খুঁজুন
রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

সাংবাদিককে ফাঁসাতে কক্সবাজার মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের লাইভ নাটক

কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ মার্চ, ২০২৫, ৫:১৯ পূর্বাহ্ণ
সাংবাদিককে ফাঁসাতে কক্সবাজার মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের লাইভ নাটক

সাংবাদিককে ফাঁসাতে কক্সবাজার মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের লাইভ নাটক

কক্সবাজারে এক সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (এডি) এ, কে, এম দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, আটক এক আসামিকে শিখিয়ে স্থানীয় অনলাইন চ্যানেল ডেকে লাইভ সম্প্রচার করা হয়েছে, যা কক্সবাজার মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঘটেছে।

রবিবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সাংবাদিক শাহিন মাহমুদ রাসেল তার ফেসবুকে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে এক নারী অভিযোগ করেন যে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা দিদারুল আলম তার স্বামীকে (সিএনজি চালক বজল করিম) মাদকের মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়েছেন। পোস্টের ক্যাপশনে সাংবাদিক রাসেল লেখেন,
“অপকর্মে মশগুল মাদকদ্রব্যের এডি দিদারুল। মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়া সিএনজি চালক বজল করিমের স্ত্রী রাশেদার আহাজারি!!”

সাংবাদিক শাহীন মাহমুদ রাসেল জানান, এক সিএনজি চালককে (বজল করিম) কোনো মাদক ছাড়াই দীর্ঘক্ষণ আটক রাখা হয়েছিল। এ বিষয়ে সহকারী পরিচালক দিদারুল আলমের সঙ্গে ফোনে কথা হলে বাকবিতণ্ডা হয়, তখন দিদারুল তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। কিছুক্ষণ পর চালকের স্ত্রী রাসেলকে ফোন করে জানান, তার স্বামীকে আর ছাড়বে না বলে কর্মকর্তারা হুমকি দিয়েছেন।

এরপর রাসেল ওই নারীর ভিডিও বক্তব্য ফেসবুকে পোস্ট করলেই তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। মাত্র দুই ঘণ্টার ব্যবধানে রাত সাড়ে ৯টায় মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের কার্যালয়ে আগে থেকে আটক থাকা এক আসামিকে শিখিয়ে সাংবাদিক রাসেলের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ানো হয় এবং সেটি লাইভ সম্প্রচার করা হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো অপরাধী শত্রুতাবশত বা কারো দ্বারা প্ররোচিত হয়ে যে কারো নাম বলতে পারে। তাই এমন অভিযোগ যাচাই না করে প্রচার করা আইনসম্মত নয়।

এই ঘটনার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা ও সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (ডিএনসি) কাজী গোলাম তওসিফ বলেন,
“এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপনারা লিখিত অভিযোগ দিন, আমি ডিজিকে বলে দিচ্ছি, দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”

এদিকে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) মমতাজ তানভীর এবং চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মো. জাহিদ হোসেন মোল্লা বলেন, “কোনো আসামি আদালতে স্বীকারোক্তি না দিলে বা রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে অন্য কারও নাম উল্লেখ না করলে তাকে আসামি করা যায় না। পাবলিক প্লেসে স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে কাউকে অভিযুক্ত করাও আইনসিদ্ধ নয়। বিষয়টি আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখছি।”

এডি দিদারুল আলম ২০১৩ সাল থেকে একই পদে দায়িত্বে রয়েছেন।

ঘটনার বিষয়ে কক্সবাজারের বিভিন্ন সাংবাদিক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন এবং ডয়েচ ভেলের কক্সবাজার প্রতিনিধি তৌফিকুল ইসলাম লিপু মনে করেন, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের কর্মকর্তাদের এমন কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রের জন্য পীড়াদায়ক। আইন রক্ষা যাদের কাঁধে তারাই আইনের ব্যত্যয় ঘটালে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। এছাড়া সাংবাদিককে নাটক সাজিয়ে অপরাধী বানানোর চেষ্টাও নিন্দনীয়।

দৈনিক ইত্তেফাক ও জাগো নিউজ-এর কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি সাইদ আলমগীর বলেন, “একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এমন নাটক সাজানো চরম অন্যায়। আমরা চাই, তদন্ত করে এর সঠিক বিচার করা হোক।”

দৈনিক যুগান্তর-এর কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন বলেন, “একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন কর্মকাণ্ড মেনে নেওয়া যায় না। দিদারুল আলমের আগের অপকর্মগুলোর তদন্ত হওয়া উচিত।”

কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক মেহেদী পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, “সাংবাদিকরা যদি মিথ্যা মামলার শিকার হন, তাহলে মুক্ত গণমাধ্যম হুমকির মুখে পড়বে। প্রশাসনের উচিত নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।”

দৈনিক সকালের সময়-এর কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি সাহেদ ফেরদৌস হিরো বলেন, “প্রশাসনের উচিত সাংবাদিকদের হয়রানি না করে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। এই ধরনের ঘটনা সাংবাদিকতার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ।”

স্থানীয় সাংবাদিক মহল ও সচেতন মহল এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দিদারুল আলমের অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।

প্রথমবারের মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি উদ্বোধন

ফারিহা তাহসীন রাইসা, রাবি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ
প্রথমবারের মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি উদ্বোধন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (রাকসুর) উদ্যোগে ক্যাম্পাসে প্রথমবারের মতো একটি ফার্মেসির উদ্বোধন করা হয়েছে।

এতে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরেই নিত্যপ্রয়োজনীয় সব ধরনের ওষুধ কিনতে পারবেন।

শুক্রবার (৮মে) বিকেল সাড়ে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবলিশ চত্বর সংলগ্ন এলাকায় এ ফার্মেসির উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনকালে রাকসুর এজিএস সালমান সাব্বির বলেন, ‌‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ৭২ বছরেও প্রশাসন পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল সেবা নিশ্চিত করতে পারেনি। এমনকি ক্যাম্পাসের ভেতরে একটিও ফার্মেসি ছিল না। আমাদের ইশতেহারে ছিল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি ফার্মেসি স্থাপন করা। আমরা রাকসুর উদ্যোগে ফার্মেসি চালু করতে সক্ষম হয়েছি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতায় এবং রাকসুর উদ্যোগে আজ ক্যাম্পাসের ভেতরে একটি ফার্মেসি চালু হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে এমন একটি স্থানে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যেখানে ছাত্রীদের সহজ যাতায়াত ও ওষুধ সংগ্রহের সুবিধা নিশ্চিত হবে।’

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন খান বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকলেও একটি ফার্মেসির অভাব ছিল, যা সত্যিই একটি অপূর্ণতা ছিল। আজ সেই অপূর্ণতার পূর্ণতা পেল।’

নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

ফারিহা তাহসিন রাইসা, রাবি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৫- ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে রাবি ক্যাম্পাস। নতুন পরিবেশ, নতুন স্বপ্ন এবং বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতাকে ঘিরে তাদের চোখেমুখে ছিল উচ্ছ্বাস আর কৌতূহলের ছাপ।

রবিবার (১০ মে) সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে নবীনদের আনাগোনা ছিল চোখে পড়ার মতো। সকাল ১০টায় বিভিন্ন অনুষদ ও বিভাগের সামনে তাদের সঙ্গে অভিভাবকদেরও দেখা যায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও বাড়তে থাকে।

ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, নবীনদের আগমনে নতুন রূপ ধারণ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার, প্যারিস রোড, টুকিটাকি চত্বর, আম চত্বর, পরিবহন মার্কেট, ইবলিশ চত্বরসহ বিভিন্ন জায়গায় নতুন-পুরোনো শিক্ষার্থীদের আড্ডা ছিল লক্ষণীয়।

প্রথন দিনের অনুভূতি জানতে চাইলে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী সালমান আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন পরিবেশ আমাদের জন্য অনেক আনন্দ আর উচ্ছ্বাসের। তবে এখানে আসার পথটা আমার জন্য সহজ ছিল না। ভর্তির শুরুটা ছিল বেশ কঠিন। প্রথমবার চান্স না পাওয়ায় ভীষণ হতাশায় পড়েছিলাম। সেই হতাশা কাটিয়ে দ্বিতীয়বার চেষ্টা করি, আর তখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাই।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী রিফাত বলেন, দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান শেষ আমি আজকে আমার জীবন নতুন যাত্রা শুরু করলাম, অনেক কষ্ট আর পরিশ্রমের মাধ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে অর্জন করতে পেরেছি। বিভাগের শিক্ষক , বড় ভাই বোন খুবই আন্তরিক। আমি আশা করছি আমার লক্ষ অর্জন করতে সক্ষম হবো।

ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষার্থী ফরহাদ রেজা বলেন, রাবি আমার কাছে ভালো লাগার ক্যাম্পাস। আমি এর আগেও এসেছি তখন থেকেই রাবির প্রতি আমার আলাদাভাবে ভালোলাগা শুরু হয়েছে। আমার আরো কিছু বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছিলো কিন্তু রাবিকেই আমি চয়েস হিসেবে নিয়েছি। ভালোভাবে পড়াশোনা করে বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আজকের দিনটি শুরু করতে যাচ্ছি

ব্যাংকিং এন্ড ইন্সুরেন্স বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী রাশেদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম দিন আসলেই ভালো লাগতেছে। ভিতর থেকে কেমন যে এক অজানা উদ্দিপনা কাজ করতেছে, আমিও এখন থেকে ০এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। চারদিকে নতুনত্ব, নতুন বন্ধু, নতুন পরিবেশ, নতুন একটা পরিবারের মতো লাগছে।

নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমান বলেন, ক্যাম্পাসে নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাই, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন তাদের মধুর হোক। একইসাথে আমি সর্তক করে দিতে চাই র‍্যাগিং আইনত দণ্ডনীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী এতে জড়ালে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সবাইকে সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ভর্তি প্রক্রিয়া শেষে আজ (১০ ম) বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ক্লাস শুরু হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে টুম্পা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনে অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে টুম্পা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনে অনিয়মের অভিযোগ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া ইউনিয়নের ঘনি বিষ্ণপুর গ্রামের সাদেকুল ইসলামের মেয়ে টুম্পা মনির বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে |

লাস্যময়ী টুম্পা মনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দোকানদার এবং কি ধনী লোককে ফাঁদে ফেলে টাকা নিয়ে টাকা আর দেয় না।টাকা চাইলে পরবর্তীতে উল্টা আরো হুমকি ধামকি দেয়।
এই মহিলা কে বিভিন্নভাবে আবু নামে একজন সহযোগিতা করে আসছে। এদের বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সময় কয়েকজন ব্যবসায়ী ও স্থানীয় ব্যক্তি আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন।
স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ নেওয়ার পর তা ফেরত না দেওয়া এবং টাকা ফেরত চাইলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক লিখিত অভিযোগ বা প্রশাসনিক তদন্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে এলাকাবাসীর একাংশ বলছেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত টুম্পার সাথে বার বার যোগাযোগ করা হলেও টুম্পা এব্যাপার এ কোন বক্তব্য দিতে রাজী হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা জনমাধ্যমে অভিযোগ প্রকাশের আগে যথাযথ প্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়ার অনুসরণ জরুরি। তারা বলছেন, এতে যেমন প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে, তেমনি কারও সম্মানহানির ঝুঁকিও কমবে।
প্রশাসনের প্রতি এলাকাবাসীর আহ্বান অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।