে ভুক্তভোগী পরিবারটির মানবেতর জীবনযাপন প্রসঙ্গে তিনি এরিয়ে যান।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে (এসিল্যান্ড) ভূমি কর্মকর্তার স্মরনাপন্ন হতে বলেন।
সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা (সহকারী কমিশনার ভূমি) আশাদুল হক এর স্মরনাপন্ন হলে তিনি বলেন, আমাদের কাছে এ বিষয়ে কোন অভিযোগ আসেনি। তবে পথ বন্ধ করা আইনত অন্যায়, কেউ যদি এমন করে থাকে তাহলে অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ধর্ষণের শিকার ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৬:০৪ পূর্বাহ্ণ
ধর্ষণের শিকার ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক

ডেস্ক রিপোর্ট:   নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ১২ বছরের মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। পরে ওই ছাত্রী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ায় মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষকের নাম আমান উল্লাহ সাগর। তিনি হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মদন থানায় ভুক্তভোগীর মা আমান উল্লাহ সাগরকে অভিযুক্ত করে অভিযোগটি দায়ের করেন। অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার পাঁচহার গ্রামে ২০২২ সালে হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। একই মাদরাসাতে তার স্ত্রীও প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত আছেন। ভুক্তভোগীও একই এলাকার বাসিন্দা। মেয়েটির মাকে ছেড়ে গেছে তার বাবা। জীবিকার তাগিদে শিশুটির মা সিলেটে গৃহ পরিচারিকার কাজ করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি তার নানির কাছে থেকে ওই মাদরাসায় লেখাপড়া করতো।

অভিযোগ রয়েছে, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর ওই মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনা কাউকে জানালে প্রাণনাশের ভয় দেখান ওই মাদরাসা শিক্ষক। পরবর্তীতে এপ্রিল মাসের ১৮ তারিখে ওই শিক্ষক ছুটিতে যাওয়ার পর আর মাদরাসায় আসেননি বলে জানিয়েছেন মাদরাসার আরেক শিক্ষক। আর ভুক্তভোগী ছাত্রী গত পাঁচ মাস ধরে মাদরাসায় আসা বন্ধ করে দেয়।

পরবর্তীতে শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন দেখে সন্দেহ হয় পরিবারের। তখন তার মা সিলেট থেকে এসে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারে ঘটনা। শিশুটি মাদরাসার শিক্ষকের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে জানায়। এরপর শিশুটিকে নিয়ে মদন উপজেলার বেসরকারি মেডিকেলে গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. সায়মা আক্তারকে দেখান। তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান, মেয়েটি ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

এ বিষয়ে ডাক্তার সায়মা আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বাচ্চাটি তার মায়ের সঙ্গে ক্লিনিকে আসে এবং জানায় যে তার পেট সবসময় ভারী লাগে এবং পেটের ভেতর কিছু একটা নড়াচড়া করছে বলে মনে হয়। চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা করে দেখতে পান যে বাচ্চাটি প্রচণ্ড রক্তশূন্যতায় ভুগছে। তার শরীরে রক্ত নেই বললেই চলে
এই গাইনি চিকিৎসক আক্ষেপ করে বলেন, ১১ বছর বয়সী এই শিশুটির আসলে একজন শিশু বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাকে গাইনোকোলজিস্টের কাছে আসতে হয়েছে এমন একটি সমস্যা নিয়ে, যা সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে দেখা যায়। মেয়েরা জন্মের সময় থেকেই ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণু নিয়ে জন্মায়। সাধারণত ১১-১২ বছর বয়সে এই ডিম্বাণুগুলো পূর্ণতা পায় এবং প্রথম মাসিকের মাধ্যমে তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। শিশুটি তার জীবনের প্রথম মাসিক হওয়ার অভিজ্ঞতা পাওয়ার আগেই গর্ভবতী হয়ে পড়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে শিশুটি এবং তার পরিবার বর্তমানে এক গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম জানান, এ ধরনের একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আমি এখানে নতুন যোগদান করায় বিস্তারিত বলতে পারছি না। তবে আইন তার নিজস্ব প্রক্রিয়া মেনে এগিয়ে যাবে।