খুঁজুন
শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

দিনাজপুর জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

মাসুদুর রহমান, দিনাজপুর প্রতিনিধি।
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৫, ৬:২৪ অপরাহ্ণ
দিনাজপুর জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনি,  সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

বুধবার (৩০ এপ্রিল ২০২৫) দুপুর ২টায় জেলা আইনজীবী সমিতির নতুন ভবনের নিচতলা মিলনায়তনে এই আলোচনা সভা ও ঈদপূণর্মিলনি অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাডভোকেট আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা ও দায়রা জজ মোঃ আলমগীর কবির। এ সময় তিনি বলেন, একমাত্র বিচারক ও আইনজীবীদের নামের আগে বিজ্ঞ কথাটি বলা হয়, অন্য কোন পেশার ক্ষেত্রে এই কথাটি হয় না। তাই, আমরা যেন আমাদের মর্যাদা রক্ষা করতে পারি সকলকে এই চেষ্টা করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশেষ জেলা ও দায়রা জজ আল মাহমুদ ফায়জুল কবির, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল জজ মোঃ হুমায়ূন কবির, দিনাজপুরের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জুলফিকার উল্ল্যাহ।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট মোঃ খয়রাত আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা জজ আদালতের জিপি এ্যাডভোকেট মোল্লা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন।
অনুষ্ঠানে জেলা জজ আদালতের অন্যান্য বিচারকবৃন্দ, পিপি এ্যাডভোকেট মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম জেলা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান খান বিপুল, সহ-সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট মোঃ আব্দুর রহমান সোহাগ, জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী কমিটির সকল সদস্যসহ অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত, গীতাপাঠ ও জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। সব শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়।

জামালপুরের মাদারগঞ্জের বাঁধেরমাথা বাজারে বিট পুলিশিং মতবিনিময় সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৭:৫৩ অপরাহ্ণ
জামালপুরের মাদারগঞ্জের বাঁধেরমাথা বাজারে বিট পুলিশিং মতবিনিময় সভা

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিট পুলিশিং মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শনিবার বিকালে বালিজুড়ী ইউনিয়নের বাঁধেরমাথা বাজারে বিট পুলিশিং মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।  মাদক,জুয়া, নারী নির্যাতন,কিশোর গ্যাং,ইভটিজিং বাল্যবিয়ে,অশ্লীলতা,সন্ত্রাস,সাইবার অপরাধ এবং জঙ্গিবাদমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে সচেতনতামূলক বিট পুলিশিং মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুর জেলা সহকারী পুলিশ সুপার মাদারগঞ্জ সার্কেল মোস্তাফিজুর রহমান ভূঞা

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মাদারগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি স্নেহাশিস রায়।  মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সহ সভাপতি ও বালিজুড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল ইসলাম মুছা, ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আলম সোনারু , গণ্যমান্য ব্যক্তি আঃ ছালাম মন্ডলসহ স্থানীয়  গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন।
সভাপতিত্ব করেন বাঁধেরমাথা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি ডাঃ মোঃ শাহিনুর ইসলাম ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় বাঁধেরমাথা বাজার বণিক সমিতি সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন বন্যা। এ সময় অত্র এলাকার নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বাজার ব্যবসায়ীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা সকল অপরাধ দমনে মাদারগঞ্জ মডেল থানা পুলিশকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন এবং জনগণের বন্ধু হিসেবে পাশে থেকে মাদারগঞ্জ উপজেলায় মাদক,জুয়া,ইভটিজিং ও সন্ত্রাসমুক্ত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মডেল থানা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

 

মাদারগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান মে দিবসে র‍্যালী ও আলোচনা সভা 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ২:৩৩ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান মে দিবসে র‍্যালী ও আলোচনা সভা 

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জামালপুর প্রতিনিধি :মহান মে দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে জামালপুরের মাদারগঞ্জে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শুক্রবার বেলা ১১ টায় মাদারগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পৌরসভা চত্বর থেকে র‍্যালী উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়।  উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে ইউএনও সুমন চৌধুরী সভাপতিত্বে  আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সমাজসেবা অফিসার তৌফিকুল ইসলাম খালেক এর সঞ্চালনায়  বক্তব্য রাখেন 

মাদারগঞ্জ মডেল থানার ওসি স্নেহাশিস রায়, মাদারগঞ্জ পৌর বিএনপি সভাপতি আব্দুল গফুর, 

মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রতন আকন্দ, 

মাদারগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বারী,

উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ মাখন,পৌর সভাপতি বজলুর রশিদ সরকার,

শ্রমিকনেতা নান্নু পারভেজ,শ্রমিক শওকত আলী প্রমূখ। এ সময় উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুল মান্নান,  যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোখলেছুর রহমান মুখলেস ও যুগ্ম আহবায়ক হাফিজুর রহমান সাকু,  জেলা যুবদলের সদস্য আল আমিনসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও শ্রমিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।  আলোচনায় সভায় শ্রমিক ও শ্রমিকনেতাদের দাবীর প্রেক্ষিতে মাদারগঞ্জ পৌর বাস স্ট্যান্ড ও সিএনজি স্টেশনে দ্রুততম সময়ের মধ্যে  টয়লেট  স্থাপনের আশ্বাস দেন উপজেলা প্রশাসন মাদারগঞ্জ।

আজ আন্তর্জাতিক মে দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
আজ আন্তর্জাতিক মে দিবস

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি; বঞ্চনার মাঝে অধিকার আদায়ের এক অবিস্মরণী দিন মে দিবস। গ্রীষ্মের প্রচন্ড উষ্ণতায় মানুষ থেকে প্রানী সবাই হিমেল ছায়ার সন্ধানে ছুটে চলে। তপ্ত রোদ থেকে নিস্কৃতি পেতে পাখিরা আশ্রয় নেয় গাছের উঁচু মগডালে পত্র-পল্লবের ছায়ায়। বাগানে গাছের ছায়ায় কুকুর ছানারা আশ্রয় নিয়ে একহাত জিহ্বা বের করে গরম যন্ত্রনায় লালা ঝরিয়ে হাঁপ ছেড়ে বাঁচার চেষ্টা করে। বনের রাজা সিংহ সবচেয়ে শক্তিশালী হওয়ার পরও গরম তাকে এতই কাবু করে যে শেষ পর্যন্ত একটু প্রশান্তি খুঁজতে তাকে পানিতে নেমে পড়তে হয়। গরমের নিকট সবাই কাবু হয়ে যখন প্রশান্তির ছায়ায় আশ্রয় খুঁজে তখন শ্রমজীবি মানুষগুলোকে এতটুকু পর্যন্ত টলাতে পারেনা গ্রীষ্মের উষ্ণতা।

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এটা শ্রমিক দিবস হিসেবে পরিচিত। শ্রমজীবী মানুষের প্রেরণা ও আবেগের দিন এই পয়লা মে। ১৮৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে শ্রমের ন্যায্য দাবি প্রতিষ্ঠা করার আন্দোলনে আত্মাহুতি দিয়েছিল শ্রমিকরা। তাদের রক্তাক্ত স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ১৮৯০ সাল থেকে এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। তামাম পৃথিবীর প্রতিটি দেশেই মে মাসের ১ তারিখ নানা আয়োজনে পালন করা হচ্ছে শ্রমিক দিবস। বাংলাদেশও এই দিবসটি নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়ে আসছে। সরকারি-বেসরকারি নির্বিশেষে সকল পর্যায়ে মে দিবস এখন গুরুত্বসহকারে পালিত হচ্ছে। মে দিবস এলেই আমাদের সামনে ভেসে ওঠে ঘর্মাক্ত মেহনতি মানুষের প্রতিচ্ছবি। আর এই মেহনতি মানুষের অধিকারের প্রশ্নটিও সাথে সাথে উঠে আসে এই ঐতিহাসিক দিনে। তবে এই দিবসের তাৎপর্য অনেক। এর পেছনে রয়েছে একটি রক্তস্নাত ইতিহাস মে দিবস
আজ থেকে ১২৮ বছর আগের কথা। তখন বিশ্বের দেশে দেশে শ্রমজীবী মানুষের কষ্টের সীমা ছিল না। মালিকেরা নগণ্য পারিশ্রমিকের বিনিময়ে দরিদ্র মানুষের শ্রম কিনে নিতেন। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত হাড়ভাঙা শ্রম দিয়েও শ্রমিক তার ন্যায্য মূল্য পেতেন না। মালিকেরা উপযুক্ত মজুরি তো দিতেনই না, বরং তারা শ্রমিকের সুবিধা-অসুবিধা, মানবিক অধিকার ও দুঃখ-কষ্ট পর্যন্ত বুঝতে চাইতেন না। মালিকেরা তাদের অধীনস্থ শ্রমিককে দাসদাসীর মতো মনে করতেন। আর তাদের সাথে পশুর মতো ব্যবহার করতেন। সুযোগ পেলেই মালিকেরা শ্রমিকের ওপর চালাতেন নানা শারীরিক ও মানসিক নিপীড়ন। বলতে গেলে শ্রমিকের ন্যূনতম অধিকারও তখন রক্ষিত হতো না। মালিকেরা প্রায়শই কাজ ছাড়া শ্রমিকের কোনো কথা শুনতেন না। শ্রমিকের গায়ের ঘাম ও সীমাহীন শ্রমের বিনিময়ে মালিকের সম্পদের পাহাড় গড়ে উঠত। অথচ তার ছিটেফোঁটাও শ্রমিকের ভাগ্যে জুটত না। পরিবার-পরিজন নিয়ে শ্রমিকের কাটত দুর্বিষহ জীবন। তখন শ্রমিকের জন্য কাজের নির্দিষ্ট সময় যেমন ছিল না, তেমনি ছিল না মজুরির কোন নিয়ম-কানুন। ফলে শ্রমিকের শ্রমকে যথেচ্ছ ব্যবহার করে মালিক অর্জন করতেন সীমাহীন সম্পদ।

এভাবে শোষণ-নিপীড়ন ও বঞ্চনাই শ্রমিকের ভাগ্যলিখন হয়ে দাঁড়াল। এভাবে মালিকের সীমাহীন অনাচার, অর্থলিপ্সা ও একপেশে নীতির ফলে শ্রমিকদের মনে জমতে শুরু করে প্রচণ্ড ক্ষোভ ও দ্রোহ। ১২ ঘণ্টা কাজ করেও যখন শ্রমিকের সংসার চলত না, স্বজনের মুখে তিন বেলা খাবার তুলে দেয়া।
নিজের সত্তার কথা চিন্তা না করে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে রক্তকে পানিতে পরিণত করে যারা জীবনের বাঁকে শ্রমের তরীর মাঝি হিসেবে তরীকে তার গন্তব্যে নিয়ে যেতে অকান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন আজ সেই সকল মেহনতি মানুষের প্রতীক মহান মে দিবস আমাদের সামনে উপস্থিত। মহান দিবস সারা বিশ্বে পালিত হবে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে। বিভিন্ন পর্যায়ে সরকারি বেসরকারি ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন শ্রমিক সমাবেশের মাধ্যমে এই দিবসটি উদযাপন করবে। কিন্তু আমরা যদি ইতিহাসের বাঁকে ফিরে দেখি যে অধিকার আদায়ের সংগ্রামের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল এই মহান মে দিবস সেই সকল মেহনতি শ্রমিকের অধিকার আজও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। নানা বঞ্চনা আর বৈষম্যের শিকার শ্রমিকরা তখনো জানতোনা তারা কিভাবে নির্যাতন আর বঞ্চনা থেকে মুক্তি পাবে। তাদের ক্ষোভ শুধু ধুমায়িত হতে থাকে, একের পর এক লাঞ্চনা বঞ্চনা নির্যাতনে যখন শ্রমিক সমাজের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেল তখন অধিকার আদায়ে ১৮৬০ সালে প্রথম রাস্তায় নামে শ্রমিক সমাজ। কিন্তু সংগঠিত না থাকায় শ্রমিক মানুষেরা তাদের ন্যয্য অধিকার গুলো আদায় করতে পারেনি। ১৮৮১ সালে শ্রমিকরা তাদের দাবী জোরালো ভাবে তুলে ধরে এবং সে বছরেই ন্যয্য দাবী-দাওয়া আদায়ের লক্ষে আমেরিকা ও কানাডায় গঠিত হয় দুটি শ্রমিক সংগঠন। এই দুটি সংগঠন বিভিন্ন ভাবে শ্রমিকদের ন্যার্য দাবি গুলো তুলে ধরে। তারই ধারাবাহিকতায় ১৮৮৪ সালে দু-দেশের শ্রমিক সংগঠন একটি প্রস্তাবনা পাশ করে, এতে বলা হয় ১৮৮৬ সালের ১ মে থেকে শ্রমিকদের কর্মদিবস হবে ৮ ঘন্টা। ৮ ঘন্টার বেশী কোন শ্রমিক কাজ করবেনা। দুটি দেশের শ্রমিক সংগঠনের এই ঘোষনায় উদ্বেলিত হয় শ্রমিক সমাজ। তারা তাদের অবস্থানে থেকে এ ব্যপারে জনমত গড়ে তোলার চেষ্টা করে। শ্রমিকদের ৮ ঘন্টার বেশী কাজ না করতে উৎসাহ যোগায়। কিন্তু মালিক ও সরকার পক্ষ শ্রমিকদের এই প্রস্তাবনায় সাড়া না দিয়ে নির্যাতন ও নিপিড়নের পথ বেছে নেয়। এমতাবস্থায় ১৮৮৬ সালের ১ মে মৌলিক প্রয়োজন থেকে বঞ্চিত শ্রমিকদের প থেকে কতক ন্যয্য দাবি আদায়ে শিকাগো শহরের ‘হে’ মার্কেটের সামনে বিশাল সমাবেশের ডাক দেয়। শিকাগো শহরের ৭ টি সংগঠনসহ ২২ টি শ্রমিক সংগঠন এদিন মিছিলে মিছিলে ‘হে’ মার্কেটের সামনে সমবেত হতে থাকে। শ্রমিকদের এই ন্যয্য দাবীর সাথে সরকার ও মালিক পক্ষ ঐক্যমত না হওয়ায় সমাবেশ বানচাল করতে পুলিশ গুলি চালালে এতে অনেক শ্রমিক নিহত হয়। কিন্তু শ্রমিকরা মরিয়া হয়ে জীবনের শেষ রক্তবিন্ধু ঢেলে দিতে প্রস্তুত তবুও তাদের ন্যয্য দাবী থেকে একচুল পরিমানও পিছপা হতে রাজী নয়। শ্রমিকদের আত্মত্যাগ আর মরিয়া ভাবের নিকট পরাজিত হয় সরকার। মেনে নেয়া হয় সকল দাবী-দাওয়া। পরবর্তীতে মার্কিন সরকার ১ মে কে ‘ল ডে’ হিসেবে ঘোষনা করে। বঞ্চনার মাঝে অধিকার আদায় করে নেয় শ্রমিকরা। তখন থেকেই মে দিবস সকলের নিকট শ্রমিক অধিকার আদায়ে আন্দোলনের প্রতিক হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। শুধু আমেরিকা আর কানাডা ছাড়া পৃথিবীর প্রায় সকল দেশেই সরকারি ভাবে পালিত হচ্ছে মে দিবস । বাংলাদেশেও সরকারি ভাবে পালিত হয় মে দিবস |