খুঁজুন
বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭ মাঘ, ১৪৩২

NTRCA-তে দুর্নীতি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে ন্যায়সঙ্গত নিয়োগের দাবি

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ মার্চ, ২০২৫, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ
NTRCA-তে দুর্নীতি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে ন্যায়সঙ্গত নিয়োগের দাবি

বহু বছর ধরে NTRCA (Non-Government Teachers’ Registration and Certification Authority)-এর মাধ্যমে নিবন্ধিত ১-১২তম ব্যাচের শিক্ষকরা বৈধ সনদ থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ বঞ্চিত হচ্ছেন। অভিযোগ উঠেছে যে, দুর্নীতি, জালিয়াতি এবং ক্ষমতাসীন দলের দোসর কর্মকর্তাদের অনিয়মের ফলে প্রকৃত মেধাবীদের বঞ্চিত রেখে জাল সনদধারীদের চাকরি দেওয়া হচ্ছে।
মূল অভিযোগসমূহ:দুর্নীতির বিস্তার: অভিযোগ রয়েছে, NTRCA-এর কর্মকর্তারা ঘুষের বিনিময়ে জাল সনদ প্রদান ও চাকরির সুযোগ তৈরি করেছেন। একটি পদের জন্য হাজার হাজার আবেদন নেওয়া হলেও প্রকৃত নিয়োগ হচ্ছে না।
জাল সনদ কেলেঙ্কারি: দৈনিক প্রথম আলো, সমকাল, ইত্তেফাকসহ একাধিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ৬০,০০০ জনকে জাল সনদের মাধ্যমে চাকরি দেওয়া হয়েছে।
প্রশ্নফাঁস ও মেধার অবমূল্যায়ন: পূর্ববর্তী ব্যাচের শিক্ষকদের নিয়োগ না দিয়ে পরবর্তী ব্যাচের প্রশ্নফাঁসের মাধ্যমে উচ্চ নম্বর দিয়ে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।
বৈষম্য ও সিস্টেম দুর্নীতি: সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী ১-১২তম ব্যাচের শিক্ষকদের দ্রুত নিয়োগ দিতে বলা হলেও, এখনো তা বাস্তবায়ন করা হয়নি।
নিয়োগে স্বচ্ছতা অনুপস্থিত: শূন্য পদ থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ না দিয়ে বারবার নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হচ্ছে, যা প্রকৃত প্রার্থীদের জন্য এক ধরনের বৈষম্য।
প্রশাসনের প্রতি দাবি:১-১২তম ব্যাচের শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের দ্রুত নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
NTRCA-তে চলমান দুর্নীতির নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
সকল নাগরিকের প্রতি আহ্বান:এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সকলকে সচেতন হতে হবে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকার, সেনাবাহিনী, ছাত্র-জনতা, দুর্নীতি দমন কমিশন, বিরোধী দল এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
১-১২তম ব্যাচের ন্যায্য নিয়োগ আমাদের অধিকার, এটি নিশ্চিত করতেই হবে!

ঠাকুরগাঁও–২ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন  বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী তুলা

MD JAMIL HASAN
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁও–২ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন  বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী তুলা

ঠাকুরগাঁও–২ (বালিয়াডাঙ্গী–হরিপুর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্বতন্ত্র প্রার্থী শেষ পর্যন্ত তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এতে করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আলোচিত এই আসনে রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড় সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন করেন।রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই তার মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

মো. জুলফিকার মর্তুজা চৌধুরী তুলা জানায়, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা ও সামগ্রিক নির্বাচনী কৌশলের অংশ হিসেবেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে বিএনপির জেলা কিংবা কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কোনো নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও–২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। বিদ্রোহী প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের ফলে এ আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থীর ডা. আব্দুস সালাম এর অবস্থান আরও সুসংহত হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী মাঠে বিএনপির সাংগঠনিক ঐক্য জোরদার করবে এবং ভোটের হিসাবেও দলটি সুবিধাজনক অবস্থানে যাবে। এই আসনে বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী থাকলেন ৭ জন।

নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় স্ত্রীর মৃত্যুদন্ড

মামুন রণবীর | নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় স্ত্রীর মৃত্যুদন্ড

Oplus_131072

নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামী রুক্কু মিয়াকে (৩৮) কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রী রুবিনা আক্তারকে (৩৭) মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেয়া হয়েছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জেলা জজ মোছা. মরিয়ম-মুন-মুঞ্জুরী এই রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত রুবিনা আক্তার (৩২) জেলার পূর্বধলা উপজেলার কৈলাটি গ্রামের বজলুর রহমানের মেয়ে। তার স্বামী নিহত রুক্কু মিয়া একই উপজেলার লেটিরকান্দা গ্রামের শামছুর রহমানের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, রুক্কু মিয়া তিনটি বিয়ে করেছিলেন। প্রথম স্ত্রী রুবিনা ছাড়াও পরে নোয়াখালীতে দ্বিতীয় ও গাজীপুরে তৃতীয় বিয়ে করেন। রুক্কুর সঙ্গে ১১ বছরের সংসার জীবনে রুবিনার ৯ বছর ও ৭ বছরের দুইটি মেয়ে রয়েছে। কিন্তু কয়েক বছর ধরে তিনি তাদের ভরণপোষণ দিচ্ছিলেন না। এতে চরম কলহ দেখা দেয়। এই দাম্পত্য কলহের জেরে ২০২১ সালের ১৪ মে, ঈদের দিন সন্ধ্যায় রুক্কু মিয়া শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গেলে রাতের খাবার শেষে ঘুমন্ত অবস্থায় রুবিনা তাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

এই হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত রুক্কুর ভাই মো. আসান মিয়া বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে ওই মামলায় ১১ জনের সাক্ষ্য শেষে রুবিনা আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আদালত।

রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম বলেন, এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড। মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ ও উপস্থাপিত আলামত পর্যালোচনা করে আদালত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করছে।

রাবি ডিবেটিং ফোরামের নতুন কমিটি গঠন

রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
রাবি ডিবেটিং ফোরামের নতুন কমিটি গঠন

রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ফোরাম (RUDF)-এর ১৭তম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে চিফ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফাইনান্স বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের মোসাঈব ইবনে আনোয়ার।

গত ১৫ জানুয়ারি বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচনের মাধ্যমে ৬ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি গঠন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও মডারেটর মহোদয়।

কমিটিতে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রত্যয় সারার শিহাব, রাকিবুল হাসান স্বাধীন, মাফিউল ওয়াহিদ সিহাব, তামিম খান ও সৌকত খান অন্তু।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সাল থেকে রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ফোরাম (RUDF) শিক্ষার্থীদের বিতর্ক শেখানোর জন্য কাজ করে আসছে এবং একই সাথে জাতীয় পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় কে প্রতিনিধিত্ব করে আসছে।