খুঁজুন
বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭ মাঘ, ১৪৩২

মহেশখালীর কৃতি সন্তান নুরুল আজিম: ক্রীড়াঙ্গনে গৌরবোজ্জ্বল যাত্রা ও অবদান

ওসমান / জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
মহেশখালীর কৃতি সন্তান নুরুল আজিম: ক্রীড়াঙ্গনে গৌরবোজ্জ্বল যাত্রা ও অবদান

মহেশখালীর কৃতি সন্তান নুরুল আজিম: ক্রীড়াঙ্গনে গৌরবোজ্জ্বল যাত্রা ও অবদান

মহেশখালীর গর্ব মো: নুরুল আজিম তার কর্মজীবন ও ক্রীড়াঙ্গনে অসাধারণ সাফল্যের জন্য দেশজুড়ে প্রশংসিত। তিনি বাংলাদেশের বিডিআরের (বর্তমানে বিজিবি) একজন সম্মানিত কর্মকর্তা ছিলেন এবং কুস্তি খেলায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একাধিক পদক অর্জন করেছেন।

পারিবারিকভাবে তিনি এমপি ও চট্টগ্রাম জেলা উন্নয়ন সমন্বয়কারী মরহুম রশীদ মিয়ার আপন বড় ভাই মরহুম আবুল খায়ের মাস্টারের সন্তান। তাঁর বড় ভাই মরহুম নুরুল আবছার (বিসিএস) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা ছিলেন, আর মেজ ভাই মরহুম নুরুল ইসলাম ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ।

নুরুল আজিমের শিক্ষাজীবন শুরু হয় পিলখানা বিডিআর একাডেমিতে, যেখানে তিনি উচ্চশিক্ষায় গভীর আগ্রহ প্রদর্শন করেন। ১৯৭৬ সালের ২৬ জুলাই তিনি বিডিআরে যোগ দেন এবং ল্যান্স নায়েক, নায়ক এবং অবশেষে হাবিলদার পদে উন্নীত হন।

একজন কৃতি কুস্তিগীর হিসেবে তিনি বাংলাদেশ অলিম্পিকে স্বর্ণপদক (১৯৮০) অর্জন করেন। জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় তিনি একাধিক স্বর্ণপদক (১৯৮১, ১৯৮৩) এবং রৌপ্যপদক (১৯৮২, ১৯৮৪) লাভ করেন। ১৯৮৬ সালে লাহোর, পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কুস্তি প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন।

১৯৮৮ সালে চতুর্থ বাংলাদেশ গেমসে তিনি স্বর্ণপদক জয় করেন এবং ১৯৮৯ সালে দক্ষিণ এশিয়ান ফেডারেশন (সাফ) গেমসের কুস্তি প্রতিযোগিতায় তৃতীয় হন।

পেশাগত জীবনের শেষ পর্যায়ে তিনি বিডিআরের হাবিলদার পদে দায়িত্ব পালন করেন, যেখানে তিনি একজন আদর্শ সৈনিক ও নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

নুরুল আজিমের অবদান তার কর্মজীবনের গণ্ডির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; তিনি তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবেন। ক্রীড়াঙ্গনে তার অসামান্য সাফল্য মহেশখালীর মানুষের জন্য গর্বের বিষয় এবং জাতীয় ক্রীড়া উন্নয়নে একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

ঠাকুরগাঁও–২ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন  বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী তুলা

MD JAMIL HASAN
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁও–২ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন  বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী তুলা

ঠাকুরগাঁও–২ (বালিয়াডাঙ্গী–হরিপুর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্বতন্ত্র প্রার্থী শেষ পর্যন্ত তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এতে করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আলোচিত এই আসনে রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড় সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন করেন।রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই তার মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

মো. জুলফিকার মর্তুজা চৌধুরী তুলা জানায়, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা ও সামগ্রিক নির্বাচনী কৌশলের অংশ হিসেবেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে বিএনপির জেলা কিংবা কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কোনো নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও–২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। বিদ্রোহী প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের ফলে এ আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থীর ডা. আব্দুস সালাম এর অবস্থান আরও সুসংহত হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী মাঠে বিএনপির সাংগঠনিক ঐক্য জোরদার করবে এবং ভোটের হিসাবেও দলটি সুবিধাজনক অবস্থানে যাবে। এই আসনে বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী থাকলেন ৭ জন।

নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় স্ত্রীর মৃত্যুদন্ড

মামুন রণবীর | নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় স্ত্রীর মৃত্যুদন্ড

Oplus_131072

নেত্রকোণায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামী রুক্কু মিয়াকে (৩৮) কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রী রুবিনা আক্তারকে (৩৭) মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেয়া হয়েছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জেলা জজ মোছা. মরিয়ম-মুন-মুঞ্জুরী এই রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত রুবিনা আক্তার (৩২) জেলার পূর্বধলা উপজেলার কৈলাটি গ্রামের বজলুর রহমানের মেয়ে। তার স্বামী নিহত রুক্কু মিয়া একই উপজেলার লেটিরকান্দা গ্রামের শামছুর রহমানের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, রুক্কু মিয়া তিনটি বিয়ে করেছিলেন। প্রথম স্ত্রী রুবিনা ছাড়াও পরে নোয়াখালীতে দ্বিতীয় ও গাজীপুরে তৃতীয় বিয়ে করেন। রুক্কুর সঙ্গে ১১ বছরের সংসার জীবনে রুবিনার ৯ বছর ও ৭ বছরের দুইটি মেয়ে রয়েছে। কিন্তু কয়েক বছর ধরে তিনি তাদের ভরণপোষণ দিচ্ছিলেন না। এতে চরম কলহ দেখা দেয়। এই দাম্পত্য কলহের জেরে ২০২১ সালের ১৪ মে, ঈদের দিন সন্ধ্যায় রুক্কু মিয়া শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গেলে রাতের খাবার শেষে ঘুমন্ত অবস্থায় রুবিনা তাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

এই হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত রুক্কুর ভাই মো. আসান মিয়া বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে ওই মামলায় ১১ জনের সাক্ষ্য শেষে রুবিনা আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আদালত।

রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম বলেন, এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড। মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ ও উপস্থাপিত আলামত পর্যালোচনা করে আদালত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করছে।

রাবি ডিবেটিং ফোরামের নতুন কমিটি গঠন

রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
রাবি ডিবেটিং ফোরামের নতুন কমিটি গঠন

রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ফোরাম (RUDF)-এর ১৭তম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে চিফ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফাইনান্স বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের মোসাঈব ইবনে আনোয়ার।

গত ১৫ জানুয়ারি বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচনের মাধ্যমে ৬ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি গঠন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও মডারেটর মহোদয়।

কমিটিতে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রত্যয় সারার শিহাব, রাকিবুল হাসান স্বাধীন, মাফিউল ওয়াহিদ সিহাব, তামিম খান ও সৌকত খান অন্তু।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সাল থেকে রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ফোরাম (RUDF) শিক্ষার্থীদের বিতর্ক শেখানোর জন্য কাজ করে আসছে এবং একই সাথে জাতীয় পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় কে প্রতিনিধিত্ব করে আসছে।