খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ২৪ বৈশাখ, ১৪৩৩

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে বিরিশিরি ইউনিয়ন শ্রমিক দলের কর্মী সম্মেলন ও আলোচনা সভা

জেলা প্রতিনিধি | নেত্রকোণা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
নেত্রকোণার দুর্গাপুরে বিরিশিরি ইউনিয়ন শ্রমিক দলের কর্মী সম্মেলন ও আলোচনা সভা

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ৪নং বিরিশিরি ইউনিয়ন শাখার সকল ওয়ার্ডের উদ্যোগে কর্মী সম্মেলন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে কাপাসাটিয়া বাজার ঈদগাহ মাঠে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিরিশিরি ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি মো: সাহাবুদ্দিন মেম্বার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিরিশিরি ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো: রুবেল মিয়া।

এই কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম মন্ডল। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম উজ্জ্বল,বিরিশিরি ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আজিজুল হক ফকির,সদস্য সচিব আবুল বাশার বাদশা,ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক নুরুল আমিন এবং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল খালেক।

অনুষ্ঠানে আলোচনাকালে অতিথিরা বলেন,সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দলকে এগিয়ে নিতে হবে। দলের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। অতীতে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের হয়রানি করেছে,এখন আর সেই দিন নেই। আমাদেরকে মানুষের ঘরে ঘরে,দুয়ারে দুয়ারে যেতে হবে। মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে পারলেই বিএনপি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে পারবে।

১৭ বছর যাবৎ হসপিটালে অনিয়ম করে যাচ্ছেন ঠিকাদার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৯:৪৩ অপরাহ্ণ
১৭ বছর যাবৎ হসপিটালে অনিয়ম করে যাচ্ছেন ঠিকাদার

রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি:-রোগীদের জন্য নিম্নমানের খাদ্যসামগ্রী ব্যবহার ও নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম খাবার সরবরাহের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে একই ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে সরকারি হাসপাতালের খাবার সরবরাহের টেন্ডার।

অভিযোগ উঠেছে, ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের খাবার সরবরাহের টেন্ডার স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, সরকারি হাটের ইজারাদার ও ব্যবসায়ী হেদায়েতুল্লাহর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি বিভিন্ন নামে-বেনামে টেন্ডার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছর নিয়ম অনুযায়ী দরপত্র আহ্বান করা হলেও নানা কৌশল, মামলা এবং প্রশাসনিক জটিলতায় টেন্ডার প্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রতায় পড়ে। এর সুযোগ নিয়ে একই ব্যক্তি বছরের পর বছর এ কাজ নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হন।

সূত্র আরও জানায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে টেন্ডার সংক্রান্ত বিষয়ে আব্দুল মান্নান বাদী হয়ে ঠাকুরগাঁও আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার কারণে টেন্ডারের মেয়াদ শেষ হলেও পূর্বের ঠিকাদারের প্রতিনিধি হিসেবে হেদায়েতুল্লাহ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এভাবে তিনি প্রায় ১৭ বছর ধরে এই কাজের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন।

স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, কয়েক মাস আগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযান চালিয়ে নিম্নমানের খাদ্যসামগ্রী ব্যবহার এবং পরিমাণে কম খাবার সরবরাহের অভিযোগের সত্যতা পায়। তবে এ বিষয়ে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

আরও জানা যায়, ২০০৯ সালের পর থেকে হেদায়েতুল্লাহ ৪-৫ জনের নামে দরপত্র কিনে জমা দেন। ফলে যেকোনো একটি নামের মাধ্যমে কাজটি তার নিয়ন্ত্রণেই থাকে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে তার প্যানেলের সোলাইমান নামের একজন ঠিকাদার কাজটি পান। পরবর্তী বছরে টেন্ডার হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে পরিকল্পিতভাবে আরেক ঠিকাদার আব্দুল মান্নানকে দিয়ে মামলা করানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় ঠিকাদার মনির হোসেন বলেন, “প্রায় দুই বছর আগে সঠিক প্রক্রিয়ায় টেন্ডার আহ্বান করা হলে হেদায়েতুল্লাহ অংশ নিয়েও কাজ পাননি। পরে তিনি তার মেয়ের জামাই আব্দুল মান্নানকে দিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলা করান। সেই মামলার সুযোগ নিয়ে এখনো আগের ঠিকাদারের নামে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।”

তিনি আরও জানান, অনিয়মের প্রতিবাদে এলাকাবাসী মানববন্ধনও করেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রভাব ও অর্থের বিনিময়ে তাকে বারবার টেন্ডার পাইয়ে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে হেদায়েতুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেকে ঠিকাদার দাবি করে বলেন, “আমি বহু বছর ধরে এই কাজ করে আসছি।” পরে তিনি বিস্তারিত কিছু না বলে ফোন কেটে দেন।

সাবেক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও তৎকালীন টেন্ডার কমিটির সভাপতি ডা. আব্দুস সামাদ চৌধুরী বলেন, “মামলার কারণে চূড়ান্ত দরদাতার নাম অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়নি। বিষয়টি এখনো বিচারাধীন, তাই রি-টেন্ডারের সিদ্ধান্ত আদালতের রায়ের ওপর নির্ভর করছে।”

বর্তমান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল আহামেদ বলেন, “সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী টেন্ডার প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়। যোগদানের পর জানতে পেরেছি, মামলা জটিলতায় টেন্ডার প্রক্রিয়া আটকে আছে। দ্রুত সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জেলায় পাঠানো হয়েছে।”

জেলা সিভিল সার্জন ডা. আনিছুর রহমান বলেন, “বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। মামলা চলমান থাকায় দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আদালতের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।”

দুর্গাপুরে ঘাতকের নির্মমতায় এতিম দুই শিশু, অসহায় পরিবারের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ

মামুন রণবীর | নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ২:০৩ পূর্বাহ্ণ
দুর্গাপুরে ঘাতকের নির্মমতায় এতিম দুই শিশু, অসহায় পরিবারের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ

নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলায় ঘাতকের নির্মমতায় প্রাণ হারানো ওয়াহিদুল ইসলাম কেলিসের পরিবার বর্তমানে অসহায় অবস্থায় দিন পার করছে। তার এতিম দুই শিশু আব্দুল্লাহ ও আলিফকে নিয়ে স্ত্রী মাহমুদা পড়েছেন মহা দুশ্চিন্তায়। পরিবারের একমাত্র উপার্জনশীল ব্যক্তিকে হারিয়ে অসহায় পরিবারটির ভবিষ্যৎ আজ চরম অনিশ্চিত।

মঙ্গলবার (৫ মে) কেলিসের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেল তার সাড়ে তিন বছর বয়সী শিশু আব্দুল্লাহ বারবার বাবাকে ডাকছে। বাবাকে কাছে না পেয়ে খুব কান্না করছে। অপর সন্তান ১৯ মাস বয়সী আলিফ তার মায়ের কোলে বসে ফ্যালফ্যাল করে সবার দিকে তাকাচ্ছে। কি ঘটেছে তা বোঝার বয়স এখনো তার হয়নি।

গত শনিবার (২ মে) রাতে দুর্গাপুর পৌর শহরের তেরিবাজার এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নূর মোহাম্মদ নামের এক মাদকাসক্ত যুবকের ছুরিকাঘাতে ওয়াহিদুল ইসলাম কেলিস গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু ঘটে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, শনিবার রাত ১১টার দিকে তেরিবাজার এলাকায় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে নূর মোহাম্মদ, ওয়াহিদুল ইসলাম কেলিসকে ছুরিকাঘাত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে ৷ পরে রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেলে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। এই ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই পুলিশ নূর মোহাম্মদকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

এদিকে কেলিসের এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় দুর্গাপুরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার পরিবার বর্তমানে খুব সংকটাপন্ন অবস্থায় দিনাতিপাত করছে। কেলিসের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার বিলাপ করতে করতে বলেন, স্বামীকে হারিয়ে আমি আজ অসহায়। দুই অবুঝ সন্তান নিয়ে অকুল পাথারে পড়েছি। কিভাবে চলবো, সন্তানদের কিভাবে খাওয়াবো, কিভাবে তাদের মানুষ করবো জানি না। এতো কষ্ট আমি কাকে বলবো?

মাহমুদা যখন কান্নাজড়িত গলায় কথাগুলো বলছিলেন তখন তার দুই সন্তানও কাঁদছিলো। কাঁদছিলেন আশপাশে থাকা সকলেই। মাহমুদা বলেন, আমার স্বামীকে যে হত্যা করেছে আমি তার বিচার চাই।

কেলিস দুর্গাপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করতেন। তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে কেন্দ্রীয় কবরস্থান কমিটি। কমিটির পক্ষ থেকে তার পরিবারের হাতে জরুরি খাদ্য সহায়তা ও নগদ অর্থ তুলে দেয়া হয়।

কবরস্থান কমিটির উপদেষ্টা ও তেরি বাজার বড় মসজিদের খতিব হযরত মাওলানা আব্দুর রব এই ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এমন মর্মান্তিক ঘটনায় আমরা সবাই হতবাক এবং শোকস্তব্ধ। কেলিসকে যে বা যারা এভাবে মেরেছে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাই। সেই সাথে সমাজের সকলের প্রতি আহ্বান জানাই এই অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়ান।

স্থানীয় বাসিন্দা হাজী কাশেম মড়ল বলেন, কেলিস শুধু একজন স্বেচ্ছাসেবক ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমাদের কবরস্থানের প্রাণ। দিন-রাত মানুষের শেষ বিদায়ে তিনি নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছেন। আজ তার পরিবারের দায়িত্ব নেওয়া আমাদের নৈতিক আমানত।

কবরস্থান কমিটির সভাপতি ওমর ফারুক হাওলাদার বলেন, কেলিসের সন্তানদের শিক্ষা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য একটি স্থায়ী তহবিল গঠন করা খুব জরুরি, যেন পরিবারটি দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক নিরাপত্তা পায়। তার সন্তানদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ গঠনে আমরা সরকারের কাছে আহ্বান জানাই, দয়া করে পরিবারটির পাশে দাঁড়ান।

স্থানীয় সংগঠক সাখাওয়াত হোসেন সজীব বলেন, এই মর্মান্তিক ঘটনায় পরিবারটি প্রায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। আমরা সকলে তাদের পাশে দাঁড়ালে তারা আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। সরকার এবং সমাজের সকলের কাছে আকুল আবেদন কেলিসের পরিবারকে সহযোগিতা করুন। আমরা কেলিস হত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।

দুর্গাপুর পৌর শহরে এই হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এলাকার সাধারণ মানুষের উদ্যোগে হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এলাকাবাসী সকলেই বিচারের দাবিতে সোচ্চার অবস্থানে রয়েছেন।

সবুজ বাংলাদেশ-এর ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: মাদারীপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ ও আলোচনা সভা ‎ ‎

এস এম সোহাগ কাজী মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধ
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ
সবুজ বাংলাদেশ-এর ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: মাদারীপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ ও আলোচনা সভা ‎ ‎

বাংলাদেশ-এর ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাদারীপুর জেলা শাখার উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ, রোপণ এবং “পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও নৈতিক অবক্ষয় রোধে করণীয়” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎​মঙ্গলবার (বা অনুষ্ঠানের তারিখ) মাদারীপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত আচমত আলী খান স্কুল এ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

‎​

‎​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:

‎​মাদারীপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

‎​জেলা তথ্য অফিসার।

‎​আচমত আলী খান স্কুল এ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ।

‎‎​সবুজ বাংলাদেশ মাদারীপুর জেলা কমিটির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় পরিষদের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল আরফান প্রিন্স-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আশরাফুল আলম।

‎​অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা কমিটির সহ-সভাপতি আহসানুল আলম (স্মরণ), সহ-সভাপতি রাজিব হাওলাদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিপন চক্রবর্তী, অর্থ সম্পাদক লিজা আক্তার, নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক সালমা আক্তার রোজিনা, প্রচার সম্পাদক আফরোজা অপু এবং যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক সৈকত হোসেন। এছাড়াও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

‎​আলোচনা সভায় আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন:

‎​পরিবেশ রক্ষা: দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রত্যেকের অন্তত একটি করে গাছ লাগানো এবং তার পরিচর্যা করা উচিত।

‎​নৈতিকতা চর্চা: পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক অবক্ষয় রোধে সচেতন হতে হবে এবং আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।

‎​আলোচনা শেষে অতিথিবৃন্দ শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা তুলে দেন এবং কলেজ প্রাঙ্গণে চারা রোপণ করে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

‎​সবুজ বাংলাদেশ-এর জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, সংগঠনের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধিতে তাদের এই ধরনের সামাজিক কার্যক্রম জেলাজুড়ে অব্যাহত থাকবে।