খুঁজুন
শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন, ১৪৩২

কচাকাটা সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকদের পুশইন ঠেকালো বিজিবি – জনতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ জুন, ২০২৫, ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ
কচাকাটা সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকদের পুশইন ঠেকালো বিজিবি – জনতা

কচাকাটা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফের পুশইন নিয়ে রাতভর চলে উত্তেজনা। পুশইন ঠেকাতে প্রায় ১ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় মানব দেয়াল সৃষ্টি করে রাতভর পাহারা দেয় হাজারো স্থানীয় জনতা। এসময় বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বিজিবি ও আনসার ভিডিপি পুশইন ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নেয়। শুক্রবার রাতে কচাকাটা থামার কেনার ইউনিয়নের শোভারকুটি ও শিপেরহাট সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, গতকাল সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভারতের আসাম রাজ্যের ধুবরী জেলার গোলকগঞ্জ থানার বিএসএফ ৫০/৬০জন নাগরীককে বাংলাদেশর সীমান্ত লাগোয়া ভারতের ফাইসকারকুটি গ্রামের একটি স্কুলে পুশইন করার জন্য জড়ো করে। পরে সীমান্ত গ্রামটির সব লাইট বন্ধ করে পুশইন করার চেষ্টা করে বিএসএফ।

এ খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে শতশত জনতা সীমান্তে অবস্থান নিয়ে পাহারা বসায়। পরে কুড়িগ্রাম ২২ বিজিবির কচাকাটা ও কেনার ক্যাম্পের সদস্য ও আনসার ভিডিপির কয়েকটি টিম সীমান্তে কঠোর অবস্থান নেয়। অপর দিকে বিএসএফও অবস্থান নেয় ভারতীয় সীমান্তে।

পরে রাত ২টার দিকে শূণ্য রেখায় অবস্থান নেয় বিএসএফ। এসময় বিএসএফ কয়েক দফা বিজিবির সাথে কথা বলতে চাইলে বিজিবি তা প্রত্যাক্ষান করে। পরে রাত তিনটার দিকে শূণ্য রেখা সরে যায় বিএসএফ।

কুড়িগ্রাম-২২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহাবুব উল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ অবৈধভাবে কাউকে পুশইন করতে না পারে সেজন্য বিজিবি, আনসার সদস্যসহ সীমান্তবাসি যৌথ ভাবে পাহারা দিচ্ছে। সীমান্তে টহল জোরদার করা হয়েছে।

মাদারীপুরে চাঁদা না পেয়ে সাংবাদিকের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, সন্ত্রাসী হামলায় নারী-শিশুসহ আহত একাধিক

এস এম সোহাগ কাজী মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
মাদারীপুরে চাঁদা না পেয়ে সাংবাদিকের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, সন্ত্রাসী হামলায় নারী-শিশুসহ আহত একাধিক

মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদী ইউনিয়নে চাঁদা না পেয়ে এক সাংবাদিকের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশুসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি নিয়ে সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ হোসেন খান জানান, একই এলাকার মৃত বাবন খাঁর ছেলে জাভেদ খাঁ ও তার ছেলে সুজন খাঁ দীর্ঘদিন ধরে তাকে এবং তার পরিবারের সদস্যদের নানা ভাবে হয়রানি করে আসছিল। বিভিন্ন সময় তার কাছে নগদ চাঁদা দাবি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্তরা তা অমান্য করে এবং ক্ষতিসাধনের হুমকি দিতে থাকে।

অভিযোগে বলা হয়, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ৯ মার্চ ২০২৬ রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটের দিকে তার বসতবাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। এতে প্রায় ৩ লাখ ২০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এর ধারাবাহিকতায় ১১ মার্চ দুপুর আনুমানিক ১টা ১০ মিনিটের দিকে আগুন দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় জাভেদ খাঁর নির্দেশে সুজন খাঁ, ইমরান খান, রোমান খান, নাছিমা বেগম, মুনি বেগমসহ আরও ১০–১২ জন সংঘবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার বাড়ির উঠানে এসে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সাংবাদিক মাসুদ হোসেন খান বলেন, হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দিলে আত্মরক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে তার ডান হাতের কব্জিতে গুরুতর জখম হয়। পরে লোহার রড দিয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ সময় তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে তার মেয়ে ইসমিতা খান মমির চুল ধরে টানাহেঁচড়া করা হয় এবং তার গলায় থাকা প্রায় এক ভরি তিন আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক আরও বলেন, তিনি আইনের আশ্রয় নেওয়ার কথা জানালে অভিযুক্তরা তাকে ও তার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে।

মাসুদ হোসেন খান বর্তমানে এশিয়ান টেলিভিশনের মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। এছাড়া তিনি দৈনিক গণতদন্ত পত্রিকার মফস্বল সম্পাদক, দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক এবং কয়েকটি জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (বিএমএসএস)-এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পর্ষদের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদেও দায়িত্বে রয়েছেন

ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) কর্তৃক মালিকবিহীন অবস্থায় ৯ লাখ ১০ হাজার ৫০০ টাকার মাদক ও চোরাচালান মালামাল আটক

মাসুদুর রহমান, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ
ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) কর্তৃক মালিকবিহীন অবস্থায় ৯ লাখ ১০ হাজার ৫০০ টাকার মাদক ও চোরাচালান মালামাল আটক

দিনাজপুর সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান মালামাল আটক করেছে ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি)।
১০ ও ১১ মার্চ ২০২৬ তারিখে ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) এর অধীনস্থ বিরামপুর বিশেষ ক্যাম্প, কাটলা বিশেষ ক্যাম্প, মনিপুর বিওপি ও দাইনুর বিওপি পৃথক পৃথকভাবে মোট ৬টি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ৩৩,৬৭০ পিস বাংলাদেশি মদ তৈরির বড়ি, ২৮৭ বোতল বাংলাদেশি যৌন উত্তেজক সিরাপ, ২৪ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল, ২০৭ বোতল ভারতীয় এসকাফ সিরাপ, ৯০০ পিস ভারতীয় নেশাজাতীয় ইনজেকশন এবং ১টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়।
আটককৃত মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান মালামালের সিজার মূল্য ৯,১০,৫০০ (নয় লক্ষ দশ হাজার পাঁচশত) টাকা বলে বিজিবি সূত্রে জানা গেছে।
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক ও চোরাচালানের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আমি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত, আপনাদের পাশে সবসময় আছি — এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম

মাসুদুর রহমান, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি।
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ
আমি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত, আপনাদের পাশে সবসময় আছি — এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম

দিনাজপুর সদরের উত্তর ফরিদপুর ও মহাজনপাড়া এলাকাবাসীর উদ্যোগে রবিবার (৮ মার্চ) জনতা ক্লিনিক মোড়ে দিনাজপুর সদর-৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এমপি’র সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এমপি। তিনি বলেন, “আমি আপনাদের ভোটে এমপি হয়েছি। আপনারাই আমাকে তিনবারের মেয়র থেকে এমপি বানিয়েছেন। আমি দিনাজপুর সদরকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সুখে-দুঃখে আগেও যেমন আপনাদের পাশে ছিলাম, এখনো আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব।”
তিনি আরও বলেন, দিনাজপুর সদরের সব রাস্তাঘাট নতুনভাবে নির্মাণ করা হবে, যাতে জনগণের কোনো ভোগান্তি না থাকে। পর্যায়ক্রমে কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে বলেও তিনি জানান। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রণালয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার নুরুল হুদা, ডা. সাইফুর রহমান, মঞ্জুর মুর্শেদ সুমন, এ.আই. মিজানুর রহমান, মোস্তফা কামাল মিলন, মোজাফফর হোসেন, শামসুল আলম চৌধুরী, মিজানুর রহমান, আইয়ুব আলী, মোকসেদুল ইসলাম টুটুল ও সাজ্জাদ হুমায়ুনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।