খুঁজুন
রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৬ বৈশাখ, ১৪৩৩

দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির ৩ সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির ৩ সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলা

নেত্রকোণার দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেছে কলি হাসান নামের অপর সাংবাদিক।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) নেত্রকোণা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটি দায়ের করা হয়। দ্রুত বিচার মামলা সি আর নং-৮(১)/২৬। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এর বিচারক নুসরাত জাহান মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

এই মামলায় অভিযুক্তরা হলেন, সিরাজুল ইসলাম ওরফে সজীম শাইন, পলাশ সাহা এবং আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে মামুন রণবীর। তাদের মধ্যে সজীম শাইন দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বর্তমান কমিটির আহ্বায়ক, পলাশ সাহা দুবারের নির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক এবং মামুন রণবীর তিনবারের নির্বাচিত সহ সভাপতি। তারা প্রত্যেকেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে সুনামের সাথে কাজ করে আসছেন। এছাড়া তারা বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথেও যুক্ত রয়েছেন। দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির সূচনালগ্ন থেকেই তারা সততা,বস্তুনিষ্ঠতা ও দক্ষতার সাথে উক্ত সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাদের সম্মানহানি ও হয়রানি করতে এই মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে কলি হাসান।

মামলার বিবরণে বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংগঠনের তিন সদস্য সভাপতি কলি হাসানকে অফিস কক্ষে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি ও মারধরের চেষ্টা করেন। এ সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির ওই মিটিংয়ে উপস্থিত বিভিন্ন সদস্যের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সেদিন মিটিংয়ে কলি হাসানের সাথে সংগঠনের বিভিন্ন বিষয়ে কথাবার্তা হয় সদস্যদের। তারা ওই মিটিংয়ে রেজ্যুলেশনে উল্লেখিত বিভিন্ন বিষয়ে কলি হাসানের কাছে ব্যাখ্যা জানতে চান। কলি হাসান সদুত্তর দিতে না পেরে বারবার সদস্যদের থামিয়ে দেন এবং কথা বলতে বাধা দেন। কোন কোন সদস্যকে বলেন, সাংগঠনিক বিষয় নতুন করে শিখে এসে মিটিংয়ে বসতে। একপর্যায়ে সদুত্তর দিতে না পেরে, সাধারণ সম্পাদকের সাথে কথা না বলেই সম্পূর্ণ এককভাবে তড়িঘড়ি করে মিটিং স্থগিত করার ঘোষণা করেন। সাধারণ সম্পাদক নিয়মনীতি মেনে মিটিং সমাপ্ত করার কথা বললেও কলি হাসান কোন কর্ণপাত করেনি।

দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির সদস্যরা বলেন, সংগঠনের সদস্যদের প্রতি তৎকালীন সভাপতি কলি হাসানের অসদাচরণ, সদস্যদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত, সদস্যদের অবমূল্যায়ন করা, বিভিন্ন সাংগঠনিক বিষয়ে স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কারো সাথে পরামর্শ না করে একক সিদ্ধান্তে যাচ্ছেতাইভাবে সংগঠনের সুনাম ক্ষুন্ন করে কর্মসূচি করা সহ প্রাসঙ্গিক বিভিন্ন কারণে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক সহ বর্তমান পর্ষদের প্রতি অনাস্থা এনে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি উক্ত পর্ষদ বিলুপ্তি করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরে সংগঠনের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়। উক্ত সিদ্ধান্তগুলোতে সংগঠনের ১৩ জন সদস্যের মধ্যে ১০ জন সদস্য লিখিতভাবে একমত পোষণ করেন। পরে এটি নিউজেও প্রকাশিত হয়।

সংগঠনের সদস্যরা বলেন, এই আহ্বায়ক কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে কলি হাসান নতুন চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র শুরু করে। এরই প্রেক্ষিতে সে বিভিন্ন ঘটনার অবতারণা করে এবং সংগঠনে ভাঙন ধরানোর পাঁয়তারা করে।

কলি হাসান গত ৩ মার্চ দুর্গাপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। সেখানে উল্লেখ করেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত অনুমান ০৮:৪৫ ঘটিকায় অফিসে গিয়ে আমার সংরক্ষিত ড্রয়ারের আমার ব্যক্তিগত গুরুত্বপূর্ণ নথি, সংগঠনের বিভিন্ন দপ্তরের আবেদনের অনুলিপি, আমার ব্যবহৃত সীল, সাংবাদিক ০২টি আইডি কার্ড, জিআর চাল বিক্রয়ের ৩৫,০০০/- (পঁয়ত্রিশ হাজার) টাকা, টেবিলের উপরে থাকা একটি ডায়রী, সাংবাদিক লগোযুক্ত একটি গ্লাস যথাস্থানে পাই নাই। তখন টেবিলের উপরে আমার ব্যবহৃত নেম প্লেটটি ভাঙা অবস্থায় দেখতে পাই।

সাংবাদিক সমিতির তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম সজীব এবং নির্বাহী সদস্য দিলোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, থানায় সাধারণ ডায়েরিতে কলি হাসান যে সময় উল্লেখ করেছেন সেই সময়ে অফিস সম্পূর্ণ আগের অবস্থাতেই ছিল।

শফিকুল আলম সজীব বলেন, আমি রাত ৯:৩০ পর্যন্ত অফিসে ছিলাম। ওই সময় পর্যন্ত অফিসের সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। কলি হাসান মূলত মিথ্যা অভিযোগ করেছে। সে জিআর চাল বিক্রির বিষয়টি কাউকে না জানিয়েই করেছে। এটি সম্পূর্ণ সংগঠন বিরোধী কাজ। অনেক সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড সে আমাকে বা কাউকে না জানিয়ে একাই সিদ্ধান্ত নিয়ে করেছে। যা সম্পূর্ণরূপে সংগঠনের গঠনতন্ত্রবিরোধী।

দিলোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, কলি হাসান প্রাণনাশের হুমকি উল্লেখ করে যে মামলাটি দায়ের করেছে তা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা মামলা। যাদের অভিযুক্ত করে মামলা করা হয়েছে তারা দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে সাংবাদিকতা করছেন। মূলত তাদেরকে হয়রানি করতে এই মামলা করেছে কলি হাসান। আমরা এই হীন কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই। কলি হাসান জিআর চাল বিক্রির টাকা নিজে আত্মসাৎ করতেই এতো নাটক সাজাচ্ছে।

সাংবাদিক সমিতির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আদনানুর রহমান বলেন, কলি হাসানের এই ন্যাক্কারজনক কান্ডের নিন্দা জানায় সাংবাদিক সমিতি। তার বিরুদ্ধে যথাযথ সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির তিন সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে দুর্গাপুর সাংবাদিক সমাজ ও সুধী সমাজের নেতৃবৃন্দ।

রাণীশংকৈলে সেপটিক ট্যাংকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
রাণীশংকৈলে সেপটিক ট্যাংকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ  ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নের রবিবার (১৯ এপ্রিল) নয়াদিঘী এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে নেমে বিষাক্ত গ্যাসে শ্রীকান্ত (২৫) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মৃত ব্যাক্তি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সিন্দুর্না কোণপাড়া গ্রামের অষ্টম রায়ের ছেলে পেশায় তিনি রাজমিস্ত্রির সহকারী (লেভার) হিসেবে কাজ করতেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শ্রীকান্ত সেন্টারিংয়ের কাঠ খুলতে ট্যাংকের ভেতরে নামেন এসময় তাঁর কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে পরিবারের লোকেরা এলাকার লোকজনকে ডাকেন। ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা গ্যাসে শ্রীকান্ত অচেতন হয়ে পড়েন। অন্য শ্রমিকেরা ভেতরে না নেমে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে তাঁকে উদ্ধার করে রাণীশংকৈল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারী জানান–  পরিবারের অভিযোগ না থাকায় মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। 

ভাঙা মন্দিরে জ্ঞানের আলো, এগিয়ে চলেছে চন্দনা রাণীর পাঠশালা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫০ পূর্বাহ্ণ
ভাঙা মন্দিরে জ্ঞানের আলো, এগিয়ে চলেছে চন্দনা রাণীর পাঠশালা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:-ধর্মীয় শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধ ছড়িয়ে দিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ হিসেবে গড়ে উঠেছে চন্দনা রাণীর “মহলবাড়ি বেদ ও গীতা পাঠশালা”। ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার মহলবাড়ি এলাকায় প্রতিষ্ঠিত এই পাঠশালাটি ইতোমধ্যে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের শিশু-কিশোরদের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে।

পাঠশালাটিতে নিয়মিতভাবে বেদ ও গীতা পাঠের পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা, শিষ্টাচার, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় মূল্যবোধ সম্পর্কে পাঠদান করা হয়। প্রতি শুক্রবার বিকেলে এলাকার বিভিন্ন বয়সী শিক্ষার্থীরা এখানে অংশ নেয়। এছাড়াও বৈদিক নিত্যকর্মবিধি, ভজন, নৃত্য, ধ্যানযোগসহ নানা ধর্মীয় বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

জানা গেছে, প্রতিষ্ঠাতা অনার্স দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী চন্দনা রাণী নিজের উদ্যোগে গত বছরের মে মাসে প্রায় ৪০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে পাঠশালাটির কার্যক্রম শুরু করেন। বর্তমানে একটি ভাঙা মন্দিরে পরিচালিত এ পাঠশালায় শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়মিত অংশগ্রহণ করছে।

চন্দনা রাণী বলেন, “বর্তমান প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে ধর্মীয় শিক্ষার বিকল্প নেই। ছোটবেলা থেকেই শিশুদের নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ শেখাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

বারো বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী জানান, এখানে ছুটির দিনে আমাদের ধর্মীয় বিষয়ে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে আমাদের ধর্মীয় কাজে আগ্রহ বাড়ছে। এতে আমাদের খুব ভালো লাগছে।

স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, এ পাঠশালার মাধ্যমে তাদের সন্তানরা শুধু ধর্মীয় জ্ঞানই নয়, বরং শৃঙ্খলাবোধ, ভদ্রতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধও অর্জন করছে।

এলাকার সচেতন মহল মনে করেন, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা পাঠশালাটির প্রসার ও স্থায়িত্ব কামনা করেন।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের সহকারী প্রকল্প পরিচালক শাহ মো. মশিউর রহমান বলেন, “এ ধরনের উদ্যোগ শিশুদের নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে “। সেখানে শিক্ষার্থীদের বসার জায়গার সংকুলান না হলে  আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে সহযোগিতা করা হবে বলে জানান তিনি।

দিনাজপুরে স্বামীর সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ, সন্তানসহ নিরাপত্তাহীনতায় বিধবা নারী

মাসুদুর রহমান, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি।
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
দিনাজপুরে স্বামীর সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ, সন্তানসহ নিরাপত্তাহীনতায় বিধবা নারী

দিনাজপুর শহরে স্বামীর মৃত্যুর পর তার সম্পত্তিতে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা, ভরণ-পোষণ না দেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে কোতোয়ালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক বিধবা নারী।
অভিযোগকারী মোছাঃ হোসনে আরা হাসি (৩৭) দিনাজপুর শহরের নিমনগর বালুবাড়ী এলাকার বাসিন্দা। তিনি জানান, প্রায় ১৪ বছর আগে মৃত রবিউল ইসলামের সঙ্গে রেজিস্ট্রি কাবিননামার মাধ্যমে তার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের এক পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করে, যার বয়স বর্তমানে ১০ বছর।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, বিয়ের পর থেকে স্বামী তাকে ও সন্তানকে শহরের একটি ভাড়া বাসায় রেখে সংসার পরিচালনা করতেন। গত ৭ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে রবিউল ইসলাম স্ট্রোক করে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই তার দেবর, স্বামীর প্রথম স্ত্রী ও অন্যান্য স্বজনেরা তাকে এবং তার শিশুসন্তানকে সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করার অপচেষ্টা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি দাবি করেন, দিনাজপুর কোতোয়ালী থানার পুলহাট এলাকায় অবস্থিত স্বামীর মালিকানাধীন “পূরবী হাসকিং মিল” ও মিলের লাইসেন্স নিজেদের নামে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে স্বামীর মৃত্যু সনদপত্রও তাকে দেওয়া হচ্ছে না।
হোসনে আরা হাসি আরও অভিযোগ করেন, তিনি ও তার ছেলে আইনগতভাবে মৃত রবিউল ইসলামের উত্তরাধিকারী হলেও তাদের বাদ দিয়ে অন্যদের নামে ওয়ারিশ সনদপত্র তৈরি বা প্রস্তুতের চেষ্টা করা হচ্ছে।
এছাড়া, সন্তানের ভরণ-পোষণ ও নিজের ন্যায্য প্রাপ্য দাবি করলে অভিযুক্তরা তা দিতে অস্বীকার করেন। এমনকি তার শাশুড়ির সঙ্গে দেখা করতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যায় মোবাইল ফোনে ভরণ-পোষণ ও সম্পত্তির অংশ দাবি করলে তাকে গালিগালাজ করা হয় এবং মামলা করলে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। প্রয়োজনে মারধর ও খুনজখম করারও ভয়ভীতি দেখানো হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ ঘটনায় তিনি নিজের ও সন্তানের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
কোতোয়ালী থানার একটি সূত্র জানায়, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।