খুঁজুন
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২১ মাঘ, ১৪৩২

নড়াইল জেলা সমিতি রাজশাহীর নতুন সভাপতি দীপু, সম্পাদক তাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:৩৬ অপরাহ্ণ
নড়াইল জেলা সমিতি রাজশাহীর নতুন সভাপতি দীপু, সম্পাদক তাজ

সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে ‘নড়াইল জেলা সমিতি, রাজশাহী’- এর ২০২৫-২৬ মেয়াদের পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। নবনির্বাচিত এই কমিটিতে দীপু বিশ্বাস সভাপতি এবং মো. তাজিউর রহমান তাজ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শুখরঞ্জন সমাদ্দার ছাত্র শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে (টিএসসিসি) নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এক ঘোষণার মাধ্যমে এই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হাসান ইমাম, পুষ্পিতা দাশ, নিসর্গ দেব নিলয়, সাদিয়া সুলতানা বৃষ্টি ও ফারজানা মিম। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মো: ওয়াজিউল্লাহ তামিম বিল্লাহ, মুয়াজ বিন মুহাম্মাদ এবং প্রাপ্ত বিশ্বাস।

সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন সিয়াম আল ফরহাদ, প্রান্ত কুমার দাশ, মারিয়া ইসলাম শানু, অপু সরকার, আবু বক্কর টিটো, প্রসূন সাগর সেঁজুতি, তাসনিন রহমান মিম, ফারহান সাদিক জিয়াদ, বি.এম. নাইমুল হক অর্ণব। এছাড়া কোষাধ্যক্ষ হিসেবে তাইফুজ্জামান তপু এবং সহ-কোষাধ্যক্ষ হিসেবে লিয়া মেহেরা মনোনীত হয়েছেন।

প্রচার ও মিডিয়া বিষয়ক কাকলী খানম, উপ-প্রচার ও মিডিয়া বিষয়ক সিফাত তরফদার। দপ্তর সম্পাদক শাহরিয়ার আলম শিহাব, উপ-দপ্তর সম্পাদক সেতাব ঘোষ, পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক আবিদা সুলতানা, উপ-পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক অনন্যা রায়, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক প্রীতম ঘোষ, উপ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রাকিব। আইটি বিষয়ক সম্পাদক সালমান আবির, উপ-আইটি বিষয়ক সম্পাদক ওসামা হোসেন নাহিদ, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক পূজা বিশ্বাস, উপ-সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক শেফা তাসফিয়া, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক মার্জিয়া ইমু, উপ-ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক আঁখি কুন্ডু নীলা, পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক রিমন শেখ, উপ-পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক বায়েজিদ মোল্লা, সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক সৌমিক দাশ, উপ-সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক সাকিব আদিত্য, গ্রন্থ ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সাদিয়া খাতুন, উপ-গ্রন্থ ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আরাফাত রহমান।

এছাড়া কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন তাসনিয়া বিনতে ইউসুফ, মো. নাজমুস সাকিব সিয়াম, প্লাবন সাহা, মিনহাজুর রহমান, জয়দেব ঘোষ, তুরজাউন মোল্লা, সৌরভ বিশ্বাস, অনিক পাল, মঈনুল ইসলাম জিসান, অভিক পাল, মো: ইয়াসিন গাজী।

উল্লেখ্য, ‘নড়াইল জেলা সমিতি, রাজশাহী’- নগরীর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি), রাজশাহী প্রযুক্তি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট), রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) এ অধ্যায়নরত নড়াইলস্থ শিক্ষার্থীদের একটি সংগঠন।

২১৪ বছরের লড়াই শেষে পাওয়া লাল-সবুজ পতাকায় আর শোষণ দেখতে চাই না: আল্লামা মামুনুল হক

এস এম সোহাগ কাজী মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ণ
২১৪ বছরের লড়াই শেষে পাওয়া লাল-সবুজ পতাকায় আর শোষণ দেখতে চাই না: আল্লামা মামুনুল হক

মাদারীপুর বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মাদারীপুর জেলা শাখার উদ্যোগে ১১-দলীয় ঐক্যজোটের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) মাদারীপুরে আয়োজিত এই বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক।

​শোষণের বিরুদ্ধে ২১৪ বছরের সংগ্রাম

​বক্তব্যের শুরুতে আল্লামা মামুনুল হক বাংলাদেশের স্বাধীনতার দীর্ঘ প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমরা যে লাল-সবুজের পতাকা পেয়েছি, তা দীর্ঘ ২১৪ বছরের সংগ্রামের ফসল। ১৯০ বছর ইংরেজদের বিরুদ্ধে, ১০০ বছর কোলকাতার দাদাবাবুদের প্রথা ও দিল্লির আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এবং ২৪ বছর পাকিস্তানের পিন্ডির খান বাহাদুরদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়েছে।”

​তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, “মানুষ ভেবেছিল ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা পেলে শান্তিতে থাকবে। কিন্তু স্বাধীনতার ৫৪ বছরে শুধু শাসক বদলেছে, শোষক বদলায়নি। স্বদেশী শাসকদের হাতেই এদেশের মানুষ গত ১৭ বছর অত্যাচারিত ও শোষিত হয়েছে, হারিয়েছে ভাত ও ভোটের অধিকার।”

​জুলাই বিপ্লব ও বর্তমান প্রেক্ষাপট

​২০২৪ সালের রক্তঝরা জুলাই বিপ্লবকে ইতিহাসের এক অনন্য মোড় হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “যখন পিঠ দেয়ালে ঠেকে যায়, তখনই ৪ কোটি ছাত্র-ছাত্রী রাজপথে নেমে আসে। প্রায় দেড় হাজার শহীদের রক্ত আর হাজার হাজার ছাত্রের পঙ্গুত্বের বিনিময়ে আমরা স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি। এই অর্জনকে নস্যাৎ করতে পর্দার আড়ালে এখনো ষড়যন্ত্র চলছে। কিন্তু এ দেশে আর কখনোই ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরতন্ত্রকে ফিরতে দেওয়া হবে না।”

​১১-দলীয় জোটের অঙ্গীকার ও প্রতীক হস্তান্তর

​আল্লামা মামুনুল হক জানান, ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বরং ১৮ কোটি মানুষের অধিকার নিশ্চিতে এই ১১-দলীয় জোট গঠিত হয়েছে। তিনি জোটের মূল লক্ষ্য হিসেবে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়া এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন।

​জনসভা শেষে তিনি মাদারীপুর-২ আসনের জোট প্রার্থী মাওলানা আব্দুস সোবহান খানের হাতে ‘রিকশা’ প্রতীক এবং মাদারীপুর-৩ আসনের প্রার্থী জনাব রফিকুল ইসলামের হাতে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক তুলে দিয়ে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

​উপস্থিত নেতৃবৃন্দ

​মাদারীপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মোখলেসুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন জোট প্রার্থী মাওলানা আব্দুস সোবহান খান ও রফিকুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় জামায়াত নেতা ড. খলিলুর রহমান মাদানী, জেলা সেক্রেটারি এনায়েত হোসেন, এনসিপি কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট শাকিল আহমেদ এবং খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় জোট নেতারা।

​বক্তারা আসন্ন নির্বাচনে জোট প্রার্থীদের জয়যুক্ত করে একটি বৈষম্যহীন ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার পথে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত নেত্রকোণার কৃতি সন্তান সোমেশ্বর অলি

মামুন রণবীর | নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ণ
শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত নেত্রকোণার কৃতি সন্তান সোমেশ্বর অলি

প্রিয়তমা সিনেমার বিখ্যাত ঈশ্বর গানের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছেন গীতিকার সোমেশ্বর অলি।

গত বৃহস্পতিবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২৩ ঘোষিত হয়। এই তালিকায় শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সোমেশ্বর অলি।

হিমেল আশরাফ পরিচালিত ও আরশাদ আদনান প্রযোজিত শাকিব খান অভিনীত ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার বহুল প্রশংসিত গান ঈশ্বর।

এই গান মুক্তির পর থেকেই দর্শক শ্রোতার মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং গানটির কথার গভীরতা ও আবেগপূর্ণ প্রকাশ বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়।

ঈশ্বর গানের মাধ্যমে প্রেম, বেদনা ও আত্মসংঘাতের অনুভূতি সাবলীল ভাষায় তুলে ধরেন গীতিকার সোমেশ্বর অলি, যা সিনেমাটির গল্পকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। সেইসঙ্গে সব শ্রেণীর দর্শকদেরকে এই গান প্রিয়তমা সিনেমা দেখতে ব্যাপকভাবে অনুপ্রাণিত করে।

সোমেশ্বর অলি বলেন, রাষ্ট্রীয় এই স্বীকৃতি অনেক বড় ব্যাপার। এই প্রাপ্তি আরও বড় হয় যখন কাছের মানুষ, বন্ধু, পরিবার, সহকর্মী বা দূরের মানুষরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। ব্যক্তিগতভাবে আমি অনেক বেশি আবেগপ্রবণ মানুষ নই। সবকিছুতে ইমোশন সংযম বা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।

অলি বলেন, জুরি বোর্ডের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি, কারণ তারা অনেক গানের মধ্যে ঈশ্বরকে যোগ্য মনে করেছেন। সেই সঙ্গে পরিচালক, প্রযোজক এবং শিল্পীদেরও কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জানাই।

নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার কৃতি সন্তান সোমেশ্বর অলির এই অর্জনে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ আনন্দ ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।

মাদারীপুরে আইনের তোয়াক্কা না করেই চলছে ৭৬টি অবৈধ ইটভাটা: বিপন্ন পরিবেশ, হুমকিতে জনস্বাস্থ্য

এস এম সোহাগ কাজী মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ণ
মাদারীপুরে আইনের তোয়াক্কা না করেই চলছে ৭৬টি অবৈধ ইটভাটা: বিপন্ন পরিবেশ, হুমকিতে জনস্বাস্থ্য

মাদারীপুর জেলায় নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই দাপটের সাথে চলছে ৭৬টি অবৈধ ইটভাটা। এসব ভাটায় কয়লার পরিবর্তে দেদারসে পোড়ানো হচ্ছে কাঠ, যার ফলে দূষিত হচ্ছে বাতাস এবং বিলীন হচ্ছে গাছপালা। এছাড়া কৃষি জমির উপরিভাগের মাটি (টপ সয়েল) কেটে নেওয়ায় কমছে ফসলি জমি, যা দীর্ঘমেয়াদী পরিবেশ বিপর্যয়ের শঙ্কা তৈরি করছে।

​​সরেজমিনে তদন্ত এবং প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী জেলায় ইটভাটার বর্তমান চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো:

​মোট ইটভাটা: ৯১টি

​বৈধ ইটভাটা: মাত্র ১৫টি

​অবৈধ ইটভাটা: ৭৬টি

​সবচেয়ে বেশি ইটভাটা: সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নে (২৫-৩০টি)

​৫ আগস্ট সরকার পতনের পর বেশ কয়েকটি ভাটা বন্ধ হলেও অধিকাংশ ভাটা মালিক আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। হাতেগোনা কয়েকটি ভাটা (যেমন: মেসার্স পিবিএফ ব্রিকস, জননী ব্রিকস ও মোল্লা ব্রিকস-২) নবায়নের জন্য আবেদন করলেও অধিকাংশেরই কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই।

​পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব

​স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ইটভাটার বিষাক্ত কালো ধোঁয়া এবং ধুলাবালিতে তারা অতিষ্ঠ। বিশেষ করে পাঁচখোলা ইউনিয়নের বাসিন্দা বেলাল হোসেন জানান, একটি ইউনিয়নে এতগুলো ইটভাটা থাকায় কৃষি জমি বিলুপ্তির পথে এবং সাধারণ মানুষ মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে।

​১. অবৈধ স-মিল: ভাটায় কাঠ কাটার জন্য ভেতরেই বসানো হয়েছে অবৈধ স-মিল।

২. বন উজাড়: বনের কাঠ পুড়িয়ে ইট প্রস্তুত করায় জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে।

৩. মাটি খনন: রাতের অন্ধকারে নদী ও ফসলি জমি থেকে মাটি কাটায় ভাঙন ঝুঁকি বাড়ছে।

৪. ছাড়পত্রহীন কার্যক্রম: সরকারি অনুমোদন ছাড়াই বছরের পর বছর এসব ভাটা চলছে।

​​জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আরিফুর রহমান জানান, তারা ইতিমধ্যে দুটি ভাটায় অভিযান চালিয়ে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। জেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে দ্রুত বাকি অবৈধ ভাটাগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​অন্যদিকে, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিগার সুলতানা বলেন, “নির্বাচনী কাজের ব্যস্ততার মাঝেও আমরা গত মাসে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করেছি। সাংবাদিকদের কাছে অবৈধ ইটভাটার তালিকা চাওয়া হয়েছে, তালিকা পেলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

​ এই প্রতিবেদনে স্থানীয় জনমতের প্রতিফলন এবং প্রশাসনের বক্তব্য গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হয়েছে যাতে যথাযথ কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারে।