ঢাকারবিবার , ১১ অক্টোবর ২০২০
  • অন্যান্য
  1. অপরাধ
  2. অর্থনৈতিক
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম
  6. খুলনা
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চট্টগ্রাম
  10. জাতীয়
  11. জেলা/উপজেলা
  12. জোকস
  13. ঢাকা
  14. তথ্য প্রযুক্তি
  15. ধর্ম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হরিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বহির্বিভাগের টিকিটের মূল্য বেশি নেওয়ার অভিযোগ

একুশে বার্তা
অক্টোবর ১১, ২০২০ ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক হরিরামপুর,মানিকগঞ্জ:

মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগের টিকিটের মূল্য বেশি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি ভাবে টিকিটের মূল্য তিন টাকা নির্ধারিত থাকলেও নেয়া হয় পাঁচ টাকা করে। তবে, চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা খুচরা দিতে না পারার কারণে পাঁচ টাকা নেয়া হলেও পরে এসে দুই টাকা ফেরত নিয়ে যেতে বলা হয় বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, সকাল ১০টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত বহির্বিভাগ খোলা থাকে। প্রতিদিন প্রায় দুইশ’ রোগী বহির্বিভাগে টিকিট কেটে থাকেন। সরকারি ভাবে টিকিটের নির্ধারিত মূল্য তিন টাকা।

সরজমিনে দেখা যায়, বহির্বিভাগের টিকেট কাউন্টারে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের দীর্ঘ সারি। তাদের টিকিট দিচ্ছেন অফিস সহায়ক শিমুল মিয়া। তাকে সহযোগিতা করছেন অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. ফারুক।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অন্তত ১২ জন রোগী ও তাদের স্বজনদের সাথে কথা বলে জানা যায়, টিকিটের মূল্য হিসেবে তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে পাঁচ টাকা করে নেয়া হয়েছে। কাউকেই পরবর্তীতে এসে দুই টাকা ফেরত নেওয়ার কথা বলা হয়নি। তারা জানেন না টিকিটের সরকারি নির্ধারিত মূল্য তিন টাকা। তারা জানান, টিকিটের মূল্য নিয়মিতই পাঁচ টাকা করে নেয়া হয়।

চিকিৎসা নিতে আসা বয়ড়া গ্রামের কৌশল্যা জানান, তার কাছ থেকে টিকিটের মূল্য পাঁচ টাকা নেয়া হয়েছে।

রোকেয়া বেগম নামের এক নারী জানান, তার কাছ থেকেও পাঁচ টাকা নেয়া হয়েছে। তিনি দশ টাকার নোট দিলে তাকে পাঁচ টাকা ফেরত দেয়া হয়েছে।

খলিলপুর গ্রামের সুমি জানান, তার কাছ থেকে টিকিটের মূল্য পাঁচ টাকা নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, টিকিটের মূল্য পাঁচ টাকা করেই নেয়।

জানতে চাইলে টিকিট কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা অফিস সহায়ক শিমুল মিয়া বলেন, খুচরা না থাকলে পাঁচ টাকা নেয়া হয়। তাদেরকে বলে দেয়া হয় পরবর্তীতে এসে দুই টাকা নিয়ে যেতে।

হরিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইসরাত জাহান বলেন, তিন টাকা যারা খুচরা দিতে পারেন না তারা পাঁচ টাকা দেন বা তাদের কাছ থেকে পাঁচ টাকা নেয়া হতে পারে। তবে তাদেরকে পরে এসে দুই টাকা ফেরত নিয়ে যাওয়ার কথা বলে দেয়া হয়। কেউ নিতে আসলে নিলো, কেউ না নিতে আসলে তো আর কিছু করার নেই।

মানিকগঞ্জ সিভিল সার্জন আনোয়ারুল আমিন আখন্দ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে আইন মোতাবেক টিকিটের অধিক মূল্য নেওয়ার কোন সুযোগ নেই। যদি বেশি নিয়ে থাকে, তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রিয় পাঠক, আপনিও একুশে বার্তা অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, এখন আমি কী করব, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন ekusheybartaonline@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।

x