খুঁজুন
, ,

রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় হলেন হত্যা মামলার আসামী,জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া

জেলা প্রতিনিধি | নেত্রকোণা
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ মে, ২০২৫, ৩:৫৮ অপরাহ্ণ
রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় হলেন হত্যা মামলার আসামী,জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে সাম্প্রতিক একটি সংঘর্ষ ও হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির রাজনীতি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। গত ২২ মে সন্ধ্যার পর উপজেলার বাকলজোড়া ইউনিয়নের আব্বাসনগর এলাকায় সংঘটিত এই সংঘর্ষে শফিকুল ইসলাম (৪০) নামে একজন নিহতের ঘটনা ঘটে।

এই সংঘর্ষে আরও অন্তত ছয়জন আহত হন। সংঘর্ষের ঘটনার সময় বাড়িঘরেও হামলা চালানো হয় বলে জানান স্থানীয়রা।

এ ঘটনায় ২৪ মে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের ২৮ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরো ৮০-৯০ জনকে আসামী করে নিহতের ভাই খাইরুল ইসলাম মামলা দায়ের করে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,বিলবোর্ড লাগানোকে কেন্দ্র করে এই অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে। দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হামিদুর রহমানের পক্ষে তার কর্মী-সমর্থকরা দুর্গাপুর পৌর শহরসহ বিভিন্ন স্থানে আসন্ন ঈদ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিলবোর্ড লাগাতে যান। পরে সেখানে বিএনপির কিছু লোকজন বাধা দেয়। এর জের ধরে পরবর্তীতে ঘটনা বড় আকার ধারণ করে।

এই ঘটনা বর্তমানে টক অব দ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে। এই মামলায় পুলিশ ১৬ নং আসামী তাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে৷ ঘটনার সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা যায় তাজুল ইসলাম ঘটনার সময় দুর্গাপুর উপজেলার বাইরে অবস্থান করছিলেন। তিনি তখন নেত্রকোণা সদরে ছিলেন। সেখানকার বিভিন্ন দোকানে ওইসময়ে তার কেনাকাটার সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। ফলে এটি জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে তিনি একটি মুদি দোকান ও অপর একটি ফার্মেসিতে প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও ঔষধ ক্রয় করছিলেন। ফেসবুকে এই ভিডিও শেয়ার করে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার নাগরিকরা বলেন, তাকে ষড়যন্ত্র করে এই মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তারা এই নেক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান।

সরেজমিন অনুসন্ধানে এমন আরো অনেক তথ্য বেরিয়ে আসে। মামলায় ১২ নং আসামী করা হয় দুর্গাপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব আল ইমরান সম্রাট গণিকে। অনুসন্ধানে দেখা যায়,তিনি ঘটনার সময় দুর্গাপুর পৌর শহরে অবস্থান করছিলেন। সেসময় তিনি অন্য নেতাকর্মীদের নিয়ে পৌর বিএনপির সম্মেলনের প্রস্তুতিমূলক কাজ করছিলেন। তার সঙ্গে কাজ করা একাধিক কর্মীর সাথে কথা বলে জানা যায়,সম্রাট গণি দলের সাংগঠনিক কাজে সবসময়ই তৎপর। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি সেদিন রাত পর্যন্ত সম্মেলনের প্রস্তুতিমূলক নানা কাজে খুব ব্যস্ত ছিলেন। মূলত প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে তাকে এই মামলার আসামী করা হয়েছে।

মামলার ১৭ নং আসামী,যুবদল নেতা আলমগীর হোসেন গত দেড়মাসেরও বেশি সময় যাবত মানিকগঞ্জে পেশাগত কাজে অবস্থান করছেন। তাকেও এই মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।

সংঘর্ষের ঘটনার সময় পৌর ছাত্রদলের যুগ্ন আহ্বায়ক সালমান মুক্তাদির দুর্গাপুর শহরের আত্রাখালী ব্রীজ সংলগ্ন নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রিয়াজ ইলেকট্রনিকসে ছিলেন। ঘটনা সম্পর্কে তিনি রাতে জেনেছেন। তাকেও এই মামলায় আসামী করা হয়েছে। রিয়াজ ইলেকট্রনিকসের পার্শ্ববর্তী দোকানদার আনোয়ার হোসেন বলেন,সেদিন সকাল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সালমান মুক্তাদির নিজ দোকানেই ছিলেন। দোকানে কাস্টমারদের সাথে ব্যস্ত সময় পার করছিলেন।

এই মামলার আসামী সেকুল মেম্বার ঘটনার সময় একটি জানাজায় উপস্থিত ছিলেন। জানাজা পড়ে এসে তিনি ঘটনা সম্পর্কে এলাকাবাসীর কাছ থেকে অবগত হন। তাকেও ফাঁসানো হয়েছে এই হত্যা মামলায়। স্থানীয় বাসিন্দা মো: হারুন মিয়া বলেন,সেকুল মেম্বার বরুইগঞ্জ বাজারে আব্দুল জব্বার মেম্বার এর জানাজায় উপস্থিত ছিলেন এবং দাফন কাফন শেষ হবার পর তিনি বাজারে এসে সংঘর্ষের ঘটনার ব্যাপারে জানতে পারেন।

বিএনপির দু:সময়ের কর্মীদের বিরুদ্ধে এই মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে দুর্গাপুর প্রেসক্লাব মোড়ে ২৬মে দুপুরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার নারী সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন এলাকার হাজারো নারী অংশগ্রহণ করেন। এতে তারা এই মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান। অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহার না হলে তারা আরো কঠোর কর্মসূচি দেবার ঘোষণা দেন।

এই মামলাকে ষড়যন্ত্র ও প্রতিহিংসামূলক মনে করছেন নারী নেত্রী জাহানারা বেগম। তিনি বলেন,বিএনপির দু:সময়ের নেতাকর্মীদের নামে একটি কুচক্রী মহল হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। এই মামলা বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধ্বংসের ষড়যন্ত্র। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই মামলায় ফাঁসানো হয়েছে তাদের। আমি এই মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানাই।

দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির একাধিক নেতা বলেন,বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে রাজপথে বিএনপির যেসব নেতাকর্মী সোচ্চার ছিল তাদের হয়রানি করার উদ্দেশ্যেই এই মিথ্যা মামলা করেছে। জামাল মাস্টার সহ যাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে তাদের সকলেই সামাজিকভাবে সম্মানিত ব্যক্তি।
মামলা দিয়ে তাদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন করার এই অপতৎপরতার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তারা।

অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই মামলার বাদী খাইরুল ইসলামের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

দুর্গাপুর থানার ওসি মাহমুদুল হাসান বলেন,এই মামলায় এখন পর্যন্ত একজনকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এই হত্যা মামলার ব্যাপক তদন্ত করে প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা হবে৷

মাদারগঞ্জে কালবেলা’র সাংবাদিক আকন্দ সোহাগের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জে কালবেলা’র সাংবাদিক আকন্দ সোহাগের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ

জামালপুর প্রতিনিধি:জামালপুরের মাদারগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা মোঃ আবু সাঈদ সুজন (৩৬) ২১ অক্টোবর সন্ধ্যায় মাদারগঞ্জ মডেল থানায় এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ করেন।

​অভিযোগে কালবেলা’র প্রতিনিধি আকন্দ সোহাগকে (২৭) কে বিবাদী করা হয়েছে। সোহাগ উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের মোসলেমাবাদ আইগেনি পাড়া হোসেন আলী আকন্দের ছেলে।
​অভিযোগপত্র ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, আবু সাঈদ সুজন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন ও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। এর জের ধরে স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতকারীর সঙ্গে তাঁর বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগকারীর দাবি, সেই সূত্র ধরে আকন্দ সোহাগ সুজনের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সোহাগ ক্ষিপ্ত হন এবং তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার ও অপপ্রচারের হুমকি দেন। পরবর্তীতে সোহাগের ব্যবহৃত নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে ওই বিএনপি নেতার নামে অশ্লীল ও মানহানিকর বিভিন্ন বার্তা ও পোস্ট প্রচার করা হয়।
উল্লেখ্য যে, আনুমানিক ৩ মাস পূর্বে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় আরেকটি চাঁদাবাজির অভিযোগ হয়েছিল কালবেলার সাংবাদিক আকন্দ সোহাগ এর বিরুদ্ধে। পরে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে সেটা থেমে যায়। আনুমানিক ২০২২ সালে সাংবাদিকতায় এসেই মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয় এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নির্ভিক সাংবাদিকতা পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকায় মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের এক জরুরী সভায় ২৭ অক্টোবর/২০২২ ইং তারিখে সভাপতি/ সেক্রেটারি স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে সদস্য এবং সাধারণ সদস্য পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়। বছর দুয়েক পূর্বে নারী সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ও নির্লজ্জের মতো জনসম্মুখে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় তাকে।
​ভুক্তভোগী আবু সাঈদ সুজন বলেন, “এ ধরনের ভিত্তিহীন ও কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচারের কারণে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে আমার সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানাচ্ছি।”

​তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আকন্দ সোহাগ। মুঠোফোনে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি তাঁর (আবু সাঈদ সুজন) বাড়ি চিনিই না, সেখানে চাঁদাবাজির জন্য কেন যাব? আমি শুধু তাঁর বক্তব্য ফোনের মাধ্যমে নিয়েছিলাম, যার প্রমাণ আমার কাছে সংরক্ষিত আছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে এই লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এসব নিয়ে আমি বিচলিত নই এবং এতে আমার কোনো সমস্যা হবে না।”
​এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মোহাম্মদ আবুল হাসেম জানান, লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ণ
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন
  • বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: ‘মারে ভাসাইয়া জলে, কি ধন লইয়া জাইমু ঘরে। ঘরে গিয়া মা বলিব কারে গো’ গানের তালে তালে সুরমা নদীতে প্রতিমা বির্সজনের মধ্য দিয়ে সিলেটের বিশ্বনাথে ৬ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রতি বছর উপজেলা পরিষদ ঘাটে পৌর শহরের ৪টি প্রতিমা বিসর্জন করা হলেও এবছর বাসিয়া নদীর পানি ব্যাপকহারে কমে যাওয়ার ফলে সেখানে কোন প্রতিমা বিসর্জন করা হয়নি। পৌর শহরের ওই ৪টি প্রতিমা’সহ লামাকাজী ইউনিয়নের ৪টি মন্ডপের প্রতিমা’সহ ৮টি প্রতিমা দিঘলী গ্রাম এলাকায় সুরমা নদীতে প্রতিমা বিসর্জন করেন।
    বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে পৌর শহরের ৪টি মন্ডপের নেতৃবৃন্দ নিজেদের প্রতিমা নিয়ে প্রজেশন আকারে দিঘলী গ্রামস্থ প্রতিমা বিসর্জন স্থলে গিয়ে ওই এলাকার ৪টি মন্ডপের প্রতিমার সাথে সাথে নিজেদের প্রতিমা বিসর্জন করেন। প্রায় শুকিয়ে যাওয়া বাসিয়া নদীতে পানির পরিমাণ কমে যাওয়াটা যেনে সনাতন ধর্মালম্বীদের কাছে আরেকটি মিলনমেলায় পরিণত হয়। তাই ৮টি প্রতিমা বিসর্জনে প্রত্যেক মন্ডপের নেতৃবৃন্দ মিলেমিশে একাকার হয়ে যান।
    সরকারি বিধি-নিষেধের পাশাপাশি পূজা উদযাপন পরিষদের নিয়ম-নীতি মেনে উপজেলা ও পৌর শহরে অনুষ্ঠিত ২৬টি পূজামন্ডপের নেতৃবৃন্দ নিজেদের সুবিধামতো স্থানে প্রতিমা বিসর্জন সুষ্ঠ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করে ঘরে ফেরার ফলে সনাতন ধর্মালম্বীদের মনে বইছে আনন্দের বন্যা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরাসরি মনিটরিং করা হয় প্রতিমা বিসর্জন কার্যক্রম।
    শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতিমা বিসর্জনের সময় লামাকাজী ইউনিয়নের দিঘলী গ্রামে সুরমা নদীর তীরে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান, রামসুন্দর সরকারি অগ্রগামী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নবেন্দু জ্যোতি দে, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি তাপস দাশ পুরকায়স্থ, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সদস্য নিশি কান্ত পাল, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাবেক সহ সভাপতি রুপক কুমার দে, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য বাদল দেব, সুব্রত ধর বাপ্পী, সভাপতি সুনিল কান্তি দে, সহ সভাপতি বিজয় দে, সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে, যুগ্ম সম্পাদক গোবিন্দ মালাকার, কাজল মালাকার, কোষাধ্যক্ষ প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন দেব, দপ্তর সম্পাদক প্রনয় পাল বাপন, সহ দপ্তর সম্পাদক মিন্টু মালাকার, প্রচার সম্পাদক অজিত দেব, গণসংযোগ সম্পাদক শুভরাজ চন্দ, সহ গণসংযোগ সম্পাদক বিজয় চন্দ দে, সদস্য সুভাষ চন্দ্র দেব, নেপাল দেব, বিজয় বৈদ্য বারিন্দ্র, অজয় দেব, সৌমিত্র ধর মিশু, ধ্রুব জ্যোতি দে উজ্জল প্রমুখ’সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গ।
    সুষ্ট, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সিলেটের বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন হওয়ার জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন, থানা প্রশাসন, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সমগ্র উপজেলাবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশ্বনাথ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুনিল কান্তি দেও সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে।

মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন ও লিফলেট বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন ও লিফলেট বিতরণ

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ,জামালপুর প্রতিনিধি:জামালপুরের মেলান্দহে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম খানের মোটরসাইকেল শো-ডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে চর সগুনা বাজার থেকে শুরু করেন ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম খান শত শত কর্মী সমর্থক নিয়ে অত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোটরসাইকেল শো-ডাউন করেন তিনি। চর সগুনা বাজার, কাহেতপাড়া বাজার, বাংলা বাজার, বীর ঘোষেরপাড়া করিমুজ্জামান মোড়, ঘোষের পাড়া মিলন বাজার, সবিলাপুর আইনলের মোড়, বেলতৈল বাজার, গুদার বাজার, বাগবাড়ী হাইস্কুল মোড় আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরেন এবং লিফলেট বিতরণ করেন পরে নিজবাড়ী প্রাঙ্গণে এসে শো ডাউন শেষ করেন। প্রার্থীর সাথে কর্মী সমর্থকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তিনি মেলান্দহ উপজেলার ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দীর্ঘদিন। এ ছাড়াও তিনি বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত থেকেও সমাজ,এলাকা তথা ইউনিয়নবাসীকে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম চালিয়েছেন। ইউনিয়নকে মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে এবং ইউনিয়নবাসীর উন্নয়নে সেবা করার লক্ষ্যে আগামী ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম খান সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।