শাহরিয়ার কবির ।। মে দিবসের ২০০ বছর অতিবাহিত হলেও আমাদের দেশের শ্রমিক মজুররা আজও নানাভাবে শোষণ-পীড়নের শিকার হচ্ছে । বঞ্চিত হচ্ছে তাদের ন্যায্য মজুরি থেকে । দেশের গ্রামীন ক্ষেত মুজুররা তাদের কাজের নিশ্চয়তা এখনো পায়না। দেশের ভেতরে বিভিন্ন এলাকায় গার্মেন্টস শ্রমিকেরা ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এদেশের অধিকাংশ শ্রমিক নেতা বড় বড় বর্জ্যুয়া দলগুলোর লেজুর বৃত্তি কারায় দেশে জোরালো কোন শ্রমিক আন্দোলন গড়ে উঠে নাই। পহেলা মে শুক্রবার শ্রমিক দিবস পালন কালে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ঠাকুরগাঁও শাখার সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবু সায়েম কথা বলেন।
তিনি বলেন , দেশের সকল শ্রমিক নেতা-নেত্রীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি যুগান্তকারী শ্রমিক আইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি জোরালো আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আর তবেই এদেশের নারী-পুরুষ তথা আপামর সকল ধরনের শ্রমিকের শ্রমের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে ।
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার পূর্ব চৌরাস্তায় আয়োজিত সমাবেশে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির পীরগঞ্জ শাখার আয়োজিত সমাবেশে কমরেড মর্তুজা আলম সভাপতির বক্তব্যে বলেন , দেশের খেতমজুর, কৃষকদের ন্যায্য দাবি দায়ের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে আইন করে একটি বাজেট পাস করে তা জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে । একই সঙ্গে তা বাস্তবায়নেরও দাবি জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন দেশের কৃষক উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না তাদের ফসলের ন্যায্য মূল্য দিতে দিতে হবে। একই সঙ্গে সার তেল সহ কৃষি উপকরণের দাম কৃষকের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে এনে তা নিশ্চিত করতে হবে ।
এ সময় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির পক্ষ থেকে একটি রেলি বের হয়ে বীরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন সড়ক পরিদর্শন শেষে পূর্ব চৌরাস্তা মোড়ে শেষ হয়। সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাদের বক্তব্য প্রদান করেন।
কমরেড মর্তুজা আলমের সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য রাখেন,বাংলাদেশের কমিউনিসপার্টি ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু সায়েম , সম্পাদক মন্ডলের সদস্য মেহেদী হাসান লেলিন ,
লিটন সরকার, আবু সালের শিহাব, আমিনুল ইসলাম প্রমূখ ।

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশের সময়: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬ । ১০:২০ অপরাহ্ণ