খুঁজুন
বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ২৩ বৈশাখ, ১৪৩৩

দিনাজপুর চিরিরবন্দরে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

মাসুদুর রহমান, দিনাজপুর প্রতিনিধি।
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ মে, ২০২৫, ৬:৪০ অপরাহ্ণ
দিনাজপুর চিরিরবন্দরে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর স্টেশনে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত (৬০) এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৬ মে) বিকেলের দিকে চিরিরবন্দর রেলস্টেশনের সন্নিকটে এ ঘটনা ঘটে। তবে মৃত্যু ব্যক্তির কোনো পরিচয় মেলেনি।

দিনাজপুর জিআরপি পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।

চিরিরবন্দর রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার শহিদুল ইসলাম জানান, পঞ্চগড় থেকে ছেড়ে আসা পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে ওই ব্যক্তি মারা গেছেন। এখনও লাশের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি বলে তিনি জানান ।

দুর্গাপুরে ঘাতকের নির্মমতায় এতিম দুই শিশু, অসহায় পরিবারের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ

মামুন রণবীর | নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ২:০৩ পূর্বাহ্ণ
দুর্গাপুরে ঘাতকের নির্মমতায় এতিম দুই শিশু, অসহায় পরিবারের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ

নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলায় ঘাতকের নির্মমতায় প্রাণ হারানো ওয়াহিদুল ইসলাম কেলিসের পরিবার বর্তমানে অসহায় অবস্থায় দিন পার করছে। তার এতিম দুই শিশু আব্দুল্লাহ ও আলিফকে নিয়ে স্ত্রী মাহমুদা পড়েছেন মহা দুশ্চিন্তায়। পরিবারের একমাত্র উপার্জনশীল ব্যক্তিকে হারিয়ে অসহায় পরিবারটির ভবিষ্যৎ আজ চরম অনিশ্চিত।

মঙ্গলবার (৫ মে) কেলিসের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেল তার সাড়ে তিন বছর বয়সী শিশু আব্দুল্লাহ বারবার বাবাকে ডাকছে। বাবাকে কাছে না পেয়ে খুব কান্না করছে। অপর সন্তান ১৯ মাস বয়সী আলিফ তার মায়ের কোলে বসে ফ্যালফ্যাল করে সবার দিকে তাকাচ্ছে। কি ঘটেছে তা বোঝার বয়স এখনো তার হয়নি।

গত শনিবার (২ মে) রাতে দুর্গাপুর পৌর শহরের তেরিবাজার এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নূর মোহাম্মদ নামের এক মাদকাসক্ত যুবকের ছুরিকাঘাতে ওয়াহিদুল ইসলাম কেলিস গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু ঘটে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, শনিবার রাত ১১টার দিকে তেরিবাজার এলাকায় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে নূর মোহাম্মদ, ওয়াহিদুল ইসলাম কেলিসকে ছুরিকাঘাত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে ৷ পরে রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেলে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। এই ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই পুলিশ নূর মোহাম্মদকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

এদিকে কেলিসের এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় দুর্গাপুরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার পরিবার বর্তমানে খুব সংকটাপন্ন অবস্থায় দিনাতিপাত করছে। কেলিসের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার বিলাপ করতে করতে বলেন, স্বামীকে হারিয়ে আমি আজ অসহায়। দুই অবুঝ সন্তান নিয়ে অকুল পাথারে পড়েছি। কিভাবে চলবো, সন্তানদের কিভাবে খাওয়াবো, কিভাবে তাদের মানুষ করবো জানি না। এতো কষ্ট আমি কাকে বলবো?

মাহমুদা যখন কান্নাজড়িত গলায় কথাগুলো বলছিলেন তখন তার দুই সন্তানও কাঁদছিলো। কাঁদছিলেন আশপাশে থাকা সকলেই। মাহমুদা বলেন, আমার স্বামীকে যে হত্যা করেছে আমি তার বিচার চাই।

কেলিস দুর্গাপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করতেন। তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে কেন্দ্রীয় কবরস্থান কমিটি। কমিটির পক্ষ থেকে তার পরিবারের হাতে জরুরি খাদ্য সহায়তা ও নগদ অর্থ তুলে দেয়া হয়।

কবরস্থান কমিটির উপদেষ্টা ও তেরি বাজার বড় মসজিদের খতিব হযরত মাওলানা আব্দুর রব এই ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এমন মর্মান্তিক ঘটনায় আমরা সবাই হতবাক এবং শোকস্তব্ধ। কেলিসকে যে বা যারা এভাবে মেরেছে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাই। সেই সাথে সমাজের সকলের প্রতি আহ্বান জানাই এই অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়ান।

স্থানীয় বাসিন্দা হাজী কাশেম মড়ল বলেন, কেলিস শুধু একজন স্বেচ্ছাসেবক ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমাদের কবরস্থানের প্রাণ। দিন-রাত মানুষের শেষ বিদায়ে তিনি নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছেন। আজ তার পরিবারের দায়িত্ব নেওয়া আমাদের নৈতিক আমানত।

কবরস্থান কমিটির সভাপতি ওমর ফারুক হাওলাদার বলেন, কেলিসের সন্তানদের শিক্ষা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য একটি স্থায়ী তহবিল গঠন করা খুব জরুরি, যেন পরিবারটি দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক নিরাপত্তা পায়। তার সন্তানদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ গঠনে আমরা সরকারের কাছে আহ্বান জানাই, দয়া করে পরিবারটির পাশে দাঁড়ান।

স্থানীয় সংগঠক সাখাওয়াত হোসেন সজীব বলেন, এই মর্মান্তিক ঘটনায় পরিবারটি প্রায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। আমরা সকলে তাদের পাশে দাঁড়ালে তারা আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। সরকার এবং সমাজের সকলের কাছে আকুল আবেদন কেলিসের পরিবারকে সহযোগিতা করুন। আমরা কেলিস হত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।

দুর্গাপুর পৌর শহরে এই হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এলাকার সাধারণ মানুষের উদ্যোগে হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এলাকাবাসী সকলেই বিচারের দাবিতে সোচ্চার অবস্থানে রয়েছেন।

সবুজ বাংলাদেশ-এর ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: মাদারীপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ ও আলোচনা সভা ‎ ‎

এস এম সোহাগ কাজী মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধ
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ
সবুজ বাংলাদেশ-এর ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: মাদারীপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ ও আলোচনা সভা ‎ ‎

বাংলাদেশ-এর ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাদারীপুর জেলা শাখার উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ, রোপণ এবং “পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও নৈতিক অবক্ষয় রোধে করণীয়” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎​মঙ্গলবার (বা অনুষ্ঠানের তারিখ) মাদারীপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত আচমত আলী খান স্কুল এ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

‎​

‎​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:

‎​মাদারীপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

‎​জেলা তথ্য অফিসার।

‎​আচমত আলী খান স্কুল এ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ।

‎‎​সবুজ বাংলাদেশ মাদারীপুর জেলা কমিটির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় পরিষদের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল আরফান প্রিন্স-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আশরাফুল আলম।

‎​অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা কমিটির সহ-সভাপতি আহসানুল আলম (স্মরণ), সহ-সভাপতি রাজিব হাওলাদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিপন চক্রবর্তী, অর্থ সম্পাদক লিজা আক্তার, নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক সালমা আক্তার রোজিনা, প্রচার সম্পাদক আফরোজা অপু এবং যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক সৈকত হোসেন। এছাড়াও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

‎​আলোচনা সভায় আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন:

‎​পরিবেশ রক্ষা: দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রত্যেকের অন্তত একটি করে গাছ লাগানো এবং তার পরিচর্যা করা উচিত।

‎​নৈতিকতা চর্চা: পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক অবক্ষয় রোধে সচেতন হতে হবে এবং আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।

‎​আলোচনা শেষে অতিথিবৃন্দ শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা তুলে দেন এবং কলেজ প্রাঙ্গণে চারা রোপণ করে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

‎​সবুজ বাংলাদেশ-এর জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, সংগঠনের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধিতে তাদের এই ধরনের সামাজিক কার্যক্রম জেলাজুড়ে অব্যাহত থাকবে।

জামালপুরে গৃহবধূর বিদ্যুৎপিষ্টে মৃত্যু: আহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৯:৩৪ অপরাহ্ণ
জামালপুরে গৃহবধূর বিদ্যুৎপিষ্টে মৃত্যু: আহ

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের মাদারগঞ্জে তালাকপ্রাপ্ত গৃহবধূর বিদ্যুৎপিষ্টে মৃত্যু।  একই পরিবারে ৩ জনের আহতের ঘটনা ঘটেছে।  স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে মঙ্গলবার বিকালে প্রবাসী স্বামী তালাক দেওয়ার পর ঐ বাড়ী থেকে জিনিসপত্র নিয়ে বাড়ীতে আসেন। উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের  পলিশা এলাকা নিজবাড়ীতে আসবাপত্র ঘরে উঠানোর সময় কারেন্টের তার বাঁজে ঘটনাস্থলেই বিদ্যুৎ পিষ্টে মারা যায় তালাকপ্রাপ্ত গৃহবধূ সুমিনা (১৯)।  সে ঐ এলাকার সুজা মিয়ার মেয়ে।  এ ঘটনায় তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের আরো ৩ জন আহত হয়।  আহতরা হলেন নিহতের মা শিখা বেগম (৪৫), চাচা নূরুল ইসলাম (৫০), ভাতিজি কনিকা (১৫) ও চাচি জহুরা ( ৪০)।

স্থানীয় ইউপি সদস্য রকিবুল ইসলাম রকি জানান ১ বছর পূর্বে নিহত সুমিনা নামের মেয়েটির বিবাহ হয়েছিল ৫ নং জোড়খালী ইউনিয়নের সাফিউলের সাথে । পারিবারিক কলহ চলছিল পরিবারের মাঝে এক পর্যায়ে মামলা দায়ের করে কোর্টে এবং মাদারগঞ্জ ব্র‍্যাক অফিস নারী ও শিশু সুরক্ষা কেন্দ্রে ন্যায় বিচারের আশায়।  আজ মঙ্গলবার বিকালে মাদারগঞ্জ ব্র‍্যাক অফিসে উভয়ে পক্ষের উপস্থিতিতে তালাকপ্রাপ্ত হয় মেয়েটি।  জিনিসপত্র অর্থাৎ স্টিলের বাক্স নিয়ে ঘরে উঠানোর সময় বোর্ডের সাথে ধাক্কা লাগে বাক্সসহ কারেন্ট হয়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়। 

ব্র‍্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনী সুরক্ষা কর্মসূচী মাদারগঞ্জ শাখার অফিসার সেলফ ঝরনা বেগম জানান  আমরা অভিযোগ পেয়েছিলাম। এরই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বেলা ১২ টার দিকে উভয় পক্ষেরসহ স্থানীয় ইউপি সদস্যদের উপস্থিতিতে বিষয়টি মিমাংসা করা হয়েছে।  মেয়েটা স্বামীর বাড়ীতে যাবে না এবং ছেলেটা বউ নিতে চায়।  উভয়পক্ষসহ তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে মেয়েটা তালাকপ্রাপ্ত হয় এবং বিকালে তারা আসবাবপত্র নিয়ে চলে যায়।  আমরা সাধারণ মানুষকে হয়রানি থেকে এবং মামলার মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত থেকে  উভয় পরিবারকে বাঁচাতে ব্র‍্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনী সুরক্ষা দিয়ে থাকি।  হঠাৎ জানতে পারলাম বিদ্যুৎপিষ্টে মেয়েটার মৃত্যু।  

এ ব্যাপারে ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে যাওয়া  মাদারগঞ্জ মডেল থানার এস আই আব্বাস জানান মেয়েটা আজকেই তালাকপ্রাপ্ত হয়েছে।  স্বামীর বাড়ীতে থাকা তার প্রাপ্য জিনিসপত্র গুলো নিয়ে বাড়ীতে এসে স্টিলের বাক্স ঘরে উঠানোর সময় বোর্ডের সাথে ধাক্কা লাগার পর বাক্সসহ বিদ্যুৎ ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই বিদ্যুৎ পিষ্টে সুমিনার মৃত্যু হয়।  একই পরিবারের ৪ জন আহত হয়। 

এ ব্যাপারে জামালপুর জেলা সহকারী পুলিশ সুপার মাদারগঞ্জ সার্কেল মোস্তাফিজুর রহমান ভূঞা জানান মেয়েটি তালাকপ্রাপ্ত ছিল তার বাড়ীতে আসবাবপত্র উঠানোর সময় বিদ্যুৎপিষ্টে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এ ঘটনায় ৪ জন আহত হয় এবং আহতরা বর্তমানে সুস্থ আছে।  নিহতের লাশ সুরতহাল করা হয়েছে। একটি অপমৃত্যু মামলা করা হবে। পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে নিহতের লাশ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।