খুঁজুন
বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭ মাঘ, ১৪৩২

মানুষ উপদেশ শুনতে পছন্দ করে না : তাহসান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
মানুষ উপদেশ শুনতে পছন্দ করে না : তাহসান

তাহসান খান (ছবি সংগৃহীত)

‘ফ্যামিলি ফিউড’ ফ্র্যাঞ্চাইজি নিয়ে এসেছে বঙ্গ। এনটিভিতে প্রচারের পর এটি বঙ্গ অ্যাপেও দেখা যাচ্ছে। টান টান উত্তেজনায় ভরা পারিবারিক বিনোদনমূলক এ শোর উপস্থাপনা করছেন তাহসান। গত মাসের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠানটির প্রচার শুরু হয়েছে। প্রথম মৌসুমে ২৪ পর্ব ধারণ করা হয়েছে। এ অনুষ্ঠানে ভিন্ন রকম এক তাহসানকে সবাই আবিষ্কার করেছেন। পারিবারিক এই শোতে অংশ নেওয়া প্রতিযোগীরাও তাহসানকে উপস্থাপক হিসেবে পেয়ে বেশ মজা পেয়েছেন।

গত রোববার দুপুরে কথা প্রসঙ্গে তাহসান বললেন, ‘এই শো বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বেশ জনপ্রিয়। অনেক আগে থেকে আমিও দেখেছি। যাঁরাই এই অনুষ্ঠান দেখেছেন, তাঁরা ধরনটা জানেন। যাঁরা নতুন দেখছেন, তাঁদের জন্য অন্য রকম মজা। স্টিভ হার্ভেকে দেখছি অনেক বছর। শো করতে গিয়ে আমার মধ্যে রোমাঞ্চকর ব্যাপারটা কাজ করছে। তবে প্রত্যেক উপস্থাপকের নিজস্ব একটা স্টাইল থাকে। আমি এ অনুষ্ঠানে তাঁর সেই স্টাইল অনুসরণ না করে আমার দেশের কথা ভেবে, নিজের ব্যক্তিত্বের কথা মাথায় রেখে শোটা করছি। মানুষও উপভোগ করছে। আমাদের দেশে পারিবারিক শোর অভাব ছিল। এই অনুষ্ঠান সে অভাব অনেকটা ঘুচিয়েছে।’

শেষ কবে উপস্থাপনা করেছেন, তাহসানের মনে নেই। বললেন, ‘১২ কি ১৫ বছর তো হবেই।’

দীর্ঘদিন পর উপস্থাপনা প্রসঙ্গে তাহসান বললেন, ‘আমি চেয়েছি ভিন্নভাবে আসতে। আমার বন্ধুবান্ধব আর পরিবারের সবার সঙ্গে যেভাবে আড্ডা দিই, এখানেও সে রকম থাকার চেষ্টা ছিল। জোর করে আমাকে কিছু করতে হয়নি। গুরুগম্ভীর কিছু চাইনি।’

তাহসানের প্রিয় উপস্থাপকেরা

গানের পাশাপাশি একটা সময় অভিনয়েও নাম লেখান তাহসান। এখন টেলিভিশনের শোর উপস্থাপক হিসেবেও দেখা যাচ্ছে। তাঁর মতে, এখন উপস্থাপনার ধরনও পাল্টে গেছে। একটা সময় যাঁরা টেলিভিশনে উপস্থাপনা করতেন, তাঁরাই ছিলেন উপস্থাপক। এখন পডকাস্টের যুগ। উপস্থাপনার জায়গাটাও তাই অনেক বিস্তৃত।

তাহসান জানালেন, তিনি দীর্ঘ সময় ধরে জন স্টুয়ার্ট, স্টিভেন কোলবার্ট ও ট্রেভর নোয়ার উপস্থাপনা দেখেছেন।

তাহসান বললেন, ‘এই তিনজনের উপস্থাপনা বেশি দেখেছি। এত সুন্দর করে জাতীয় ও জনপ্রিয় সব ইস্যু নিয়ে কথা বলেন, মনে হয় এন্টারটেইনমেন্টের সঙ্গে অনেক শিক্ষণীয়ও। আমাদের দেশে আমরা যেটা পারি না, শিক্ষণীয় হলে বেশি শিক্ষণীয় হয়ে যায়। আর এন্টারটেইনিং হলে বেশি এন্টারটেইনিং হয়ে যায়। যাঁরা সমাজ বদলাতে চান, তাঁরা এত বেশি উপদেশমূলক কথা বলে ফেলি যে মানুষের কাছে তা সেভাবে পৌঁছায় না। মানুষ আসলে উপদেশ শুনতে পছন্দ করে না। কারও আবার রসবোধ এত বেশি যে শিক্ষণীয় কিছুও থাকে না। মাঝামাঝি একটা জায়গায় থাকার ব্যাপারটা অবশ্য আমি এই তিনজনের কাছ থেকে শিখেছি।’

দেশের মধ্যে তিনজন উপস্থাপক তাহসানের প্রিয়। তাঁর মতে, হানিফ সংকেতই বাংলাদেশে ৩৫ বছর ধরে এন্টারটেইনমেন্ট ও শিক্ষণীয় বিষয়কে সুন্দরভাবে সমন্বয় করেছেন। ছোটবেলায় ফজলে লোহানীর উপস্থাপনা দারুণ লাগত। এরপর আব্দুন নূর তুষারও তাহসানের খুব পছন্দের।

ঠাকুরগাঁও–২ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন  বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী তুলা

MD JAMIL HASAN
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁও–২ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন  বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী তুলা

ঠাকুরগাঁও–২ (বালিয়াডাঙ্গী–হরিপুর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্বতন্ত্র প্রার্থী শেষ পর্যন্ত তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এতে করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আলোচিত এই আসনে রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড় সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন করেন।রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই তার মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

মো. জুলফিকার মর্তুজা চৌধুরী তুলা জানায়, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা ও সামগ্রিক নির্বাচনী কৌশলের অংশ হিসেবেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে বিএনপির জেলা কিংবা কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কোনো নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও–২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। বিদ্রোহী প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের ফলে এ আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থীর ডা. আব্দুস সালাম এর অবস্থান আরও সুসংহত হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী মাঠে বিএনপির সাংগঠনিক ঐক্য জোরদার করবে এবং ভোটের হিসাবেও দলটি সুবিধাজনক অবস্থানে যাবে। এই আসনে বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী থাকলেন ৭ জন।

নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় স্ত্রীর মৃত্যুদন্ড

মামুন রণবীর | নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় স্ত্রীর মৃত্যুদন্ড

Oplus_131072

নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামী রুক্কু মিয়াকে (৩৮) কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রী রুবিনা আক্তারকে (৩৭) মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেয়া হয়েছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জেলা জজ মোছা. মরিয়ম-মুন-মুঞ্জুরী এই রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত রুবিনা আক্তার (৩২) জেলার পূর্বধলা উপজেলার কৈলাটি গ্রামের বজলুর রহমানের মেয়ে। তার স্বামী নিহত রুক্কু মিয়া একই উপজেলার লেটিরকান্দা গ্রামের শামছুর রহমানের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, রুক্কু মিয়া তিনটি বিয়ে করেছিলেন। প্রথম স্ত্রী রুবিনা ছাড়াও পরে নোয়াখালীতে দ্বিতীয় ও গাজীপুরে তৃতীয় বিয়ে করেন। রুক্কুর সঙ্গে ১১ বছরের সংসার জীবনে রুবিনার ৯ বছর ও ৭ বছরের দুইটি মেয়ে রয়েছে। কিন্তু কয়েক বছর ধরে তিনি তাদের ভরণপোষণ দিচ্ছিলেন না। এতে চরম কলহ দেখা দেয়। এই দাম্পত্য কলহের জেরে ২০২১ সালের ১৪ মে, ঈদের দিন সন্ধ্যায় রুক্কু মিয়া শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গেলে রাতের খাবার শেষে ঘুমন্ত অবস্থায় রুবিনা তাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

এই হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত রুক্কুর ভাই মো. আসান মিয়া বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে ওই মামলায় ১১ জনের সাক্ষ্য শেষে রুবিনা আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আদালত।

রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম বলেন, এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড। মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ ও উপস্থাপিত আলামত পর্যালোচনা করে আদালত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করছে।

রাবি ডিবেটিং ফোরামের নতুন কমিটি গঠন

রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
রাবি ডিবেটিং ফোরামের নতুন কমিটি গঠন

রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ফোরাম (RUDF)-এর ১৭তম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে চিফ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফাইনান্স বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের মোসাঈব ইবনে আনোয়ার।

গত ১৫ জানুয়ারি বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচনের মাধ্যমে ৬ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি গঠন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও মডারেটর মহোদয়।

কমিটিতে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রত্যয় সারার শিহাব, রাকিবুল হাসান স্বাধীন, মাফিউল ওয়াহিদ সিহাব, তামিম খান ও সৌকত খান অন্তু।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সাল থেকে রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ফোরাম (RUDF) শিক্ষার্থীদের বিতর্ক শেখানোর জন্য কাজ করে আসছে এবং একই সাথে জাতীয় পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় কে প্রতিনিধিত্ব করে আসছে।